• Home
  • Contact
  • About
  • RSS
  • My Somewherein blog
  • Facebook
  • Twitter
  • Problem with Bengali Font?

  • মূলপাতা
  • স্বদেশ
    • সবিশেষ
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • রাজনীতি
    • সমসাময়িক
    • প্রতিরক্ষা
    • ধর্ম
    • পার্বত্য চট্টগ্রাম
    • মানবাধিকার
  • মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • ই-সংকলন
    • বইপত্র
    • ▬▬
    • বাংলা দৈনিক
      • আরো »
        • আমার দেশ
        • আমাদের সময়
        • বাংলাদেশ প্রতিদিন
        • সংবাদ
        • যায়যায়দিন
        • মানবজমিন
        • ভোরের কাগজ
        • আমাদের অর্থনীতি
        • ডেস্টিনি
      • প্রথম আলো
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • কালের কন্ঠ
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • যুগান্তর
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • সমকাল
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • ইত্তেফাক
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • জনকণ্ঠ
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • নয়া দিগন্ত
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • সকালের খবর
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
    • ইংরেজি দৈনিক
      • ডেইলি স্টার
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
        • সাপ্লিমেন্টস
      • সান
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • ইন্ডিপেন্ডেন্ট
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • নিউ এইজ
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • বাংলাদেশ টুডে
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • আওয়ার টাইম
    • সংবাদ সংস্থা
      • আরো »
        • ফোকাস বাংলা
        • বিডি স্পোর্টস নিউজ
        • ঢাকা নিউজ
        • আরটিএনএন
        • রেডটাইমস
        • বিএনএন
        • বাংলাদেশ নিউজ
      • বিডিনিউজ
      • বাংলা নিউজ
      • বাসস
      • ইউএনবি
      • শীর্ষনিউজ
      • দি এডিটর
    • রেডিও-টেলিভিশন
      • রেডিও »
        • রেডিও ফূর্তি
        • রেডিও টুডে
        • এবিসি রেডিও
        • রেডিও লিংক
      • আরো »
        • বৈশাখী
        • দিগন্ত টিভি
        • বাংলা ভিশন
        • ইসলামিক টিভি
        • আরটিভি
        • মোহনা
        • মাই টিভি
      • চ্যানেল আই
      • এটিএন বাংলা
      • এনটিভি
      • দেশ টিভি
      • একুশে টিভি
    • সাময়িকী
      • আরো »
        • আরো »
          • আরো »
            • খবর
            • ডয়চে ভেলে
            • রেডিও ইরান
            • রেডিও চায়না
            • ই-বাংলাদেশ
            • খেলার খবর
            • সাময়িকী
          • মনোজগত
          • প্রবাসে প্রতিদিন
          • নতুন দেশ
          • ইউকে বেঙ্গলি
          • লন্ডন বাংলা
          • এনওয়াই বাংলা
          • ইউরো বাংলা
          • দশদিক
        • প্রোব ম্যাগাজিন
        • চিন্তা
        • একপক্ষ
        • নতুনধারা
        • বাংলামাটি
        • কম্পিউটার জগৎ
        • কম্পিউটার বার্তা
        • কালিকলম
      • সাপ্তাহিক
      • সাপ্তাহিক ২০০০
      • বুধবার
      • বিচিন্তা
      • কাগজ
      • সচিত্র সময়
      • ডিজিটাল সময়
      • মিডিয়া ওয়াচ
    • অনলাইন
      • এক
      • দুই
      • তিন
    • অন্যান্য
  • ব্লগ
    • ব্লগ পর্যালোচনা
    • ব্লগ বিতর্ক
    • ব্লগ স্যাটায়ার
    • ব্লগপিডিয়া
    • ব্লগতালিকা
      • আরো »
        • নাগরিক ব্লগ
        • একুশে ব্লগ
        • সোনার বাংলা ব্লগ
        • মুক্ত ব্লগ
        • চতুর্মাত্রিক ব্লগ
        • আমার বর্ণমালা ব্লগ
        • ওপেস্ট ব্লগ
      • সামহোয়্যারইন ব্লগ
      • প্রথম আলো ব্লগ
      • সচলায়তন
      • আমার ব্লগ
      • বিডিনিউজ ব্লগ
      • টেকটিউনস
      • গ্লোবাল ভয়েসেস বাংলা
  • গদ্যকার্টুন
    • গদ্যকার্টুন
    • ক্যারিকেচার
    • ব্লগ স্যাটায়ার
    • টেক-হিউমার
    • রস+আলো সংগ্রহ
  • প্রযুক্তি
    • প্রযুক্তি
    • কম্পিউটার
    • ইন্টারনেট
    • মোবাইল
    • সফটওয়্যার
    • হ্যাকিং
  • বিনোদন
    • বিনোদন
    • বেড়ানো
    • খেলা
    • সিনেমা
    • ডকুমেন্টারি
  • বিবিধ
    • ওয়ার্কশপ
      • আশাজাগানিয়া
      • ছিন্ন চিন্তাবলী
      • মুজতবা হোসেন মুরশেদ
    • দূরের জানালা
    • স্মৃতিকথা
    • গার্হস্থ্য
    • দিনলিপি
  • হেল্পলাইন
    • কনভার্টার
      • ইউনিকোড লেখনী ও পরিবর্তক
      • বাংলা কম্পিউটিং কনভার্টার
    • অভিধান
      • ইংরেজি থেকে বাংলা
      • বাংলা থেকে ইংরেজি
    • অনুবাদ
      • ইংরেজি থেকে বাংলা
      • বাংলা থেকে ইংরেজি
    • অভ্র কি-বোর্ড
    • টুইটার স্ট্যাটাস বাংলায়
  • ডাউনলোড
    • ই-সংকলন
      • ফিরে দেখা একাত্তর
      • প্রিয় কবিতা
    • সফটওয়্যার
      • ট্রু-ক্রিপ্ট
      • সেভেন জিপ
    • গুগল কোড
  • ভিডিও
    • রাজনৈতিক
    • অন্যান্য
BANGLADESH
satire লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য
ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য
ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]




[ বড়ো আকারে দেখার জন্য
ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]

[ বড়ো আকারে দেখার জন্য
ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]

[ বড়ো আকারে দেখার জন্য
ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য
ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য
ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য
ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]

[ বড়ো আকারে দেখার জন্য
ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]

[ বড়ো আকারে দেখার জন্য
ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]

















































































নেই, নেই আর নেই! বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলে যন্ত্রপাতি নেই, যন্ত্রপাতি থাকলে জ্বালানি নেই, জ্বালানি থাকলে উৎপাদন নেই, খাম্বা থাকলে আবার তার নেই। তার থাকলে সেখানে বিদ্যুতের নামগন্ধ নেই। তবে বিদ্যুৎ যে একেবারে নেই, তা নয়। ধনীদের ঘরে অকারণে বিদ্যুৎ জ্বলছে, গরিবের ঘরে মুখখানি দেখার আলোও থাকছে না। এমন এক পরিস্থিতিতে প্রথম আলোর খবরে বলা হচ্ছে, খোদ ক্ষমতাসীন মহাজোটের অনেক সাংসদই গ্রামের বাড়ি যেতে ভয় পাচ্ছেন বিদ্যুৎ-সমস্যার কারণে। সংবাদ যদিও মর্মস্পর্শী-হূদয়বিদারক, তবে সেটিই স্বাভাবিক। কারণ, লোডশেডিং নিরসনে এই বছরে কোনো সুসংবাদ নেই, আগামী বছরে নেই—এমনকি তার পরেও কিছু আছে বলে কারও জানা নেই। ষড়ঋতুজুড়ে সরকারি তরফ থেকে কেবল পুঁথিপাঠের ভঙ্গিতে সুরে সুরে বিরতিহীনভাবে গাওয়া হচ্ছে, আগামী অমুক সালের মধ্যে তমুক হাজার-কোটি মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবেই হবে।


[ বড়ো আকারে দেখার জন্য
ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
বস্তুত, সাধ্য যখন সীমিত, তখন এত ভান-ভণিতার দরকার নেই; গ্রামের বাড়ি যেতে অহেতুক ভয় পাওয়ারও কোনো কারণ নেই। একটি, কেবল একটিমাত্র আইডিয়া বন্ধ করে দিতে পারে লোডশেডিংয়ে ক্ষুব্ধ মানুষের মুখ। একটিমাত্র আইডিয়া কাটিয়ে দিতে পারে মহাজোটের সব সাংসদের মনের ভয়। আইডিয়ার নাম—সাশ্রয়ী মিনিপ্যাক বিদ্যুৎ।

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ হোক কিংবা আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ অথবা হোক ভুটান কি ত্রিপুরা থেকে আমদানিকৃত—কঠোর মাননিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে, সম্ভব হলে কয়েক পদের ভিটামিনসহ এই বিদ্যুৎ সরাসরি প্যাকেটজাত হবে কেন্দ্র থেকে। এরপর সুদৃশ্য প্যাকেটে ভিন্ন ভিন্ন রং ও গন্ধে সেটি গ্রাহকের হাতে পৌঁছে যাবে শহর-বন্দর-গ্রাম-গঞ্জের মুদি দোকানগুলোর মাধ্যমে। যার যেটি যতক্ষণ প্রয়োজন, চাহিদামতো কিনে নেবেন। তাতে লোডশেডিং তো বটেই, বন্ধ হবে সিস্টেম লস, মাসে মাসে থাকবে না অহেতুক বিলের ঝামেলা। তবে সতর্কতা শুধু একটি ক্ষেত্রে। প্যাকেটের বেলায় সমস্যা নেই, শুধু বোতল-বিদ্যুৎ কিনলে সেটি ব্যবহারের আগে উত্তমরূপে ঝাঁকিয়ে নিতে ভুলবেন না।



সংযুক্তি
প্রথম আলো অনলাইন  □  ই-প্রথম আলো ১  □  ই-প্রথম আলো ২
ফেসবুক ফ্যান পেইজ ১  □  ফেসবুক ফ্যান পেইজ ২  □  ফেসবুক ফ্যান পেইজ ৩

প্রকাশকাল : ৩০ এপ্রিল ২০১২
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
যেহেতু ‘রঙিন টিভি/ তিনটে বিবি/ উর্দুতে গায় গান/ পেয়ারা পাকিস্তান!’ সুতরাং ঝুঁকি যতই থাকুক, লাহোর স্টেডিয়াম থেকে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে আসুক শ্রীলঙ্কা দল, খেলতে রাজি না থাকুক দুনিয়ার কোনো দল—বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যেতেই হবে পাকিস্তান। হোক পৃথিবীর সবচেয়ে অনিরাপদ দেশ, তবু পাকিস্তান যাওয়া চাই-ই চাই। কেননা, এর সঙ্গে সরাসরি জড়িত রয়েছেন ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামালের সম্মান। ক্রিকেট-ফাঁড়া থেকে পাকিস্তানকে উদ্ধার করতে গিয়ে তিনি স্থাপন করেছেন পাকপ্রেমের অবিস্মরণীয় দৃষ্টান্ত। হাজার মাইল উড়ে পাকিস্তানি ভাই-বেরাদারদের দিয়ে আসা ওয়াদা ভঙ্গের বেদনা এই জাতি কী করে বইবে?

[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
অথচ ওয়াকিবহাল মহল মাত্রেই জানে, যৎসামান্য এই সফরের বিনিময়ে আইসিসির সহসভাপতি পদ পাওয়া অনেকটাই তুচ্ছ। খোশ খবর ছিল বরং অন্যখানে। পাকিস্তানের জন্য প্রাণপণ সেবা দিয়ে মাওলানা নিজামী, আল্লামা সাঈদীর মতো ইনসান যা পাননি, প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিসিবি সভাপতির ললাটে সেই ‘খিদমতগার-ই-পাকিস্তান’ পদকে ভূষিত হওয়ার একটি সম্ভাবনা টিম টিম করে জ্বলছিল। দুর্ভাগ্য জাতির, আশার সেই প্রদীপে পানি ঢেলে দিলেন মহামান্য হাইকোর্ট, পাকিস্তান গমনে চার সপ্তাহের এক নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তাতে ক্রিকেটারদের জীবন আপাতত ঝুঁকিমুক্ত হলেও ঝুঁকির মুখে পড়ে গেছে আ হ ম মুস্তফা কামালের স্বপ্নের আইসিসির সহসভাপতির চেয়ার। হায় ক্রিকেট দল, উপকারেই যদি না এল, কী দরকার মাসিক বেতনভাতা দিয়ে এই দল পোষার? যত্তসব!


[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
তবু রাগ-ক্ষোভ নিয়ে ক্রিকেট কূটনীতি চলে না। পাকিস্তান সফরেরও আর বেশি দেরি নেই। হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা কাটলেই দিতে হবে উড়াল। ক্রিকেটারদের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি এই মুহূর্তের সবচেয়ে জরুরি কাজ নিবিড়
কমান্ডো প্রশিক্ষণ। তার আগে জাতীয় ক্রিকেট দলের জন্য পাকিস্তান সফরের উপযোগী জার্সি নির্বাচনও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। বিসিবির সভাপতির বিপুল ব্যস্ততার কথা মাথায় রেখে রস+আলোই নিল জার্সি ডিজাইন প্রতিযোগিতার গুরুভার। জার্সি বিচারের ভার পাঠকের হাতে।

সংযুক্তি
প্রথম আলো অনলাইন  □  ই-প্রথম আলো ১  □  ই-প্রথম আলো ২  □
ই-প্রথম আলো ৩  □  ই-প্রথম আলো ৪
 
ফেসবুক ফ্যান পেইজ ১  □  ফেসবুক ফ্যান পেইজ ২  □  ফেসবুক ফ্যান পেইজ ৩

প্রকাশকাল : ২৩ এপ্রিল ২০১২
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
রেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েই রেলের কালো বিড়ালটিকে খুঁজে বের করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলেন সুরঞ্জিৎ সেনগুপ্ত। তারপর দিন গেল, মাস যায়—সেই কালো বিড়াল আর ধরা পড়ে না। কোথায় ঘাপটি মেরে ছিল কে জানে! শেষমেশ কালো বিড়াল ধরার কৃতিত্ব মন্ত্রীর পকেটে নয়, গেল রেলমন্ত্রীর এপিএস ওমর ফারুকের গাড়িচালকের পকেটে। তার সৌজন্যে টাকার বস্তাসহ জিগাতলায় মন্ত্রীর বাসার দিকে ধাবমান কয়েকটি কালো বিড়ালকে শনাক্ত করা সম্ভব হল অবশেষে। আর এও জানা গেল কালো বিড়াল একটি-দুটি নয়, একাধিক এবং আছে বড়োসড়ো বিড়ালও!

সংযুক্তি
প্রথম আলো অনলাইন  □  ই-প্রথম আলো
ফেসবুক ফ্যান পেইজ

প্রকাশকাল : ১৬ এপ্রিল ২০১২
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
প্রধানমন্ত্রীর বাণী, জ্বালানি উপদেষ্টার গীত আর মাইক্রোসফট এক্সেলের একাধিক সারণি নিরপেক্ষভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করলে দেশে নিঃসন্দেহে বিদ্যুৎ আছে। শুধু তা-ই নয়, ১৭৫৭ কি ১৯৪৭ সালের চেয়ে অনেক ভালোভাবেই আছে। বিদ্যুৎ বিভাগের বহি সাক্ষী—শত শত মেগাওয়াট বিদ্যুতের ছড়াছড়ি চারদিকে ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরায়। বরং অপপ্রচার যা নিয়ে, সেই লোডশেডিংই নেই। তবু দেশজুড়ে হাহাকার যখন থামছেই না, আত্মজিজ্ঞাসার অংশ হিসেবে চক্ষু পরীক্ষাই কেবল বাকি থাকে। যদিও এ কেবলই আনুষ্ঠানিকতা, বলা ভালো মনের সান্ত্বনা। নইলে জোড়া চোখে দুরবিন লাগিয়েও লোডশেডিং খুঁজে না পাওয়ার কোনোই কারণ নেই!

সংযুক্তি
প্রথম আলো অনলাইন  □  ই-প্রথম আলো
ফেসবুক ফ্যান পেইজ

প্রকাশকাল : ৯ এপ্রিল ২০১২
গত শুক্রবার সারা দেশে যে অমন বৃষ্টি হলো, এর পূর্বাভাস নাকি আবহাওয়া বিভাগ ভালোভাবে দিতে পারেনি। এমন অভিযোগ শোনা গেছে অনেকের মুখেই। কাঠফাটা গরমের দিনে বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস—যদিও এমন কোনো অদেখা কীর্তি নয়, তবু আবহাওয়ার চিরাচরিত পূর্বাভাসের সঠিক অর্থ বা ভাবার্থ অনুধাবন না করে অহেতুক সমালোচনা করাও অনুচিত। উদ্ভূত সমস্যা নিরসনে আবহাওয়ার পূর্ণাঙ্গ অভিধান তৈরির উদ্যোগটা শেষমেশ রস+আলোকেই নিতে হলো। সঙ্গে বোনাস হিসেবে থাকছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরির সহজ পদ্ধতি।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসের সঠিক অর্থ
পূর্বাভাস: আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
সঠিক অর্থ: যদি ঘরের বাইরে যান, সঙ্গে অবশ্যই একটি রেইনকোট অথবা ছাতা রাখুন।

পূর্বাভাস: দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
সঠিক অর্থ: আবহাওয়া থাকবে পুরোপুরি শুষ্ক। সঙ্গে হাতপাখা রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

পূর্বাভাস: দেশের সব কটি বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
সঠিক অর্থ: ছাদের ওপরে কাঁথা-তোশক-বালিশ শুকানোর উপযুক্ত সময়ই বলা চলে। কারণ, বৃষ্টি তো দূরের, দমকা হাওয়ার সম্ভাবনাও সামান্য।

পূর্বাভাস: অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
সঠিক অর্থ: দিনভর রোদের তাপ যে মোটামুটি কড়া থাকবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত থাকা যেতে পারে। শরীরে ঘামের বর্ষণ অবশ্য মাঝারি ধরনের ভারীই হবে।

পূর্বাভাস: মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।
সঠিক অর্থ: কুয়াশা পড়তে পারে, তবে সেটা বর্ণিত সময়ের পরের দিন সন্ধ্যার দিকে। ধরন হবে মাঝারি থেকে ভারী।

পূর্বাভাস: আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুকনো থাকতে পারে। বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।
সঠিক অর্থ: স্থায়ী দমকা হাওয়াসহ মাঝারি থেকে ভারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাই বেশি—এ কথা বলাই বাহুল্য।

পূর্বাভাস: পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়া সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।
সঠিক অর্থ: বুঝে নিতে হবে, দিনটি যেহেতু শুক্র কিংবা শনিবার—সরকারি অফিসসূচি অনুযায়ী আবহাওয়া বিভাগেও সাপ্তাহিক ছুটির দিন। সুতরাং ওই ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়ার যে সামান্য পরিবর্তন ঘটছে—সেটিই অনেক পাওয়া।

পূর্বাভাস: সমুদ্র ও নদীবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক-সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
সঠিক অর্থ: কিছুটা বাতাস বইবে। বিজলিও চমকাবে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা নেই বললেই চলে। এটি মূলত ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের মহড়ার জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি সংকেত।

নিজেই বানিয়ে নিন আবহাওয়ার পূর্বাভাস
দেশের সব কটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় আজ ভোরবেলা প্রধানত পূর্ব দিক থেকে মৃদু আলোসহ সূর্য দেখা যেতে পারে। সন্ধ্যার আগপর্যন্ত সূর্যালোক মাঝারি থেকে ভারী আকারে বিরাজ করবে। তবে আকাশ মেঘলা থাকলে সূর্যের আলো ব্যাপকভাবে কমে আসতে পারে। দিনে প্রধানত রাস্তাঘাট ও অফিসপাড়াগুলোতে শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। মৌসুমি বায়ুচড়ার কারণে কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার বেগে ধামা-কুড়াল-কিরিচসহ অস্থায়ী দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর প্রভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। বৃষ্টি হলে আকাশ থেকে বিপুল পরিমাণ পানি মাটিতে নেমে আসতে পারে।
সারা দেশের প্রায় সব কটি স্থানে বিকেলের পর থেকে যেকোনো সময় সন্ধ্যা নামার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে একযোগে ভারী ধোঁয়ার প্রভাবে শিল্পকারখানা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সন্ধ্যা নামতে পারে বিকেলের আগেই। সন্ধ্যা নামার পরপরই গুলশান, ধানমন্ডিসহ ঢাকা মহানগরের অভিজাত এলাকাগুলো ব্যতীত দেশের সব কটি বিভাগে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিক থেকে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ একযোগে অন্ধকার নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। অভিজাত অঞ্চলগুলোতে মাঝারি থেকে ভারী আলো প্রবাহিত হওয়ার কারণে অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকাগুলোতে প্রধানত শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। এই সময় দেশের দু-এক জায়গায় মুষ্ঠি অথবা বজ্রমুষ্ঠিসহ বিক্ষোভ মিছিল হতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। শুধু তা-ই নয়, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে সামান্য।
এদিকে আসন্ন বর্ষাকালে বৃষ্টি হওয়ার ব্যাপক আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করে দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। উল্লেখ্য, গত শীত মৌসুমে মৃদু থেকে মাঝারি ঠান্ডা পড়ার আগাম পূর্বাভাস দিয়ে প্রশংসিত হয়েছিল আবহাওয়া বিভাগ।

জেনে রাখা ভালো
  • আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরির জন্য যে প্রবচনগুলো মুখস্থ রাখা জরুরি—হালকা থেকে মাঝারি, মাঝারি থেকে ঘন বা ভারী, হালকা থেকে মাঝারি ভারী ইত্যাদি। এ ছাড়া ‘সব কটি বিভাগের দু-এক জায়গায়’ বাক্যটিও আবহাওয়ার পূর্বাভাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।
  •  রাতের তাপমাত্রা সব সময়ই অপরিবর্তিত থাকবে। তবে মাঝেমধ্যে সামান্য বৃদ্ধি পাবে।
  • বছরজুড়ে বাংলাদেশের সমস্ত আকাশ অবশ্যই সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকবে।
  • বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি সব সময়ই হবে অস্থায়ী দমকা হাওয়া সহযোগে। বৈচিত্র্য সৃষ্টির স্বার্থে মাঝেমধ্যে ‘ঝোড়ো হাওয়া’ শব্দটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • বাংলাদেশে আজীবন বাতাস প্রবাহিত হবে উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে। মাঝেমধ্যে সেটিকে দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবাহিত করে পশ্চিম দিকে বের করে নেওয়া ভালো, তবে আবশ্যকীয় কিছু নয়।

সংযুক্তি
প্রথম আলো অনলাইন  □  ই-প্রথম আলো

ফেসবুক ফ্যান পেইজ ১  □  ফেসবুক ফ্যান পেইজ ২  □  ফেসবুক ফ্যান পেইজ ৩


প্রকাশকাল : ৯ এপ্রিল ২০১২
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]

[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]

সংযুক্তি
ই-প্রথম আলো ১  □  ই-প্রথম আলো ২  □  ই-প্রথম আলো ৩

ফেসবুক ফ্যান পেইজ ১  □  ফেসবুক ফ্যান পেইজ ২

প্রকাশকাল : ২ এপ্রিল ২০১২
দেশের থানাগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক হিমঘরের অভাবে মামলা সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না। দেশে প্রতিদিন যে পরিমাণ মামলা হয়, সে পরিমাণ হিমঘর নেই, তদন্তকারী কর্মকর্তা তো দূরের কথা। এ কারণে প্রায়ই সরকারের ভাবমূর্তি সংকটের মধ্যে পড়ে। হাজার হাজার মামলা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খেতে হয় হিমশিম। বস্তুত দেশের প্রতিটি থানায় হিমঘরের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করার উপায় নেই। এর মাধ্যমে যেমন মামলাজট কমে আসবে, তেমনি পুলিশের হেফাজতে আসামির মৃত্যুর পর এদিক-সেদিক না ফেলে হিমঘরে রাখলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ তথা সরকারি অর্থেরও সাশ্রয় হবে। মাত্র চারটি ধাপে যেকোনো চাঞ্চল্যকর মামলাকে অল্প পরিশ্রমে কীভাবে নিরাপদ হিমঘরে তুলে রাখা সম্ভব, তা নিয়ে এখানে রইল বিস্তারিত দিকনির্দেশনা—

 প্রথম ধাপ   

ঘটনার পর পর
সূচনাপর্বটুকু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক এই সময়ে দরকার ধৈর্য ও বিশেষ সতর্কতা। এ জন্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে হাতের কাছে নিম্নোক্ত উপকরণ রাখতে হবে: ১. কানের জন্য তুলা কিংবা রাবারের ছিপি, ২. চোখের জন্য কালো চশমা এবং ৩. নাকের জন্য সরিষার তেল। সম্ভব হলে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সংগ্রহ করে রাখা যেতে পারে এক বা একাধিক ‘জজ মিয়া’।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ ক্ষোভ, সংবাদ সম্মেলন, শোকসভা ইত্যাদি।
ব্যবস্থাপত্র: পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া উপরিউক্ত লক্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে মামলার ভার থানা-পুলিশের হাতে রাখা যাবে। মামলা যেহেতু থানায়ই দায়ের হয়, সে জন্য থানা-পুলিশ ‘মোটিভ’ খুঁজে বের করা কিংবা হেসে-খেলে কাটানোর জন্য পাবে কমপক্ষে তিন মাস। ঊর্ধ্বতন মহল চাইলে এই সময় আরও বৃদ্ধি করতে পারবে। কেননা সময়ক্ষেপণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ, তবে সাধারণ ক্ষোভের মাত্রা বেশি হলে কালবিলম্ব না করে মামলা হস্তান্তর করতে হবে ডিবির হাতে।
প্রথম ধাপের বাণীচিরন্তনী
ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে—
● এটি নিছক বিচ্ছিন্ন ঘটনা। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিঃসন্দেহে অতীতের তুলনায় অনেক ভালো। মানুষ এখন নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারছে।
● ২৪/৪৮/৭২ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারী বা হামলাকারীদের ধরা হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার ১৪ দিন পর—
● অনেক সময় বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভব নয়। তবে তদন্তে প্রণিধানযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে কিছু বলা যাচ্ছে না।
● ঘটনার কিছু আলামত পাওয়া গেছে।
ঘটনার এক মাস পর—
● খুনি/হামলাকারী চিহ্নিত করা হয়েছে। আসামিকে দ্রুততম সময়ে গ্রেপ্তার করা হবে।
ঘটনার তিন মাস পর—
● তদন্তের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে, বেশ অগ্রগতিও হয়েছে। এ ঘটনায় যেকোনো মুহূর্তে দেশবাসী সুসংবাদ শুনতে পাবেন।

 নাট্যাংশের পাশাপাশি মহড়াও জরুরি
সচরাচর আমরা পুলিশের যুদ্ধংদেহী কঠিন রূপটিই দেখি। কিন্তু তাদের ভেতরেও আছে কোমল এক সৃজনশীল মন। এ ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব মুনশিয়ানা দেখিয়েছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর তাঁর ধ্রুপদি ‘জজ মিয়া’ শীর্ষক নাটিকায়। বস্তুত মামলায় গতি আনার লক্ষ্যে গল্প সাজানো কিংবা নাটক মঞ্চায়নের পালা অত্যাধুনিক অপরাধবিজ্ঞানের একটি অপরিহার্য বিষয় হয়ে উঠেছে। এ ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে তদন্তকারী কর্মকর্তারা নিজ নিজ প্রতিভা অনুসারে সৃজনশীলতা প্রদর্শন করবেন। সৃষ্টিশীল উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, চাঞ্চল্যকর ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নাফ নদীতে চলাচলকারী কোনো নৌকার মাঝি কিংবা ঘটনাস্থল থেকে এক হাজার মাইল দূরের কোনো লেদমিস্ত্রি, ছুতার কিংবা ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করে স্বীকারোক্তি আদায় করা যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয়, চালচুলোহীন বেকার কোনো যুবককে গ্রেপ্তার করা গেলে। তবে পূর্ব-সতর্কতা হিসেবে গ্রেপ্তারের সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষামূলকভাবে রি-অ্যাকশনও দেখতে হবে—পাবলিক কাকে কতটুকু খাচ্ছে। এ জন্য প্রতিটি নাটক মঞ্চায়নের আগে একাধিক মহড়ার আয়োজন করা জরুরি।


 দ্বিতীয় ধাপ    

ঘটনার তিন মাস পর
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ঘটনার প্রতিবাদে মৌন মিছিল, মানববন্ধন, প্রতীকী অনশন, কর্মবিরতি, শোক র‌্যালি, মৌন মিছিল ইত্যাদি।
ব্যবস্থাপত্র: উপরিউক্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলা হস্তান্তর করতে হবে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে। কালক্ষেপণের জন্য তাদের হাতে থাকবে সর্বনিম্ন ছয় মাস।
দ্বিতীয় ধাপের বাণীচিরন্তনী
ঘটনার তিন মাস পর—
● ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা নাগালের মধ্যে রয়েছে। যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হবে।
ঘটনার চার মাস পর—
● ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ধরা পড়তেই হবে। জড়িত যে-ই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
ঘটনার পাঁচ মাস পর—
● আমরা ঘটনার ‘মোটিভ’ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছি। এখন আপ্রাণ চেষ্টা করছি অপরাধীদের চিহ্নিত করতে। তদন্তের স্বার্থে সেই মোটিভ সম্পর্কে কিছু প্রকাশ করতে পারছি না।
ঘটনার ৬ থেকে ১২ মাস পর—
● ইতিমধ্যেই তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং অবশ্যই এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটিত হবে।

 তৃতীয় ধাপ    

ঘটনার এক বছর পর
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ইত্যাদি।
ব্যবস্থাপত্র: বর্ণিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার লক্ষণ সুস্পষ্ট হওয়ামাত্রই মামলাটি সিআইডির হাতে তুলে দিতে হবে। এটি নিয়ে অন্যূন তিন বছরাধিককাল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সময়ক্ষেপণের সুযোগ পাবেন।
তৃতীয় ধাপের বাণীচিরন্তনী
ঘটনার এক বছর পর—
● এই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটিত হবেই। আসামিদের চিহ্নিত করে পুলিশ আইনের মুখোমুখি করবে। তবে এ জন্য কিছুটা ধৈর্য ধরতে হবে।
ঘটনার দুই বছর পর—
● বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও খুনের আলামত পর্যালোচনা করে দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয় বা সাতটি বিষয় মাথায় রেখে গোয়েন্দারা তদন্ত শুরু করেছে।
ঘটনার তিন বছর পর—
● তদন্ত সঠিকভাবেই চলছে। তবে ফল পেতে একটু সময় লাগবে।

 চতুর্থ ধাপ 

ঘটনার পাঁচ বছর পর
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ঘটনার প্রতিবাদে কঠোর বৃহত্তর কর্মসূচি, ৪৮ ঘণ্টা ধর্মঘট, আমরণ অনশন ইত্যাদি।
ব্যবস্থাপত্র: অনতিবিলম্বে মামলা বদলি করতে হবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ মনিটরিং সেলে। সেখানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সম্মতিক্রমে পাঁচ বছর থেকে অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত কালক্ষেপণ করা যাবে।
চতুর্থ ধাপের বাণীচিরন্তনী
ঘটনার পাঁচ বছর পর—
● ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে কয়েকটি দল একাধিক উপদলে বিভক্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মামলার স্বার্থে এখনই কিছু জানাতে পারছি না।
● ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিরা যাতে দেশ ছেড়ে যেতে না পারে, এ জন্য দেশের প্রতিটি বিমানবন্দর ও সীমান্তে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ঘটনার ১০ বছর পর—
● আমরা অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছি। হিমঘরে রক্ষিত মামলার কাগজপত্র ইঁদুরের কবল থেকে রক্ষা করার জন্য আমরা সত্যিই কাজ করে যাচ্ছি। আসামিরা ধরা পড়বেই।

 সংরক্ষণের জন্য চাই বাড়তি সতর্কতা

মামলার কাগজপত্র সংরক্ষণের জন্য বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। তা না হলে মামলা নিয়ে অহেতুক চিন্তার উদ্ভব হতে পারে, যা তদন্তকারী কর্মকর্তার হূদেরাগেরও কারণ হয়ে উঠতে পারে। মামলার কাগজপত্র ও আলামত সংগ্রহের পর প্রথমে দেখতে হবে সেখানে কোনো রাজনৈতিক চর্বি লেগে আছে কি না। যদি সে রকম কিছু থাকে, তাহলে নিজ বিবেচনা দিয়ে সেটি পরিষ্কার করে নিতে হবে। পরে হালকা রোদে শুকিয়ে, সম্ভব হলে কিছুটা লবণ দিয়ে হিমঘরে সংরক্ষণ করতে হবে। ইঁদুর কিংবা কীটপতঙ্গের হাত থেকে মামলার কাগজপত্র রক্ষা করার জন্য পরিমাণমতো রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে দেওয়া উত্তম।


প্রয়োজনীয় যত্নআত্তি
মানববন্ধন, অনশন কিংবা টেলিভিশনের টক শোতে নির্দিষ্ট কোনো মামলার প্রসঙ্গ উঠলে তদন্তকারী কর্মকর্তা অনধিক দুবার মামলার কাগজপত্র নাড়াচাড়া করে দেখবেন এবং গণমাধ্যমের সামনে সরকার-নির্ধারিত এক বা একাধিক মজুদকৃত ব্যবহারযোগ্য বাণী উচ্চারণ করবেন। সেই সঙ্গে হিমঘরে ইঁদুরের উপস্থিতির কোনো লক্ষণ দেখলে ঘটনাস্থলে ইঁদুর মারতে হবে। অধিক সতর্কতার জন্য স্তূপের নিচের কাগজপত্র ওপরে এবং ওপরের কাগজপত্র নিচে নেড়েচেড়ে দিতে হবে।


সংযুক্তি
ই-প্রথম আলো ১  □  ই-প্রথম আলো ২
প্রথম আলো অনলাইন সংস্করণ ১  □  প্রথম আলো অনলাইন সংস্করণ ২
ফেসবুক ফ্যান পেইজ ১  □  ফেসবুক ফ্যান পেইজ ২

প্রকাশকাল : ১৯ মার্চ ২০১২


সংযুক্তি
ই-প্রথম আলো  □  ফেসবুক ফ্যান পেইজ
 
প্রকাশকাল : ১২ মার্চ ২০১২
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
‘সরকারের পক্ষে বেডরুম পাহারা দেওয়া সম্ভব নয়’—জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেটিই স্বাভাবিক। কেননা সরকার দূরে থাকুক, স্বল্প জনবল নিয়ে পুলিশের পক্ষেও এই দায়িত্ব পালন অসম্ভব। আবার বেডরুমের অভ্যন্তরে অহেতুক ক্রসফায়ারের আশঙ্কায় র‌্যাবের কথাও ভাবা বিপজ্জনক। বেডরুম সিকিউরিটি ফোর্স নামে আলাদা বাহিনী তৈরি করে হয়তো পাহারা সমস্যার খানিকটা সমাধান সম্ভব। কিন্তু সেও অনেক সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল ব্যাপার। তা ছাড়া বিশ্বব্যাংক কিংবা দুবাই-মালয়েশিয়া এই খাতে ঋণ দেবে কি দেবে না, মাথায় রাখতে হবে সেটিও। এসব অনিবার্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে বেডরুম পাহারায় অপারগতা প্রকাশ এমন দোষের কিছু হয়নি। প্রধানমন্ত্রী বরং এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার যথার্থ পরিচয় রেখেছেন।

মনে রাখতে হবে, জনসচেতনতা তৈরির মূল দায়িত্ব সচেতন নাগরিক সমাজের। সুখের বিষয়, তার লক্ষণও কিছু দেখছি আমরা। বাড়ির মাস্টার ডিজাইনে বেডরুমটাই না রাখার দাবি উঠেছে স্বতঃস্ফূর্তভাবে।
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
ইতিমধ্যে যাদের বাড়িতে বেডরুম বর্তমান, ভাবা হচ্ছে তাদের কথাও। বেডরুমের নাম বদলে ড্রয়িংরুম কিংবা স্টোররুম করার প্রস্তাব এসেছে বিশেষজ্ঞ মহল থেকে। এর মধ্যেই গ্রাহকচাহিদার কথা মাথায় রেখে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে সুরক্ষিত নিরাপদ বেডরুমের একটি টেকসই মডেল...




সংযুক্তি
ই-প্রথম আলো ১  □  ই-প্রথম আলো ২

প্রথম আলো অনলাইন


প্রকাশকাল : ৫ মার্চ ২০১২
নেই মানে নেই! দেশের কোথাও আসলে দুর্নীতি নেই। টিআই জরিপে এখনো বাংলাদেশ সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের অন্যতম হতেই পারে, কিন্তু কে না জানে দেশে কোনো দুর্নীতির নামগন্ধও নেই। কেউ হয়তো বলবেন, দুর্নীতির অভিযোগে পদ্মা সেতুর কাজই তো আটকে গেল। আসলে ওটা শ্রেফ ভুল বোঝাবুঝি। বিশ্বব্যাংক যোগাযোগমন্ত্রীর দিকে আঙ্গুল তুলেছে ঠিক, তবে সেটা বিএনপি আমলের যোগাযোগ। আরো মন্ত্রীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠছে। কিন্তু প্রমাণ কোথায়? যারা বলেন দুর্নীতি দমন অভিযানের গতি ঢিমেতালে, তারা আসলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে বাধাগ্রস্থ করার চক্রান্ত করছেন। না, কোথাও দুর্নীতির লেশমাত্রও নেই। এমনকি আওয়ামী লীগ আমলে যে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া শুরু করেছিল, সেটাও ছিল রূপকথা।
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
এমনিতে ডিজিটাল যুগে অ্যানালগ পদ্ধতিতে দুর্নীতি খোঁজাও খুব কাজের কথা নয়। যথারীতি ‘বাংলা সার্চে’ও নেই মানে নেই!

২.
মূল সমস্যা মূলত আমজনতার। খেয়ে না-খেয়ে তারা কেবল দুর্নীতির গন্ধ খুঁজে বেড়ায় আর নিষ্ঠাবান সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে। ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদেও একই ঘটনা। পুরো পাঁচটি বছর সবাই সাক্ষাৎ দুর্নীতিবিরোধী যমদূত। কিন্তু মেয়াদ পেরোতেই বেরিয়ে এল থলের বেড়াল। ওদিকে কাহিনী জমে ওঠার আগেই কেউ পাড়ি জমালেন লন্ডনে, কেউ আবার মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ডে। সে এক সুগভীর সম্প্রসারণবাদী ষড়যন্ত্র! ডজন ডজন দুর্নীতি মামলা? সে তো সরকারের দমননীতির অংশ মাত্র। বিদেশী ব্যাংকে নামে-বেনামে একাউন্ট? কে না জানে, এ হল সুদূরপ্রসারী চক্রান্ত।
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]

সুতরাং এই পাড়েও সবাই মহাত্মা গান্ধীর একনিষ্ঠ অনুসারী। দুর্নীতি তো দূরের, ভাজা মাছও উল্টে খেয়েছেন কিনা সন্দেহ। বলাবাহূল্য, ‘বাংলা সার্চে’ তারই প্রতিফলন ঘটেছে হাতেনাতে।


সংযুক্তি
ই-প্রথম আলো ১  □   ই-প্রথম আলো ২ 
সামহোয়্যারইন ব্লগ


প্রকাশকাল : ৫ ডিসেম্বর ২০১১


[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]

[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]



[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]

[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]
[ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ]


সংযুক্তি
ই-প্রথম আলো  □
 
প্রকাশকাল : ১৪ নভেম্বর ২০১১
বিশ্বব্যাংকটা খুব দুষ্টু! মাননীয় যোগাযোগমন্ত্রীর মান-সম্মানের পর্দাটা একটানে সরিয়ে দিয়ে তারা বলছে - পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিভিন্ন কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য কমিশন চেয়েছে সৈয়দ আবুল হোসেনের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সাকো ইন্টারন্যাশনাল। কমিশন দিলে কাজ পেতে যোগাযোগমন্ত্রী নিজেই সহায়তা করবেন বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রমাণ দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি বিশ্বব্যাংক। জুয়াচুরি আর দুর্নীতির অভিযোগে বিশাল অংকের ঋণ পর্যন্ত আটকে দিয়েছে। তাতেই বন্ধ পদ্মা সেতুর কাজ। তাই না দেখে যোগাযোগমন্ত্রীর মনে অনেক দুঃখ...



সংযুক্তি
ই-প্রথম আলো
ফেসবুক ফ্যান পেইজ ১  □  ফেসবুক ফ্যান পেইজ ২  □  ফেসবুক ফ্যান পেইজ ৩
প্রকাশকাল : ১৭ অক্টোবর ২০১১
প্রথমে একটি দোয়েল পাখির হাতে আঁকা ছবি নিন। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য সেটি একটি বৃত্তের মধ্যে ঢুকিয়ে নিন। বাকি কাজ একদমই সহজ। বিশ্বখ্যাত যে কোনো প্রতিষ্ঠানের লোগো সামনে নিয়ে তার ওপর দোয়েল হোক আর শাপলা কিংবা আম কি জাম - ইচ্ছেমতো যে কোনো কিছু যত্নসহকারে বসিয়ে দিন। ব্যস, হয়ে গেল ব্রান্ড লোগো! সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেলকে সামনে রেখে বাংলাদেশি ল্যাপটপ দোয়েলেও এই নীতি চমৎকারভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। দোয়েলের লোগোটা হয়েছে ডেলেরই কপি। বাংলাদেশি মোবাইল, প্রিন্টার, ফ্রিজ-টেলিভিশনসহ যে কোনো সরকারি পণ্যের লোগো হিসেবে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য আমাদের এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ -



সংযুক্তি
ই-প্রথম আলো
ফেসবুক ফ্যান পেইজ ১ 

প্রকাশকাল : ১৭ অক্টোবর ২০১১
শেয়ারবাজারের ইদানিংকার নিয়মগুলো অদ্ভূত! টায়ারে অগ্নিসংযোগ করলে সূচক সামান্য বাড়ে, তার সঙ্গে খড়কুটা যোগ করলে আরেকটু বাড়ে, ঝাড়– ও জুতা মিছিলে সূচক একলাফে বেশ খানিকটা বেড়ে যায়। আর কোনোভাবে সড়ক অবরোধ করতে পারলে ওইদিন অন্তত বিকেল পর্যন্ত সূচক নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকা যায়। তবে এ সবই সকাল থেকে বিকেলের রুটিন, দিনশেষে ধরাবাঁধা দরপতনেই শেয়ারবাজারের নিয়তি নির্ধারিত। তবে ডায়েটে যেমন ছয়দিন শাকসবজির পর একদিন মাংস খাওয়ার রীতি, শেয়ারবাজারেও টানা চারদিন অব্যাহত দরপতনের পর একদিন চাঙাভাব থাকে। এ যেন অবিচ্ছেদ্য চক্র, চলছে তো চলছেই...


সংযুক্তি
ই-প্রথম আলো
ফেসবুক ফ্যান পেইজ
প্রকাশকাল : ১০ অক্টোবর ২০১১
অ্যাপলের সাফল্যের মূলে ছিলেন স্টিভ জবস। আইপড থেকে আইফোন, আইম্যাক থেকে আইপ্যাড, আইওএস থেকে আইটিউনস―সবখানেই ছিল তাঁর যাদুকরী হাতের ছোঁয়া। স্টিভ জবস আর নেই বটে, তবে হাতে গড়া অ্যাপল নিশ্চয়ই থেমে থাকবে না। আগামী দিনগুলোতে অ্যাপল নিশ্চয়ই হাজির হবে নতুন নতুন সব পণ্য নিয়ে। কেমন হতে পারে তার রূপ?

আই ফ্রিজ
কর্মব্যস্ত মানুষের প্রতিটি সেকেন্ডই মূল্যবান। তাদের দিকে ল্য রেখে অ্যাপলের এই যুগান্তকারী পণ্য ঘরে-বাইরে সবখানে দেয় অনাবিল প্রশান্তির নিশ্চয়তা। বাসাবাড়িতে ঢাউস আকারের ফ্রিজ এখনও জনপ্রিয় বটে, তবে রণাবেণের ঝক্কিও তাতে কম নয়। আইফ্রিজ এ জায়গায় অতুলনীয়। আকারে ছোট, ঘরের বাইরে কিংবা ভ্রমণকালে সহজেই বহন করা যায় এই ফ্রিজ। চালানোর জন্য সার্বণিক বিদ্যুৎও লাগে না, শুধু ব্যাটারি চার্জ করে নিলেই হল। অ্যাপলের অন্যান্য পণ্যের মতো এতেও আছে ফোন করার সমস্ত সুবিধা।

আইওয়াশ
সাধারণ মানুষের মধ্যে খুব একটা জনপ্রিয়তা নেই, তবে বিস্ময়কর তথ্য হল এই পণ্যটি থেকে অ্যাপল সবচেয়ে বেশি লাভ করে। কারণ বিভিন্ন দেশে সরকারি পর্যায়ে পণ্যটি কেনা হয়ে থাকে পাইকারি হারে। উদাহরণস্বরূপ বাংলাদেশে পুলিশ ও র‌্যাবের মতো আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর মধ্যে পণ্যটির চাহিদা প্রশ্নাতীত।

আইফ্যান
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বেড়েই চলেছে বৈশ্বিক উষ্ণতা। বাইরে বের হলেই হতে হয় ঘেমেনেয়ে একাকার। ভ্যাপসা গরম থেকে বাঁচতে আইফ্যান যেন এক ম্যাজিক! আকারে প্রায় বুকপকেটের সমান, চাইলে ফ্যানটি ভাঁজ করেও রাখা যায় সহজে। এতে একইসঙ্গে আছে ফোন ও টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর সুবিধা। তবে ফোন এবং ফ্যান দুটোই একসঙ্গে চালু রাখা যায় না। একটি চালু থাকলে অন্যটি স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকে।

আইরোজগার
মাটির ব্যাংক আজকাল আর দেখা যায় না। তবে সঞ্চয়ের অভ্যাস হারিয়ে যায়নি মানুষের। মধ্যবিত্তের একসময়কার অনিবার্য সঙ্গী মাটির ব্যাংক অ্যাপলের হাতে এসে নিয়েছে সৃজনশীল রূপ। সুপরিসর ছিদ্র দিয়ে পয়সা তো বটেই, যে কোনো অংকের টাকাও নতুন এই ডিভাইসে নিরাপদে জায়গা করে নিতে পারে।

আইওয়াটার
অ্যাপলের ‘এক্সটা পন্ড’ প্রযুক্তিতে তৈরি এই পানি সহজেই পান করা যায়। প্রতি বোতল আইওয়াটারে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের এক বিস্ময়কর সমন্বয় ঘটেছে। এ ছাড়াও এতে বায়ুরোধক ঢাকনা তো আছেই, সঙ্গে প্রতিটি বোতলের গায়ে রয়েছে সুদৃশ্য তাপ সহনীয় লোগো।

আইপট
রান্নাবান্না নিয়ে গৃহিনী মাত্রেরই ঝামেলার শেষ নেই। এ থেকে মুক্তি দিতে এলো―আইপট। এতে আছে বিশেষ বিল্টইন ব্লুটুথ সুবিধা, যার সাহায্যে রান্নাঘরে না গিয়েই ৮০০ গজের ভেতরে যে কোনো জায়গা থেকে আপনি রান্না করতে পারবেন যে কোনো কিছু, একদম নিখুঁতভাবে। খাবার পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও নেই, কারণ আইপটের তাপমাত্রা নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার ইমেইল ঠিকানায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি সতর্কীকরণ মেইল পৌঁছে যাবে।

আইএমএলএম
আইনজীবীদের যেমন কালো গাউনে, ঠিক তেমনি মাল্টি লেভেল মার্কেটিং বা এমএলএম (আরো সংক্ষেপে মলম) ব্যবসায়ীদের চেনা যায় শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় হাতে চামড়ার ব্যাগ আর গলায় টাই পরা দেখলে। যদিও পণ্যটি নিয়ে নানা বিতর্ক আছে শুরু থেকেই, তবু অ্যাপলের সৃজনশীলতা চোখে পড়ার মতো।

আইফুট
কম্পিউটার চালানোর সময় হাতের ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই। পা দুটো সে তুলনায় উপেতি, তবে একেবারে গুরুত্বহীনও নয়। মাউসের জন্য যেমন মাউসপ্যাড, তেমনি সঠিকভাবে কম্পিউটার চালনার স্বার্থে পা রাখার জন্যও চাই সঠিক স্বাস্থ্যসম্মত জায়গা। আইফুট নিখুঁত ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ঠিক এর সমাধান নিয়ে এসেছে। এতে প্রি-লোড করা আছে জনপ্রিয় কিছু নৃত্যের পা-চালিত মূদ্রাও।

আইডিশ
স্যাটেলাইটের যুগে ডিশ অ্যান্টেনা ছাড়া বিনোদনের কথা ভাবাই যায় না। তবে বিশালকায় ডিশ অ্যান্টেনা লাগাতে সুপরিসর জায়গার যেমন প্রয়োজন, তেমনি আছে রণাবেণের ঝামেলা। এখন আর দুর্ভোগ নয়, আইডিশ নিয়ে এসেছে ভবিষ্যতের প্রযুক্তি। আপনার মোবাইল ফোনের ওপরে ছোট্ট ডিশ অ্যান্টেনাটি লাগিয়ে টেলিভিশনেই উপভোগ করুন ইচ্ছেমতো স্যাটেলাইট চ্যানেল। ঝকঝকে ছবি, জোরালো শব্দ আর বিশেষ ধাতুতে নির্মিত অ্যান্টেনা দীর্ঘস্থায়ীও বটে।

আইক্রিম
আইক্রিমকে বলা হয়ে থাকে বহুমাত্রিক ক্রিম। রঙ ফর্সা করার জন্য এটি গায়ে মাখা যায়, আবার জ্যাম-জেলীর বিকল্প হিসেবে খাওয়াও যায়।

আইসয়াবিন
প্রযুক্তি ছেড়ে অ্যাপল কেন ভোগ্যপণ্যের ব্যবসায়―এ নিয়ে বিতর্ক কম নয়। তবু আইসয়াবিন সমাদৃত হয়েছে ক্রেতাদের ঘরে ঘরে। পাওয়া যাচ্ছে এক থেকে পাঁচ লিটারের সুদৃশ্য স্বচ্ছ প্যাকেটে।

প্রথম প্রকাশ
ই-প্রথম আলো ১  □  ই-প্রথম আলো ২  □  প্রথম আলো ওয়েব
ফেসবুক ফ্যান পেইজ ১  □  ফেসবুক ফ্যান পেইজ ২ 
প্রকাশকাল : ১০ অক্টোবর ২০১১
পুরাতন পোস্টসমূহ হোম

  • সাম্প্রতিক
  • মন্তব্যমালা
  • Problem with Bengali Font?
  • English Version
  • Mobile View
Advertisement সপ্তাহের নির্বাচন : ব্লগারের ২০টি সেরা উইজেট

অফিসিয়াল একাউন্ট

  • সামহোয়্যারইন ব্লগ
  • প্রথম আলো ব্লগ
  • বিডিনিউজ ব্লগ
  • নাগরিক ব্লগ
  • আমারব্লগ
  • গুগল প্লাস
  • ফেসবুক
  • টুইটার
  • টাম্বলার

ব্লগ স্টাইল

  • ম্যাগাজিন
  • টাইমস্লাইড
  • ফ্লিপকার্ড
  • মোজাইক
  • সাইডবার
  • স্ন্যাপশট

  • Home
  • About
  • Contact
  • বাংলা লিখুন ইউনিকোডে
Tweet
.



    1/11 advertisement amader shomoy amarblog audio audio-tape awami league Bangladesh bangladeshi blogger bank bdr-mutiny bijoy bijoy ekattor bijoy ekushe bijoy ekushey Blog blog ban blog-debate blog-review blog-satire blogger bobs boi-mela book-fair books bottle brain caricature children chile cht cinema computer contemporary corruption corruption tape cover cricket cyber-crime defense dhaka university diary documentary e-voting ebook economy entertainment eve-teasing everest exclusive facebook Feature finance football google hacking highlights human-rights india internet julian assange kaler-kantha khaleda-zia liberation-war libya load-shedding love media memoirs misc mlm mobile musa-ibrahim niagara falls oporbastob poetry police politics prothom-alo-blog rab religion rosh-alo sachalayatan satire saudi arab sheikh mujib social-media software somewherein blog sound special sports statue-of-liberty stock market survey sw-ban swine flu tech tech-humor technology television train accident transparency report travel video weather women world-affairs
Fusion Factory by Fusion5 is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivs 3.0 Unported License.
Designed by SimplexDesign