প্রথমে একটি দোয়েল পাখির হাতে আঁকা ছবি নিন। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য সেটি একটি বৃত্তের মধ্যে ঢুকিয়ে নিন। বাকি কাজ একদমই সহজ। বিশ্বখ্যাত যে কোনো প্রতিষ্ঠানের লোগো সামনে নিয়ে তার ওপর দোয়েল হোক আর শাপলা কিংবা আম কি জাম - ইচ্ছেমতো যে কোনো কিছু যত্নসহকারে বসিয়ে দিন। ব্যস, হয়ে গেল ব্রান্ড লোগো! সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেলকে সামনে রেখে বাংলাদেশি ল্যাপটপ দোয়েলেও এই নীতি চমৎকারভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। দোয়েলের লোগোটা হয়েছে ডেলেরই কপি। বাংলাদেশি মোবাইল, প্রিন্টার, ফ্রিজ-টেলিভিশনসহ যে কোনো সরকারি পণ্যের লোগো হিসেবে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য আমাদের এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ -
সংযুক্তি
ই-প্রথম আলো
ফেসবুক ফ্যান পেইজ ১
প্রকাশকাল : ১৭ অক্টোবর ২০১১
অ্যাপলের সাফল্যের মূলে ছিলেন স্টিভ জবস। আইপড থেকে আইফোন, আইম্যাক থেকে আইপ্যাড, আইওএস থেকে আইটিউনস―সবখানেই ছিল তাঁর যাদুকরী হাতের ছোঁয়া। স্টিভ জবস আর নেই বটে, তবে হাতে গড়া অ্যাপল নিশ্চয়ই থেমে থাকবে না। আগামী দিনগুলোতে অ্যাপল নিশ্চয়ই হাজির হবে নতুন নতুন সব পণ্য নিয়ে। কেমন হতে পারে তার রূপ?
আই ফ্রিজকর্মব্যস্ত মানুষের প্রতিটি সেকেন্ডই মূল্যবান। তাদের দিকে ল্য রেখে অ্যাপলের এই যুগান্তকারী পণ্য ঘরে-বাইরে সবখানে দেয় অনাবিল প্রশান্তির নিশ্চয়তা। বাসাবাড়িতে ঢাউস আকারের ফ্রিজ এখনও জনপ্রিয় বটে, তবে রণাবেণের ঝক্কিও তাতে কম নয়। আইফ্রিজ এ জায়গায় অতুলনীয়। আকারে ছোট, ঘরের বাইরে কিংবা ভ্রমণকালে সহজেই বহন করা যায় এই ফ্রিজ। চালানোর জন্য সার্বণিক বিদ্যুৎও লাগে না, শুধু ব্যাটারি চার্জ করে নিলেই হল। অ্যাপলের অন্যান্য পণ্যের মতো এতেও আছে ফোন করার সমস্ত সুবিধা।
আইওয়াশ
সাধারণ মানুষের মধ্যে খুব একটা জনপ্রিয়তা নেই, তবে বিস্ময়কর তথ্য হল এই পণ্যটি থেকে অ্যাপল সবচেয়ে বেশি লাভ করে। কারণ বিভিন্ন দেশে সরকারি পর্যায়ে পণ্যটি কেনা হয়ে থাকে পাইকারি হারে। উদাহরণস্বরূপ বাংলাদেশে পুলিশ ও র্যাবের মতো আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর মধ্যে পণ্যটির চাহিদা প্রশ্নাতীত।আইফ্যান
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বেড়েই চলেছে বৈশ্বিক উষ্ণতা। বাইরে বের হলেই হতে হয় ঘেমেনেয়ে একাকার। ভ্যাপসা গরম থেকে বাঁচতে আইফ্যান যেন এক ম্যাজিক! আকারে প্রায় বুকপকেটের সমান, চাইলে ফ্যানটি ভাঁজ করেও রাখা যায় সহজে। এতে একইসঙ্গে আছে ফোন ও টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর সুবিধা। তবে ফোন এবং ফ্যান দুটোই একসঙ্গে চালু রাখা যায় না। একটি চালু থাকলে অন্যটি স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকে।আইরোজগার
মাটির ব্যাংক আজকাল আর দেখা যায় না। তবে সঞ্চয়ের অভ্যাস হারিয়ে যায়নি মানুষের। মধ্যবিত্তের একসময়কার অনিবার্য সঙ্গী মাটির ব্যাংক অ্যাপলের হাতে এসে নিয়েছে সৃজনশীল রূপ। সুপরিসর ছিদ্র দিয়ে পয়সা তো বটেই, যে কোনো অংকের টাকাও নতুন এই ডিভাইসে নিরাপদে জায়গা করে নিতে পারে।
আইওয়াটারঅ্যাপলের ‘এক্সটা পন্ড’ প্রযুক্তিতে তৈরি এই পানি সহজেই পান করা যায়। প্রতি বোতল আইওয়াটারে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের এক বিস্ময়কর সমন্বয় ঘটেছে। এ ছাড়াও এতে বায়ুরোধক ঢাকনা তো আছেই, সঙ্গে প্রতিটি বোতলের গায়ে রয়েছে সুদৃশ্য তাপ সহনীয় লোগো।
আইপট
রান্নাবান্না নিয়ে গৃহিনী মাত্রেরই ঝামেলার শেষ নেই। এ থেকে মুক্তি দিতে এলো―আইপট। এতে আছে বিশেষ বিল্টইন ব্লুটুথ সুবিধা, যার সাহায্যে রান্নাঘরে না গিয়েই ৮০০ গজের ভেতরে যে কোনো জায়গা থেকে আপনি রান্না করতে পারবেন যে কোনো কিছু, একদম নিখুঁতভাবে। খাবার পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও নেই, কারণ আইপটের তাপমাত্রা নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার ইমেইল ঠিকানায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি সতর্কীকরণ মেইল পৌঁছে যাবে।আইএমএলএম
আইনজীবীদের যেমন কালো গাউনে, ঠিক তেমনি মাল্টি লেভেল মার্কেটিং বা এমএলএম (আরো সংক্ষেপে মলম) ব্যবসায়ীদের চেনা যায় শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় হাতে চামড়ার ব্যাগ আর গলায় টাই পরা দেখলে। যদিও পণ্যটি নিয়ে নানা বিতর্ক আছে শুরু থেকেই, তবু অ্যাপলের সৃজনশীলতা চোখে পড়ার মতো।আইফুট
কম্পিউটার চালানোর সময় হাতের ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই। পা দুটো সে তুলনায় উপেতি, তবে একেবারে গুরুত্বহীনও নয়।
মাউসের জন্য যেমন মাউসপ্যাড, তেমনি সঠিকভাবে কম্পিউটার চালনার স্বার্থে পা রাখার জন্যও চাই সঠিক স্বাস্থ্যসম্মত জায়গা। আইফুট নিখুঁত ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ঠিক এর সমাধান নিয়ে এসেছে। এতে প্রি-লোড করা আছে জনপ্রিয় কিছু নৃত্যের পা-চালিত মূদ্রাও।
আইডিশস্যাটেলাইটের যুগে ডিশ অ্যান্টেনা ছাড়া বিনোদনের কথা ভাবাই যায় না। তবে বিশালকায় ডিশ অ্যান্টেনা লাগাতে সুপরিসর জায়গার যেমন প্রয়োজন, তেমনি আছে রণাবেণের ঝামেলা। এখন আর দুর্ভোগ নয়, আইডিশ নিয়ে এসেছে ভবিষ্যতের প্রযুক্তি। আপনার মোবাইল ফোনের ওপরে ছোট্ট ডিশ অ্যান্টেনাটি লাগিয়ে টেলিভিশনেই উপভোগ করুন ইচ্ছেমতো স্যাটেলাইট চ্যানেল। ঝকঝকে ছবি, জোরালো শব্দ আর বিশেষ ধাতুতে নির্মিত অ্যান্টেনা দীর্ঘস্থায়ীও বটে।
আইক্রিমআইক্রিমকে বলা হয়ে থাকে বহুমাত্রিক ক্রিম। রঙ ফর্সা করার জন্য এটি গায়ে মাখা যায়, আবার জ্যাম-জেলীর বিকল্প হিসেবে খাওয়াও যায়।
আইসয়াবিনপ্রযুক্তি ছেড়ে অ্যাপল কেন ভোগ্যপণ্যের ব্যবসায়―এ নিয়ে বিতর্ক কম নয়। তবু আইসয়াবিন সমাদৃত হয়েছে ক্রেতাদের ঘরে ঘরে। পাওয়া যাচ্ছে এক থেকে পাঁচ লিটারের সুদৃশ্য স্বচ্ছ প্যাকেটে।
প্রথম প্রকাশ
ই-প্রথম আলো ১ □ ই-প্রথম আলো ২ □ প্রথম আলো ওয়েব
ফেসবুক ফ্যান পেইজ ১ □ ফেসবুক ফ্যান পেইজ ২
প্রকাশকাল : ১০ অক্টোবর ২০১১
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকেরবার্গকে নিয়ে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া 'দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক' ছবিটি অনেকেই দেখে থাকবেন। এর আগেও বিল গেটস এবং অ্যাপলের স্টিভ জবসকে সিনেমা নির্মিত হয়েছে। বিশেষ করে হলিউডে প্রযুক্তি ও প্রযুক্তি গুরুদের নিয়ে সিনেমা নির্মিত হয়েছে আরো বেশকিছু। হলিউডে সম্প্রতি গুগলকে নিয়ে সিনেমা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এইসবের বাইরেও বিচ্ছিন্নভাবে এই ধরনের বেশকিছু ভালো সিনেমার খোঁজ পাওয়া যায় বিভিন্ন ওয়েবসাইট ঘাঁটলে। সেরকমই কিছু ভালো সিনেমা নিয়ে এই লেখা। সঙ্গে যথারীতি থাকছে ডাউনলোড লিংক।
সংযুক্তি :
ই-প্রথম আলো | সামহোয়্যারইন ব্লগ
প্রকাশকাল :
ডাউনলোড লিংক ■ ছবি সম্পর্কে আইএমডিবিতে

ডাউনলোড লিংক ■ ছবি সম্পর্কে আইএমডিবিতে

ডাউনলোড লিংক ■ ছবি সম্পর্কে আইএমডিবিতে


ডাউনলোড লিংক ■ ছবি সম্পর্কে আইএমডিবিতে

ডাউনলোড লিংক ■ ছবি সম্পর্কে আইএমডিবিতে

সংযুক্তি :
ই-প্রথম আলো | সামহোয়্যারইন ব্লগ
প্রকাশকাল :
বিয়েতে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিলাম। সদ্য লন্ড্রি থেকে আনা শার্টটা গায়ে দিয়েই মনে হল প্যান্টের রঙের সঙ্গে ওটা মানাচ্ছে না। আরো দুটো শার্ট পরখ করলাম। মনের সঙ্গে মিলল না। তিনটা শার্ট বিছানায় তখন স্তূপ হয়ে পড়ে আছে। এর সরল অর্থ, নতুন করে ইস্ত্রি করতে হবে। ইস্ত্রি মানেই কাপড়ের বান্ডিল বগলে নিয়ে দোকানে যাওয়া, রসিদ নেওয়া, তারিখ মনে রেখে ফের ফেরত আনা। যুবসমাজ মাত্রই জানেন, এইসব কাজ কতো জটিল। তাছাড়া ধোপা স্টাইলে কাপড় ভাঁজ করাও কতোটা কঠিন কাজ। রুম থেকে বেরুতে বেরুতে শার্টগুলোর দিকে তাকিয়ে বেরিয়ে এল ছোট একটা দীর্ঘশ্বাস- আহা যদি একটা আনডু করার সুযোগ থাকতো! শ্রেফ একটা কন্ট্রোল+জেড! দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সদ্য ইস্ত্রিভাঙা শার্টগুলো আবার ফিরে পাবে আগের রূপ! অনেক অ্যাপ্লিকেশনেই আনডু কমান্ডের একটি সীমা থাকে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে অনেকবার আনডু কমান্ড দিয়েও ফল পাওয়া যায়। আবার আমার প্রিয় কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ফাইভে মাত্র এক কি দুবার দেওয়া যায়।
একবার কী এক কাজে একটি সনদের প্রয়োজন পড়ল। আতিপাতি করে খুঁজি এ ডেস্ক থেকে ও ডেস্ক। ফাইল ক্যাবিনেট ভর্তি হয়ে যাওয়ায় ইদানিং বইয়ের পাতার ফাঁকে ফাঁকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুঁজে রাখছি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রয়োজনীয় জিনিসটি খুঁজে পাওয়া সহজ কথা নয়। সেদিনও আমার মনে হল- আহা, আলমিরাতে যদি সার্চ সুবিধা থাকতো! গুগলের মতো দ্রুতগতির না হোক, উইন্ডোজ লাইভের মতো হলেও চলতো!পরিচিত কারো এসব কথা শেয়ার করা মানেই শুধু শুধু ভ্রূকুটির শিকার হওয়া। কিন্তু আমি আশাবাদী, আসবেই আসবে এইদিন, না হয় আগামীদিনে। আমাজন ইলেকট্রনিক বই ছেড়েছে বাজারে। পেপারব্যাক আকারের ওই বই উল্টে উল্টে পড়া যায়। সার্চ সুবিধাও আছে। সনিরও এইরকম একটা ডিভাইস আছে দেখেছিলাম। তবে আপাতত আনডু সুবিধাসম্বলিত আলমিরা এবং সার্চের সুবিধাসম্পন্ন ফাইল ক্যাবিনেট চাই। সম্ভাবনাময় আরো যা কিছু হতে পারে সামনে, তার একটি ছোট্ট তালিকা নিচে দিলাম-
পণ্যের নাম : কি-বোর্ডের প্রিন্ট স্ক্রিন
সম্ভাব্য প্রস্তুতকারক : গ্রামীণ টেলিকম
মোবাইলের অ্যাটাচড ক্যামেরাটির বহুল ব্যবহার আসলে হয়ে থাকে পথে-ঘাটে-বসুন্ধরায় দেখা সুন্দরী মেয়েদের ছবি তোলায়। যদিও এখন মেয়েরাও সচেতন হয়ে উঠছে। মোবাইল ক্যামেরা হাতে উঠতে দেখলেই অনেকে মুখ ঘুরিয়ে ফেলে। অনেকে ক্রুদ্ধ চোখে তাকায়। তবে আমার মতে, ব্যবসা হল ব্যবসা। বাংলাদেশের আইনে আটকে যায় বলে ইউনিলিভার কিংবা ডিজুস বিশেষ অনুগ্রহ করে "বস্ত্রহরণ প্রতিযোগিতা"র আয়োজনটা করছে না। যদি না আটকাতো, তারা নিশ্চিত ওইটাও করতো। এবং অবশ্যই অবশ্যই চ্যানেল আই কিংবা এনটিভি এই কাজে মিডিয়া পার্টনার হতো।
সুতরাং, তরুণদের আগ্রহের কথা মাথায় রেখে প্রিন্ট স্ক্রিনের মতো পদ্ধতি চালু করা যেতে পারে। পথচলতি মেয়েদের ছবি তোলার কাজে ঝামেলামুক্ত এই পদ্ধতি নিঃসন্দেহে জনপ্রিয় হবে।
সম্ভাব্য প্রস্তুতকারক : গ্রামীণ টেলিকম
মোবাইলের অ্যাটাচড ক্যামেরাটির বহুল ব্যবহার আসলে হয়ে থাকে পথে-ঘাটে-বসুন্ধরায় দেখা সুন্দরী মেয়েদের ছবি তোলায়। যদিও এখন মেয়েরাও সচেতন হয়ে উঠছে। মোবাইল ক্যামেরা হাতে উঠতে দেখলেই অনেকে মুখ ঘুরিয়ে ফেলে। অনেকে ক্রুদ্ধ চোখে তাকায়। তবে আমার মতে, ব্যবসা হল ব্যবসা। বাংলাদেশের আইনে আটকে যায় বলে ইউনিলিভার কিংবা ডিজুস বিশেষ অনুগ্রহ করে "বস্ত্রহরণ প্রতিযোগিতা"র আয়োজনটা করছে না। যদি না আটকাতো, তারা নিশ্চিত ওইটাও করতো। এবং অবশ্যই অবশ্যই চ্যানেল আই কিংবা এনটিভি এই কাজে মিডিয়া পার্টনার হতো।সুতরাং, তরুণদের আগ্রহের কথা মাথায় রেখে প্রিন্ট স্ক্রিনের মতো পদ্ধতি চালু করা যেতে পারে। পথচলতি মেয়েদের ছবি তোলার কাজে ঝামেলামুক্ত এই পদ্ধতি নিঃসন্দেহে জনপ্রিয় হবে।
পণ্যের নাম : কন্ট্রোল+আর (রাগ)
সম্ভাব্য প্রস্তুতকারক : বেক্সিমকোখেলাপ ফার্মা
অনুরাগ ছাড়া যে কোনো অহেতুক রাগ দমনে এবং হারামজাতীয় উত্তেজনা দমনে এই কী কার্যকর ভূমিকা রাখবে। নিশ্চিত করে বলা যায়, সামহোয়্যারেই এই "কী" প্রচুর বিক্রি হবে। তাতে ব্লগে অহেতুক উত্তেজনা হ্রাস পাবে।পণ্যের নাম : এফ-ফাইভ বা রিফ্রেশ কী
সম্ভাব্য প্রস্তুতকারক : ব্র্যাক ডেইরি ফার্ম
এই কী-টা মূলত এক্সিকিউটিভদের জন্য। অফিস-আদালতে দুপুরবেলা বা লাঞ্চ টাইমে এই কী-র ব্যবহারে খাবারের খরচটা সাশ্রয় হবে।
স্টার্ট মেন্যুর রান কমান্ড
সম্ভাব্য প্রস্তুতকারক : ড্যাফোডিল আইটি
এটি হতে পারে ডায়াবেটিসের রোগীদের মহৌষধ। রান কমান্ডে ক্লিক করে দৌড়ানোর কাজটি সারা অদূরভবিষ্যতে অসম্ভব কিছু নয়।অল্টার
সম্ভাব্য প্রস্তুতকারক : মোস্তফা জব্বার কম্পিউটার্স
বঙ্গবাজারের পোশাক-আশাক অল্টার করার মতো ফালতু কাজে এই কী'র ব্যবহার হওয়া উচিত হবে না। ভাবছি, সম্ভাব্য কী হতে পারে। তবে এটি ব্যবহারে কঠোর কপিরাইট নীতিমালা মেনে চলতে হবে, তা মোটামুটি সুনিশ্চিত।
অ্যারো বা কাঠি কী
সম্ভাব্য প্রস্তুতকারক মোহাম্মদী অ্যাপারেলস এন্ড বায়িং
এই কী'র ব্যবহার কোথায়-কিসে, নিজ জ্ঞান ও বুদ্ধিতে বুঝে নিন। একমাত্র এই কী'টি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। সামহোয়্যারে ছাগুদমন এবং সাম্প্রতিক কলুদমনে এই কি'র চমৎকার প্রয়োগ হচ্ছে।
ইহা কোনো
পোস্ট নয়।
সম্ভাব্য প্রস্তুতকারক মোহাম্মদী অ্যাপারেলস এন্ড বায়িং
এই কী'র ব্যবহার কোথায়-কিসে, নিজ জ্ঞান ও বুদ্ধিতে বুঝে নিন। একমাত্র এই কী'টি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। সামহোয়্যারে ছাগুদমন এবং সাম্প্রতিক কলুদমনে এই কি'র চমৎকার প্রয়োগ হচ্ছে।ইহা কোনো
পোস্ট নয়। 



