![]() |
| [ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ] |
![]() |
| [ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ] |
![]() |
| [ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ] |
![]() |
| [ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ] |
![]() |
| [ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ] |
কমান্ডো প্রশিক্ষণ। তার আগে জাতীয় ক্রিকেট দলের জন্য পাকিস্তান সফরের উপযোগী জার্সি নির্বাচনও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। বিসিবির সভাপতির বিপুল ব্যস্ততার কথা মাথায় রেখে রস+আলোই নিল জার্সি ডিজাইন প্রতিযোগিতার গুরুভার। জার্সি বিচারের ভার পাঠকের হাতে।
সংযুক্তি
প্রথম আলো অনলাইন □ ই-প্রথম আলো ১ □ ই-প্রথম আলো ২ □ই-প্রথম আলো ৩ □ ই-প্রথম আলো ৪
ফেসবুক ফ্যান পেইজ ১ □ ফেসবুক ফ্যান পেইজ ২ □ ফেসবুক ফ্যান পেইজ ৩
প্রকাশকাল : ২৩ এপ্রিল ২০১২
![]() |
| [পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন] |
ক্রিকেট বোর্ডের জনবল
■ সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে নোয়াখালীতে কর্মরত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যুগ্ম মহাপরিচালককে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।
■ কৃষি মন্ত্রণালয়, সড়ক ও রেলপথ বিভাগ এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একজন করে প্রতিনিধি জাতীয় ক্রিকেট দলের মূল নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে যেকোনো ম্যাচে দলের ব্যাটিং অর্ডার ঠিক করবেন সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের একজন সহকারী সচিব।
■ পর্যায়ক্রমে দলের কোচ হবেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীন বন সংরক্ষক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা। এ ছাড়া সরকারের চাহিদামোতাবেক যেকোনো সরকারি কর্মকর্তা (স্বাস্থ্য বিভাগ ছাড়া) ওই পদে কাজ করতে বাধ্য থাকবেন।
■ ক্রিকেট বোর্ড শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি হবেন সাকিব আল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আশরাফুল।
বেতন-ভাতা
প্রচলিত সরকারি কর্মচারী মজুরি কাঠামো অনুযায়ী ক্রিকেটারদের বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। তবে দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালে ক্রিকেটাররা হাতখরচ বাবদ দৈনিক এক হাজার ১২৫ টাকা হারে ভাতা পাবেন। আর আন্তর্জাতিক ম্যাচ জিতলে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটাররা ৬৮০ টাকা হারে সরকার-নির্ধারিত অতিরিক্ত উৎসাহ ভাতা পাবেন।
![]() |
| [পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন] |
বিশ্বব্যাংক ও নারীবাদী সংগঠনগুলোর অব্যাহত চাপে জাতীয় ক্রিকেট দলের ৩০ ভাগ জায়গা মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ এবং উপজাতীয় কোটায় একটি আসন সংরক্ষণ করা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু সরকারি আইন
■ সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনগুলোতে কোনো ধরনের জাতীয় বা আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে না।
■ যেকোনো ম্যাচের বিরতি চলাকালে মন্ত্রী ও সরকারদলীয় নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করবেন। এ সময় সব ক্রিকেটারকে বাধ্যতামূলকভাবে ড্রেসিংরুমে উপস্থিত থেকে বক্তব্য শ্রবণ করতে হবে।
■ ম্যাচ চলাকালে কোনো বোলার কিংবা ব্যাটসম্যান ইনজুরিতে পড়লে ১০ জন নিয়েই খেলতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের আদেশ ব্যতিরেকে তার বদলি হিসেবে অন্য কাউকে দলে নেওয়া যাবে না। ইনজুরি আক্রান্ত ক্রিকেটারকে অবশ্যই দুজন গেজেটেড অফিসারের প্রত্যয়ন ও ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পসহ সরকারি নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হবে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একজন সরকারি চিকিৎসক ও নিকটস্থ থানার একজন উপপরিদর্শকের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই একজন ক্রিকেটার ইনজুরি আক্রান্ত বলে গণ্য হবেন।
■ ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালে যেকোনো ধরনের লাফালাফি, হাত-পা ছোড়াছুড়ি, হাস্যরস ১৯৭৭ সালের সরকারি কর্মচারী আচরণবিধির পরিপন্থী বলে গণ্য হবে। শুধু বোলিংয়ের সময় সরকারি বিধিমোতাবেক একটি বিশেষ উচ্চতা পর্যন্ত লাফানো যাবে।
■ ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারের প্রতিটি সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের একজন উপহিসাবরক্ষক পরীক্ষা করে দেখবেন। তবে কোনো সিদ্ধান্ত থার্ড আম্পায়ার পর্যন্ত গেলে আইন ও বিচার-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি তা পুনরায় পর্যালোচনা করবে।
উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবর্তন
■ কৃচ্ছ্রসাধনের লক্ষ্যে প্রচলিত ক্রিকেট বলের পরিবর্তে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থা কর্তৃক উদ্ভাবিত বিশেষ পাটজাত বল ব্যবহার করা হবে।
■ কোনো মাসে সরকার যদি ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনে অপারগ হয়, তাহলে শুধু ওই মাসের জন্য নির্ধারিত ক্রিকেট ম্যাচগুলো উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হবে। ইজারাগ্রহীতা দর্শকদের কাছ থেকে টোল আদায়ের মাধ্যমে রাজস্ব সংগ্রহ করবে।
■ ক্রিকেট মাঠে চিয়ারলিডার সরবরাহ এবং বিরতির সময় সংগীত পরিবেশনের দায়িত্ব পাবে যৌথভাবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী ও রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ঐক্য লিগ বা দল।
■ শুধু উল্লেখযোগ্য ক্রিকেট রেকর্ডগুলোই পরিসংখ্যান ব্যুরোতে সংরক্ষণ করা হবে অনধিক পাঁচ বছরের জন্য।
অবসর ও পেনশন
নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক ক্রিকেটারই ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ খেলতে পারবেন। তবে সরকার চাইলে অবসরভোগীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে ম্যাচ খেলাতে পারবে। অবসরের পর বিধিমোতাবেক পেনশন-সুবিধা প্রাপ্য হবেন সবাই।
টিকিট প্রাপ্তিস্থান
ক্রিকেট ম্যাচের টিকিট পাওয়া যাবে শুধু বাংলাদেশের ডাক বিভাগের সব শাখা ও জীবন বীমা করপোরেশনের প্রধান কার্যালয়ে, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা পৌনে একটার মধ্যে। ওয়েবসাইট, মোবাইল কিংবা সরকারি অনুমোদনহীন কোনো প্রতিষ্ঠান টিকিট বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকলে তা হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
টেলিভিশন সম্প্রচার
প্রতিটি ক্রিকেট ম্যাচ বাধ্যতামূলকভাবে শুধু বাংলাদেশ টেলিভিশনেই প্রদর্শিত হবে, অফপিক আওয়ারে। যদি কোনো ম্যাচ সরাসরি দেখানো হয়ে থাকে, তাহলে বিটিভির সংবাদ এবং নিয়মিত অনুষ্ঠানমালার ফাঁকে ফাঁকেই ওই ম্যাচ প্রদর্শিত হবে যথাসম্ভব।
ঘরের রাজনীতি, বাইরের চাপ
■ সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের দাবির মুখে ৫০ ওভারের ম্যাচ তাদের চাহিদামতো ৩০ ওভার বা তারও কম ওভারে হতে পারবে।
■ বিলাসদ্রব্য ক্রয় খাতে ঋণ দেওয়ার আগে ক্রিকেট বোর্ডকে ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তরের জন্য সরকারের ওপর জোর চাপ প্রয়োগ করবে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক।
সরকারি সংস্থায় কর্মরত ক্রিকেটারদের অবস্থান
ম্যাচের বাইরে ক্রিকেটারদের যেসব পদে নিয়মিত সরকারি দায়িত্ব পালন করতে হবে, তা নিম্নরূপ—
সাকিব আল হাসান
সিনিয়র হিসাব সহকারী, গণপূর্ত বিভাগ।
তামিম ইকবাল
উপপরিচালক (যানবাহন), চট্টগ্রাম বন্দর।
মাশরাফি বিন মুর্তজা
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
ইমরুল কায়েস
খাদ্য পরিদর্শক, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়।
জুনায়েদ সিদ্দিক
মৎস্য জরিপ কর্মকর্তা, জেলা মৎস্য অফিস।
রকিবুল হাসান
উচ্চমান সহকারী, জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।
শাহরিয়ার নাফীস
সহকারী পরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর।
মোহাম্মদ আশরাফুল
পরিবারকল্যাণ পরিদর্শক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর।
মুশফিকুর রহিম
সমবায় কর্মকর্তা, জেলা সমবায় অফিস।
নাঈম ইসলাম
হিসাবরক্ষক, জেলা আনসার ও ভিডিপি অফিস।
মাহমুদউল্লাহ
উপসহকারী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড।
আবদুর রাজ্জাক
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।
রুবেল হোসেন
ভান্ডাররক্ষক, সিভিল সার্জনের কার্যালয়।
শফিউল ইসলাম
রাজস্ব কর্মকর্তা, শুল্ক ও আবগারি কার্যালয়।
নাজমুল হোসেন
সিনিয়র প্রশিক্ষক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী
ফিল্ড অফিসার, ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
সংযুক্তি :
ই-প্রথম আলো ১ | ই-প্রথম আলো ২ | প্রথম আলো ওয়েব | সামহোয়্যারইন ব্লগ
প্রকাশকাল : ২১.০৩.২০১১
ই-প্রথম আলো ১ | ই-প্রথম আলো ২ | প্রথম আলো ওয়েব | সামহোয়্যারইন ব্লগ
প্রকাশকাল : ২১.০৩.২০১১
সাফের আগে বাংলাদেশ ফুটবল দলের বৃদ্ধ খেলোয়াড় রজনী বেশ গর্ব নিয়ে জানিয়েছিল, তারা চমৎকার একটি টিম পেয়েছে। তাই সবাই নাকি নিজেদের উজাড় করে দিয়ে খেলবেন। পরের ফলাফল সবার জানা। নিজেদের মাঠে সেমিফাইনালে গো-হারা হেরে সাফ ফুটবল থেকে বিদায় নিল বাংলাদেশ। তারও আগে বাদল রায় এবং অন্যরা মিলে ব্রাজিলিয়ান কোচ ডিডোকে অপমানজনকভাবে বিদায় করল। সালাউদ্দিন নিজেই সেদিন স্বীকারোক্তি দিলেন, বর্তমান ফুটবল দলের ৭-৮ জন খেলোয়াড় একেবারেই অযোগ্য। সালাউদ্দিন মনে করেন, তারা নিজেরাই অবসর নিয়ে নিলে ভালো হয়। কিন্তু কোথায় কী, এইটা বাংলাদেশ না! হকি দলে গতকাল ঘটল আরেক কাণ্ড। এসএ গেমসের ক্যাম্পে থাকা জাতীয় হকিদলের সব খেলোয়াড় একযোগে পদত্যাগ করল দল থেকে। ঘটনা কী? ঘটনা হল জার্মান কোচ গেরহার্ড পিটার রাক নাকি এই মহামান্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে অসহযোগিতা করেছেন। অসহযোগিতা মানে? জাতীয়দলের জার্মান কোচ গেরহার্ড পিটার রাক বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ইতালি, জার্মানি, নেদারল্যান্ডসহ ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাবে খেলার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, এসএ গেমসের প্রস্তুতির জন্য আরেক দফায় জার্মানিও নিয়ে গিয়েছিলেন এই খেলোয়াড়দের। এই পর্যন্ত সব ঠিক আছে। কিন্তু জার্মান কোচ গেরহার্ড জানতেন না যে, এইগুলা হল বাংলাদেশী মাল। এদের শুধু সুযোগ করে দিলে হবে না, শুধু জার্মানি ঘুরিয়ে আনলে হবে না, ইউরোপের ক্লাবে খেলার সুযোগ করে দিলেও হবে না - এদের পিঠে নিয়ম করে তেলও মালিশ করে দিতে হবে! বোকা গেরহার্ড সেটা করেননি। তাই খেলোয়াড়রা খেপে গেছে। এসএ গেমসের আগে আগে জাতীয় দলের ১৯ খেলোয়াড় অবশেষে গতকাল পদত্যাগ করলো।
খেলোয়াড়রা অভিযোগ তুলে বলেছেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে খেলার সময় কোচ গেরহার্ড বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগ পর্যন্ত করেননি। ক্লাবে ক্লাবে ঘুরে খেলোয়াড়দের সবকিছু নাকি তদারকি করার কথাও ছিল কোচের।
আহা, কী দুঃখ! চলুন ভাই ব্লগাররা, ১৯টি ললিপপ কিনে জাতীয় হকি দলের খেলোয়াড়দের দিয়ে আসি!
প্রথম প্রকাশ
আমার এক সুহৃদ আছেন- জাদুকর। তার একটি মেয়ে আছে- সাত কি আটে পড়েছে। ম্যাজিক শোতে বাবা তাকে সঙ্গী করে নিয়ে যায়। মেয়েটা কখনো 'তরবারি ম্যাজিকে' চাদরমুড়ি দিয়ে শোয় মঞ্চে, কখনো কান দিয়ে জল বের করার অভিনয় করে। সেই মেয়ে আবার এইটুকু বয়সে ভারি ভারি ম্যাজিকও দেখায়। সেদিন দেখলাম, বাচ্চাদের পত্রিকায় তার নামে ম্যাজিকের লেখা ছাপাও হচ্ছে। আমি আঁতকে উঠি। বাবা নিজে লিখে মেয়ের নামে ছাপতে দিচ্ছে। আমি তাকে বললাম, আপনি মেয়েকে নিজের মতো করে বেড়ে উঠতে দিন। তাকে জোর করে টেনে টেনে তুলবেন না।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম, ক্রিকেট, টেস্ট স্ট্যাটাস, west indies, cricket, bangladesh cricket team, test status ;
প্রথম প্রকাশ
এরশাদ যুগে কী এক টুর্নামেন্টে ব্রাজিলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশের কিশোর ফুটবল দল। স্মৃতি যদি প্রতারণা না করে, টুর্নামেন্টের নাম ছিল ডানা-গোথিয়া। বিদেশে জেতা সেই কাপ নিয়ে একদিন আচমকা সারা দেশ উচ্ছ্বাসে ভেঙে পড়ল। তারও কিছুকাল পরে রেকর্ড করা খেলা টেলিভিশনে দেখানো হলে ফিসফাস বাড়ে মানুষের। মুখ চাওয়াচাওয়ি বাড়ে- বাংলাদেশের পক্ষে এরা কারা, আর যাই হোক কিশোর তো নয়! কারো কারো ব্লেডচর্চিত কামানো মুখও প্রায় স্পষ্ট হয়ে উঠছিল রঙিন টেলিভিশনের সৌজন্যে। ব্রাজিলের অনূর্ধ ১৪ দলের বিপক্ষে আসলে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশের অনূর্ধ ২০-২৪! ওই যে টেনে টেনে তোলার স্বভাব আমাদের।
বাংলাদেশের ক্রিকেটেরও হয়েছে সেই দশা। বাংলাভূমির ক্রিকেট নিজের মতো করে গড়ে উঠছে না, তাকে তোলা হচ্ছে টেনে টেনে। ওয়েস্ট ইণ্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডের শেষদিকে নিউজ ফিডে দেখলাম, বাংলাদেশ বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। তৎক্ষণাৎ ক্রিকইনফোতে গিয়ে স্কোরকার্ড দেখেছি বটে, কিন্তু না, এই বিজয়ে মন নেচে উঠেনি! বাংলাদেশের বিপক্ষে এটা এমনকি ওয়েস্ট ইণ্ডিজের 'এ' দলও নয়, মূল ক্রিকেটারদের সঙ্গে ধর্মঘটে তারাও যোগ দিয়েছিল। এবার যে দলটি খেলল, আমার স্বল্পজ্ঞানে সেটা ওয়েস্ট ইন্ডিজের 'বি' কিংবা 'সি' টিম। হতে পারে এটা অফিসিয়াল টেস্ট কিংবা ওয়ানডে, হতে পারে দেশের জয়, কিন্তু এটা খেলা ছিল না। সত্যিকারের ক্রিকেট অনুরাগী এই জয়ে তৃপ্তি পাবেন না।
সবাই জানেন, বাংলাদেশ যে টেস্ট স্ট্যাটাস পেল, সেটা ক্রীড়ানৈপূণ্যের কৃতিত্বে নয়, সেটা ছিল শুধুই ক্রিকেট কূটনীতির সাফল্য- সাবের হোসেনদের সাফল্য। সমান দাবিদার, এমনকি অগ্রগণ্য হওয়ার পরও কেনিয়া যে টেস্ট স্ট্যাটাস পায়নি, সেটাও তাদের ক্রিকেট কূটনীতিরই ব্যর্থতা। আজকাল স্ট্যাটাস এমনি এমনি পাওয়া যায় না। তার জন্য বাজার থাকা লাগে। পকেট কাটার মতো যথেষ্ট মানুষ আছে কিনা তাও দেখা লাগে বিশ্ব ক্রিকেট কর্তৃপক্ষের। সুতরাং অভিবাসী দলবল নিয়ে আরব আমিরাতও একদিন টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়ে যাবে, কিন্তু কেনিয়া হারবে, যতো নৈপূণ্যই তারা দেখাক। ওই যে কূটনীতি আর বাজার! সৌভাগ্যবশত বাংলাদেশ এই দুটোতেই বলীয়ান। বাংলাদেশের ক্রিকেট যাওবা উঠছে, তাও এই কূটনীতি আর বাজারের কারণেই, নৈপূণ্যে কিছুতেই নয়।
তবে হ্যাঁ, নিত্য দুঃসংবাদের দেশ বাংলাদেশে তেমন সুখবর আমরা সাধারণত পাই না। তাই এইসব খড়কুটো ধরে আনন্দ পেতে চেষ্টা করি এবং এক ধরনের আনন্দ প্রকাশের ভান করি। এই দফা ওয়েস্ট ইণ্ডিজ বধের পর বাংলাদেশে যা হচ্ছে এবং হবে- সেটা নিশ্চিতভাবেই ভান, আসল নয়! চাই লড়াকু বাংলাদেশকে দেখতে- ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে আসা শ্রীলংকা যেমন।
====
আমার কথায় কেউ কষ্ট পেলে দুঃখিত। মাইনাসও নিশ্চয়ই প্রচুর আসবে। আসুক। চাই যে, উল্টো পিঠেও কিছু লেখা থাকুক। মুদ্রার উল্টো পিঠটাও দেখার দরকার আছে।
বাংলাদেশের ক্রিকেটেরও হয়েছে সেই দশা। বাংলাভূমির ক্রিকেট নিজের মতো করে গড়ে উঠছে না, তাকে তোলা হচ্ছে টেনে টেনে। ওয়েস্ট ইণ্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডের শেষদিকে নিউজ ফিডে দেখলাম, বাংলাদেশ বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। তৎক্ষণাৎ ক্রিকইনফোতে গিয়ে স্কোরকার্ড দেখেছি বটে, কিন্তু না, এই বিজয়ে মন নেচে উঠেনি! বাংলাদেশের বিপক্ষে এটা এমনকি ওয়েস্ট ইণ্ডিজের 'এ' দলও নয়, মূল ক্রিকেটারদের সঙ্গে ধর্মঘটে তারাও যোগ দিয়েছিল। এবার যে দলটি খেলল, আমার স্বল্পজ্ঞানে সেটা ওয়েস্ট ইন্ডিজের 'বি' কিংবা 'সি' টিম। হতে পারে এটা অফিসিয়াল টেস্ট কিংবা ওয়ানডে, হতে পারে দেশের জয়, কিন্তু এটা খেলা ছিল না। সত্যিকারের ক্রিকেট অনুরাগী এই জয়ে তৃপ্তি পাবেন না।
সবাই জানেন, বাংলাদেশ যে টেস্ট স্ট্যাটাস পেল, সেটা ক্রীড়ানৈপূণ্যের কৃতিত্বে নয়, সেটা ছিল শুধুই ক্রিকেট কূটনীতির সাফল্য- সাবের হোসেনদের সাফল্য। সমান দাবিদার, এমনকি অগ্রগণ্য হওয়ার পরও কেনিয়া যে টেস্ট স্ট্যাটাস পায়নি, সেটাও তাদের ক্রিকেট কূটনীতিরই ব্যর্থতা। আজকাল স্ট্যাটাস এমনি এমনি পাওয়া যায় না। তার জন্য বাজার থাকা লাগে। পকেট কাটার মতো যথেষ্ট মানুষ আছে কিনা তাও দেখা লাগে বিশ্ব ক্রিকেট কর্তৃপক্ষের। সুতরাং অভিবাসী দলবল নিয়ে আরব আমিরাতও একদিন টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়ে যাবে, কিন্তু কেনিয়া হারবে, যতো নৈপূণ্যই তারা দেখাক। ওই যে কূটনীতি আর বাজার! সৌভাগ্যবশত বাংলাদেশ এই দুটোতেই বলীয়ান। বাংলাদেশের ক্রিকেট যাওবা উঠছে, তাও এই কূটনীতি আর বাজারের কারণেই, নৈপূণ্যে কিছুতেই নয়।
তবে হ্যাঁ, নিত্য দুঃসংবাদের দেশ বাংলাদেশে তেমন সুখবর আমরা সাধারণত পাই না। তাই এইসব খড়কুটো ধরে আনন্দ পেতে চেষ্টা করি এবং এক ধরনের আনন্দ প্রকাশের ভান করি। এই দফা ওয়েস্ট ইণ্ডিজ বধের পর বাংলাদেশে যা হচ্ছে এবং হবে- সেটা নিশ্চিতভাবেই ভান, আসল নয়! চাই লড়াকু বাংলাদেশকে দেখতে- ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে আসা শ্রীলংকা যেমন।
====
আমার কথায় কেউ কষ্ট পেলে দুঃখিত। মাইনাসও নিশ্চয়ই প্রচুর আসবে। আসুক। চাই যে, উল্টো পিঠেও কিছু লেখা থাকুক। মুদ্রার উল্টো পিঠটাও দেখার দরকার আছে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম, ক্রিকেট, টেস্ট স্ট্যাটাস, west indies, cricket, bangladesh cricket team, test status ;
প্রথম প্রকাশ









