
তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হিসেবে পরিচিত মোস্তফা জব্বার তার বিজয় সফটওয়্যারে ক্ষতিকর কোড সংযোজন করে গ্রাহকের তথ্য চুরি করছেন দীর্ঘদিন ধরেই। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য তার সাম্প্রতিকতম সফটওয়্যার 'বিজয় একুশে' এবং 'বিজয় একাত্তরে' এই ধরনের কোডের খোঁজ মিলেছে। বিজয় সফটওয়্যারের উল্লেখিত দুটি সংস্করণেই TR/Spy.Gen নামের একটি ট্রোজানের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। সুপরিচিত এভিরা অ্যান্টিভাইরাস তাদের ভাইরাস ল্যাবের বিবরণীতে জানাচ্ছে, ট্রোজানটির কাজই হচ্ছে ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি করা।
![]() |
| [ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ] |
![]() |
| [ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ] |
![]() |
| [ বড়ো আকারে দেখার জন্য ছবির ওপরে ক্লিক করুন ] |
পরীক্ষার নানা ধাপ
মোস্তফা জব্বার বিজয়ের ভেতরে প্রায়ই নানা ধরনের সফটওয়্যার ভরে দিয়ে থাকেন। তাতে অজান্তে ভাইরাস লুকিয়ে থাকতেই পারে। ভাবলাম, সেরকম কিছু নয় তো? সেই ভাবনা থেকে বিজয় একুশের মূল ইএক্সই ফাইলটিকে এক্সট্রাক্ট করে দেখলাম। পাওয়া গেল পাঁচটি ফোল্ডার - app, fonts, userappdata, embedded এবং sys. এর মধ্যে app ফোল্ডারে বিজয়ের মূল ফাইলগুলোর দেখা মিলল। এবং বিস্ময়করভাবে এভিরা অ্যান্টিভাইরাস সেখানেই "Bijoy Ekushe,1" নামের একটি ইএক্সই ফাইলের ভেতর থেকে একটি ভাইরাস খুঁজে বের করে ফেললো। তবু দ্বিধা কাটে না। ফলে অনলাইনভিত্তিক সুপরিচিত ভাইরাস স্ক্যানার জট্টি এবং ভাইরাস টোটালের শরণাপন্ন হতেই হল। সেখানেও ফলাফল একই। ভাইরাস টোটালে দেখা গেল, গত বছরের ১৫ জুন কোনো এক ইউজারের পরীক্ষাতেও বিজয়ে এই ট্রোজানটির খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল।
গ্রাহকের 'তথ্য বা উপাত্ত নিয়ে' কিসের কাজ?
বিজয় সফটওয়্যারে ট্রোজানের অস্তিত্ব হেলাফেলার বিষয় নয়, আবার ফলস বলে উড়িয়ে দেওয়াও যাচ্ছে না। কারণ মোস্তফা জব্বার তার নিজের সাইটে দেওয়া বিজয়ের নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবেই জানাচ্ছেন - "ইন্সটল বিজয় কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা থেকে তথ্য বা উপাত্ত নিয়ে কাজ করে। এজন্য কম্পিউটারে অন্তত পক্ষে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে নেটওয়ার্ক কার্ড থাকতে হবে। কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে নেটওয়ার্ক বিল্টইন থাকতে পারে। আবার আলাদা নেটওয়ার্ক কার্ড স্থাপন করতে হতে পারে। আনন্দ কম্পিউটার্স সফটওয়্যারের সাথে একটি নেটওয়ার্ক কার্ড সরবরাহ করতে পারে। এই অবস্থায় নেটওয়ার্ক কার্ডের পাসওয়ার্ডও প্রদান করা হয়।..."
যে প্রশ্নের উত্তর জানা জরুরি
ইন্টারনেটভিত্তিক নানা কাজে অভ্রের একচ্ছত্র চাহিদা থাকলেও বাংলাভাষী প্রচুর মানুষ পেশাদারি নানা কাজে বিজয় সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে থাকে। সেই সফটওয়্যারে গোপনে ক্ষতিকর কোড সংযোজন করে মোস্তফা জব্বার কী করছেন - এই প্রশ্নের উত্তরটি জানা জরুরি।
মোস্তফা জব্বার বিজয়ের ভেতরে প্রায়ই নানা ধরনের সফটওয়্যার ভরে দিয়ে থাকেন। তাতে অজান্তে ভাইরাস লুকিয়ে থাকতেই পারে। ভাবলাম, সেরকম কিছু নয় তো? সেই ভাবনা থেকে বিজয় একুশের মূল ইএক্সই ফাইলটিকে এক্সট্রাক্ট করে দেখলাম। পাওয়া গেল পাঁচটি ফোল্ডার - app, fonts, userappdata, embedded এবং sys. এর মধ্যে app ফোল্ডারে বিজয়ের মূল ফাইলগুলোর দেখা মিলল। এবং বিস্ময়করভাবে এভিরা অ্যান্টিভাইরাস সেখানেই "Bijoy Ekushe,1" নামের একটি ইএক্সই ফাইলের ভেতর থেকে একটি ভাইরাস খুঁজে বের করে ফেললো। তবু দ্বিধা কাটে না। ফলে অনলাইনভিত্তিক সুপরিচিত ভাইরাস স্ক্যানার জট্টি এবং ভাইরাস টোটালের শরণাপন্ন হতেই হল। সেখানেও ফলাফল একই। ভাইরাস টোটালে দেখা গেল, গত বছরের ১৫ জুন কোনো এক ইউজারের পরীক্ষাতেও বিজয়ে এই ট্রোজানটির খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল।
গ্রাহকের 'তথ্য বা উপাত্ত নিয়ে' কিসের কাজ?
বিজয় সফটওয়্যারে ট্রোজানের অস্তিত্ব হেলাফেলার বিষয় নয়, আবার ফলস বলে উড়িয়ে দেওয়াও যাচ্ছে না। কারণ মোস্তফা জব্বার তার নিজের সাইটে দেওয়া বিজয়ের নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবেই জানাচ্ছেন - "ইন্সটল বিজয় কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা থেকে তথ্য বা উপাত্ত নিয়ে কাজ করে। এজন্য কম্পিউটারে অন্তত পক্ষে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে নেটওয়ার্ক কার্ড থাকতে হবে। কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে নেটওয়ার্ক বিল্টইন থাকতে পারে। আবার আলাদা নেটওয়ার্ক কার্ড স্থাপন করতে হতে পারে। আনন্দ কম্পিউটার্স সফটওয়্যারের সাথে একটি নেটওয়ার্ক কার্ড সরবরাহ করতে পারে। এই অবস্থায় নেটওয়ার্ক কার্ডের পাসওয়ার্ডও প্রদান করা হয়।..."
যে প্রশ্নের উত্তর জানা জরুরি
ইন্টারনেটভিত্তিক নানা কাজে অভ্রের একচ্ছত্র চাহিদা থাকলেও বাংলাভাষী প্রচুর মানুষ পেশাদারি নানা কাজে বিজয় সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে থাকে। সেই সফটওয়্যারে গোপনে ক্ষতিকর কোড সংযোজন করে মোস্তফা জব্বার কী করছেন - এই প্রশ্নের উত্তরটি জানা জরুরি।
বড়ো বড়ো প্রতিষ্ঠানগুলো সামনে কী নিয়ে আসছে, কোন্ পণ্য বা সেবা নিয়ে আমাদের সামনে হাজির হতে যাচ্ছে, সেটা জানা কঠিন। সব প্রতিষ্ঠানই এই একটা জায়গায় কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করে চলে। সেই গোপনীয়তা ভাঙা দুঃসাধ্য, কখনো কখনো সেটা জানা ভাগ্যের ব্যাপারও। অনেক প্রতিষ্ঠান আবার তাদের পরীক্ষাগার আংশিক উন্মুক্তও রাখে। বড়ো বড়ো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সফটওয়্যার ল্যাবের দিকে চলুন তাকাই একনজর, কী কী পণ্য বা সেবা আগামী দিনগুলোতে আসতে যাচ্ছে, তার খানিকটা আঁচ পাবেন সেখানে। প্রথমেই গুগল ল্যাব-
গুগল মার্স
বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরে মঙ্গল গ্রহকে পর্যবেক্ষণ করে আসছেন। সেই একই কাজ আপনিও করতে পারেন আপনার ব্রাউজার থেকেই। লাল গ্রহটির সবচেয়ে আধুনিক ও বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে গুগল ও নাসার যৌথ উদ্যোগে।
গুগল নিউজ টাইমলাইন
সময় অনুক্রমিকভাবে তথ্য সাজিয়ে রাখার এই ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনটি ইতিমধ্যে অনেকেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। স্ক্যান করা সংবাদপত্র ও সাময়িকী থেকে ব্লগ পোস্ট, এমনকি খেলার ফলাফল, বই, সিনেমা সংক্রান্ত পুরনো সংবাদও পাবেন এখানে। যেমন একাত্তরের বাংলাদেশকে পাবেন এখানে।
গুগল স্কয়ারড
যে কোনো বিষয়ে আপনি জানার আগ্রহ হতে পারে। ধরুন, নকিয়া মোবাইল ফোন। গুগল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছক আকারে যাবতীয় তথ্য আপনার সামনে এনে হাজির করবে। আপনি চাইলে সেই ছক ও তথ্য অন্যের সঙ্গে শেয়ার করতে পারবেন, সংরক্ষণও।
সিমিলার ইমেজেস
যে কোনো একটি ছবি দেখিয়ে দিন গুগলকে- ছবির নিচে 'সিমিলার ইমেজেসে' ক্লিক করে। দেখতে একইরকম আরো ছবি গুগল নিজেই খুঁজে এনে আপনার সামনে হাজির করবে। চমৎকার একটি ইমেজ সার্চ ইঞ্জিন।
গুগল ফাস্ট ফ্লিপ
প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের শিরোনামগুলো অবিকল দেখতে পাবেন গুগল ফাস্ট ফ্লিপে। সে মুদ্রিত হোক কিংবা অনলাইনভিত্তিক হোক। শিরোনাম থেকে ইচ্ছে করলে যেতে পারবেন মূল সংবাদেও।
ইমেজ সোয়ার্ল
ছবি খোঁজার ব্যতিক্রমী এক সার্চ ইঞ্জিন। ব্যবহার করেই দেখুন একবার...
ব্রাউজার সাইজ
একটি ওয়েবসাইটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কোনটি, কোন্ অংশের উন্নয়ন করা উচিত- এই সবকিছু স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে গুগলের এই টুল- ব্রাউজার সাইজ। যে কেউ নিজেদের ওয়েবসাইটের ইউআরএল লিখেও পরীক্ষা করতে পারেন। টুলটি বেশ মজার।
আর্ডভার্ক
গত ১২ ফেব্রুয়ারি সোশ্যাল সার্চ ইঞ্জিন আর্ডভার্ক কিনে নেওয়ার পর গুগল পরীক্ষাগারে এখন তার পরিচর্যা চলছে। ব্যতিক্রমী এই সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করতে পারবেন। বন্ধু থেকে বন্ধুর মাধ্যমে আপনার প্রশ্ন ছড়িয়ে যাবে ভূত থেকে ভূতে। আর সেই প্রশ্নের উত্তর দেবেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পাঠকরা। ব্লগের হাসিনকে দেখলাম এই সেবাটি ব্যবহার করতে।
গুগল পাবলিক ডেটা এক্সপ্লোরার
বাংলাদেশ কিংবা বহির্বিশ্বের সর্বশেষ তথ্য বা পরিসংখ্যান জানতে চান? সোজা চলে যান গুগল পাবলিক ডেটা এক্সপ্লোরারে। সঙ্গে পাবেন লেখচিত্র, প্রাসঙ্গিক মানচিত্র। চাইলে ওই ডেটা সরাসরি নিজের ওয়েবসাইটেও ব্যবহার করতে পারবেন এক ক্লিকে। শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে সবার জন্য প্রয়োজনীয়।
গুগল ট্রান্সলিটারেশন
টাইপ করুন ইংরেজিতে, স্পেস চাপা মাত্রই সেটা হয়ে যাবে বাংলা। সবসময়ের সঙ্গী হওয়ার মতো একটি টুল।
ফলো ফাইন্ডার
টুইটারে কারা কারা আপনাকে অনুসরণ করছে, জেনে নিন এক সেকেন্ডে...
অন্যান্য
অরকুটে যাদের একাউন্ট আছে, তারা পিপল হপার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। যারা কোড সার্চ করতে চান, তাদের জন্য আছে এটা।
মাইক্রোসফট লাইভ ও এডবি ল্যাব
গুগল যখন দেখলেনই, মাইক্রোসফট লাইভের ল্যাবটাও একবার ঘুরে আসুন।
এডবির ল্যাবে অবশ্য উল্লেখযোগ্য কিছু নেই। ব্যতিক্রম শুধু এডবি ব্রাউজার ল্যাব। বিভিন্ন ধরনের ব্রাউজার ও অপারেটিং সিস্টেমে একটি ওয়েবসাইট কী রকম দেখা যায়, এই অনলাইন টুল ব্যবহার করে সেটা জানতে পারবেন অনায়াসে। আরো কিছু ভালো ফিচার আছে এর। ওয়েব ডিজাইনারদের জন্য অপরিহার্য টুল।
প্রথম প্রকাশ
কোন্ অ্যান্টিভাইরাস ভালো আর কোনটা খারাপ- এই ধরনের মতামত আর পরামর্শ দেওয়ার ওয়েবসাইট কিংবা সংস্থা হাজারটা আছে ইন্টারনেটে। বলাবাহূল্য, বেশিরভাগই বাণিজ্যিক। খোদ পিসি ওয়ার্ল্ডের একটি রিভিউ দেখে গতকালই কষে মাইনাস দিয়ে এসেছি- এমনই বাণিজ্যিক সেই রিভিউ। অস্ট্রিয়ান স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এভি কম্পারেটিভস এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। স্বাধীন এই সংস্থাটির নিরীক্ষা আর মতামতকে গুরুত্বসহকারে নেওয়া হয় প্রযুক্তি অঙ্গনে। প্রতিষ্ঠিত কম্পানিগুলোর অ্যান্টিভাইরাস নিয়ে তারা প্রায় নিয়মিতভাবে পরীক্ষার আয়োজন করে থাকে। গত ফেব্রুয়ারিতেও ১২ লাখ ২৪ হাজার ৭৩২টি ভাইরাস নিয়ে একটি পরীক্ষা হয়ে গেল।এখন পর্যন্ত সেটাই সর্বশেষ পরীক্ষা-নিরীক্ষা।১২ লাখ ১৯ হাজার ৩৭১ ভাইরাস শনাক্ত করে শীর্ষে আছে জি ডেটা অ্যান্টিভাইরাস। আর ১০ লাখের কিছু বেশি ভাইরাস শনাক্ত করে তালিকার নিচে স্থান পেয়েছে কিংসফট অ্যান্টিভাইরাস। এভিজি, সফোস, মাইক্রোসফট এসেনসিয়ালস তো আছেই, এমনকি ক্যাসপারস্কাইয়ের অবস্থানও সুবিধাজনক মনে হল না। তবে বাংলাদেশে অধুনা জনপ্রিয় অ্যাভিরা ক্রমশ উন্নতি করছে। নিচে ফলাফল দেখুন-
■ সবচেয়ে ভালো অ্যান্টিভাইরাস
► জি ডেটা
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৯.৬% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১০.৬ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► অ্যাভিরা
সর্বশেষ অ্যান্টিভাইরাস (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৯.৩% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১৭.৭ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► ট্রাস্টপোর্ট
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৯.১% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৫.৬ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► পিসি টুলস
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৮.৭% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৯.৭ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► সিম্যানটেক
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৮.৬% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১৮.৬ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► এফ-সিকিউর
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৭.৮% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৫.৯ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : সবচেয়ে কম।
► ইসেট
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৭.৭% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৮.৭ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : সবচেয়ে কম।
► বিটডিফেন্ডার
সর্বশেষ অ্যান্টিভাইরাস (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৭.৫% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৫.৪ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : সবচেয়ে কম।
► ইস্ক্যান
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৭.৫% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৩.৭ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : সবচেয়ে কম।
► অ্যাভাস্ট
সর্বশেষ অ্যান্টিভাইরাস (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৭.৩% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১৫.৫ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► ক্যাসপারস্কাই
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৭.১% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১০.৭ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
■ ভালো অ্যান্টিভাইরাস
► ম্যাকাফি
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৮.৯% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৬.৬ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : তুলনামূলক বেশি।
► প্যান্ডা
সর্বশেষ অ্যান্টিভাইরাস (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৯.২% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১৭.১ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : তুলনামূলক বেশি।
► মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়ালস
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৬.৩% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৫.৮ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : সবচেয়ে কম।
► সফোস
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৩.৭% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১৫.২ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► এভিজি
সর্বশেষ অ্যান্টিভাইরাস (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৪.২% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১৩.১ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
■ চলনসই অ্যান্টিভাইরাস
► কে-সেভেন
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৬.৪% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১২.৫ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : সবচেয়ে বেশি।
নোট
প্রতি সেকেন্ডে কতো মেগাবাইট ফাইল স্ক্যান করতে সক্ষম, সেটা হিসেব করে ফাইল স্ক্যানের গতির পরীক্ষাটি করা হয়েছে। কম্পিউটারের ক্ষমতার ওপরও স্ক্যানের গতি নির্ভর করে। এভি কম্পারেটিভস তাদের পরীক্ষাটি চালিয়েছিল যে কম্পিউটারে, তার স্পেসিফিকেশন এইরকম- উইন্ডোজ এক্সপি সার্ভিস প্যাক ৩, ইন্টেল কোর টু ডুয়ো ই৮৩০০/২.৮৩ গিগাহার্টজ, ২ গিগাবাইট রেম, সাটা টু হার্ডডিস্ক।
■ সবচেয়ে ভালো অ্যান্টিভাইরাস
► জি ডেটা
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৯.৬% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১০.৬ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► অ্যাভিরা
সর্বশেষ অ্যান্টিভাইরাস (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৯.৩% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১৭.৭ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► ট্রাস্টপোর্ট
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৯.১% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৫.৬ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► পিসি টুলস
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৮.৭% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৯.৭ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► সিম্যানটেক
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৮.৬% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১৮.৬ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► এফ-সিকিউর
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৭.৮% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৫.৯ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : সবচেয়ে কম।
► ইসেট
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৭.৭% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৮.৭ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : সবচেয়ে কম।
► বিটডিফেন্ডার
সর্বশেষ অ্যান্টিভাইরাস (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৭.৫% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৫.৪ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : সবচেয়ে কম।
► ইস্ক্যান
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৭.৫% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৩.৭ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : সবচেয়ে কম।
► অ্যাভাস্ট
সর্বশেষ অ্যান্টিভাইরাস (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৭.৩% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১৫.৫ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► ক্যাসপারস্কাই
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৭.১% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১০.৭ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
■ ভালো অ্যান্টিভাইরাস
► ম্যাকাফি
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৮.৯% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৬.৬ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : তুলনামূলক বেশি।
► প্যান্ডা
সর্বশেষ অ্যান্টিভাইরাস (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৯.২% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১৭.১ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : তুলনামূলক বেশি।
► মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়ালস
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৬.৩% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ৫.৮ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : সবচেয়ে কম।
► সফোস
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৩.৭% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১৫.২ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
► এভিজি
সর্বশেষ অ্যান্টিভাইরাস (ফ্রি ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৪.২% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১৩.১ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : মোটামুটি কম।
■ চলনসই অ্যান্টিভাইরাস
► কে-সেভেন
সর্বশেষ ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুট (ট্রায়াল ভার্সন) | ভাইরাস শনাক্তকরণের হার : ৯৬.৪% | ফাইল স্ক্যানের গতি (প্রতি সেকেন্ডে) : ১২.৫ মেগাবাইট | ভুয়া ভাইরাস সতর্কীকরণের হার : সবচেয়ে বেশি।
নোট
প্রতি সেকেন্ডে কতো মেগাবাইট ফাইল স্ক্যান করতে সক্ষম, সেটা হিসেব করে ফাইল স্ক্যানের গতির পরীক্ষাটি করা হয়েছে। কম্পিউটারের ক্ষমতার ওপরও স্ক্যানের গতি নির্ভর করে। এভি কম্পারেটিভস তাদের পরীক্ষাটি চালিয়েছিল যে কম্পিউটারে, তার স্পেসিফিকেশন এইরকম- উইন্ডোজ এক্সপি সার্ভিস প্যাক ৩, ইন্টেল কোর টু ডুয়ো ই৮৩০০/২.৮৩ গিগাহার্টজ, ২ গিগাবাইট রেম, সাটা টু হার্ডডিস্ক।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): AV Comparatives, anti virus software, product reviews, anti-malware, internet security suite, detection rates, performance ;
প্রথম প্রকাশ





