• Home
  • Contact
  • About
  • RSS
  • My Somewherein blog
  • Facebook
  • Twitter
  • Problem with Bengali Font?

  • মূলপাতা
  • স্বদেশ
    • সবিশেষ
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • রাজনীতি
    • সমসাময়িক
    • প্রতিরক্ষা
    • ধর্ম
    • পার্বত্য চট্টগ্রাম
    • মানবাধিকার
  • মিডিয়া
    • গণমাধ্যম
    • ই-সংকলন
    • বইপত্র
    • ▬▬
    • বাংলা দৈনিক
      • আরো »
        • আমার দেশ
        • আমাদের সময়
        • বাংলাদেশ প্রতিদিন
        • সংবাদ
        • যায়যায়দিন
        • মানবজমিন
        • ভোরের কাগজ
        • আমাদের অর্থনীতি
        • ডেস্টিনি
      • প্রথম আলো
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • কালের কন্ঠ
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • যুগান্তর
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • সমকাল
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • ইত্তেফাক
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • জনকণ্ঠ
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • নয়া দিগন্ত
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • সকালের খবর
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
    • ইংরেজি দৈনিক
      • ডেইলি স্টার
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
        • সাপ্লিমেন্টস
      • সান
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • ইন্ডিপেন্ডেন্ট
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • নিউ এইজ
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • বাংলাদেশ টুডে
        • ওয়েব সংস্করণ
        • ই-পেপার
      • আওয়ার টাইম
    • সংবাদ সংস্থা
      • আরো »
        • ফোকাস বাংলা
        • বিডি স্পোর্টস নিউজ
        • ঢাকা নিউজ
        • আরটিএনএন
        • রেডটাইমস
        • বিএনএন
        • বাংলাদেশ নিউজ
      • বিডিনিউজ
      • বাংলা নিউজ
      • বাসস
      • ইউএনবি
      • শীর্ষনিউজ
      • দি এডিটর
    • রেডিও-টেলিভিশন
      • রেডিও »
        • রেডিও ফূর্তি
        • রেডিও টুডে
        • এবিসি রেডিও
        • রেডিও লিংক
      • আরো »
        • বৈশাখী
        • দিগন্ত টিভি
        • বাংলা ভিশন
        • ইসলামিক টিভি
        • আরটিভি
        • মোহনা
        • মাই টিভি
      • চ্যানেল আই
      • এটিএন বাংলা
      • এনটিভি
      • দেশ টিভি
      • একুশে টিভি
    • সাময়িকী
      • আরো »
        • আরো »
          • আরো »
            • খবর
            • ডয়চে ভেলে
            • রেডিও ইরান
            • রেডিও চায়না
            • ই-বাংলাদেশ
            • খেলার খবর
            • সাময়িকী
          • মনোজগত
          • প্রবাসে প্রতিদিন
          • নতুন দেশ
          • ইউকে বেঙ্গলি
          • লন্ডন বাংলা
          • এনওয়াই বাংলা
          • ইউরো বাংলা
          • দশদিক
        • প্রোব ম্যাগাজিন
        • চিন্তা
        • একপক্ষ
        • নতুনধারা
        • বাংলামাটি
        • কম্পিউটার জগৎ
        • কম্পিউটার বার্তা
        • কালিকলম
      • সাপ্তাহিক
      • সাপ্তাহিক ২০০০
      • বুধবার
      • বিচিন্তা
      • কাগজ
      • সচিত্র সময়
      • ডিজিটাল সময়
      • মিডিয়া ওয়াচ
    • অনলাইন
      • এক
      • দুই
      • তিন
    • অন্যান্য
  • ব্লগ
    • ব্লগ পর্যালোচনা
    • ব্লগ বিতর্ক
    • ব্লগ স্যাটায়ার
    • ব্লগপিডিয়া
    • ব্লগতালিকা
      • আরো »
        • নাগরিক ব্লগ
        • একুশে ব্লগ
        • সোনার বাংলা ব্লগ
        • মুক্ত ব্লগ
        • চতুর্মাত্রিক ব্লগ
        • আমার বর্ণমালা ব্লগ
        • ওপেস্ট ব্লগ
      • সামহোয়্যারইন ব্লগ
      • প্রথম আলো ব্লগ
      • সচলায়তন
      • আমার ব্লগ
      • বিডিনিউজ ব্লগ
      • টেকটিউনস
      • গ্লোবাল ভয়েসেস বাংলা
  • গদ্যকার্টুন
    • গদ্যকার্টুন
    • ক্যারিকেচার
    • ব্লগ স্যাটায়ার
    • টেক-হিউমার
    • রস+আলো সংগ্রহ
  • প্রযুক্তি
    • প্রযুক্তি
    • কম্পিউটার
    • ইন্টারনেট
    • মোবাইল
    • সফটওয়্যার
    • হ্যাকিং
  • বিনোদন
    • বিনোদন
    • বেড়ানো
    • খেলা
    • সিনেমা
    • ডকুমেন্টারি
  • বিবিধ
    • ওয়ার্কশপ
      • আশাজাগানিয়া
      • ছিন্ন চিন্তাবলী
      • মুজতবা হোসেন মুরশেদ
    • দূরের জানালা
    • স্মৃতিকথা
    • গার্হস্থ্য
    • দিনলিপি
  • হেল্পলাইন
    • কনভার্টার
      • ইউনিকোড লেখনী ও পরিবর্তক
      • বাংলা কম্পিউটিং কনভার্টার
    • অভিধান
      • ইংরেজি থেকে বাংলা
      • বাংলা থেকে ইংরেজি
    • অনুবাদ
      • ইংরেজি থেকে বাংলা
      • বাংলা থেকে ইংরেজি
    • অভ্র কি-বোর্ড
    • টুইটার স্ট্যাটাস বাংলায়
  • ডাউনলোড
    • ই-সংকলন
      • ফিরে দেখা একাত্তর
      • প্রিয় কবিতা
    • সফটওয়্যার
      • ট্রু-ক্রিপ্ট
      • সেভেন জিপ
    • গুগল কোড
  • ভিডিও
    • রাজনৈতিক
    • অন্যান্য
BANGLADESH
cinema লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সিনেমা হলে দর্শক কমে যাচ্ছে—এ নিয়ে সংস্কৃতি অঙ্গনে হা-হুতাশের শেষ নেই। সিনেমা চলাকালে দর্শকের চাহিদামতো ‘পজ’ কিংবা ‘রিওয়াইন্ড-ফরওয়ার্ডের’ সুবিধা না থাকা এর অন্যতম কারণ। অন্ধকার গৃহে ঢোকামাত্রই প্রতিটি দর্শক একেকজন সাংস্কৃতিক কয়েদি হয়ে উঠেন। এমনকি জরুরি প্রয়োজনে হল থেকে বেরুনোর পথও কুসুমাস্তীর্ণ নয়, ১০ মিনিটের বিরতিটা ছাড়া। প্রযুক্তিময় এই সময়ে সিনেমা হলের বিকল্প হয়ে উঠেছে কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক। যদিও তাতে সিনেমা ভরা যতোটা সহজ, দেখা অতোটা নয়। বলা ভালো, এটা বিশেষ ঝক্কির ব্যাপার। টানা দেড় কিংবা তিন ঘন্টা মনোযোগ রাখা অনেকের পক্ষে কষ্টকর, অসহনীয়ও বটে। ঠিক এই সময়েই আবার হাতছানি দিয়ে ডাকে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন কাজ। ফলে হলে গিয়ে যে ছবি দেড় কি তিন ঘন্টায় দেখে ফেলা যায়, কম্পিউটারের সামনে বসে সেই একই ছবি দেখতে ক্ষেত্রবিশেষে দেড় কি তিন দিন লেগে যায়। কীভাবে? দেখা যাক সেটাই—


সংযুক্তি
ই-প্রথম আলো
প্রকাশকাল : ৩ অক্টোবর ২০১১
[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]
ঢাকাই ছবির এক দৃশ্যে বিছানায় শুয়ে বই পড়ছিলেন চরিত্রাভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা। এমন সময় আতঙ্কমাখা মুখে তাঁর তরুণী কন্যা ঢুকল কক্ষে। খালেদা আক্তার এবার বিছানা ছাড়লেন। অতি করুণ মুখ নিয়ে মেয়েকে শুধালেন, ‘তোকে নাকি গুন্ডারা কিডন্যাপ করে নিয়ে গিয়েছিল?’ বুঝুন অবস্থা! মেয়ে অপহূত হয়েছে, আর সেই খবর জেনেশুনে আপন মাতা এফডিসির বিছানায় শুয়ে শুয়ে বই পড়ছেন! আমাদের ঐতিহ্যবাহী এফডিসির সিনেমায় গরুরা আকাশে ওড়ে, মৎস্যকুল ঘাস খায়—এ কোনো নতুন খবর নয়। পাশের বলিউডেও এই চর্চা বিরল নয়। তবে হলিউডও দেখা যাচ্ছে এই ধারা থেকে খুব বেশি পিছিয়ে নেই।
এমনিতে সব পরিচালকই চান তাঁর সিনেমায় কোনো খুঁত না থাকুক। এর পরও অনেক কিছুই চোখ এড়িয়ে যায় তাঁদের। কনটিনিউটির (ধারাবাহিকতা) ভুলই সবচেয়ে বেশি। সিনেমায় সব দৃশ্য একবারে ধারণ করা যায় না। সন্ধ্যাবেলায় নেওয়া একটি দৃশ্য পরদিন সকালেও ধারণ করার প্রয়োজন হতে পারে। সে জন্য দৃশ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা খুবই জরুরি। এই যেমন, ম্যাক্স পেইন-এর দুটি দৃশ্য পাশাপাশি দেখুন—প্রথম দৃশ্যে মৃতদেহ এক ভঙ্গিতে শুয়ে আছে, চুলগুলো ঝুলছে বিছানার বাইরে। পরের দৃশ্যেই আবার ভঙ্গি অন্য রকম—চুলসহ পুরো শরীর বিছানায় উঠে পড়েছে। মৃতদেহের নিশ্চয়ই নড়াচড়ার সুযোগ নেই! সুতরাং শুটিং চলাকালে দৃশ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য ঘরের দেয়াল, আসবাব থেকে শুরু করে নড়াচড়া—সবই অবিকল রাখতে হয়। এটাই কনটিনিউটি। ভুলভালের মধ্যে অনেক সময় আবার ছবির দৃশ্যে শুটিং দলের ক্রুদের মুখ, শব্দ ধারণ করার মাইক্রোফোন—এসবও এসে যায়। এমনই কিছু ভুল নিয়ে এবারের আয়োজন।

রোমান যুগে গ্যাস-সিলিন্ডার
খ্রিষ্টপূর্বকালের রোমান যুগের কাহিনি নিয়ে তৈরি হয়েছিল গ্ল্যাডিয়েটর। সেই পুরোনো যুগের আবহ আনার জন্য ছবিতে ব্যবহার করা হয়েছিল সর্বাধুনিক কম্পিউটার জেনারেটেড ইমেজারি, স্পেশাল ইফেক্ট, বাস্তবানুগ অ্যাকশন দৃশ্য। মোটামুটি সবই ঠিক ছিল। গোলমালটা বাধে কার্থেজের যুদ্ধের সময়ে—একটি রথ উল্টে গিয়ে দেয়ালে আঘাত হানে, উল্টে যাওয়ার সময় কম্বলের ভেতরে লুকানো একটি গ্যাস-সিলিন্ডার ছবির পরিচালকের দৃষ্টি এড়ালেও দর্শকের চোখে ধুলো দিতে পারেনি। রোমান যুগে আর যা-ই হোক, গ্যাস অন্তত আবিষ্কৃত হয়নি! গ্ল্যাডিয়েটর ছবিতে সব মিলিয়ে পাওয়া গেছে ১৭৬টি ভুল।

টাইম মেশিন
কাভি খুশি কাভি গাম ছবির একটি ফ্ল্যাশব্যাক দৃশ্য, সময়কাল ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সাল। দেখা যায়, অমিতাভ বচ্চন একটি এলসিডি প্লাজমা টেলিভিশন দেখছেন। কিন্তু ওই সময় এলসিডি প্লাজমা আবিষ্কার তো দূরের কথা, নামই শোনেনি কেউ। অন্য একটি দৃশ্যে (১৯৯১ সালের ফ্ল্যাশব্যাক) অমিতাভকে একটি নকিয়া ৯০০০ কমিউনিকেটর ব্যবহার করতে দেখা যায়, যদিও নকিয়ার ওই মডেলের ফোন রিলিজ হয়েছিল তারও পাঁচ বছর পর, ১৯৯৬ সালে।

[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]
অলৌকিক গর্ভ
স্ত্রীর গর্ভধারণের খবর শুনে কৃশ ছবির একটি দৃশ্যে রোহিত নিজের অবস্থার বিবরণ দিচ্ছিলেন এই বলে—দুই বছর ধরে তিনি টানা অধ্যাপনা করে যাচ্ছেন এবং পূর্বনির্ধারিত কিছু কাজ শেষে তবেই বাড়ি ফিরবেন। প্রশ্ন হচ্ছে, রোহিত যদি দুই বছর বাড়ি থেকে দূরেই থাকেন, তাঁর স্ত্রী গর্ভবতী হলেন কীভাবে? জাদু নাকি!

জ্যাক স্পারোর জিন্স
পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান ছবির একটি দৃশ্যে ক্যাপ্টেন জ্যাক স্পারো যখন তাঁর অধীনদের কিছু একটা নির্দেশ দিচ্ছিলেন, তখন সাগরে শুটিং দলের একজন সদস্যকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল, যাঁর পরনে ছিল টি-শার্ট, কাউবয় টুপি আর সানগ্লাস! ভাবুন, সেই সময়কার জ্যাক স্পারোদের পোশাক-আশাক কেমন ছিল। ছবিটায় সব মিলিয়ে ভুল শনাক্ত করা গেছে ২৪১টি।

আকাশে বিমানের মডেল বদল
১৯৯৫ সালের থ্রিলার ছবি দি ইউজুয়াল সাসপেক্টস-এর একটি দৃশ্যে দেখা যায়, একটি বিমান মাটির দিকে নেমে আসছে। স্পষ্টই দেখা যাচ্ছিল, বিমানটি চার ইঞ্জিনবিশিষ্ট। কিন্তু সেটা যখন মাটিতে নেমে এল, তখন সেই বিমানে দেখা গেল মাত্র দুটো ইঞ্জিন, বাইরে দৃশ্যমান যন্ত্রপাতিও কেন যেন কমে এসেছে। বুঝতে অসুবিধা হয় না, ওঠা আর নামায় দুটি ভিন্ন মডেলের বিমানের সচল চিত্র ব্যবহূত হয়েছে। পরেরটি সম্ভবত বোয়িং ৭৬৭ ছিল।
এই একই কাণ্ড আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগারের টার্মিনেটর ৩: রাইজ অব দ্য মেশিনস ছবিতেও ঘটেছিল। জন আর ক্যাথেরিন যখন তাঁদের ছোট্ট সেসনা বিমান নিয়ে রানওয়েতে, তখন ওই বিমানের মডেল নম্বর দেখা যাচ্ছিল এন৩০৩৫সি। কিন্তু বিমানটি যখনই আকাশপানে উড়ল, মডেল নম্বর বদলে হয়ে গেল এন ৩৯৭৩এফ। তবে বিমানটি যখন গন্তব্যে পৌঁছাল, তখন আবার পুরোনো মডেলেই (এন৩০৩৫সি) ফিরে আসে।
২০০৩ সালে মুক্তি পাওয়া এই অ্যাকশনধর্মী ছবিতে ৩৬টি ভুল এযাবৎ পাওয়া গেছে।

অলৌকিক ইস্তিরি
ফরেস্ট গাম ছবিতে একই দৃশ্যের কয়েক সেকেন্ড আগে-পরে দেখা যাচ্ছে ইস্তিরি নিজে নিজেই খাড়া অবস্থা থেকে শুয়ে পড়েছে।

ব্রিটিশ সড়কে মার্কিন সেনার জগিং
স্ট্যানলি কুবরিক তাঁর যুদ্ধবিরোধী ছবি ফুল মেটাল জ্যাকেট-এর চিত্রধারণ কাজ করেছিলেন ইংল্যান্ডের বিভিন্ন লোকেশনে। ছবির একটি দৃশ্যে দেখা যায়, মার্কিন মেরিন সেনারা জগিং করছেন ট্রেনিং ক্যাম্পে। যে সড়কে তাঁরা জগিং করছিলেন, সেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল ব্রিটিশ রোড মার্কিং, যা কিনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দেখা যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

ভুলে ভরা হ্যারি পটার
আলোচনায় যেমন, ভুলভালেও হ্যারি পটারের ছবিগুলো এগিয়ে আছে বেশ। এই যেমন হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফারস স্টোন ছবিটায় ভুল পাওয়া গেছে মোট ২১৭টি। ভাবা যায়!
এই ছবিতে ভোজ-উৎসবে হ্যারিকে দেখা গেল টেবিলের ডান পাশে বসা অবস্থায়। সেই ভোজ চলতে চলতেই হ্যারিকে পাওয়া গেল টেবিলের অপর প্রান্তে, সতীর্থ তরুণীর পাশে।
ওদিকে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস-এ স্নেইপ যখন ম্যালফয়কে নিয়ে টানাহেঁচড়া করছিলেন, তখন স্ক্রিনের বাম কোনায় একজন ক্যামেরাম্যানকে দেখা যাচ্ছিল, যিনি বেশ মনোযোগ দিয়ে দৃশ্যটি ক্যামেরায় ধারণে ব্যস্ত। ২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিতে এরই মধ্যে ৩৭টি ভুল পাওয়া গেছে। আরও হয়তো পাওয়া যাবে সামনে। হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স-এ আবার আরেক কাণ্ড। ছবির একটি দৃশ্যে হ্যারিকে পাওয়া গেল গভীর ঘুমে মগ্ন অবস্থায়। পরনে বোতামহীন ‘গোল গলা’ গেঞ্জি। কিন্তু তিনি ঘুম থেকে যখন উঠলেন, গেঞ্জিতে দেখা গেল বেশ কয়েকটি বোতাম চেপে বসেছে, গেঞ্জির রংও বদলে গেছে। এই ছবিতে সাকল্যে ভুল মিলেছে ১০০টি।

সাদা হলো নীল
এক্স-ম্যান ২ ছবিতে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেছেন এক্স-ম্যান। ঠিক সেই সময় প্রেসিডেন্টের টেবিলের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই, কিছু সাদা কাগজ ছড়িয়ে আছে ওপরে বাম কোনার দিকে স্ট্যাপল করা। পরবর্তী দৃশ্যেই আবার দেখা গেল, প্রেসিডেন্টের সামনে সাদা কাগজগুলো আর নেই, নীলরঙা প্রচ্ছদে বাঁধাই করা একটি খাতা ছবির পরিচালকের দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসছে! এটাই একমাত্র নয়, আরও ১৯টি ভুল আছে অ্যাকশনধর্মী ছবিটায়।

থ্রি ইডিয়টিক কাণ্ড
বহুল আলোচিত থ্রি ইডিয়টস ছবিতে সন্তান জন্মের সময় পিয়া (কারিনা কাপুর) একটি দৃশ্যে ইউটিউবে ভিডিও দেখছিলেন। দৃশ্যটি ছিল তারও ছয় বছর আগের একটি ঘটনা নিয়ে। কিন্তু বাস্তবে তখন তো ইউটিউব সাইটটা চালুই হয়নি! আরেকটি দৃশ্যে আমির খান ও মাধবন এয়ারটেলের ইন্টারনেট ডেটা কার্ড ব্যবহার করছেন, শর্মণ জোশী তখন হাসপাতালে। দৃশ্যটি ১০ বছর আগের একটি ফ্ল্যাশব্যাক। প্রশ্ন হচ্ছে, ১০ বছর আগে এয়ারটেল ওয়্যারলেস ইন্টারনেট কোত্থেকে বাজারে ছাড়ল? তারপর দেখুন, ছবির শুরুর দিকে অভিনেত্রী মোনা সিংয়ের নাম ছিল পুনম, ছবির মাঝামাঝিতে বিনা নোটিশে তাঁর নাম দাঁড়ায় ‘মোনা’। সবশেষে তাঁকে ডাকা হতে থাকে ‘মোনা পুশ’ নামে।

ক্ষতচিহ্নের নড়াচড়া
যেকোনো অ্যাকশন দৃশ্যে কৃত্রিমভাবে আহত হওয়া একেবারেই মামুলি ব্যাপার। ছবির শুটিং চলাকালে দৃশ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে পাত্র-পাত্রীর আহত হওয়ার স্থানটি মনে রাখাও আবার খুবই জরুরি। লর্ড অব দ্য রিংস: দ্য রিটার্ন অব দ্য কিং ছবির একটি দৃশ্যে ফ্রোডোর মুখে একটি ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়। কিন্তু পরবর্তী দৃশ্যেই লক্ষ করা যায়, সেই ক্ষতচিহ্নের অবস্থান ও আকার পরিবর্তন হয়ে গেছে। ক্ষতচিহ্ন আকারে বড় তো হয়েছেই, সেটা আবার মুখের ডান দিক থেকে বাম দিকে চলে এসেছে। ধরে নেওয়া যায়, ব্যাপারটা হয় অলৌকিক, নয়তো মেকআপ বিভাগের কারিশমা! সব মিলিয়ে এই ছবিতে খুব বেশি নয়, মাত্র ২২৫টি ভুল আবিষ্কার করা গেছে।
দি ইউজুয়াল সাসপেক্টস ছবিতেও এ রকম একটি কাণ্ড দেখা যায়। পুলিশের গাড়ি হাইজ্যাক করার পর ভিলেন নিজের হাতে সেটার সামনের কাচ ভেঙে চুরমার করে, একেবারে ঠিক কাচের মাঝ বরাবর। তবে ওই অবস্থাতেই গাড়িটি যখন চলতে শুরু করে, তখন ভেতর থেকে দেখা যায় ভাঙচুর নিজে থেকে সরে নিচের দিকে বাম কোনায় চলে এসেছে!

গাড়ির মেরামতি কোর্স
দুর্ঘটনায় পড়া গাড়ি নিজে থেকেই মেরামত হয়ে যাওয়া একটি যুগান্তকারী ঘটনা, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগার অভিনীত ছবি কমান্ডোতে ঠিক এই ঘটনাই ঘটেছে। ছবির একটি দৃশ্যে আমরা দেখলাম, ভিলেনের সঙ্গে দ্বন্দ্বযুদ্ধের সময় শোয়ার্জেনেগারের গাড়ি ইয়েলো পোর্শের বাম পাশটা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলো। কিন্তু সামান্য পথ যেতে না যেতেই গাড়ির বাম পাশ তো বটেই, পুরো গাড়ি হয়ে গেল ঝকঝকে, নিখুঁত। গাড়িটা আগে কখনো মেরামতি কোর্স সম্পন্ন করেছিল কি না, সে বিষয়ে অবশ্য পরিচালক কিছু জানাননি। অ্যাকশনধর্মী ছবি কমান্ডোতে মিলেছে মাত্র ৫৬টি ভুল।
সংযুক্তি :
ই-প্রথম আলো ১  |  ই-প্রথম আলো ২  |  প্রথম আলো ওয়েব
প্রকাশকাল : ০৬-১২-২০১০
[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন] 
এফডিসিতে নির্মিত বাংলা সিনেমার জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে। পা-চালিত অযান্ত্রিক যানবাহনের চালকেরা বরাবরের মতোই এখনো বাংলা সিনেমার প্রধান দর্শক হিসেবে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখে চলেছেন। সংখ্যায় কম হলেও সাম্প্রতিককালে তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন গৃহকর্মীরাও। বেশির ভাগ সিনেমাই যেহেতু মোটের ওপর নায়ক-নায়িকাদের বিবাহকার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য তৈরি হয়ে থাকে, সেদিক থেকে কাজি অফিস এবং ঘটকসমাজের প্রচ্ছন্ন সমর্থনও পাচ্ছেন সিনেমা নির্মাতারা।
বাংলা সিনেমায় পুঁজি বিনিয়োগ নিয়ে সরাসরি কোনো তথ্য পাওয়া না গেলেও সিনেমা-সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নিখিল বাংলা রিকশাচালক সমিতি এবং কাজের বুয়া ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনই দীর্ঘদিন ধরে বাংলা সিনেমায় পুঁজি বিনিয়োগ করে যাচ্ছে। কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ দাবি করেছেন, পুঁজিই শুধু নয়, পরিচালকও ওই দুই সমিতি থেকেই সরবরাহ করা হচ্ছে। গবেষণাকালে সিনেমার কাহিনি বিশ্লেষণ করেও এই দাবির সত্যতা মিলেছে। 
সার্বিকভাবে অনেক দর্শক রক্তপাতের দৃশ্যে রঙের ব্যবহার যথাযথ হচ্ছে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গবেষণাকালে দেখা গেছে, ভিলেন গান গাওয়ার সময় নায়িকাকে জোর করে নাচানোর ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। এ ধরনের ঘটনাকে মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে দর্শকদের অনেকে মতপ্রকাশ করেছেন।
টানাহেঁচড়ার দৃশ্যে কোনো কোনো ভিলেনের আচরণেও নায়িকাদের মধ্যে মৃদু অসন্তোষ লক্ষ করা গেছে। পক্ষান্তরে, ছবির
[পূর্ণ রেজ্যুলেশনে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন]
শেষ দিকে আকস্মিক গুলিবিদ্ধ হয়ে নায়ককে হাসপাতালে নেওয়ার প্রবণতা অতীতের তুলনায় সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে। কোনো ছবিতেই অবশ্য রক্তের গ্রুপ নিয়ে সমস্যা লক্ষ করা যায়নি, তা যতই বিরল গ্রুপ হোক না কেন।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, সিনেমার কাহিনিতে জনপ্রিয়তার বিচারে ‘না না এ হতে পারে না’ সংলাপটি এগিয়ে রয়েছে, অন্যদিকে র্যাব আসার পর থেকে ‘ছেড়ে দে শয়তান, ছেড়ে দে, তুই আমার দেহ পাবি মন পাবি না’ সংলাপটির জনপ্রিয়তার মাত্রা কিছুটা নেমেছে। 
 

সংযুক্তি :
ই-প্রথম আলো ১  |  ই-প্রথম আলো ২  |  প্রথম আলো ওয়েব
প্রকাশকাল : ১৭-০১-২০১১
ঢাকাই ছবির এক দৃশ্যে বিছানায় শুয়ে বই পড়ছিলেন চরিত্রাভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা। এমন সময় আতঙ্কিত ভঙ্গিতে তার কন্যা ঢুকল কক্ষে। খালেদা আক্তার এবার বিছানা ছাড়লেন। অতি করুণ মুখ নিয়ে মেয়েকে শুধালেন- 'তোকে নাকি গুণ্ডারা কিডন্যাপ করে নিয়ে গিয়েছিল?' বুঝুন অবস্থা! মেয়ে অপহৃত হয়েছে, আর সেই খবর জেনেশুনে আপন মাতা এফডিসির বিছানায় শুয়ে শুয়ে বই পড়ছেন! আমাদের ঐতিহ্যবাহী এফডিসির সিনেমায় গরুরা আকাশে ওড়ে, মৎস্যকূল ঘাস খায়- এ কোনো নতুন খবর নয়। পাশের বলিউডে এই চর্চা বিরল নয়। তবে হলিউডও দেখা যাচ্ছে, এই ধারা থেকে খুব বেশি পিছিয়ে নেই।



এমনিতে সব পরিচালকই চান, তার সিনেমায় কোনো খুঁত না থাকুক। এরপরও অনেককিছুই চোখ এড়িয়ে যায় তাদের। কন্টিনিউটির ভুলই সবচেয়ে বেশি। সিনেমায় সব দৃশ্য একবারে ধারণ করা যায় না। সন্ধ্যাবেলায় নেওয়া একটি দৃশ্য পরদিন সকালেও ধারণ করার প্রয়োজন হতে পারে। সেজন্য দৃশ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা খুবই জরুরি। এই যেমন, ম্যাক্স পেইনের দুটি দৃশ্য পাশাপাশি দেখুন - প্রথম দৃশ্যে মৃতদেহ এক ভঙিতে শুয়ে আছে, পরের দৃশ্যেই আবার ভঙ্গি অন্যরকম। মৃতদেহ নিশ্চয়ই নড়াচড়া করে না! সুতরাং শুটিং চলাকালে দৃশ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য ঘরের দেয়াল, আসবাব থেকে শুরু করে নড়াচড়া - সবই অবিকল রাখতে হয়। এটাই কন্টিনিউটি। ভুলভালের মধ্যে অনেক সময় আবার ছবির দৃশ্যে শুটিং দলের ক্রুদের মুখ, শব্দ ধারণ করার মাইক্রোফোন- এসবও এসে যায়। তো, শুরু করা যাক-

রোমান যুগে গ্যাস সিলিন্ডার
রোমান যুগের কাহিনী নিয়ে তৈরি হয়েছিল গ্ল্যাডিয়েটর। সেই পুরনো যুগের আবহ আনার জন্য ছবিতে ব্যবহার করা হয়েছিল সর্বাধুনিক কম্পিউটার জেনারেটেড ইমেজারি, স্পেশাল ইফেক্ট, বাস্তবানূগ অ্যাকশন দৃশ্য। সবই ঠিক ছিল। গোলমালটা বাঁধে কার্থেজের যুদ্ধের সময়ে, একটি রথ উল্টে গিয়ে দেয়ালে আঘাত হানে, উল্টে যাওয়ার সময় কম্বলের ভেতরে লুকোনো একটি গ্যাস সিলিন্ডার ছবির পরিচালকের দৃষ্টি এড়ালেও দর্শকের চোখে ধুলো দিতে পারেনি। রোমান যুগে আর যাই হোক, গ্যাস অন্তত আবিষ্কৃত হয়নি! গ্ল্যাডিয়েটর ছবিতে সবমিলিয়ে পাওয়া গেছে ১৭৬টি ভুল।
দেখুন এই যে জিন্স পরা ক্রু মেম্বার-

এই ছবিতে ধরা পড়েছে স্বয়ং ক্যামেরাম্যান।

আর এই ছোট্ট ক্লিপটায় দেখুন গ্যাস সিলিন্ডার কেলেঙ্কারি-


ব্রিটিশ রোডে মার্কিন সেনার জগিং
স্ট্যানলি কুবরিক তার যুদ্ধবিরোধী ছবি ফুল মেটাল জ্যাকেটের চিত্রধারণ কাজ করেছিলেন ইংল্যান্ডের বিভিন্ন লোকেশনে। ছবির একটি দৃশ্যে দেখা যায়, মার্কিন মেরিন সেনারা জগিং করছেন ট্রেনিং ক্যাম্পে। যে সড়কে তারা জগিং করছিলেন, সেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল ব্রিটিশ রোড মার্কিং, যা কিনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দেখা যাওয়ার প্রশ্নই আসে না!


ক্ষতচিহ্নের নড়াচড়া
যে কোনো অ্যাকশন দৃশ্যে কৃত্রিমভাবে আহত হওয়া একেবারেই মামুলি ব্যাপার। ছবির শুটিং চলাকালে দৃশ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে পাত্র-পাত্রীর আহত হওয়ার স্থানটি মনে রাখা খুবই জরুরি। লর্ড অফ দ্য রিংস : দ্য রিটার্ন অফ দ্য কিং ছবির একটি দৃশ্যে ফ্রোডোর মুখে একটি ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়। কিন্তু পরবর্তী দৃশ্যে লক্ষ্য করা যায়, সেই ক্ষতচিহ্নের অবস্থান ও আকার পরিবর্তন হয়ে গেছে। ক্ষতচিহ্ন আকারে বড়ো তো হয়েছেই, সেটা আবার মুখের ডানদিক থেকে বামদিকে চলে এসেছে। ধরে নেওয়া যায়, ব্যাপারটা হয় অলৌকিক, নয়তো মেকআপ বিভাগের কারিশমা! সবমিলিয়ে এই ছবিতে খুব বেশি না, মাত্র ২২৫টি ভুল আবিস্কার করা গেছে!


থ্রি ইডিয়টিক কাণ্ড
বহুল আলোচিত 'থ্রি ইডিয়টস' ছবিতে সন্তান জন্মের সময় পিয়া (কারিনা কাপুর) একটি দৃশ্যে ভিডিও চ্যাটের সময় ইউটিউবে একটি ভিডিও দেখছিলেন। দৃশ্যটি ছিল তারও ছয় বছর আগের একটি ঘটনা নিয়ে। কিন্তু তখন তো ইউটিউব সাইটটা চালুই হয়নি! আরেকটি দৃশ্যে আমির খান এবং মাধবন এয়ারটেলের ইন্টারনেট ডাটাকার্ড ব্যবহার করছেন, শর্মন জোশী তখন হাসপাতালে। দৃশ্যটি ১০ বছরের আগের একটি ফ্ল্যাশব্যাক দৃশ্য। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ১০ বছর আগে এয়ারটেল ওয়্যারলেস ইন্টারনেট কোত্থেকে বাজারে ছাড়লো? তারপর দেখুন, ছবির শুরুর দিকে অভিনেত্রী মোনা সিংয়ের নাম ছিল পুনম, ছবির মাঝামাঝিতে বিনা নোটিশে তার নাম দাঁড়ায় 'মোনা'। সবশেষে তাকে ডাকা হতে থাকে 'মোনা পুশ' নামে।

অলৌকিক গর্ভ
'কৃশ' ছবির একটি দৃশ্যে রোহিত বলছিলেন, গত দু বছর ধরে তিনি টানা অধ্যাপনা করে যাচ্ছেন এবং নির্দিষ্ট কিছু কাজ শেষে তবেই বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু রোহিত যদি দু বছর বাড়ি থেকে দূরেই থাকেন, প্রশ্ন এসে যায় তার স্ত্রী গর্ভবতী হলেন কিভাবে? জাদু নাকি!

টাইম মেশিন!
'কাভি খুশি কাভি গাম' ছবির একটি ফ্ল্যাশব্যাক দৃশ্য, সময়কাল ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সাল। দেখা যায়, অমিতাভ বচ্চন একটি এলসিডি প্লাজমা টেলিভিশন দেখছেন। ওই সময় এলসিডি প্লাজমা আবিষ্কার তো দূরের, নামই শোনেনি কেউ। অপর একটি দৃশ্যে (১৯৯১ সালের ফ্ল্যাশব্যাক) অমিতাভকে একটি নকিয়া ৯০০০ কমিউনিকেটর ব্যবহার করতে দেখা যায়। যদিও নকিয়া ওই মডেলের ফোন রিলিজ হয়েছিল ১৯৯৬ সালে।

ছোট্ট এই ভিডিওতে একেবারে হাতেনাতে ধরা হয়েছে হিন্দি সিনেমার কিছু ভুল।

হলিউডের যতো ভুলভাল
গত বছরের ছবি অ্যাভাটারে ভুল ছিল ২৪টি। ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়া অস্কারজয়ী স্লামডগ মিলিওনেয়ারেও ১১টি ভুল আছে। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া টাইটানিকে ভুল পাওয়া গেছে ২১৩টি। পাইরেটস অফ দ্য ক্যারিবিয়ানে ভুল শনাক্ত করা গেছে ২৪১ টি।

দেখুন, ছবির এই দৃশ্যে ক্যাপ্টেন জ্যাক স্পারো যখন অধীনস্থদের কিছু একটা নির্দেশ দিচ্ছিলেন, তখন সাগরে শুটিং দলের একজন সদস্যকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল, যার পরনে ছিল টিশার্ট, কাউবয় টুপি আর সানগ্লাস!

ওদিকে সেই ১৯৭৭ সালের ছবি স্টার ওয়ার্সে তো দেখছি ভুলের ছড়াছড়ি।


আর সদ্য মুক্তি পাওয়া ছবির মধ্যে দ্য এক্সপেন্ডেবলসে এখন পর্যন্ত ১০টি ভুল শনাক্ত করা গেছে। হ্যাংওভারে ভুল পাওয়া গেছে ২৬টি। টয় স্টোরিতে তিনটি। ইনসেপশনে ১৯টি। আর ফরেস্ট গাম্পে ৪৯টি-


ম্যাট্রিক্সে ভুল পাওয়া গেছে ১৫২টি। ছবিতে দেখুন শিটের ভেতরে ক্যামেরার মুখটা শেষ পর্যন্ত আর লুকোনো যায়নি।


হ্যারি পটার এন্ড দ্য ফিলোসফারস স্টোনে ২১৭টি ভুল পাওয়া গেছে।
দেখুন পেছন থেকে রনের শার্ট টেনে ধরেছে এক ক্রু।



বিখ্যাত কিছু হলিউডি সিনেমার ভুলভ্রান্তি দেখুন স্বচক্ষে-


ভুলভাল নিয়ে আরো জানতে দেখুন মজার এই ওয়েবসাইটটি। এতে এই পর্যন্ত পাঁচ হাজার ৯৭৬টি সিনেমার ৮৯ হাজার ৫৯৩টি ভুল ধরা হয়েছে।

সিনেমার ভুল : ব্লগের পাতা থেকে
■ এক্সকিউজ মি দাদীমা, আপনি এই গুলিবিদ্ধ হাত দিয়ে চোখ মুছবেন না...
■ সাম্প্রতিক দেখা ছবি-রোবোট -রিভিউ
■ খুঁত না ধরে হিন্দি সিনেমা দেখতেসি


প্রথম প্রকাশ
শুনেছি, অতি চর্চায় যৌনক্ষমতা পর্যন্ত হ্রাস পায়। কথাটা চিকিৎসাবিজ্ঞান সমর্থন করে কিনা কে জানে! তবে এটা সত্যি যে, অতি চর্চায় আমার ডিভিডি রমটার কর্মক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। ডিভিডি ঢুকিয়ে শুরুটা দেখার পর শেষটা দেখতে পারবো কিনা- এ নিয়ে নিত্যই থাকি আতঙ্কে। এই আতঙ্ক থেকে তৈরি হওয়া ক্ষুধা সামাল দিতে উচ্চগতির ইন্টারনেটের শরণাপন্ন হই শেষমেশ। এরপর এটুকু শুধু বলতে পারি- স্টেজভ্যুর ওপর একটা প্রবল ঝড় বয়ে গিয়েছিল। সেই ঝড়ের তোড়ে কিংবা ছবির ভারে হার্ডডিস্কের রীতিমতো বিদ্রোহ করার অবস্থা। সম্ভাব্য বিদ্রোহ দমন করতে গিয়ে শুরু হল ছবি দেখা এবং দেখামাত্র পোর্টেবল হার্ডডিস্কে চালান দিয়ে মূল হার্ডডিস্কের ভার কমানো।

যাউগ্গা, তালিকা থেকে আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে তৈরি ছবিগুলো বাদ দিয়েছি যত্নের সঙ্গে। বেশি পুরনো মুভিগুলোও, গন উইথ দ্য উইন্ডসহ। প্রথম ও বিশ্বযুদ্ধকে এই তালিকায় অগ্রাহ্য করেছি পুরোপুরি, এমনকি আমার অতিপ্রিয় ভিয়েতনাম যুদ্ধও। বলে রাখা ভালো, তালিকার বেশিরভাগই প্রপাগাণ্ডা মুভি- যেখানে আমেরিকা কখনোই পরাজয় বরণ করে না। আর মুভিগুলোর ছাঁচও এমনই যে, দর্শকরাও আমেরিকার বিজয় কামনা করতে বাধ্য হন! বলাবাহুল্য, নিচের ছবিগুলো প্রায় সবকটিই ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে দেখেছি, কিছু ছবি ডিভিডিতে দেখা। এবং এটা 'সেরা' গোছের কোনো তালিকা নয়।

১. দ্য কিলিং ফিল্ডস
ছবি মুক্তি : নভেম্বর, ১৯৮৪ | ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক রিপোর্টার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কম্বোডিয়ান গৃহযুদ্ধ কভার করে পুলিৎজার পুরস্কার পান। কিন্তু যে কম্বোডিয়ান সহযোগীর জন্য এমন সম্মান পাওয়া তার জন্য সহজতর হয়েছিল, কম্বোডিয়ায় খেমাররুজ বাহিনীর প্রতাপের মুখে সেই বন্ধুর জীবন তখন সুতোর ওপর ঝুলছিল। যুদ্ধ ও ভালোবাসার ছবি।

২. মিসিং
ছবি মুক্তি : ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ | ধরন : ড্রামা, থ্রিলার, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড পার্ট ১ | ডাউনলোড পার্ট ২ | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : চিলিতে সালভাদর আলেন্দেকে হটিয়ে সেনানায়ক পিনোশে ক্ষমতা দখলের পর পরই নিখোঁজ হয়ে যান এক মার্কিন সাংবাদিক। কেউ তার খোঁজ দিতে পারে না, এমনকি মার্কিন দূতাবাসও। ছেলের খোঁজে আমেরিকা থেকে উড়ে আসেন বাবা। সঙ্গে যোগ দেন পুত্রবধূ। শুরু হয় অনুসন্ধান। একপর্যায়ে তারা আবিষ্কার করেন, নিখোঁজ হওয়ার ওই ঘটনায় খোদ মার্কিন সরকার এবং সিআইএর হাত আছে।
সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত ছবিটি ২০০৬ সালের আগ পর্যন্ত চিলিতে প্রদর্শন নিষিদ্ধ ছিল। চিলির সেই সময়কার মার্কিন অ্যাম্বাসেডর নাথানিয়াল ডেভিস ছবিটির পরিচালক ও প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা দায়ের করেছিলেন। অবশ্য ডেভিস সেই মামলায় হেরে যান।

৩. হোটেল রুয়ান্ডা
ছবি মুক্তি : ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ | ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী, থ্রিলার, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : রুয়ান্ডার এক হোটেল ম্যানেজার, হুটু ও টুটসিদের মধ্যকার জাতিগত সংঘাতের সময় তার হোটেলে আশ্রয় দিয়েছিলেন সহস্রাধিক টুটসি শরণার্থীকে, হুটু বাহিনীর প্রবল প্রতাপের মুখে সেই ম্যানেজারের হৃদয়স্পর্শী ভূমিকা ছবির মূল উপজীব্য। ছবিটি একইসঙ্গে মনে করিয়ে দেয় আমাদের একাত্তরের কথাও। সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এক অসাধারণ ছবি।

৪. ব্ল্যাক হক ডাউন
ছবি মুক্তি : ১৮ জানুয়ারি ২০০২ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : ১৯৯৩ সালের ৩ অক্টোবর সোমালিয়ায় এক বিপজ্জনক মিশনের গল্প। এদিন হেলিকপ্টারযোগে আসা ১০০ ইউএস আর্মি রেঞ্জারকে নামিয়ে দেওয়া হয় রাজধানী মোগাদিসুতে। লক্ষ্য সোমালি যুদ্ধবাজদের হাত থেকে দুই শীর্ষ লেফটেন্যান্টকে উদ্ধার করে আনা। শুরু হয় সোমালি যুদ্ধবাজ এবং রেঞ্জারদের মরণপণ লড়াই।
প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফের স্মৃতিকথা 'ইন দ্য লাইন অফ ফায়ার'-এ দেখলাম ছবিটির উল্লেখ আছে। সেখানে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, মোগাদিসুতে কর্তব্যরত পাকিস্তানি সেনারা সেদিন ধৃত মার্কিন সেনাদের উদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও 'ব্ল্যাক হক ডাউন' ছবিতে সেটা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

৫. ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন চায়না
ছবি মুক্তি : আগস্ট, ১৯৯১ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ১৯ শতকে চীনে ব্রিটিশ-ফরাসি-আমেরিকান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কিংবদন্তীর মার্শাল আর্ট যোদ্ধা উং ফেই-হাংয়ের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম এবং বন্দুকের সঙ্গে কুংফুর অসম যুদ্ধ - ছবিটির বিষয়।

৬. দ্য ওয়ারলর্ডস (চীনা ভাষায় - টো মিং চোং)
ছবি মুক্তি : এপ্রিল, ২০১০ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : তিন চীনা জেনারেলের বীরত্বগাঁথা এবং নিরন্তর সংগ্রাম ছবির বিষয়বস্তু। চীনা জেনারেল মা জিনি হত্যাকাণ্ডের ওপর লেখা "অ্যাসাসিনেশন অফ মা" বইয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এই ছবির প্রধান এক চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেট লি।

৭. স্যাভিওর
ছবি মুক্তি : নভেম্বর, ১৯৯৮ | ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : সাবেক এক মার্কিন সেনা কর্মকর্তা প্যারিসে মুসলমান সন্ত্রাসবাদীদের হাতে তার স্ত্রী নিহত হওয়ার পর ফরাসি মিলিটারি ইউনিটের হয়ে বসনিয়ান সার্ব আর্মির পক্ষে যুদ্ধ করতে যান। যুদ্ধের ভয়াবহতা তাকে করে তোলে হৃদয়হীন, কিন্তু এক সার্ব নারী ও তার সদ্যোজাত সন্তানকে রক্ষা করতে গিয়ে ভাড়াটে ওই সৈনিক তার মনে মানবিকতা খুঁজে পান। ছবিতে ট্রাজেডির সঙ্গে মিলেছে মানবিক আবেদনও। রুদ্ধশ্বাসে দেখার মতো।

৮. বিহাইণ্ড এনিমি লাইন্স কলম্বিয়া
ছবি মুক্তি : ৬ জানুয়ারি ২০০৯ | ধরন : অ্যাকশন, থ্রিলার, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : কলম্বিয়ান সরকার ও বিদ্রোহী ফার্ক গেরিলাদের সংঘাত বিশ্বজুড়ে আলোচনার পুরনো বিষয়। সেই সূত্রে কলম্বিয়ায় স্থাপিত মার্কিন ঘাঁটি খোদ হুগো শাভেজেরও নিত্য মাথাব্যাথার কারণ । ইউএস নেভির একটি গোপন মিশন ঘটনাচক্রে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে শক্তিমান ফার্ক গেরিলাদের সঙ্গে। ছবির কাহিনী সেটা নিয়েই, তবে গৃহযুদ্ধের চিত্রও উঠে এসেছে ফাঁকে ফাঁকে।

৯. বিহাইণ্ড এনিমি লাইন্স বসনিয়া
ছবি মুক্তি : ৩০ নভেম্বর ২০০১ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : বসনিয়ায় এক মিশনে গিয়ে ইউএস নেভির একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। ঘটনাচক্রে পাইলট বেঁচে গেলেও শত্রুর মাটিতে সার্ব বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য শুরু হয় তার প্রতি মুহূর্তের যুদ্ধ। সব চেষ্টা যখন প্রায় শেষ, শত্রু যখন নিশ্বাস ফেলছে ঘাড়ের ওপর, ন্যাটো কর্তাদের বিরুদ্ধে রীতিমতো বিদ্রোহ করে উদ্ধার অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেন পাইলটের কমান্ডিং অফিসার।

১০. এক্সিস অফ ইভিল
ছবি মুক্তি : ১৭ অক্টোবর ২০০৬ | ধরন : অ্যাকশন, থ্রিলার, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : ইউএস নেভির একটি বিশেষ মিশনের ওপর দায়িত্ব পড়ে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস এবং সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলা নস্যাৎ করে দেওয়ার। কিন্তু মিশনের শুরুতেই ঘটে বিপত্তি। শুরু হয় অস্তিত্ব রক্ষার স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই।

‌১১. আ মাইটি হার্ট
ছবি মুক্তি : ২২ জুন ২০০৭ | ধরন : ঐতিহাসিক, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : ২০০২ সালে তালেবান জঙ্গিদের হাতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদক ড্যানিয়েল পার্ল অপহরণ এবং পরবর্তীতে তাকে শিরচ্ছেদের মর্মন্তুদ কাহিনী- ছবিটির বিষয়বস্তু। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত এই ছবিতে ড্যানিয়েল পার্লের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। ছবিটির চিত্রায়ন প্রধানত ভারতেই, তবে কিছু অংশ পাকিস্তান ও ফ্রান্সেও হয়েছে।

১২. দ্য কাইট রানার
ছবি মুক্তি : ২৬ ডিসেম্বর ২০০৭ | ধরন : ড্রামা, রোমান্স, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : ক্যালিফোর্নিয়ায় দীর্ঘকাল কাটিয়ে আমির একসময় তার মাতৃভূমি আফগানিস্তানে ফেরেন। সেখানে তার বন্ধুপুত্র তখন চরম বিপদের মুখে। জড়িয়ে পড়েন আমির নিজেও।

১৩. দ্য হার্ট লকার
ছবি মুক্তি : ১০ অক্টোবর ২০০৮ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : ঘটনাস্থল ইরাক। এলিট এক আর্মি বম্ব স্কোয়াড ইউনিট এমন এক শহরে ঢোকে, যেখানে প্রতিটি মানুষই শত্রু, যেখানে প্রতিটি বস্তুই বিপজ্জনক বোমা! ছবিটি চলতি বছর ছয় ছয়টি অস্কার পেয়েছে।

১৪. লায়ন্স ফর ল্যাম্বস
ছবি মুক্তি : ৯ নভেম্বর ২০০৭ | ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : এই ছবির উপজীব্য আফগানিস্তানের যুদ্ধক্ষেত্র। নব্বই মিনিটের ছবিতে আছে তিন তিনটি গল্প- এক মার্কিন কংগ্রেসম্যান, একজন সাংবাদিক এবং একজন অধ্যাপকের।

১৫. ডেল্টা ফোর্স
ছবি মুক্তি : ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬ | ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড পার্ট ১ | ডাউনলোড পার্ট ২ | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : লেবাননভিত্তিক জঙ্গিদের একটি দল একটি আমেরিকান বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মার্কিন সরকারকে জানিয়ে দেয়, তাদের দাবি মানা না হলে জিম্মি যাত্রীদের হত্যা করা হবে। সম্ভাব্য সব প্রচেষ্টা যখন ব্যর্থ, মার্কিন সরকার তখন সন্ত্রাসবিরোধী এক অভিজাত ইউনিট 'ডেল্টা ফোর্স'কে পাঠায় জিম্মিদের উদ্ধার করার জন্য। কিন্তু কাজটা সহজ ছিল না। ছবিটি ১৯৮৫ সালের ২৪ জুলাইয়ের একটি সত্যি ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত।

১৬. বর্ডার
ছবি মুক্তি : ১৩ জুলাই ১৯৯৭ | ধরন : অ্যাকশন, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : ছবিটির বিষয় ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, যা কিনা আসলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। রাজস্থানের লঙ্গেওয়ালায় সংঘটিত এক সত্যিকারের ঘটনা নিয়ে নির্মিত বলিউডের এই ছবিকে 'ব্লকবাস্টার' হিসেবে গণ্য করা হয়।

১৭. মিশন কাশ্মীর
ছবি মুক্তি : ২৭ অক্টোবর ২০০০ | ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : আলতাফ নামের এক তরুণের ট্রাজিক জীবনের গল্প। শৈশবে ভারতীয় পুলিশের হাতে তার পুরো পরিবার খুন হওয়ার পর সেই পুলিশেরই এক কর্মকর্তা তাকে দত্তক নেন। বড়ো হয়ে আলতাফ যখন তার পরিচয় জানতে পারে, তখন সে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ছবিটিতে উঠে এসেছে ভারত-পাকিস্তান সংঘাত, বিশেষ করে যুদ্ধজাত নিষ্ঠুরতার শিকার শিশুদের করুণ জীবনের কাহিনী।

১৮. মাচিস
ছবি মুক্তি : আগস্ট, ১৯৯১ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, থ্রিলার, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ১৯৮৪ সালে ভারতের পাঞ্জাবে ভয়াবহ রায়টের পর সন্ত্রাসবাদের বিস্তার এবং পাঞ্জাবি তরুণদের মানসিক টানাপড়েনের কাহিনী উঠে এসেছে বাস্তবধর্মী এই ছবিতে। গুলজার পরিচালিত এই ছবিতে অভিনয় করেছেন ওমপুরী, টাবু, চন্দ্রচূড় সিং।

‌১৯. রেড স্যান্ডস
ছবি মুক্তি : ন | ধরন :অ্যাকশন, ড্রামা, ভৌতিক, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : রেড স্যান্ডস যতোটা না যুদ্ধাশ্রয়ী ছবি, ততোটাই ভৌতিক। আফগানিস্তানের কাহিনী।

২০. রেম্বো ফোর
ছবি মুক্তি : ২৫ জানুয়ারি ১৯৮৮ | ধরন : অ্যাকশন, থ্রিলার।
ডাউনলোড লিংক | [link|http://www.imdb.com/title/tt0462499/ছবি সম্পর্কে - আইএমডিবি] | ছবি সম্পর্কে - উইকিপিডিয়া
ঘটনাক্রম : মিয়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি থাইল্যান্ডে নিরুপদ্রব জীবন কাটাচ্ছিলেন ভিয়েতনামফেরত জন রেম্বো। মিয়ানমারের ভেতরে অত্যাচারিত লোকজনকে মানবিক সেবা দিতে যাওয়া একদল খ্রিস্টান মিশনারী হঠাৎ বর্মী সেনাদের কবলে পড়লে রেম্বোর ওপর দায়িত্ব পড়ে তাদের উদ্ধার করার। তার সঙ্গে যোগ দেয় কারেন বিদ্রোহীরাও। মিয়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি ছবিটির চিত্রায়নের সময় সিলভেস্টার স্ট্যালোন এবং কয়েকজন সহ-অভিনেতা সত্যি সত্যিই অল্পের জন্য মিয়ানমার সেনাদের কবল থেকে রেহাই পেয়েছিলেন। স্ট্যালোন পরে বলেছেন, এই ছবির মাধ্যমে তারা মিয়ানমার পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছেন। ছবিটি মুক্তির পরপরই মিয়ানমারে নিষিদ্ধ করে সামরিক জান্তা।

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): political movie, war movie, dramma, action movie, thriller, film, hotel rwanda, the killing fields, Black Hawk Down, missing, mission kashmir, border, Behind enemy lines, savior, Rambo ;

প্রথম প্রকাশ
প্রামাণ্যচিত্র বা ডকুমেন্টারি বলতেই আমাদের চোখে ভেসে উঠে ফুল-ফল-লতাপাতা আর জীবজন্তু! এর বাইরেও ব্যতিক্রমী বিষয় নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়। টুইন টাওয়ারে হামলা ঘটনা নিয়ে মাইকেল মুরের প্রামাণ্যচিত্র 'ফারেনহাইট ৯/১১' দেখে স্তব্ধ হয়ে রই। কী পরিশ্রম, কী মেধা তার! স্টেজভ্যু ঘেঁটে পাওয়া এমনই ছয়টি প্রামাণ্যচিত্র নিয়ে নাতিদীর্ঘ এই তালিকা। সঙ্গে থাকছে ডাউনলোড লিংকও। বলাবাহূল্য, সবগুলোই সাম্প্রতিককালে দেখা।

১. দ্য রোড টু গুয়ান্তানামো
ডাউনলোড লিংক | আকার : ৪৮৭ মেগাবাইট
বিবরণ : নামই বলে দেয় এটা ঠিক কী ধরনের প্রামাণ্যচিত্র। কিউবার গুয়ান্তানামো বেতে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর কারাগারে কোনো অভিযোগ ছাড়াই দু বছর ধরে বন্দি তিন ব্রিটিশ নাগরিক এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনাবলী নিয়ে এই ডকু ফিকশন তৈরি হয়েছিল ২০০৬ সালে।

২. বেস্ট কেপ্ট সিক্রেটস অফ দ্য মিলিটারি
ডাউনলোড লিংক | আকার : ২৭১ মেগাবাইট
বিবরণ : ইউএস সশস্ত্র বাহিনীর গোপনীয় অস্ত্রসম্ভার এবং তথ্য নিয়ে এই প্রামাণ্যচিত্র। সঙ্গে আছে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সাক্ষাৎকার। ডিসকভারি চ্যানেলে ইতিপূর্বে প্রচারিত।

৩. দ্য হিস্ট্রি অফ হ্যাকিং
ডাউনলোড লিংক | আকার : ২৭১ মেগাবাইট
বিবরণ : অ্যাপল কম্পিউটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ ওজনিয়াক, বিশ্বের প্রথম কুখ্যাত টেলিফোন হ্যাকার জন ড্র্যাপার এবং বিশ্বের ভয়ংকরতম হ্যাকার কেভিন মিটনিক সশরীরে আছেন পুরো প্রামাণ্যচিত্র জুড়েই। ডিসকভারি চ্যানেলে ইতিপূর্বে প্রচারিত।

৪. ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ডেনজারাস গ্যাং
ডাউনলোড লিংক | আকার : ২৮০ মেগাবাইট
বিবরণ : বলা হয়ে থাকে, 'এমএস-থার্টিন' হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ গ্যাং। গুয়াতেমালা, হণ্ডুরাস, সালভেদর এবং মধ্য আমেরিকায় সক্রিয় এই গ্যাং বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত মাদক চোরাচালান, কালোবাজারে অস্ত্র বিক্রি, চুক্তিভিত্তিক খুন এবং মানবপাচারের জন্য। এমএস-থার্টিনকে নিয়ে এই প্রামাণ্যচিত্রটি ইতিপূর্বে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে।

৫. দ্য ডার্ক সাইড অফ এভারেস্ট
ডাউনলোড লিংক | আকার : ২৫৪ মেগাবাইট
বিবরণ : মাউন্ট এভারেস্টে আরোহণ শুধুই আনন্দের নয়, রোমাঞ্চকর নয়- কখনো কখনো তা ভয়াবহ, কঠিন এবং চরম বিপজ্জনক। এই অন্ধকার দিকগুলোই কঠিন সত্য হয়ে উঠে এসেছে প্রামাণ্যচিত্রে।

৬. হাউ ব্রুস লি চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড
ডাউনলোড লিংক | আকার : ৫১১ মেগাবাইট
বিবরণ : একজন কুংফু বিশারদ - ব্রুস লি - কিভাবে পুরো পৃথিবীকে আলোড়িত করেছিলেন, সেই কাহিনী নিয়ে এই প্রামাণ্যচিত্র। তার ৩৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এটি তৈরি করেছিল হিস্ট্রি চ্যানেল। এতে ব্রুস লি'র কাছের কিছু মানুষের দুর্লভ সাক্ষাৎকার আছে।

ছবিতে গ্যাং এমএস-থার্টিনের কয়েকজন সদস্য

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): documentary, history, প্রামাণ্যচিত্র, ডকুমেন্টারি, steve wozniak, bruce lee, kevin mitnick, john draper, MS13, MS 13, mara salvatrucha, guantanamo, hacking, hacking history, everest ;

প্রথম প্রকাশ
অ্যাকশনধর্মী ছবি আমার বরাবরই পছন্দের। তালিকায় রাখা ছবিগুলোর কিছু আগে দেখা, আর কিছু সম্প্রতি। তবে অ্যাকশনধর্মী হলেও যুদ্ধাশ্রয়ী, সাই-ফাই এবং কার্টুন-ফার্টুন টাইপ ছবি যথাসম্ভব বাদ রেখে তালিকাটি তৈরির চেষ্টা করেছি। তালিকায় বেশ অনেকদিন আগে দেখা দুটি ভারতীয় ছবিও রেখেছি। এর বাইরে আরো ভালো অ্যাকশন ছবি আছে নিশ্চিত, ব্লগাররা জানাবেন আশা করি।

১. দ্য কনডেমনড
ছবি মুক্তি : এপ্রিল, ২০০৭
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দুর্নীতিগ্রস্থ এক মার্কিন কারাগারে মৃত্যুদণ্ডের অপেক্ষায় প্রহর গুণছিলেন এক দুর্ধর্ষ কয়েদি - জ্যাক কনরাড। এ সময় জেলারের কাছ থেকে তাকে কিনে নেন এক ধনী টেলিভিশন প্রযোজক। কনরাডের সঙ্গে আরো নয় দুর্ধর্ষ খুনে কয়েদিকে ছেড়ে দেওয়া হয় বিশ্বের এক প্রান্তে- জনমানবহীন এক গহীন দ্বীপে। শুরু হয় দশ কয়েদির মরণপণ লড়াই। পুরো এলাকায় ছোট ছোট ক্যামেরা লাগিয়ে সেই প্রাণঘাতী দৃশ্য অর্থের বিনিময়ে সরাসরি প্রচার করা হয় ইন্টারনেটে।

২. ডাই-হার্ড
ছবি মুক্তি : ১৫ জুলাই ১৯৮৮
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ডাই-হার্ডকে বলা হয়, সর্বকালের সবচেয়ে সেরা অ্যাকশন ছবি। এটা আপনি নাও মানতে পারেন, তবে অ্যাকশন ছবির যে ধরনের তালিকাই করুন না কেন, ডাই-হার্ডকে ওপরদিকে রাখতেই হবে। আছেন এক ও অদ্বিতীয় ব্রুস উইলিস।

৩. ডেথ রেস
ছবি মুক্তি : আগস্ট, ২০০৮
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : পানিবন্দি এক অদ্ভূত কারাগারের কাহিনী, যেখানে বাছাই করা বন্দিদের অকল্পনীয় নিষ্ঠুর মোটর রেসিংয়ে বাধ্য করা হয়। সেটা শুধুই গাড়ি চালনা নয়, যে কোনো মূল্যে প্রতিদ্বন্দ্বীদের হত্যা করে সেখানে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হয়। আর পথে পথে অজানা সব বিপদ তো রয়েছেই।

৪. ফার্স্ট ব্লাড
ছবি মুক্তি : ২২ অক্টোবর ১৯৮২
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ভিয়েতনাম থেকে ফেরা এক মানসিক বিপর্যস্ত সৈনিক চরম নিগ্রহের শিকার হয় পুলিশের হাতে। এরপর শুরু হয় 'আ ওয়ান ম্যান ওয়ার!' আগাগোড়াই সিলভেস্টার স্ট্যালোনের ছবি।

৫. ক্রাউচিং টাইগার, হিডেন ড্রাগন
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ছবি মুক্তি : ২২ ডিসেম্বর ২০০০
ঘটনাক্রম : এই ছবিটিকে বলা হয়ে থাকে, সবচেয়ে দুর্দান্ত মার্শাল আর্ট মুভি। স্পেশাল এফেক্টগুলো দেখার মতো। মার্কিন মুল্লুকে প্রথম বিদেশী ছবি হিসেবে এটি আয় করে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি ডলার।

৬. রিং অফ ডেথ
ছবি মুক্তি : ২০০৮
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ভয়াল এক নিষ্ঠুর কারাগারের ধারাবাহিকভাবে কয়েদীদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে থাকে। সাবেক এক পুলিশ সদস্যদের ওপর দায়িত্ব পড়ে রহস্য উদঘাটনের। সাজানো মামলায় কয়েদী হয়ে একদিন তিনি ঢুকে পড়েন সেই কারাগারে...

৭. টার্মিনেটর টু : জাজমেন্ট ডে
ছবি মুক্তি : ৩ জুলাই ১৯৯১
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : আভাটার ও টাইটানিকখ্যাত জেমস কামেরনের ছবি। তার চেয়েও বেশি আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগারের ছবি। ক্যালিফোর্নিয়ার বর্তমান গভর্নরের এই একটি ছবিই বোধহয় শেষপর্যন্ত মনে রাখতে পেরেছি!

৮. রেম্বো
ছবি মুক্তি : ২৫ জানুয়ারি ২০০৮
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : বর্মী জান্তার হাতে একদল সাহায্যকর্মী অপহৃত হলে তাদের উদ্ধার করতে ছুটে যান জন রেম্বো।

৯. ইউনিভার্সাল সোলজার: রিজেনারেশন
ছবি মুক্তি : জানুয়ারি ২০১০
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : অতি গোপনীয় মার্কিন প্রযুক্তি চুরি করে পরীক্ষাগারে জিনেটিক পরিবর্তন ঘটিয়ে রুশ সন্ত্রাসবাদীরা তৈরি করে পরবর্তী প্রজন্মের সৈনিক, প্রকৃত অর্থে যারা নির্দেশনির্ভর 'কিলিং মেশিন'। সন্ত্রাসবাদীরা যখন অপ্রতিরোধ্য পুরোপুরি, তখন ত্রাতা হয়ে ওঠে মার্কিন পরীক্ষাগারে তৈরি পরবর্তী প্রজন্মের আরেক সৈনিক। জাঁ ক্লদ ভ্যান ড্যাম, ডল্ফ লান্ডগ্রেন, আন্দ্রেই আরলোভস্কি আছেন প্রধান তিন চরিত্রে।

১০. রেগিং বুল
ছবি মুক্তি : ডিসেম্বর, ১৯৮০
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : আবেগপ্রবণ এক আত্মবিধ্বংসী বক্সারের জীবনকথা। উত্থান থেকে পতনের কাহিনী। তুমুল তরুণ রবার্ট ডি নিরোকে পাওয়া যাবে এই ছবিতে।

১১. দ্য সিজ
ছবি মুক্তি : ৬ নভেম্বর ১৯৯৮
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : মার্কিন মিলিটারি কর্তৃক ইসলামিক নেতাকে অপহরণের পর নিউ ইয়র্ক সিটি হয়ে পড়ে সন্ত্রাসী আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু। প্রতিক্রিয়াস্বরূপ সামরিক শাসন জারি হলে একপর্যায়ে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায় এফবিআই ও মিলিটারি। ডেনজেল ওয়াশিংটন এবং ব্রুস উইলিস আছেন এই ছবিতে।

১২. শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা
ছবি মুক্তি : ২৫ মে ২০০৭
ডাউনলোড লিংক : টরেন্টে পাবেন, সরাসরি লিংক পাইনি | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ভারতীয় পুলিশের একটি বিশেষ দলের কুখ্যাত এনকাউন্টার নিয়ে প্রচলিত একটি গুজবের ওপর ভিত্তি করে তৈরি ছবি। এতে আছেন অমিতাভ বচ্চন, সঞ্জয় দত্ত, সুনীল শেঠি, অভিষেক, বিবেক ওবেরয়।

১৩. ট্যাঙ্গো চার্লি
ছবি মুক্তি : ২৫ মার্চ ২০০৫
ডাউনলোড লিংক : টরেন্টে পাবেন, সরাসরি লিংক পাইনি | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ভারতের ভেতরে, বিশেষত উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও সংঘাত নিয়ে তৈরি এই ছবি মনে দাগ কাটার মতো। আছে নকশাল বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের কথাও। বাংলা সংলাপও আছে দেখেছি।

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): action movie, crime movie, history movie, adventure movie, sci-fi movie, fantasy movie, war movie, western movie, drama movie, thriller movie ;

প্রথম প্রকাশ
এ যাবতকালের সবচেয়ে বড়ো এবং সবচেয়ে ভয়াবহ বলেই শুধু নয়, নানা কারণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে এখনও এক অনন্যসাধারণ ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হয়। জার্মানি বনাম মিত্রপক্ষের সেই যুদ্ধ নিয়ে সম্প্রতি দেখা ১০টি ছবি নিয়ে এই তালিকা তৈরি করলাম। সঙ্গে থাকছে পরীক্ষিত ডাউনলোড লিংক এবং অন্যান্য তথ্য।

১. দ্য পিয়ানিস্ট
ছবি মুক্তি : জানুয়ারি ২০০৩ | ধরন : ড্রামা, জীবনীভিত্তিক, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : তিরিশের দশকে পোল্যান্ডের বিখ্যাত পিয়ানোবাদক, ধর্মে যিনি ইহুদি, সেই স্পিলম্যানের জীবনের একটি সত্য ঘটনা নিয়ে নির্মিত এই ছবি। নাজি শ্রমশিবির থেকে পালিয়ে আসার পর জার্মান সেনাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য সেই পিয়ানোবাদকের আতঙ্কিত প্রতিটি ক্ষণ, প্রতিটি মুহূর্তের রুদ্ধশ্বাস সংগ্রাম অসামান্য দক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক রোমান পোলানস্কি এবং অভিনেতা অ্যাড্রিয়েন ব্রডি। কাহিনী অন্য মাত্রা পায়, যখন এক নাজি কর্মকর্তার সঙ্গে ইহুদি সেই পিয়ানোবাদকের অদ্ভূত বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।

২. ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস
ছবি মুক্তি : আগস্ট, ২০০৯ | ধরন : ড্রামা, থ্রিলার, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে নাজি অধিকৃত ফ্রান্সে পরিবারের সবাইকে হারিয়ে এক তরুণী ইহুদি জার্মান সেনাদের হাত থেকে কোনক্রমে পালিয়ে আসতে সক্ষম হ। এরপর সে একটি সিনেমা হল পরিচালনা করতে থাকে। ঘটনাক্রমে সেই সিনেমা হলে নাজি প্রপাগাণ্ডা নিয়ে নির্মিত একটি ছবির প্রিমিয়ার শো করার প্রস্তাব আসে, যাতে উপস্থিত থাকার কথা উচ্চপদস্থ জার্মান সেনা কর্মকর্তাদের। ইহুদি সেই তরুণী প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করতে থাকেন। তার সঙ্গে যোগ দেয় 'বাস্টার্ডস' নামে পরিচিত ইহুদি-আমেরিকান গেরিলাদের একটি দল, যারা তখন নিষ্ঠুরভাবে নাজিদের হত্যা করে এবং চামড়াসহ তাদের মাথার চুল কেটে 'খ্যাতি' অর্জন করেছিল। রুদ্ধশ্বাস সব ঘটনা ঘটতে থাকে এরপর...। পাঁচ অধ্যায়ে বিভক্ত ছবিটিতে অভিনয় করেছেন পরিচিতদের মধ্যে ব্রাড পিট।

৩. সেভিং প্রাইভেট রায়ান
ছবি মুক্তি : জুলাই ১৯৯৮ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঘটনা নিয়ে স্টিভেন স্পিলবার্গের এই ছবিটি পেয়েছে পাঁচটি অস্কার- ছবিটির পক্ষে কিছু বলার জন্য এটুকুই যথেষ্ট।

৪. সেইন্ট এন্ড সোলজারস
ছবি মুক্তি : মার্চ ২০০৫ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, অ্যাডভেঞ্চার, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সত্য একটি ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত ছবি। সীমিত সামর্থ্য নিয়ে জার্মান সেনাদের রুখে দেওয়ার কাহিনী।

৫. অ্যাটাক ফোর্স জেড
ছবি মুক্তি : জুন, ১৯৮২ | ধরন : অ্যাকশন, যুদ্ধাশ্রয়ী, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর একটি গোপন অপারেশন ইউনিটের নাম জেড স্পেশাল ফোর্স। জাপানিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত এই বাহিনীর এক দুর্ধর্ষ অভিযান নিয়ে ছবিটি, বলাবাহূল্য, সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। প্রধান ভূমিকায় তরুণ বয়সী মেল গিবসনকে পাওয়া যাবে এই ছবিতে।

৬. দ্য লাস্ট ড্রপ
ছবি মুক্তি : অক্টোবর ২০০৮ | ধরন : অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার, ক্রাইম, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল অসাধারণ এক পরিকল্পনা আঁটেন। যার নাম দেওয়া হল অপারেশন মার্কেট গার্ডেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩৫ হাজার ব্রিটিশ সেনা জার্মান অধিকৃত হল্যান্ডে অবতরণ করে। শুরু হয় রুদ্ধশ্বাস সব ঘটনা...

৭. পার্ল হারবার
ছবি মুক্তি : মে ২০০১ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : পার্ল হারবারে আকস্মিক জাপানি আক্রমণের পর থমকে যায় পুরো বিশ্ব। তারপর ঘটতে থাকে আরো ঘটনা...

৮. হার্ট'স ওয়ার
ছবি মুক্তি : ফেব্রুয়ারি ২০০২| ধরন : ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে আইনের ছাত্র থেকে লেফটেন্যান্ট বনে যাওয়া এক তরুণের কাহিনী। অভিনয় করেছেন ব্রুস উইলিস ও কলিন ফ্যারেল।

৯. উইন্ডটকার্স
ছবি মুক্তি : জুন ২০০২ | ধরন : অ্যাকশন, যুদ্ধাশ্রয়ী, ঐতিহাসিক।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : অসম যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া দুই মার্কিন মেরিন সেনার বীরত্বপূর্ণ লড়াই। নিকোলাস কেইজ আছেন এই ছবিতে।

১০. গ্রেট রেইড
ছবি মুক্তি : আগস্ট ২০০৫ | ধরন : অ্যাকশন, ড্রামা, যুদ্ধাশ্রয়ী।
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ৫০০ সেনা আটকা পড়ে শত্রুশিবিরে। উদ্ধার অভিযান যখন শুরু হয়, তখন তাদের বন্দিজীবনের তিন বছর চলছে...

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): great raid, hart's war, windtalker, the last drop, pearl harbour, attck force-z, saving private ryan, the pianist, world war, second world war, action movie, crime movie, history movie, adventure movie, sci-fi movie, fantasy movie, war movie, western movie, drama movie, thriller movie ;

প্রথম প্রকাশ
ঢাকার বাজারে এখন একটি ডিভিডিতে সর্বোচ্চ ছয়টি ছবি একসঙ্গে পাওয়া যায়। পরিচিত এক প্রতিষ্ঠান থেকে পাইকারি দরে কিনি। এভাবে গত দেড় মাসে লোডশেডিংয়ের ফাঁকে ফাঁকেই অর্ধশত ছবি দেখে ফেললাম। বলাবাহূল্য, ছবিগুলোর প্রায় কোনোটিই 'উঁচুমানের' ছবি নয়। তারপরও শেয়ার করছি সহ-ব্লগারদের সঙ্গে। রেটিংও দিলাম কোনো কোনোটির পাশে।

পুরনো তারকাদের পতন
আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগারের পুরনো কয়েকটি ছবি আবার দেখলাম। একসময়ের এই প্রিয় অভিনেতার সবকটি ছবিই এই দফায় খুব বিরক্তিকর লাগল। স্প্যানিশ অভিনেতা অ্যান্টনিও ব্যানডেরাসের তিনটি ছবি দেখলাম। সিলভেস্টার স্ট্যালোনের সঙ্গে করা তার "অ্যাসাসিনস" একসময় ভীষণ ভালো লেগেছিল। পুনর্বার দেখে বেশ বাজে অনুভূতি হল। সিলভেস্টার স্ট্যালোনের রেম্বোর সবকটি পর্বও আবার দেখলাম। আর্নল্ডের মতো অতোটা না, তবে বুঝলাম, আগের মতো ঠিক টানছে না ছবিগুলো। বেলজিয়ান অভিনেতা জাঁ ক্লদ ভ্যান ড্যামেরও চারটি ছবি দেখলাম এবার। সেই একই অবস্থা। কিছুকাল আগেও খুবই ভালো লাগতো বেলজিয়ান এই অভিনেতাকে। এখন আর টানে না তার ছবিগুলো। সবমিলিয়ে ভালোই বুঝতে পারছি, বয়স থেমে নেই!

বিষয় : নাইন ইলেভেন
ইউনাইটেড নাইনটি থ্রি ****
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার - নিকোলাস কেইজ অভিনীত *****

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
দ্য পিয়ানিস্ট - রোমান পোলানস্কি *****
সেভিং প্রাইভেট রায়ান *****
বাহাইন্ড এনিমি লাইনস ১ ও ২ *****
দ্য লাস্ট ড্রপ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ***
উইন্ডটকার্স - নিকোলাস কেইজ অভিনীত ****
প্লাটুন *****
ডিইআর ক্লাউন *
হার্ট'স ওয়ার - ব্রুস উইলিস ও কলিন ফ্যারেল অভিনীত ****
টিয়ার্স অফ দ্য সান - ব্রুস উইলিস অভিনীত ****
সেইন্ট এন্ড সোলজারস *****
গ্রেট রেইড ****
পার্ল হারবার ****
ব্ল্যাক হক ডাউন ***
এনিমি এট দ্য গেইটস
ফ্ল্যাগস অফ আওয়ার ফাদার্স - ক্লিন্ট ইস্টউড ***
থিন রেড লাইন ***

ভিয়েতনাম যুদ্ধ
১৯৬৮ : টানেল রেটস *****
রেসকিউ ডন ****

ডকুমেন্টারি
ফারেনহাইট নাইন ইলেভেন - মাইকেল মুরের ডকুমেন্টারি *****
নাইন ইলেভেন ইন প্লেইন সাইট : দ্য ডিরেক্টরস কাট- এই ডকুতে নাইন-ইলেভেনের বহু ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। *****
টার্গেটেড ওসামা বিন লাদেন - দ্য হিস্ট্রি চ্যানেলের ডকুমেন্টারি ***
এলিয়েন প্ল্যানেট - ডিসকভারি ***
সুনামি দ্য আফটারম্যাথ *****

হিন্দি
মুস্তাফা - নানা পাটেকর *
অপহরণ - নানা পাটেকর *

অন্যান্য
বিউফোর্ট - ইজরায়েলি ছবি ***
রেম্বো ১, ২, ৩ ও ৪ - সিলভেস্টার স্টালোন অভিনীত ***
জাঁ ক্লদ ভ্যান ড্যাম অভিনীত সেকেন্ড কমান্ড, অর্ডার, নক অফ, ডাবল ইমপ্যাক্ট *

দেখার অপেক্ষায়
দ্বিতীয়বারের মতো দ্য গডফাদার (তিন পর্ব)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে বিবিসির ১২টি ডকুমেন্টারি
টিভি ধারাবাহিক দৈনিক তোলপাড়ের কয়েকটি পর্ব

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ৯/১১, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভিয়েতনাম যুদ্ধ, ডকুমেন্টারি, হিন্দি, movie, 9/11, second world war, vietnam war, documentary, hindi ;

প্রথম প্রকাশ
পুরাতন পোস্টসমূহ হোম

  • সাম্প্রতিক
  • মন্তব্যমালা
  • Problem with Bengali Font?
  • English Version
  • Mobile View
Advertisement সপ্তাহের নির্বাচন : ব্লগারের ২০টি সেরা উইজেট

অফিসিয়াল একাউন্ট

  • সামহোয়্যারইন ব্লগ
  • প্রথম আলো ব্লগ
  • বিডিনিউজ ব্লগ
  • নাগরিক ব্লগ
  • আমারব্লগ
  • গুগল প্লাস
  • ফেসবুক
  • টুইটার
  • টাম্বলার

ব্লগ স্টাইল

  • ম্যাগাজিন
  • টাইমস্লাইড
  • ফ্লিপকার্ড
  • মোজাইক
  • সাইডবার
  • স্ন্যাপশট

  • Home
  • About
  • Contact
  • বাংলা লিখুন ইউনিকোডে
Tweet
.



    1/11 advertisement amader shomoy amarblog audio audio-tape awami league Bangladesh bangladeshi blogger bank bdr-mutiny bijoy bijoy ekattor bijoy ekushe bijoy ekushey Blog blog ban blog-debate blog-review blog-satire blogger bobs boi-mela book-fair books bottle brain caricature children chile cht cinema computer contemporary corruption corruption tape cover cricket cyber-crime defense dhaka university diary documentary e-voting ebook economy entertainment eve-teasing everest exclusive facebook Feature finance football google hacking highlights human-rights india internet julian assange kaler-kantha khaleda-zia liberation-war libya load-shedding love media memoirs misc mlm mobile musa-ibrahim niagara falls oporbastob poetry police politics prothom-alo-blog rab religion rosh-alo sachalayatan satire saudi arab sheikh mujib social-media software somewherein blog sound special sports statue-of-liberty stock market survey sw-ban swine flu tech tech-humor technology television train accident transparency report travel video weather women world-affairs
Fusion Factory by Fusion5 is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivs 3.0 Unported License.
Designed by SimplexDesign