
ডেস্টিনি ২০০০ লিমিটেড এইরকম অপ্রতিদ্বন্দ্বী - জানা ছিল না আগে। তার ঠিক পিছনে প্রাণপণে লড়ে যাচ্ছেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। ওদিকে মুফতি আমিনীর সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে সুকন্ঠী গায়িকা ইভা রহমানের। ঘাড়ের ওপর নিশ্বাস ফেলছেন সাহারা খাতুন, নায়ক শাকিব খান আর আরজে নীরব - এই গুণধরত্রয়। তবে নাঈমুল ইসলাম খান এবং মাহমুদুর রহমানের করুণ অবস্থা দেখে হতাশ অনেকেই। ভালো অবস্থানে নেই - এরকম আছেন আরো অনেক যোগ্য লোকই।
বিস্তারিত দেখুন এই লিংকে।
প্রথম প্রকাশ
যাউগ্গা, তালিকা থেকে আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে তৈরি ছবিগুলো বাদ দিয়েছি যত্নের সঙ্গে। বেশি পুরনো মুভিগুলোও, গন উইথ দ্য উইন্ডসহ। প্রথম ও বিশ্বযুদ্ধকে এই তালিকায় অগ্রাহ্য করেছি পুরোপুরি, এমনকি আমার অতিপ্রিয় ভিয়েতনাম যুদ্ধও। বলে রাখা ভালো, তালিকার বেশিরভাগই প্রপাগাণ্ডা মুভি- যেখানে আমেরিকা কখনোই পরাজয় বরণ করে না। আর মুভিগুলোর ছাঁচও এমনই যে, দর্শকরাও আমেরিকার বিজয় কামনা করতে বাধ্য হন! বলাবাহুল্য, নিচের ছবিগুলো প্রায় সবকটিই ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে দেখেছি, কিছু ছবি ডিভিডিতে দেখা। এবং এটা 'সেরা' গোছের কোনো তালিকা নয়।
১. দ্য কিলিং ফিল্ডস
ছবি মুক্তি : নভেম্বর, ১৯৮৪ | ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক রিপোর্টার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কম্বোডিয়ান গৃহযুদ্ধ কভার করে পুলিৎজার পুরস্কার পান। কিন্তু যে কম্বোডিয়ান সহযোগীর জন্য এমন সম্মান পাওয়া তার জন্য সহজতর হয়েছিল, কম্বোডিয়ায় খেমাররুজ বাহিনীর প্রতাপের মুখে সেই বন্ধুর জীবন তখন সুতোর ওপর ঝুলছিল। যুদ্ধ ও ভালোবাসার ছবি।
২. মিসিং
ছবি মুক্তি : ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ | ধরন : ড্রামা, থ্রিলার, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড পার্ট ১ | ডাউনলোড পার্ট ২ | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : চিলিতে সালভাদর আলেন্দেকে হটিয়ে সেনানায়ক পিনোশে ক্ষমতা দখলের পর পরই নিখোঁজ হয়ে যান এক মার্কিন সাংবাদিক। কেউ তার খোঁজ দিতে পারে না, এমনকি মার্কিন দূতাবাসও। ছেলের খোঁজে আমেরিকা থেকে উড়ে আসেন বাবা। সঙ্গে যোগ দেন পুত্রবধূ। শুরু হয় অনুসন্ধান। একপর্যায়ে তারা আবিষ্কার করেন, নিখোঁজ হওয়ার ওই ঘটনায় খোদ মার্কিন সরকার এবং সিআইএর হাত আছে।
সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত ছবিটি ২০০৬ সালের আগ পর্যন্ত চিলিতে প্রদর্শন নিষিদ্ধ ছিল। চিলির সেই সময়কার মার্কিন অ্যাম্বাসেডর নাথানিয়াল ডেভিস ছবিটির পরিচালক ও প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা দায়ের করেছিলেন। অবশ্য ডেভিস সেই মামলায় হেরে যান।
৩. হোটেল রুয়ান্ডা
ছবি মুক্তি : ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ | ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী, থ্রিলার, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : রুয়ান্ডার এক হোটেল ম্যানেজার, হুটু ও টুটসিদের মধ্যকার জাতিগত সংঘাতের সময় তার হোটেলে আশ্রয় দিয়েছিলেন সহস্রাধিক টুটসি শরণার্থীকে, হুটু বাহিনীর প্রবল প্রতাপের মুখে সেই ম্যানেজারের হৃদয়স্পর্শী ভূমিকা ছবির মূল উপজীব্য। ছবিটি একইসঙ্গে মনে করিয়ে দেয় আমাদের একাত্তরের কথাও। সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এক অসাধারণ ছবি।
৪. ব্ল্যাক হক ডাউন
ছবি মুক্তি : ১৮ জানুয়ারি ২০০২ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : ১৯৯৩ সালের ৩ অক্টোবর সোমালিয়ায় এক বিপজ্জনক মিশনের গল্প। এদিন হেলিকপ্টারযোগে আসা ১০০ ইউএস আর্মি রেঞ্জারকে নামিয়ে দেওয়া হয় রাজধানী মোগাদিসুতে। লক্ষ্য সোমালি যুদ্ধবাজদের হাত থেকে দুই শীর্ষ লেফটেন্যান্টকে উদ্ধার করে আনা। শুরু হয় সোমালি যুদ্ধবাজ এবং রেঞ্জারদের মরণপণ লড়াই।
প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফের স্মৃতিকথা 'ইন দ্য লাইন অফ ফায়ার'-এ দেখলাম ছবিটির উল্লেখ আছে। সেখানে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, মোগাদিসুতে কর্তব্যরত পাকিস্তানি সেনারা সেদিন ধৃত মার্কিন সেনাদের উদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও 'ব্ল্যাক হক ডাউন' ছবিতে সেটা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।
৫. ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন চায়না
ছবি মুক্তি : আগস্ট, ১৯৯১ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ১৯ শতকে চীনে ব্রিটিশ-ফরাসি-আমেরিকান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কিংবদন্তীর মার্শাল আর্ট যোদ্ধা উং ফেই-হাংয়ের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম এবং বন্দুকের সঙ্গে কুংফুর অসম যুদ্ধ - ছবিটির বিষয়।
৬. দ্য ওয়ারলর্ডস (চীনা ভাষায় - টো মিং চোং)
ছবি মুক্তি : এপ্রিল, ২০১০ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : তিন চীনা জেনারেলের বীরত্বগাঁথা এবং নিরন্তর সংগ্রাম ছবির বিষয়বস্তু। চীনা জেনারেল মা জিনি হত্যাকাণ্ডের ওপর লেখা "অ্যাসাসিনেশন অফ মা" বইয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এই ছবির প্রধান এক চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেট লি।
৭. স্যাভিওর
ছবি মুক্তি : নভেম্বর, ১৯৯৮ | ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : সাবেক এক মার্কিন সেনা কর্মকর্তা প্যারিসে মুসলমান সন্ত্রাসবাদীদের হাতে তার স্ত্রী নিহত হওয়ার পর ফরাসি মিলিটারি ইউনিটের হয়ে বসনিয়ান সার্ব আর্মির পক্ষে যুদ্ধ করতে যান। যুদ্ধের ভয়াবহতা তাকে করে তোলে হৃদয়হীন, কিন্তু এক সার্ব নারী ও তার সদ্যোজাত সন্তানকে রক্ষা করতে গিয়ে ভাড়াটে ওই সৈনিক তার মনে মানবিকতা খুঁজে পান। ছবিতে ট্রাজেডির সঙ্গে মিলেছে মানবিক আবেদনও। রুদ্ধশ্বাসে দেখার মতো।
৮. বিহাইণ্ড এনিমি লাইন্স কলম্বিয়া
ছবি মুক্তি : ৬ জানুয়ারি ২০০৯ | ধরন : অ্যাকশন, থ্রিলার, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : কলম্বিয়ান সরকার ও বিদ্রোহী ফার্ক গেরিলাদের সংঘাত বিশ্বজুড়ে আলোচনার পুরনো বিষয়। সেই সূত্রে কলম্বিয়ায় স্থাপিত মার্কিন ঘাঁটি খোদ হুগো শাভেজেরও নিত্য মাথাব্যাথার কারণ । ইউএস নেভির একটি গোপন মিশন ঘটনাচক্রে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে শক্তিমান ফার্ক গেরিলাদের সঙ্গে। ছবির কাহিনী সেটা নিয়েই, তবে গৃহযুদ্ধের চিত্রও উঠে এসেছে ফাঁকে ফাঁকে।
৯. বিহাইণ্ড এনিমি লাইন্স বসনিয়া
ছবি মুক্তি : ৩০ নভেম্বর ২০০১ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : বসনিয়ায় এক মিশনে গিয়ে ইউএস নেভির একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। ঘটনাচক্রে পাইলট বেঁচে গেলেও শত্রুর মাটিতে সার্ব বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য শুরু হয় তার প্রতি মুহূর্তের যুদ্ধ। সব চেষ্টা যখন প্রায় শেষ, শত্রু যখন নিশ্বাস ফেলছে ঘাড়ের ওপর, ন্যাটো কর্তাদের বিরুদ্ধে রীতিমতো বিদ্রোহ করে উদ্ধার অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেন পাইলটের কমান্ডিং অফিসার।
১০. এক্সিস অফ ইভিল
ছবি মুক্তি : ১৭ অক্টোবর ২০০৬ | ধরন : অ্যাকশন, থ্রিলার, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : ইউএস নেভির একটি বিশেষ মিশনের ওপর দায়িত্ব পড়ে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস এবং সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলা নস্যাৎ করে দেওয়ার। কিন্তু মিশনের শুরুতেই ঘটে বিপত্তি। শুরু হয় অস্তিত্ব রক্ষার স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই।
১১. আ মাইটি হার্ট
ছবি মুক্তি : ২২ জুন ২০০৭ | ধরন : ঐতিহাসিক, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : ২০০২ সালে তালেবান জঙ্গিদের হাতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদক ড্যানিয়েল পার্ল অপহরণ এবং পরবর্তীতে তাকে শিরচ্ছেদের মর্মন্তুদ কাহিনী- ছবিটির বিষয়বস্তু। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত এই ছবিতে ড্যানিয়েল পার্লের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। ছবিটির চিত্রায়ন প্রধানত ভারতেই, তবে কিছু অংশ পাকিস্তান ও ফ্রান্সেও হয়েছে।
১২. দ্য কাইট রানার
ছবি মুক্তি : ২৬ ডিসেম্বর ২০০৭ | ধরন : ড্রামা, রোমান্স, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : ক্যালিফোর্নিয়ায় দীর্ঘকাল কাটিয়ে আমির একসময় তার মাতৃভূমি আফগানিস্তানে ফেরেন। সেখানে তার বন্ধুপুত্র তখন চরম বিপদের মুখে। জড়িয়ে পড়েন আমির নিজেও।
১৩. দ্য হার্ট লকার
ছবি মুক্তি : ১০ অক্টোবর ২০০৮ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : ঘটনাস্থল ইরাক। এলিট এক আর্মি বম্ব স্কোয়াড ইউনিট এমন এক শহরে ঢোকে, যেখানে প্রতিটি মানুষই শত্রু, যেখানে প্রতিটি বস্তুই বিপজ্জনক বোমা! ছবিটি চলতি বছর ছয় ছয়টি অস্কার পেয়েছে।
১৪. লায়ন্স ফর ল্যাম্বস
ছবি মুক্তি : ৯ নভেম্বর ২০০৭ | ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : এই ছবির উপজীব্য আফগানিস্তানের যুদ্ধক্ষেত্র। নব্বই মিনিটের ছবিতে আছে তিন তিনটি গল্প- এক মার্কিন কংগ্রেসম্যান, একজন সাংবাদিক এবং একজন অধ্যাপকের।
১৫. ডেল্টা ফোর্স
ছবি মুক্তি : ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬ | ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড পার্ট ১ | ডাউনলোড পার্ট ২ | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : লেবাননভিত্তিক জঙ্গিদের একটি দল একটি আমেরিকান বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মার্কিন সরকারকে জানিয়ে দেয়, তাদের দাবি মানা না হলে জিম্মি যাত্রীদের হত্যা করা হবে। সম্ভাব্য সব প্রচেষ্টা যখন ব্যর্থ, মার্কিন সরকার তখন সন্ত্রাসবিরোধী এক অভিজাত ইউনিট 'ডেল্টা ফোর্স'কে পাঠায় জিম্মিদের উদ্ধার করার জন্য। কিন্তু কাজটা সহজ ছিল না। ছবিটি ১৯৮৫ সালের ২৪ জুলাইয়ের একটি সত্যি ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত।
১৬. বর্ডার
ছবি মুক্তি : ১৩ জুলাই ১৯৯৭ | ধরন : অ্যাকশন, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : ছবিটির বিষয় ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, যা কিনা আসলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। রাজস্থানের লঙ্গেওয়ালায় সংঘটিত এক সত্যিকারের ঘটনা নিয়ে নির্মিত বলিউডের এই ছবিকে 'ব্লকবাস্টার' হিসেবে গণ্য করা হয়।
১৭. মিশন কাশ্মীর
ছবি মুক্তি : ২৭ অক্টোবর ২০০০ | ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : আলতাফ নামের এক তরুণের ট্রাজিক জীবনের গল্প। শৈশবে ভারতীয় পুলিশের হাতে তার পুরো পরিবার খুন হওয়ার পর সেই পুলিশেরই এক কর্মকর্তা তাকে দত্তক নেন। বড়ো হয়ে আলতাফ যখন তার পরিচয় জানতে পারে, তখন সে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ছবিটিতে উঠে এসেছে ভারত-পাকিস্তান সংঘাত, বিশেষ করে যুদ্ধজাত নিষ্ঠুরতার শিকার শিশুদের করুণ জীবনের কাহিনী।
১৮. মাচিস
ছবি মুক্তি : আগস্ট, ১৯৯১ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, থ্রিলার, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ১৯৮৪ সালে ভারতের পাঞ্জাবে ভয়াবহ রায়টের পর সন্ত্রাসবাদের বিস্তার এবং পাঞ্জাবি তরুণদের মানসিক টানাপড়েনের কাহিনী উঠে এসেছে বাস্তবধর্মী এই ছবিতে। গুলজার পরিচালিত এই ছবিতে অভিনয় করেছেন ওমপুরী, টাবু, চন্দ্রচূড় সিং।
১৯. রেড স্যান্ডস
ছবি মুক্তি : ন | ধরন :অ্যাকশন, ড্রামা, ভৌতিক, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : রেড স্যান্ডস যতোটা না যুদ্ধাশ্রয়ী ছবি, ততোটাই ভৌতিক। আফগানিস্তানের কাহিনী।
২০. রেম্বো ফোর
ছবি মুক্তি : ২৫ জানুয়ারি ১৯৮৮ | ধরন : অ্যাকশন, থ্রিলার।
ডাউনলোড লিংক | [link|http://www.imdb.com/title/tt0462499/ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি] | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : মিয়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি থাইল্যান্ডে নিরুপদ্রব জীবন কাটাচ্ছিলেন ভিয়েতনামফেরত জন রেম্বো। মিয়ানমারের ভেতরে অত্যাচারিত লোকজনকে মানবিক সেবা দিতে যাওয়া একদল খ্রিস্টান মিশনারী হঠাৎ বর্মী সেনাদের কবলে পড়লে রেম্বোর ওপর দায়িত্ব পড়ে তাদের উদ্ধার করার। তার সঙ্গে যোগ দেয় কারেন বিদ্রোহীরাও। মিয়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি ছবিটির চিত্রায়নের সময় সিলভেস্টার স্ট্যালোন এবং কয়েকজন সহ-অভিনেতা সত্যি সত্যিই অল্পের জন্য মিয়ানমার সেনাদের কবল থেকে রেহাই পেয়েছিলেন। স্ট্যালোন পরে বলেছেন, এই ছবির মাধ্যমে তারা মিয়ানমার পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছেন। ছবিটি মুক্তির পরপরই মিয়ানমারে নিষিদ্ধ করে সামরিক জান্তা।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): political movie, war movie, dramma, action movie, thriller, film, hotel rwanda, the killing fields, Black Hawk Down, missing, mission kashmir, border, Behind enemy lines, savior, Rambo ;
প্রথম প্রকাশ
প্রামাণ্যচিত্র বা ডকুমেন্টারি বলতেই আমাদের চোখে ভেসে উঠে ফুল-ফল-লতাপাতা আর জীবজন্তু! এর বাইরেও ব্যতিক্রমী বিষয় নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়। টুইন টাওয়ারে হামলা ঘটনা নিয়ে মাইকেল মুরের প্রামাণ্যচিত্র 'ফারেনহাইট ৯/১১' দেখে স্তব্ধ হয়ে রই। কী পরিশ্রম, কী মেধা তার! স্টেজভ্যু ঘেঁটে পাওয়া এমনই ছয়টি প্রামাণ্যচিত্র নিয়ে নাতিদীর্ঘ এই তালিকা। সঙ্গে থাকছে ডাউনলোড লিংকও। বলাবাহূল্য, সবগুলোই সাম্প্রতিককালে দেখা।১. দ্য রোড টু গুয়ান্তানামো
ডাউনলোড লিংক | আকার : ৪৮৭ মেগাবাইট
বিবরণ : নামই বলে দেয় এটা ঠিক কী ধরনের প্রামাণ্যচিত্র। কিউবার গুয়ান্তানামো বেতে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর কারাগারে কোনো অভিযোগ ছাড়াই দু বছর ধরে বন্দি তিন ব্রিটিশ নাগরিক এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনাবলী নিয়ে এই ডকু ফিকশন তৈরি হয়েছিল ২০০৬ সালে।
২. বেস্ট কেপ্ট সিক্রেটস অফ দ্য মিলিটারি
ডাউনলোড লিংক | আকার : ২৭১ মেগাবাইট
বিবরণ : ইউএস সশস্ত্র বাহিনীর গোপনীয় অস্ত্রসম্ভার এবং তথ্য নিয়ে এই প্রামাণ্যচিত্র। সঙ্গে আছে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সাক্ষাৎকার। ডিসকভারি চ্যানেলে ইতিপূর্বে প্রচারিত।
৩. দ্য হিস্ট্রি অফ হ্যাকিং
ডাউনলোড লিংক | আকার : ২৭১ মেগাবাইট
বিবরণ : অ্যাপল কম্পিউটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ ওজনিয়াক, বিশ্বের প্রথম কুখ্যাত টেলিফোন হ্যাকার জন ড্র্যাপার এবং বিশ্বের ভয়ংকরতম হ্যাকার কেভিন মিটনিক সশরীরে আছেন পুরো প্রামাণ্যচিত্র জুড়েই। ডিসকভারি চ্যানেলে ইতিপূর্বে প্রচারিত।
৪. ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ডেনজারাস গ্যাং
ডাউনলোড লিংক | আকার : ২৮০ মেগাবাইট
বিবরণ : বলা হয়ে থাকে, 'এমএস-থার্টিন' হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ গ্যাং। গুয়াতেমালা, হণ্ডুরাস, সালভেদর এবং মধ্য আমেরিকায় সক্রিয় এই গ্যাং বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত মাদক চোরাচালান, কালোবাজারে অস্ত্র বিক্রি, চুক্তিভিত্তিক খুন এবং মানবপাচারের জন্য। এমএস-থার্টিনকে নিয়ে এই প্রামাণ্যচিত্রটি ইতিপূর্বে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে।
৫. দ্য ডার্ক সাইড অফ এভারেস্ট
ডাউনলোড লিংক | আকার : ২৫৪ মেগাবাইট
বিবরণ : মাউন্ট এভারেস্টে আরোহণ শুধুই আনন্দের নয়, রোমাঞ্চকর নয়- কখনো কখনো তা ভয়াবহ, কঠিন এবং চরম বিপজ্জনক। এই অন্ধকার দিকগুলোই কঠিন সত্য হয়ে উঠে এসেছে প্রামাণ্যচিত্রে।
৬. হাউ ব্রুস লি চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড
ডাউনলোড লিংক | আকার : ৫১১ মেগাবাইট
বিবরণ : একজন কুংফু বিশারদ - ব্রুস লি - কিভাবে পুরো পৃথিবীকে আলোড়িত করেছিলেন, সেই কাহিনী নিয়ে এই প্রামাণ্যচিত্র। তার ৩৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এটি তৈরি করেছিল হিস্ট্রি চ্যানেল। এতে ব্রুস লি'র কাছের কিছু মানুষের দুর্লভ সাক্ষাৎকার আছে।
ছবিতে গ্যাং এমএস-থার্টিনের কয়েকজন সদস্য
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): documentary, history, প্রামাণ্যচিত্র, ডকুমেন্টারি, steve wozniak, bruce lee, kevin mitnick, john draper, MS13, MS 13, mara salvatrucha, guantanamo, hacking, hacking history, everest ;
প্রথম প্রকাশ
এ যাবতকালের সবচেয়ে বড়ো এবং সবচেয়ে ভয়াবহ বলেই শুধু নয়, নানা কারণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে এখনও এক অনন্যসাধারণ ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হয়। জার্মানি বনাম মিত্রপক্ষের সেই যুদ্ধ নিয়ে সম্প্রতি দেখা ১০টি ছবি নিয়ে এই তালিকা তৈরি করলাম। সঙ্গে থাকছে পরীক্ষিত ডাউনলোড লিংক এবং অন্যান্য তথ্য।১. দ্য পিয়ানিস্ট
ছবি মুক্তি : জানুয়ারি ২০০৩ | ধরন : ড্রামা, জীবনীভিত্তিক, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : তিরিশের দশকে পোল্যান্ডের বিখ্যাত পিয়ানোবাদক, ধর্মে যিনি ইহুদি, সেই স্পিলম্যানের জীবনের একটি সত্য ঘটনা নিয়ে নির্মিত এই ছবি। নাজি শ্রমশিবির থেকে পালিয়ে আসার পর জার্মান সেনাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য সেই পিয়ানোবাদকের আতঙ্কিত প্রতিটি ক্ষণ, প্রতিটি মুহূর্তের রুদ্ধশ্বাস সংগ্রাম অসামান্য দক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক রোমান পোলানস্কি এবং অভিনেতা অ্যাড্রিয়েন ব্রডি। কাহিনী অন্য মাত্রা পায়, যখন এক নাজি কর্মকর্তার সঙ্গে ইহুদি সেই পিয়ানোবাদকের অদ্ভূত বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।
২. ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস
ছবি মুক্তি : আগস্ট, ২০০৯ | ধরন : ড্রামা, থ্রিলার, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে নাজি অধিকৃত ফ্রান্সে পরিবারের সবাইকে হারিয়ে এক তরুণী ইহুদি জার্মান সেনাদের হাত থেকে কোনক্রমে পালিয়ে আসতে সক্ষম হ। এরপর সে একটি সিনেমা হল পরিচালনা করতে থাকে। ঘটনাক্রমে সেই সিনেমা হলে নাজি প্রপাগাণ্ডা নিয়ে নির্মিত একটি ছবির প্রিমিয়ার শো করার প্রস্তাব আসে, যাতে উপস্থিত থাকার কথা উচ্চপদস্থ জার্মান সেনা কর্মকর্তাদের। ইহুদি সেই তরুণী প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করতে থাকেন। তার সঙ্গে যোগ দেয় 'বাস্টার্ডস' নামে পরিচিত ইহুদি-আমেরিকান গেরিলাদের একটি দল, যারা তখন নিষ্ঠুরভাবে নাজিদের হত্যা করে এবং চামড়াসহ তাদের মাথার চুল কেটে 'খ্যাতি' অর্জন করেছিল। রুদ্ধশ্বাস সব ঘটনা ঘটতে থাকে এরপর...। পাঁচ অধ্যায়ে বিভক্ত ছবিটিতে অভিনয় করেছেন পরিচিতদের মধ্যে ব্রাড পিট।
৩. সেভিং প্রাইভেট রায়ান
ছবি মুক্তি : জুলাই ১৯৯৮ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঘটনা নিয়ে স্টিভেন স্পিলবার্গের এই ছবিটি পেয়েছে পাঁচটি অস্কার- ছবিটির পক্ষে কিছু বলার জন্য এটুকুই যথেষ্ট।
৪. সেইন্ট এন্ড সোলজারস
ছবি মুক্তি : মার্চ ২০০৫ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, অ্যাডভেঞ্চার, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সত্য একটি ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত ছবি। সীমিত সামর্থ্য নিয়ে জার্মান সেনাদের রুখে দেওয়ার কাহিনী।
৫. অ্যাটাক ফোর্স জেড
ছবি মুক্তি : জুন, ১৯৮২ | ধরন : অ্যাকশন, যুদ্ধাশ্রয়ী, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর একটি গোপন অপারেশন ইউনিটের নাম জেড স্পেশাল ফোর্স। জাপানিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত এই বাহিনীর এক দুর্ধর্ষ অভিযান নিয়ে ছবিটি, বলাবাহূল্য, সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। প্রধান ভূমিকায় তরুণ বয়সী মেল গিবসনকে পাওয়া যাবে এই ছবিতে।
৬. দ্য লাস্ট ড্রপ
ছবি মুক্তি : অক্টোবর ২০০৮ | ধরন : অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার, ক্রাইম, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল অসাধারণ এক পরিকল্পনা আঁটেন। যার নাম দেওয়া হল অপারেশন মার্কেট গার্ডেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩৫ হাজার ব্রিটিশ সেনা জার্মান অধিকৃত হল্যান্ডে অবতরণ করে। শুরু হয় রুদ্ধশ্বাস সব ঘটনা...
৭. পার্ল হারবার
ছবি মুক্তি : মে ২০০১ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : পার্ল হারবারে আকস্মিক জাপানি আক্রমণের পর থমকে যায় পুরো বিশ্ব। তারপর ঘটতে থাকে আরো ঘটনা...
৮. হার্ট'স ওয়ার
ছবি মুক্তি : ফেব্রুয়ারি ২০০২| ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে আইনের ছাত্র থেকে লেফটেন্যান্ট বনে যাওয়া এক তরুণের কাহিনী। অভিনয় করেছেন ব্রুস উইলিস ও কলিন ফ্যারেল।
৯. উইন্ডটকার্স
ছবি মুক্তি : জুন ২০০২ | ধরন : অ্যাকশন, যুদ্ধাশ্রয়ী, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : অসম যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া দুই মার্কিন মেরিন সেনার বীরত্বপূর্ণ লড়াই। নিকোলাস কেইজ আছেন এই ছবিতে।
১০. গ্রেট রেইড
ছবি মুক্তি : আগস্ট ২০০৫ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ৫০০ সেনা আটকা পড়ে শত্রুশিবিরে। উদ্ধার অভিযান যখন শুরু হয়, তখন তাদের বন্দিজীবনের তিন বছর চলছে...
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): great raid, hart's war, windtalker, the last drop, pearl harbour, attck force-z, saving private ryan, the pianist, world war, second world war, action movie, crime movie, history movie, adventure movie, sci-fi movie, fantasy movie, war movie, western movie, drama movie, thriller movie ;
প্রথম প্রকাশ
বিএনপির পঞ্চম কাউন্সিল হয়ে গেল আজ। নানা কারণেই এই কাউন্সিল ছিল বহু আকাঙ্ক্ষিত। বিএনপি দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল এবং বর্তমানে প্রধান বিরোধী দল। যদিও যথারীতি নির্লজ্জ পরিবারতন্ত্রের প্রদর্শনী দেখলাম আমরা। তবে এই কাউন্সিল ছিল নানা দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। এতে উপস্থিত ছিলেন লক্ষাধিক নেতাকর্মী। বিএনপির কাউন্সিলের সফলতা কামনা করে শুভেচ্ছা বক্তব্য দিয়েছেন চীন, শ্রীলংকা, ব্রিটেন, পাকিস্তান ও কানাডাসহ পাঁচটি দেশের রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত ছিলেন ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী, মিশর ও তুরস্কের রাষ্ট্রদূত, সুইজারল্যান্ড, মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিরা। আরো ইতিবাচক দিক হল, বিএনপির এই কাউন্সিলে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিল আওয়ামী লীগ। প্রতিনিধিদল পাঠানোর জন্য আবার আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন খালেদা জিয়া। নিঃসন্দেহে আজকের দিনে এর চেয়ে বড়ো কোনো সংবাদ আর নেই। কিন্তু সরকারি প্রচারযন্ত্র বাংলাদেশ টেলিভিশন ওরফে বিটিভি নির্লজ্জতা ও তোষামদির নজির স্থাপন করে বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলের খবরই বোধহয় ব্ল্যাকআউট করে দিতে চেয়েছিল। সেটা সম্ভব হয়নি।
আমাদের সময় জানাচ্ছে-
বাংলাদেশ টেলিভিশনে গত রাত ৮টার সংবাদের শিরোনামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলের সংবাদ ছিল না। সংবাদের মধ্যবিরতির পর (১৮ মিনিট পর) সংক্ষেপে সংবাদটি উপস্থাপন করা হয়। প্রায় এক মিনিটব্যাপী সংবাদ পরিবেশনকালে অধিক সময় ব্যয় করা হয় আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদল এবং অসীম কুমার উকিলের বক্তব্যের চিত্র প্রদর্শন করে। এই খবরের আগে প্রধানমন্ত্রীর ৩টি সংবাদ ছাড়াও খাদ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, নৌপরিবহনমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী এবং বাগদাদে সহিংসতার খবর প্রচার হয়। এরপর দেয়া হয় বিএনপির কাউন্সিলের খবর। সংবাদে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের চিত্র দেখানো হলেও বক্তব্য শুনানো হয়নি। ভিডিও রেকর্ডের মাধ্যমে তারেক রহমান কাউন্সিলে বক্তব্য প্রদান করলেও সে সম্পর্কেও কিছু দেখানো হয়নি।
নির্লজ্জ বিটিভিকে নিয়ে কোনোই আশা দেখতে পাই না সত্যিই!
আমাদের সময় জানাচ্ছে-
বাংলাদেশ টেলিভিশনে গত রাত ৮টার সংবাদের শিরোনামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলের সংবাদ ছিল না। সংবাদের মধ্যবিরতির পর (১৮ মিনিট পর) সংক্ষেপে সংবাদটি উপস্থাপন করা হয়। প্রায় এক মিনিটব্যাপী সংবাদ পরিবেশনকালে অধিক সময় ব্যয় করা হয় আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদল এবং অসীম কুমার উকিলের বক্তব্যের চিত্র প্রদর্শন করে। এই খবরের আগে প্রধানমন্ত্রীর ৩টি সংবাদ ছাড়াও খাদ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, নৌপরিবহনমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী এবং বাগদাদে সহিংসতার খবর প্রচার হয়। এরপর দেয়া হয় বিএনপির কাউন্সিলের খবর। সংবাদে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের চিত্র দেখানো হলেও বক্তব্য শুনানো হয়নি। ভিডিও রেকর্ডের মাধ্যমে তারেক রহমান কাউন্সিলে বক্তব্য প্রদান করলেও সে সম্পর্কেও কিছু দেখানো হয়নি।
নির্লজ্জ বিটিভিকে নিয়ে কোনোই আশা দেখতে পাই না সত্যিই!
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিটিভি, বাংলাদেশ টেলিভিশন, টেলিভিশন, btv, bangladesh television, television, bnp, bnp council, khaleda zia, shiekh hasina, bangladesh, শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, বিএনপি, বিএনপি কাউন্সিল ;
প্রথম প্রকাশ
সাফের আগে বাংলাদেশ ফুটবল দলের বৃদ্ধ খেলোয়াড় রজনী বেশ গর্ব নিয়ে জানিয়েছিল, তারা চমৎকার একটি টিম পেয়েছে। তাই সবাই নাকি নিজেদের উজাড় করে দিয়ে খেলবেন। পরের ফলাফল সবার জানা। নিজেদের মাঠে সেমিফাইনালে গো-হারা হেরে সাফ ফুটবল থেকে বিদায় নিল বাংলাদেশ। তারও আগে বাদল রায় এবং অন্যরা মিলে ব্রাজিলিয়ান কোচ ডিডোকে অপমানজনকভাবে বিদায় করল। সালাউদ্দিন নিজেই সেদিন স্বীকারোক্তি দিলেন, বর্তমান ফুটবল দলের ৭-৮ জন খেলোয়াড় একেবারেই অযোগ্য। সালাউদ্দিন মনে করেন, তারা নিজেরাই অবসর নিয়ে নিলে ভালো হয়। কিন্তু কোথায় কী, এইটা বাংলাদেশ না! হকি দলে গতকাল ঘটল আরেক কাণ্ড। এসএ গেমসের ক্যাম্পে থাকা জাতীয় হকিদলের সব খেলোয়াড় একযোগে পদত্যাগ করল দল থেকে। ঘটনা কী? ঘটনা হল জার্মান কোচ গেরহার্ড পিটার রাক নাকি এই মহামান্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে অসহযোগিতা করেছেন। অসহযোগিতা মানে? জাতীয়দলের জার্মান কোচ গেরহার্ড পিটার রাক বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ইতালি, জার্মানি, নেদারল্যান্ডসহ ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাবে খেলার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, এসএ গেমসের প্রস্তুতির জন্য আরেক দফায় জার্মানিও নিয়ে গিয়েছিলেন এই খেলোয়াড়দের। এই পর্যন্ত সব ঠিক আছে। কিন্তু জার্মান কোচ গেরহার্ড জানতেন না যে, এইগুলা হল বাংলাদেশী মাল। এদের শুধু সুযোগ করে দিলে হবে না, শুধু জার্মানি ঘুরিয়ে আনলে হবে না, ইউরোপের ক্লাবে খেলার সুযোগ করে দিলেও হবে না - এদের পিঠে নিয়ম করে তেলও মালিশ করে দিতে হবে! বোকা গেরহার্ড সেটা করেননি। তাই খেলোয়াড়রা খেপে গেছে। এসএ গেমসের আগে আগে জাতীয় দলের ১৯ খেলোয়াড় অবশেষে গতকাল পদত্যাগ করলো।
খেলোয়াড়রা অভিযোগ তুলে বলেছেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে খেলার সময় কোচ গেরহার্ড বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগ পর্যন্ত করেননি। ক্লাবে ক্লাবে ঘুরে খেলোয়াড়দের সবকিছু নাকি তদারকি করার কথাও ছিল কোচের।
আহা, কী দুঃখ! চলুন ভাই ব্লগাররা, ১৯টি ললিপপ কিনে জাতীয় হকি দলের খেলোয়াড়দের দিয়ে আসি!
প্রথম প্রকাশ
ঢাকার বাজারে এখন একটি ডিভিডিতে সর্বোচ্চ ছয়টি ছবি একসঙ্গে পাওয়া যায়। পরিচিত এক প্রতিষ্ঠান থেকে পাইকারি দরে কিনি। এভাবে গত দেড় মাসে লোডশেডিংয়ের ফাঁকে ফাঁকেই অর্ধশত ছবি দেখে ফেললাম। বলাবাহূল্য, ছবিগুলোর প্রায় কোনোটিই 'উঁচুমানের' ছবি নয়। তারপরও শেয়ার করছি সহ-ব্লগারদের সঙ্গে। রেটিংও দিলাম কোনো কোনোটির পাশে।পুরনো তারকাদের পতন
আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগারের পুরনো কয়েকটি ছবি আবার দেখলাম। একসময়ের এই প্রিয় অভিনেতার সবকটি ছবিই এই দফায় খুব বিরক্তিকর লাগল। স্প্যানিশ অভিনেতা অ্যান্টনিও ব্যানডেরাসের তিনটি ছবি দেখলাম। সিলভেস্টার স্ট্যালোনের সঙ্গে করা তার "অ্যাসাসিনস" একসময় ভীষণ ভালো লেগেছিল। পুনর্বার দেখে বেশ বাজে অনুভূতি হল। সিলভেস্টার স্ট্যালোনের রেম্বোর সবকটি পর্বও আবার দেখলাম। আর্নল্ডের মতো অতোটা না, তবে বুঝলাম, আগের মতো ঠিক টানছে না ছবিগুলো। বেলজিয়ান অভিনেতা জাঁ ক্লদ ভ্যান ড্যামেরও চারটি ছবি দেখলাম এবার। সেই একই অবস্থা। কিছুকাল আগেও খুবই ভালো লাগতো বেলজিয়ান এই অভিনেতাকে। এখন আর টানে না তার ছবিগুলো। সবমিলিয়ে ভালোই বুঝতে পারছি, বয়স থেমে নেই!
বিষয় : নাইন ইলেভেন
ইউনাইটেড নাইনটি থ্রি ****
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার - নিকোলাস কেইজ অভিনীত *****
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
দ্য পিয়ানিস্ট - রোমান পোলানস্কি *****
সেভিং প্রাইভেট রায়ান *****
বাহাইন্ড এনিমি লাইনস ১ ও ২ *****
দ্য লাস্ট ড্রপ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ***
উইন্ডটকার্স - নিকোলাস কেইজ অভিনীত ****
প্লাটুন *****
ডিইআর ক্লাউন *
হার্ট'স ওয়ার - ব্রুস উইলিস ও কলিন ফ্যারেল অভিনীত ****
টিয়ার্স অফ দ্য সান - ব্রুস উইলিস অভিনীত ****
সেইন্ট এন্ড সোলজারস *****
গ্রেট রেইড ****
পার্ল হারবার ****
ব্ল্যাক হক ডাউন ***
এনিমি এট দ্য গেইটস
ফ্ল্যাগস অফ আওয়ার ফাদার্স - ক্লিন্ট ইস্টউড ***
থিন রেড লাইন ***
ভিয়েতনাম যুদ্ধ
১৯৬৮ : টানেল রেটস *****
রেসকিউ ডন ****
ডকুমেন্টারি
ফারেনহাইট নাইন ইলেভেন - মাইকেল মুরের ডকুমেন্টারি *****
নাইন ইলেভেন ইন প্লেইন সাইট : দ্য ডিরেক্টরস কাট- এই ডকুতে নাইন-ইলেভেনের বহু ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। *****
টার্গেটেড ওসামা বিন লাদেন - দ্য হিস্ট্রি চ্যানেলের ডকুমেন্টারি ***
এলিয়েন প্ল্যানেট - ডিসকভারি ***
সুনামি দ্য আফটারম্যাথ *****
হিন্দি
মুস্তাফা - নানা পাটেকর *
অপহরণ - নানা পাটেকর *
অন্যান্য
বিউফোর্ট - ইজরায়েলি ছবি ***
রেম্বো ১, ২, ৩ ও ৪ - সিলভেস্টার স্টালোন অভিনীত ***
জাঁ ক্লদ ভ্যান ড্যাম অভিনীত সেকেন্ড কমান্ড, অর্ডার, নক অফ, ডাবল ইমপ্যাক্ট *
দেখার অপেক্ষায়
দ্বিতীয়বারের মতো দ্য গডফাদার (তিন পর্ব)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে বিবিসির ১২টি ডকুমেন্টারি
টিভি ধারাবাহিক দৈনিক তোলপাড়ের কয়েকটি পর্ব
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ৯/১১, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভিয়েতনাম যুদ্ধ, ডকুমেন্টারি, হিন্দি, movie, 9/11, second world war, vietnam war, documentary, hindi ;
প্রথম প্রকাশ
আমার এক সুহৃদ আছেন- জাদুকর। তার একটি মেয়ে আছে- সাত কি আটে পড়েছে। ম্যাজিক শোতে বাবা তাকে সঙ্গী করে নিয়ে যায়। মেয়েটা কখনো 'তরবারি ম্যাজিকে' চাদরমুড়ি দিয়ে শোয় মঞ্চে, কখনো কান দিয়ে জল বের করার অভিনয় করে। সেই মেয়ে আবার এইটুকু বয়সে ভারি ভারি ম্যাজিকও দেখায়। সেদিন দেখলাম, বাচ্চাদের পত্রিকায় তার নামে ম্যাজিকের লেখা ছাপাও হচ্ছে। আমি আঁতকে উঠি। বাবা নিজে লিখে মেয়ের নামে ছাপতে দিচ্ছে। আমি তাকে বললাম, আপনি মেয়েকে নিজের মতো করে বেড়ে উঠতে দিন। তাকে জোর করে টেনে টেনে তুলবেন না।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম, ক্রিকেট, টেস্ট স্ট্যাটাস, west indies, cricket, bangladesh cricket team, test status ;
প্রথম প্রকাশ
এরশাদ যুগে কী এক টুর্নামেন্টে ব্রাজিলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশের কিশোর ফুটবল দল। স্মৃতি যদি প্রতারণা না করে, টুর্নামেন্টের নাম ছিল ডানা-গোথিয়া। বিদেশে জেতা সেই কাপ নিয়ে একদিন আচমকা সারা দেশ উচ্ছ্বাসে ভেঙে পড়ল। তারও কিছুকাল পরে রেকর্ড করা খেলা টেলিভিশনে দেখানো হলে ফিসফাস বাড়ে মানুষের। মুখ চাওয়াচাওয়ি বাড়ে- বাংলাদেশের পক্ষে এরা কারা, আর যাই হোক কিশোর তো নয়! কারো কারো ব্লেডচর্চিত কামানো মুখও প্রায় স্পষ্ট হয়ে উঠছিল রঙিন টেলিভিশনের সৌজন্যে। ব্রাজিলের অনূর্ধ ১৪ দলের বিপক্ষে আসলে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশের অনূর্ধ ২০-২৪! ওই যে টেনে টেনে তোলার স্বভাব আমাদের।
বাংলাদেশের ক্রিকেটেরও হয়েছে সেই দশা। বাংলাভূমির ক্রিকেট নিজের মতো করে গড়ে উঠছে না, তাকে তোলা হচ্ছে টেনে টেনে। ওয়েস্ট ইণ্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডের শেষদিকে নিউজ ফিডে দেখলাম, বাংলাদেশ বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। তৎক্ষণাৎ ক্রিকইনফোতে গিয়ে স্কোরকার্ড দেখেছি বটে, কিন্তু না, এই বিজয়ে মন নেচে উঠেনি! বাংলাদেশের বিপক্ষে এটা এমনকি ওয়েস্ট ইণ্ডিজের 'এ' দলও নয়, মূল ক্রিকেটারদের সঙ্গে ধর্মঘটে তারাও যোগ দিয়েছিল। এবার যে দলটি খেলল, আমার স্বল্পজ্ঞানে সেটা ওয়েস্ট ইন্ডিজের 'বি' কিংবা 'সি' টিম। হতে পারে এটা অফিসিয়াল টেস্ট কিংবা ওয়ানডে, হতে পারে দেশের জয়, কিন্তু এটা খেলা ছিল না। সত্যিকারের ক্রিকেট অনুরাগী এই জয়ে তৃপ্তি পাবেন না।
সবাই জানেন, বাংলাদেশ যে টেস্ট স্ট্যাটাস পেল, সেটা ক্রীড়ানৈপূণ্যের কৃতিত্বে নয়, সেটা ছিল শুধুই ক্রিকেট কূটনীতির সাফল্য- সাবের হোসেনদের সাফল্য। সমান দাবিদার, এমনকি অগ্রগণ্য হওয়ার পরও কেনিয়া যে টেস্ট স্ট্যাটাস পায়নি, সেটাও তাদের ক্রিকেট কূটনীতিরই ব্যর্থতা। আজকাল স্ট্যাটাস এমনি এমনি পাওয়া যায় না। তার জন্য বাজার থাকা লাগে। পকেট কাটার মতো যথেষ্ট মানুষ আছে কিনা তাও দেখা লাগে বিশ্ব ক্রিকেট কর্তৃপক্ষের। সুতরাং অভিবাসী দলবল নিয়ে আরব আমিরাতও একদিন টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়ে যাবে, কিন্তু কেনিয়া হারবে, যতো নৈপূণ্যই তারা দেখাক। ওই যে কূটনীতি আর বাজার! সৌভাগ্যবশত বাংলাদেশ এই দুটোতেই বলীয়ান। বাংলাদেশের ক্রিকেট যাওবা উঠছে, তাও এই কূটনীতি আর বাজারের কারণেই, নৈপূণ্যে কিছুতেই নয়।
তবে হ্যাঁ, নিত্য দুঃসংবাদের দেশ বাংলাদেশে তেমন সুখবর আমরা সাধারণত পাই না। তাই এইসব খড়কুটো ধরে আনন্দ পেতে চেষ্টা করি এবং এক ধরনের আনন্দ প্রকাশের ভান করি। এই দফা ওয়েস্ট ইণ্ডিজ বধের পর বাংলাদেশে যা হচ্ছে এবং হবে- সেটা নিশ্চিতভাবেই ভান, আসল নয়! চাই লড়াকু বাংলাদেশকে দেখতে- ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে আসা শ্রীলংকা যেমন।
====
আমার কথায় কেউ কষ্ট পেলে দুঃখিত। মাইনাসও নিশ্চয়ই প্রচুর আসবে। আসুক। চাই যে, উল্টো পিঠেও কিছু লেখা থাকুক। মুদ্রার উল্টো পিঠটাও দেখার দরকার আছে।
বাংলাদেশের ক্রিকেটেরও হয়েছে সেই দশা। বাংলাভূমির ক্রিকেট নিজের মতো করে গড়ে উঠছে না, তাকে তোলা হচ্ছে টেনে টেনে। ওয়েস্ট ইণ্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডের শেষদিকে নিউজ ফিডে দেখলাম, বাংলাদেশ বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। তৎক্ষণাৎ ক্রিকইনফোতে গিয়ে স্কোরকার্ড দেখেছি বটে, কিন্তু না, এই বিজয়ে মন নেচে উঠেনি! বাংলাদেশের বিপক্ষে এটা এমনকি ওয়েস্ট ইণ্ডিজের 'এ' দলও নয়, মূল ক্রিকেটারদের সঙ্গে ধর্মঘটে তারাও যোগ দিয়েছিল। এবার যে দলটি খেলল, আমার স্বল্পজ্ঞানে সেটা ওয়েস্ট ইন্ডিজের 'বি' কিংবা 'সি' টিম। হতে পারে এটা অফিসিয়াল টেস্ট কিংবা ওয়ানডে, হতে পারে দেশের জয়, কিন্তু এটা খেলা ছিল না। সত্যিকারের ক্রিকেট অনুরাগী এই জয়ে তৃপ্তি পাবেন না।
সবাই জানেন, বাংলাদেশ যে টেস্ট স্ট্যাটাস পেল, সেটা ক্রীড়ানৈপূণ্যের কৃতিত্বে নয়, সেটা ছিল শুধুই ক্রিকেট কূটনীতির সাফল্য- সাবের হোসেনদের সাফল্য। সমান দাবিদার, এমনকি অগ্রগণ্য হওয়ার পরও কেনিয়া যে টেস্ট স্ট্যাটাস পায়নি, সেটাও তাদের ক্রিকেট কূটনীতিরই ব্যর্থতা। আজকাল স্ট্যাটাস এমনি এমনি পাওয়া যায় না। তার জন্য বাজার থাকা লাগে। পকেট কাটার মতো যথেষ্ট মানুষ আছে কিনা তাও দেখা লাগে বিশ্ব ক্রিকেট কর্তৃপক্ষের। সুতরাং অভিবাসী দলবল নিয়ে আরব আমিরাতও একদিন টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়ে যাবে, কিন্তু কেনিয়া হারবে, যতো নৈপূণ্যই তারা দেখাক। ওই যে কূটনীতি আর বাজার! সৌভাগ্যবশত বাংলাদেশ এই দুটোতেই বলীয়ান। বাংলাদেশের ক্রিকেট যাওবা উঠছে, তাও এই কূটনীতি আর বাজারের কারণেই, নৈপূণ্যে কিছুতেই নয়।
তবে হ্যাঁ, নিত্য দুঃসংবাদের দেশ বাংলাদেশে তেমন সুখবর আমরা সাধারণত পাই না। তাই এইসব খড়কুটো ধরে আনন্দ পেতে চেষ্টা করি এবং এক ধরনের আনন্দ প্রকাশের ভান করি। এই দফা ওয়েস্ট ইণ্ডিজ বধের পর বাংলাদেশে যা হচ্ছে এবং হবে- সেটা নিশ্চিতভাবেই ভান, আসল নয়! চাই লড়াকু বাংলাদেশকে দেখতে- ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে আসা শ্রীলংকা যেমন।
====
আমার কথায় কেউ কষ্ট পেলে দুঃখিত। মাইনাসও নিশ্চয়ই প্রচুর আসবে। আসুক। চাই যে, উল্টো পিঠেও কিছু লেখা থাকুক। মুদ্রার উল্টো পিঠটাও দেখার দরকার আছে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম, ক্রিকেট, টেস্ট স্ট্যাটাস, west indies, cricket, bangladesh cricket team, test status ;
প্রথম প্রকাশ
প্রতিদিন ইতিউতি পড়া হয় অনেক কিছুই। কোনোটা ভালো লাগে, কোনোটা লাগে না। অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার উদ্দেশ্যে এই পোস্ট এবং এটা পরীক্ষামূলক।কী পড়ছি?
রোদ্দুরের আয়োজনে কবিদের আড্ডা
১৯৯৫ সালে ছোটপত্রিকা রোদ্দুর-এর সম্পাদক লতিফ সিদ্দিকী কয়েকজন কবিকে নিয়ে জুন মাসের এক সকালবেলায় একটি আড্ডা বসিয়েছিলেন গ্রীন রোডের থিয়েটার সেন্টারে। সেই আড্ডায় ছিলেন শামসুর রাহমান, আবু কায়সার, আলতাফ হোসেন, সাজ্জাদ শরিফ, আনিসুল হক, ব্রাত্য রাইসু, আদিত্য কবির, হুমায়ূন রেজা
বিপুলা পৃথিবী
আনিসুজ্জামানের স্মৃতিকথা। কাছে দূরে অংশে ৩৮ পর্ব চলছে এখন। শুরু থেকেই আমি এর মনোযোগী পাঠক।
নাজলী লায়লা মনসুর-এর সাক্ষাৎকার
বাংলাদেশের সমকালীন চিত্রকলার অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব নাজলী লায়লা মনসুর...
হ্যাকার বনাম ক্র্যাকার
সালমান খানের বিরুদ্ধে ফতোয়া
যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সভাপতি ছানোয়ার হোসেনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে...
::::
কী শুনছি?
মিলার গাওয়া 'সাধু' গানটি শুনতে ভালো লাগছে গতকাল থেকে। তাছাড়া পুরনো দিনের বাংলা সিনেমার একটি গান 'ওই দূর দুরান্তে' গানটির রিমেক ভার্সনটিও ভালো লেগেছে। গানওগান নামের একটি ফোরামে পেলাম গান দুটো।
::::
কী দেখছি?
জেট লির পুরনো ছবি 'ফরবিডেন কিংডম' দেখলাম পিসিতে। মোটামুটি, খুব যে ভালো লেগেছে তা মোটেও নয়।
প্রথম প্রকাশ | দ্বিতীয় প্রকাশ


