![]() |
| [ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ] |
এমনিতে নগরবাসীর মধ্যে তালাবিষয়ক সচেতনতার ঘাটতি থাকলেও তালাচর্চার ঐতিহ্য বহু পুরোনো। নানা ঝড়ঝাপটার মধ্যেও এই ঐতিহ্য টিকে আছে সগৌরবে। এই তো সেদিন, নেতাকে ভর্তি না করায় কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে তালা ঝুলিয়ে দিলেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। সৈয়দপুরের পাইলট স্কুলে তালা লাগিয়ে দিলেন আওয়ামী লীগ নেতা। শ্রীপুরের কার্টন কারখানা থেকে কারমাইকেল কলেজের প্রশাসনিক ভবন, ঢাকা মেডিকেলের বহির্বিভাগ থেকে লক্ষ্মীপুরের মুরগির খামার—কোনোটিই বাদ নেই তালাচর্চা থেকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণার পর চারদিকে এখন তালা নিয়ে কান ঝালাপালা। জয় তালা!
সংযুক্তি
ই-প্রথম আলো □ প্রথম আলো অনলাইন ১ □ প্রথম আলো অনলাইন ২
ফেসবুক ফ্যান পেইজ □ সামহোয়্যারইন ব্লগ
প্রকাশকাল : ১৩ আগস্ট ২০১২
সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বাচ্চাকাচ্চা বড়ো হয়েছে কিনা জানি না। তবে তাদের জন্য গত সোমবার চরম আনন্দের একটি দিন ছিল নিশ্চয়ই। জাতির পিতার পরিবারের সদস্য হিসেবে তারা এখন থেকে আজীবন বাড়ি-গাড়ি-এসএসএফের পাহারা পাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে। জাতির পিতার নাতির সন্তান বলে কথা! গত সোমবার নতুন আইন হয়েছে এই মর্মে- এখন থেকে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা সুরক্ষিত ও নিরাপদ আবাসন সুবিধাসহ সার্বক্ষণিক রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা পাবেন। জাতির পিতার পরিবারের সদস্য মানে, কারা কারা? নিচের দিকে কতদূর যেতে পারে? ভাইপো-ভাগ্নে লেভেল পর্যন্ত যাবে কিনা- এ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আমরা প্রজারা একটু উদ্বিগ্ন। কারণ জাতির পিতার পরিবারের নিরাপত্তাই আমাদের দেশের সবচেয়ে বড়ো সমস্যা। অবশ্য আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতির পিতার পরিবারের সদস্য কারা, সেটা পরে 'সুযোগমতো' সংজ্ঞায়িত করা হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের গত দফায়, ২০০১ সালে, ঠিক এইরকম একটি আইন করা হয়েছিল। তখন শেখ হাসিনা নিজের জন্য গণভবনটি নিয়েছিলেন আর ছোট বোন শেখ রেহানা ধানমন্ডিতে বাড়ি বরাদ্দ পেয়েছিলেন। এই ধরনের মহতী উদ্যোগ নিয়েও আওয়ামী লীগ সেবার ভোট পায়নি। সামনের বার পাবে নিশ্চয়ই! প্রজা হিসেবে আমার নিজেরও খুউব আনন্দ লাগছে।
ধাতব মুদ্রায় ভক্তি-শ্রদ্ধা টিকিয়ে রাখার পদ্ধতি
সরকার ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ৫ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত যতো নোট আছে, ২০১০ সালের মধ্যে তার সবগুলোতেই বঙ্গবন্ধুর ছবি সংযুক্ত হবে। শুধু তা-ই নয়, বঙ্গবন্ধুর পূণ্য প্রতিকৃতি সম্বলিত ১ টাকার ও ২ টাকার নোট এবং ধাতব মুদ্রা তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে অচিরেই। ধাতব মুদ্রা যেহেতু বেশি দিন টেকে, ফলে মুজিবের ওপর জনগণের ভক্তি-শ্রদ্ধাও আশা করি বেশি দিন টিকবে। খুবই ক্রিয়েটিভ আইডিয়া- এতে কোনো সন্দেহ নেই! আমি মুগ্ধ রীতিমতো।
সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছবি বড়ো আকারে দেখতে চাইলে Click This Link
ধাতব মুদ্রায় ভক্তি-শ্রদ্ধা টিকিয়ে রাখার পদ্ধতি
সরকার ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ৫ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত যতো নোট আছে, ২০১০ সালের মধ্যে তার সবগুলোতেই বঙ্গবন্ধুর ছবি সংযুক্ত হবে। শুধু তা-ই নয়, বঙ্গবন্ধুর পূণ্য প্রতিকৃতি সম্বলিত ১ টাকার ও ২ টাকার নোট এবং ধাতব মুদ্রা তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে অচিরেই। ধাতব মুদ্রা যেহেতু বেশি দিন টেকে, ফলে মুজিবের ওপর জনগণের ভক্তি-শ্রদ্ধাও আশা করি বেশি দিন টিকবে। খুবই ক্রিয়েটিভ আইডিয়া- এতে কোনো সন্দেহ নেই! আমি মুগ্ধ রীতিমতো।
সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছবি বড়ো আকারে দেখতে চাইলে Click This Link
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, পুতুল, এসএসএফ, শেখ মুজিব, আওয়ামী লীগ, sheikh mujib, awami league, sheikh hasina, special security force, ssf, putul ;
প্রথম প্রকাশ
বিজ্ঞাপনে মুখ ঢেকে যায়। পত্রিকার পাতাও। শত শত বিজ্ঞাপনের মধ্যে কোনোটি দেখা হয়, কোনোটি না। কোনোটি ভালো লাগে, কোনোটি লাগে না। সেরকমই এক ভালো না লাগা বিজ্ঞাপন ব্লগারদের জন্য তুলে দিলাম।একজনে আমার জিনিস আমারেই পাঠাইল!
মেইল চেক করলাম একটু আগে, প্রতিদিনের মতোই। হায়, একজনে আমার করা জিনিস শেষমেশ আমারেই পাঠাইল। কিন্তু সে জানে না, এইটা আমারই করা ! এখন মনে হচ্ছে, নিজের একটা সিগনেচার অ্যাড করে দিলেই পারতাম। তবে সবমিলিয়ে ব্যাপারটি ভালো লাগল। হে... হে... হে....
বি.দ্র. : নিজের ঢোল নিজেই পিটাইও। অন্যকে দিলে উহা ফাটাইয়া ফেলিতে পারে।


