পূর্বকথা পড়ুন এখানে
আপডেট
বাংলাদেশি-বার্মিজদের প্রতি নিষ্ঠুরতা তদন্ত করবে থাই সরকার
আমাদের সময়, রোববার, ১৮ জানুয়ারি ২০০৯
-------------------
সৈয়দ মাহমুদ জামান: অবৈধ প্রবেশকারী বাংলাদেশি ও বার্মিজ অভিবাসীদের হাত বেঁধে পানি ও খাদ্য ছাড়া নৌকায় তুলে দেয়া হয়েছে- বিবিসির এমন প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর থাই সেনাবাহিনী তা অস্বীকার করেছে। তবে থাইল্যান্ড সরকার জানিয়েছে তারা বিষয়টি তদন্ত করবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ ব্যাপারে প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে বলেও জানিয়েছে। এপি, টিওআই।
শুক্রবার দেশটির দ্য নেশন দৈনিকে থাই নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল খামর্থন ফুমহিরানের বরাত দিয়ে বলা হয়, বাংলাদেশ বা মিয়ানমার থেকে আসা কারো প্রতিই কোনো ধরনের বৈরি মনোভাব দেখানো হয়নি। এমনকি তাদের কোনো সহযোগিতা ছাড়া নৌকায় তুলে দেয়া হচ্ছে এমন খবরও সত্য নয়। তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী, তাদের জলসীমায় যেকোন ডুবন্ত নৌযান থেকে ‘শত্রু“’দের উদ্ধার করে ফেরত পাঠাতে বাধ্য থাকবে সেনারা। তবে তাদের ভূমিতে কোনো অভিবাসীর প্রতি বৈরি আচরণের প্রশ্নই আসে না। তবে তিনি কন সাই দায়েং প্রদেশে প্রায় শতাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী আটক থাকার কথা স্বীকার করেন এবং জানান সেখানে কিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২০ জন নৌ সেনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
থাইল্যান্ডের দৈনিক ন্যাশনের প্রতিবেদন
Navy denies ill-treatment of Rohingya migrants from Burma and Bangladesh
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০০৯
-------------------
Navy chief Admiral Kamthorn Phumhiran on Friday dismissed a BBC report claiming Thai military had ill-treated the Rohingyas from Burma and Bangladesh who sought work or asylum by pushing them out to sea and setting them adrift.
"The Royal Thai Navy did not badly treated the Rohingyas. There was no setting them adrift as alleged," he said.
Under the military convention, the navy is obligated to rescue enemies from a sunken ship, he said, arguing there is no reason to mistreat the migrants landing on the Thai shore.
In the incident in question, the navy was notified by marine park rangers about the Rohingyas at Kon Sai Daeng, Ranong, he said.
A group of 20 navymen were dispatched to investigate and they found more than 100 Rohingyas, prompting the order for the migrants to lie down for safety reason, he said.
The Nation
প্রথম প্রকাশ
আপডেট
বাংলাদেশি-বার্মিজদের প্রতি নিষ্ঠুরতা তদন্ত করবে থাই সরকার
আমাদের সময়, রোববার, ১৮ জানুয়ারি ২০০৯
-------------------
সৈয়দ মাহমুদ জামান: অবৈধ প্রবেশকারী বাংলাদেশি ও বার্মিজ অভিবাসীদের হাত বেঁধে পানি ও খাদ্য ছাড়া নৌকায় তুলে দেয়া হয়েছে- বিবিসির এমন প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর থাই সেনাবাহিনী তা অস্বীকার করেছে। তবে থাইল্যান্ড সরকার জানিয়েছে তারা বিষয়টি তদন্ত করবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ ব্যাপারে প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে বলেও জানিয়েছে। এপি, টিওআই।
শুক্রবার দেশটির দ্য নেশন দৈনিকে থাই নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল খামর্থন ফুমহিরানের বরাত দিয়ে বলা হয়, বাংলাদেশ বা মিয়ানমার থেকে আসা কারো প্রতিই কোনো ধরনের বৈরি মনোভাব দেখানো হয়নি। এমনকি তাদের কোনো সহযোগিতা ছাড়া নৌকায় তুলে দেয়া হচ্ছে এমন খবরও সত্য নয়। তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী, তাদের জলসীমায় যেকোন ডুবন্ত নৌযান থেকে ‘শত্রু“’দের উদ্ধার করে ফেরত পাঠাতে বাধ্য থাকবে সেনারা। তবে তাদের ভূমিতে কোনো অভিবাসীর প্রতি বৈরি আচরণের প্রশ্নই আসে না। তবে তিনি কন সাই দায়েং প্রদেশে প্রায় শতাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী আটক থাকার কথা স্বীকার করেন এবং জানান সেখানে কিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২০ জন নৌ সেনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
থাইল্যান্ডের দৈনিক ন্যাশনের প্রতিবেদন
Navy denies ill-treatment of Rohingya migrants from Burma and Bangladesh
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০০৯
-------------------
Navy chief Admiral Kamthorn Phumhiran on Friday dismissed a BBC report claiming Thai military had ill-treated the Rohingyas from Burma and Bangladesh who sought work or asylum by pushing them out to sea and setting them adrift.
"The Royal Thai Navy did not badly treated the Rohingyas. There was no setting them adrift as alleged," he said.
Under the military convention, the navy is obligated to rescue enemies from a sunken ship, he said, arguing there is no reason to mistreat the migrants landing on the Thai shore.
In the incident in question, the navy was notified by marine park rangers about the Rohingyas at Kon Sai Daeng, Ranong, he said.
A group of 20 navymen were dispatched to investigate and they found more than 100 Rohingyas, prompting the order for the migrants to lie down for safety reason, he said.
The Nation
প্রথম প্রকাশ

নরওয়েভিত্তিক ওয়েবসাইট "বয়কট ইজরায়েল ডট নর"- সাম্প্রতিককালে আমার দেখা একটি ভালোমানের সাইট, যাতে আবেগের চেয়ে যুক্তি কিছুটা হলেও প্রাধান্য পেয়েছে। এই প্রথম আমি একটি ইসলামি ওয়েবসাইট দেখলাম, যেখানে তারা সরাসরি এন্টি-সেমিটিজমের যে কোনো ধরন-রূপের বিরুদ্ধে নিজেদের কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে। ওয়েবসাইটে তারা বলছে, আমরা ইহুদিদের (এবং অন্য কোনো ধর্মেরই) বিপক্ষে নই। আমাদের অবস্থান ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইজরায়েলি দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে।
ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘাতের পর বাংলাদেশেও প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখেছি, পত্রপত্রিকায় প্রচুর লেখাও পড়েছি- কিন্তু কোথাও এ ধরনের ভাষা কিংবা অবস্থান দেখিনি। বরং লক্ষ্য করেছি, ইজরায়েল-হামাস নিয়ে এ যাবতকালের প্রায় সব লেখাতেই এবং সব ধরনের প্রতিবাদেই ইহুদিবিদ্বেষটাই মূল বিষয়, প্রতিবাদ সেখানে মূখ্য ছিল না।
ইজরায়েলি প্রপাগাণ্ডা সাইটগুলো দেখছিলাম ওয়েব ঘুরে ঘুরে। মাত্র একটি সাইটে বাংলাদেশের নাম পেয়েছি, যাতে এক লাইনে শুধু লেখা আছে- ''বাংলাদেশের ঢাকায় একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।" এবং একে উল্লেখ করা হয়েছে এন্টি-সেমিটিক মুভমেন্ট হিসেবে।
বিস্ময় নিয়ে দেখলাম, ইরান-লেবানন-কেনিয়ায় হিটলারের স্বস্তিকা চিহ্ণ সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রতিবাদ সমাবেশের ছবি ইজরায়েল সমর্থক সাইটগুলোতে শোভা পাচ্ছে। তারা বলছে, বলে বলে সত্য হিসেবে প্রতিষ্টা করছে- বিশ্বের কয়েকটি দেশে প্রতিবাদ সমাবেশের নামে যা কিছু হচ্ছে, তার সবই আসলে এন্টি-সেমিটিক প্রচারণা এবং স্পষ্টতই ইহুদিবিদ্বেষ। ইজরায়েলি প্রপাগান্ডা মেশিনগুলোর পাশাপাশি বিশ্বমিডিয়াও এই বিষয়টিকে হাইলাইট করেছে। এবং এখনো করা হচ্ছে। বোধহয় এইজন্য বিশ্ব মিডিয়ার কোথাও (বলা যায় খুব কম জায়গায়) ফিলিস্তিনিদের প্রতি যথেষ্ট সহানুভূতি দেখা যায়নি।
বাংলাদেশেও এই জাতিবিদ্বেষ, আমার ধারণা, ইতিমধ্যে গণহিস্টিরিয়ার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তাই ভাবুন- এতো প্রতিবাদ-বিক্ষোভের পরও কী কারণে বাংলাদেশের মানুষের কণ্ঠ গাজায় গিয়ে পৌঁছায় না? নিজেকে প্রশ্ন করুন- প্রতিবাদ কেন বিদ্বেষের অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে?
এবং ব্লগ...
দিনে দিনে সামহোয়্যার হয়ে উঠেছে এন্টি-সেমিটিক প্রচারণা আর ইহুদি-বিদ্বেষের আখড়া। আমি এরকম প্রচুর উদাহরণ দিতে পারবো, যাতে পরিস্কার বিদ্বেষ ছাড়া আর কিছুই নেই। সামহোয়্যারইন সংশ্লিষ্টদের এখনই বিষয়গুলো নিয়ে ভাবা দরকার। এটা কিন্তু ভালো লক্ষণ নয়। ব্লগের মতো প্ল্যাটফর্ম কর্তৃপক্ষের ছত্রচ্ছায়ায় একপেশে প্রচারণার ক্ষেত্র হয়ে উঠলে সেটা আর ব্লগ থাকে না।
আমি সতর্ক করতে চাই যে, বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচয়টা উপস্থাপিত হচ্ছে জাতিবিদ্বেষী মোল্লারাষ্ট্র হিসেবে। অথবা এমনও বলা যায় যে, বাংলাদেশ সম্পর্কে ভুল বার্তা পৌঁছাচ্ছে বিশ্বসমাজে। বাকিটা আপনাদের বিবেচনা।
আমার এই লেখার বিরোধিতা করার আগে দয়া করে লেখার মূল ভাবটি বুঝতে চেষ্টা করবেন। পর্যবেক্ষণ হয়তো মামুলি, কিন্তু মন্দ কিছু যে বলিনি, এমনকি স্বধর্মের (মুসলিম) লোকদের বিপক্ষেও যে এ লেখায় কিছু নেই- আমি নিশ্চিত। আপনিও নিশ্চিত থাকবেন আশা করি।
প্রাসঙ্গিক লিংক : এসোসিয়েটেড প্রেসের একটি সংবাদ
ছবির উৎস : এসোসিয়েটেড প্রেস
ইজরায়েলি প্রপাগাণ্ডা সাইটগুলো দেখছিলাম ওয়েব ঘুরে ঘুরে। মাত্র একটি সাইটে বাংলাদেশের নাম পেয়েছি, যাতে এক লাইনে শুধু লেখা আছে- ''বাংলাদেশের ঢাকায় একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।" এবং একে উল্লেখ করা হয়েছে এন্টি-সেমিটিক মুভমেন্ট হিসেবে।
বিস্ময় নিয়ে দেখলাম, ইরান-লেবানন-কেনিয়ায় হিটলারের স্বস্তিকা চিহ্ণ সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রতিবাদ সমাবেশের ছবি ইজরায়েল সমর্থক সাইটগুলোতে শোভা পাচ্ছে। তারা বলছে, বলে বলে সত্য হিসেবে প্রতিষ্টা করছে- বিশ্বের কয়েকটি দেশে প্রতিবাদ সমাবেশের নামে যা কিছু হচ্ছে, তার সবই আসলে এন্টি-সেমিটিক প্রচারণা এবং স্পষ্টতই ইহুদিবিদ্বেষ। ইজরায়েলি প্রপাগান্ডা মেশিনগুলোর পাশাপাশি বিশ্বমিডিয়াও এই বিষয়টিকে হাইলাইট করেছে। এবং এখনো করা হচ্ছে। বোধহয় এইজন্য বিশ্ব মিডিয়ার কোথাও (বলা যায় খুব কম জায়গায়) ফিলিস্তিনিদের প্রতি যথেষ্ট সহানুভূতি দেখা যায়নি।
বাংলাদেশেও এই জাতিবিদ্বেষ, আমার ধারণা, ইতিমধ্যে গণহিস্টিরিয়ার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তাই ভাবুন- এতো প্রতিবাদ-বিক্ষোভের পরও কী কারণে বাংলাদেশের মানুষের কণ্ঠ গাজায় গিয়ে পৌঁছায় না? নিজেকে প্রশ্ন করুন- প্রতিবাদ কেন বিদ্বেষের অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে?
এবং ব্লগ...
দিনে দিনে সামহোয়্যার হয়ে উঠেছে এন্টি-সেমিটিক প্রচারণা আর ইহুদি-বিদ্বেষের আখড়া। আমি এরকম প্রচুর উদাহরণ দিতে পারবো, যাতে পরিস্কার বিদ্বেষ ছাড়া আর কিছুই নেই। সামহোয়্যারইন সংশ্লিষ্টদের এখনই বিষয়গুলো নিয়ে ভাবা দরকার। এটা কিন্তু ভালো লক্ষণ নয়। ব্লগের মতো প্ল্যাটফর্ম কর্তৃপক্ষের ছত্রচ্ছায়ায় একপেশে প্রচারণার ক্ষেত্র হয়ে উঠলে সেটা আর ব্লগ থাকে না।
আমি সতর্ক করতে চাই যে, বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচয়টা উপস্থাপিত হচ্ছে জাতিবিদ্বেষী মোল্লারাষ্ট্র হিসেবে। অথবা এমনও বলা যায় যে, বাংলাদেশ সম্পর্কে ভুল বার্তা পৌঁছাচ্ছে বিশ্বসমাজে। বাকিটা আপনাদের বিবেচনা।
আমার এই লেখার বিরোধিতা করার আগে দয়া করে লেখার মূল ভাবটি বুঝতে চেষ্টা করবেন। পর্যবেক্ষণ হয়তো মামুলি, কিন্তু মন্দ কিছু যে বলিনি, এমনকি স্বধর্মের (মুসলিম) লোকদের বিপক্ষেও যে এ লেখায় কিছু নেই- আমি নিশ্চিত। আপনিও নিশ্চিত থাকবেন আশা করি।
প্রাসঙ্গিক লিংক : এসোসিয়েটেড প্রেসের একটি সংবাদ
ছবির উৎস : এসোসিয়েটেড প্রেস
গতকাল শুক্রবার শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসে যা করেছেন, তার জন্য ঠিকই ছিল, তড়িঘড়ি তিনি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন স্টেশনে ছুটে গেছেন। সহাস্য মুখে তিনি ঘোষণা করলেন- "কয়েক মাসের লড়াইয়ের পর অবশেষে তামিল টাইগারদের রাজধানী কিলিনোচ্চি দখল করেছে শ্রীলংকার সেনারা।" খবরটি শুনে কেমন যেন এক বিষণ্নতা ছুঁয়ে গেল। লাখ লাখ তামিলের স্বাধীন আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন তাহলে শেষ হতে চলেছে!দেশের ভেতরে এলটিটিই, লিবারেশন টাইগারস অব তামিল ইলম, স্মরণকালের ভয়াবহ সেনা অভিযানের মুখে পড়ে প্রায় ছয় মাস ধরে। জল-স্থল-আকাশে সর্বাত্মক সেই অভিযান তামিল টাইগারদের কোণঠাসা করে ফেলছিল- সংবাদ সংস্থার তরফে কিছুই আমাদের অগোচরে থাকছিল না। এরও আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের ক্রমাগত চাপ বহির্বিশ্বে তামিল টাইগারদের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিল প্রায় পুরোপুরি। বর্হিবিশ্ব কার্যক্রমের মূল সংগঠকদের গ্রেপ্তার করে অর্থ সংগ্রহের সবগুলো পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়। টাইগাররা এতে নিদারুণ অর্থসংকটে পড়ে যায়। অস্ত্র কেনার জন্য অর্থ লাগে। ক্ষতিগ্রস্থ বিমান মেরামতের জন্য অর্থ লাগে। এলটিটিই নিয়ন্ত্রিত শহরগুলোতে প্রশাসন সচল রাখার জন্য অর্থ লাগে। কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। এর ওপর স্বপক্ষত্যাগী গেরিলাদের সংখ্যাও বাড়ছিল।
সব আশা চূর্ণ করে এলটিটিইর রাজধানী কিলিনোচ্চির পতন ঘটল। তারও আগে পতন ঘটে পারানথান শহরের। এখন হাতে সবেধন নীলমনি বন্দরনগরী মুল্লাইতিভু। এটিও টাইগারদের হাতছাড়া হয়ে যাবে শীঘ্রই। সহযোদ্ধাদের নিয়ে ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ আবার আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবেন নিশ্চিত। পলায়নোন্মুখ তামিল গেরিলারা আবার নিশ্চয়ই সংঘবদ্ধ হবেন একদিন। ২৫ বছর ধরে তিলে তিলে চলা যুদ্ধ তামিলদের সহজে ঘরে ফেরাবে না- এটাই আশা।
তামিল জাতির মহানায়ক এলটিটিই প্রধান ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের ইস্পাতসম মুখটি মনে পড়ছে। মনের কোণে মন খারাপের মেঘ জমে। একদিন আমরাও তাদের মতো ছিলাম, সেই একাত্তরে।
ছবিতে এলটিটিই প্রধান ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ, ওপরে তামিল টাইগারদের প্রতীক
দেশে কাজের অভাব, মানুষগুলো তাই ভাগ্য গড়ার আশায় বঙ্গোপসাগর ধরে রওনা হয়েছিলেন মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে। উত্তাল সাগরে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় তুলে দিয়ে প্রতারক দালাল সটকে পড়ে। বেঁচে যাওয়াদের একজন মহম্মদ সোয়েবের মুখে শুনুন পরের কাহিনী-
"তাঁরা ভাসতে ভাসতে থাইল্যান্ডের সমুদ্রসীমানায় ঢুকে পড়েন। তখন থাই নৌবাহিনীর একটি জাহাজ তাঁদের আটক করে। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় একটি নির্জন দ্বীপের ক্যাম্পে। সেখানে ১৫ দিন আটক রাখার পর তাঁদের ছয়টি নৌকা ফেরত না দিয়ে ২৫ মিটার লম্বা একটি নৌকার মধ্যে সবাইকে গাদাগাদি করে উঠিয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের দেওয়া হয়েছিল একটি প্লাস্টিকের চাদর আর কিছু খাবার। সেই নৌকা থেকে ইঞ্জিন খুলে নেওয়া হয়। একটি থাই নৌজাহাজ প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে টেনে নিয়ে মাঝ সমুদ্রে তাঁদের নৌকাটি ছেড়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় দুই সপ্তাহ উদ্দেশ্যহীনভাবে সাগরে ভেসে বেড়ান চার শতাধিক বাংলাদেশি। স্রোতের টানে এক সময় তাঁরা ভাসতে ভাসতে চলে আসেন ভারতের সমুদ্রসীমানায়। আন্দামানের কাছে একটি বাতিঘর দেখতে পেয়ে তাঁরা ভেবেছিলেন উপকুলের কাছাকাছি এসে গেছেন। তাই প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাঁরা একে একে সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।"
এটা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশী বলেই থাই নৌবাহিনী এই নিষ্ঠুর কাজটি করতে পারলো। পশ্চিমের কথা বাদ দিলাম, মালয়েশিয়া হোক কিংবা সিঙ্গাপুরের, এমনকি যদি হতো পাকিস্তানের নাগরিকও - থাইল্যান্ড নৌবাহিনীর এই সাহস কখনোই হতো না। শালার বাংলাদেশের মানুষের জীবন যেন সামান্য পিঁপড়ার জীবন। ৪০০ মানুষভর্তি একটি নৌকা জাহাজের পিছনে বেঁধে ১৮ ঘন্টা ধরে সাগরে টেনে নিয়ে যাওয়া, হোক তারা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, এই সভ্য যুগে কিভাবে সম্ভব? নৌকার ইঞ্জিন খুলে অসহায় মানুষগুলোকে মাঝ সমুদ্রে ছেড়ে দেওয়া মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানায়।
ভারতীয় নৌবাহিনী চাইলে পাশ কেটে যেতে পারতো। তাদের কোনো দায়ও ছিল না। কিন্তু তারা একটি জীবন বাঁচানোর সর্বাত্মক লড়াই করেছে। এখনো তারা বঙ্গোপসাগর চষে বেড়াচ্ছে হতভাগ্য বাংলাদেশীদের খোঁজে। কৃতজ্ঞতা জানানোর উদারতা কম বাংলাদেশের মানুষের। ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচজন মানুষ মারা গেলে এতোক্ষণে পঞ্চম নৌবহর এসে থাইল্যান্ড উপকূলে অবস্থান নিতো। ভারত হলে মুম্বাই-কলকাতা-নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ হতো। এমনকি পাকিস্তানও যদি হতো, ছেড়ে কথা বলতো না। ব্যতিক্রম শুধু বাংলাদেশ, তৃতীয় বিশ্বেরও তৃতীয়, চার যুগ পার হতে চললেও আত্মসম্মানবোধ জন্মেনি। আর আমরা তো বাংলাদেশের মানুষই! তাই ঢাকা-চট্টগ্রাম-রাজশাহী খুলনায় এ বর্বরতার ঘটনায় একটি বিক্ষোভ হয়নি, হবেও না।
সম্ভব হলে কোনো বান্দা অনলাইনে একটি পিটিশন খোলার ব্যবস্থা করেন। সেই পিটিশন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ থাই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর একটা উপায় খুঁজে বের করি চলুন। তাতে হয়তো কাজ কিছুই হবে না, কিন্তু একটা চিহ্ন তো থাকলো।
গত বুধবারের সেই সংবাদের পুরোটা-
নিখোঁজ বাংলাদেশিদের সন্ধানে সাগরে উদ্ধার অভিযান চলছে
কলকাতা প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ তিন শতাধিক বাংলাদেশির সন্ধানে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। উপকুল রক্ষীবাহিনীর সঙ্গে উদ্ধারকাজে নেমেছে ভারতের নৌবাহিনীও। গতকাল মঙ্গলবার একটি হেলিকপ্টার ও চারটি জাহাজের সাহায্যে সমুদ্রে অভিযান চালানো হয়।
এখন পর্যন্ত ১০৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৭ জন দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা সাঁতরে তীরে এসে উঠেছিলেন। বাকি ৮৮ জনকে উদ্ধার করা হয় সমুদ্র থেকে। লিটল আন্দামানের কাছে কয়েকজনের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিন শতাধিক বাংলাদেশি এখনো নিখোঁজ। আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাঁরা সবাই সাগরে ডুবে মারা গেছেন।
উদ্ধারকৃতরা আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আন্দামানের পুলিশ প্রশাসন মানবিক কারণে তাঁদের অনুপ্রবেশকারী হিসেবে গ্রেপ্তার না করে বাংলাদেশ সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
বেঁচে যাওয়াদের একজন মহম্মদ সোয়েব পুলিশকে জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ায় কাজ পাওয়ার আশায় দালালদের টাকা দিয়েছিলেন তিনি ও তাঁর মতো চার শতাধিক বাংলাদেশি। প্রায় দুই মাস আগে মাঝ সমুদ্রে তাঁদের ছয়টি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় উঠিয়ে দিয়ে দালালেরা সটকে পড়ে। তাঁরা ভাসতে ভাসতে থাইল্যান্ডের সমুদ্রসীমানায় ঢুকে পড়েন। তখন থাই নৌবাহিনীর একটি জাহাজ তাঁদের আটক করে। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় একটি নির্জন দ্বীপের ক্যাম্পে। সেখানে ১৫ দিন আটক রাখার পর তাঁদের ছয়টি নৌকা ফেরত না দিয়ে ২৫ মিটার লম্বা একটি নৌকার মধ্যে সবাইকে গাদাগাদি করে উঠিয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের দেওয়া হয়েছিল একটি প্লাস্টিকের চাদর আর কিছু খাবার। সেই নৌকা থেকে ইঞ্জিন খুলে নেওয়া হয়। একটি থাই নৌজাহাজ প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে টেনে নিয়ে মাঝ সমুদ্রে তাঁদের নৌকাটি ছেড়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় দুই সপ্তাহ উদ্দেশ্যহীনভাবে সাগরে ভেসে বেড়ান চার শতাধিক বাংলাদেশি। স্রোতের টানে এক সময় তাঁরা ভাসতে ভাসতে চলে আসেন ভারতের সমুদ্রসীমানায়। আন্দামানের কাছে একটি বাতিঘর দেখতে পেয়ে তাঁরা ভেবেছিলেন উপকুলের কাছাকাছি এসে গেছেন। তাই প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাঁরা একে একে সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।
প্রথম আলো, ৩১ ডিসেম্বর ২০০৮
"তাঁরা ভাসতে ভাসতে থাইল্যান্ডের সমুদ্রসীমানায় ঢুকে পড়েন। তখন থাই নৌবাহিনীর একটি জাহাজ তাঁদের আটক করে। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় একটি নির্জন দ্বীপের ক্যাম্পে। সেখানে ১৫ দিন আটক রাখার পর তাঁদের ছয়টি নৌকা ফেরত না দিয়ে ২৫ মিটার লম্বা একটি নৌকার মধ্যে সবাইকে গাদাগাদি করে উঠিয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের দেওয়া হয়েছিল একটি প্লাস্টিকের চাদর আর কিছু খাবার। সেই নৌকা থেকে ইঞ্জিন খুলে নেওয়া হয়। একটি থাই নৌজাহাজ প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে টেনে নিয়ে মাঝ সমুদ্রে তাঁদের নৌকাটি ছেড়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় দুই সপ্তাহ উদ্দেশ্যহীনভাবে সাগরে ভেসে বেড়ান চার শতাধিক বাংলাদেশি। স্রোতের টানে এক সময় তাঁরা ভাসতে ভাসতে চলে আসেন ভারতের সমুদ্রসীমানায়। আন্দামানের কাছে একটি বাতিঘর দেখতে পেয়ে তাঁরা ভেবেছিলেন উপকুলের কাছাকাছি এসে গেছেন। তাই প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাঁরা একে একে সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।"
এটা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশী বলেই থাই নৌবাহিনী এই নিষ্ঠুর কাজটি করতে পারলো। পশ্চিমের কথা বাদ দিলাম, মালয়েশিয়া হোক কিংবা সিঙ্গাপুরের, এমনকি যদি হতো পাকিস্তানের নাগরিকও - থাইল্যান্ড নৌবাহিনীর এই সাহস কখনোই হতো না। শালার বাংলাদেশের মানুষের জীবন যেন সামান্য পিঁপড়ার জীবন। ৪০০ মানুষভর্তি একটি নৌকা জাহাজের পিছনে বেঁধে ১৮ ঘন্টা ধরে সাগরে টেনে নিয়ে যাওয়া, হোক তারা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, এই সভ্য যুগে কিভাবে সম্ভব? নৌকার ইঞ্জিন খুলে অসহায় মানুষগুলোকে মাঝ সমুদ্রে ছেড়ে দেওয়া মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানায়।
ভারতীয় নৌবাহিনী চাইলে পাশ কেটে যেতে পারতো। তাদের কোনো দায়ও ছিল না। কিন্তু তারা একটি জীবন বাঁচানোর সর্বাত্মক লড়াই করেছে। এখনো তারা বঙ্গোপসাগর চষে বেড়াচ্ছে হতভাগ্য বাংলাদেশীদের খোঁজে। কৃতজ্ঞতা জানানোর উদারতা কম বাংলাদেশের মানুষের। ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচজন মানুষ মারা গেলে এতোক্ষণে পঞ্চম নৌবহর এসে থাইল্যান্ড উপকূলে অবস্থান নিতো। ভারত হলে মুম্বাই-কলকাতা-নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ হতো। এমনকি পাকিস্তানও যদি হতো, ছেড়ে কথা বলতো না। ব্যতিক্রম শুধু বাংলাদেশ, তৃতীয় বিশ্বেরও তৃতীয়, চার যুগ পার হতে চললেও আত্মসম্মানবোধ জন্মেনি। আর আমরা তো বাংলাদেশের মানুষই! তাই ঢাকা-চট্টগ্রাম-রাজশাহী খুলনায় এ বর্বরতার ঘটনায় একটি বিক্ষোভ হয়নি, হবেও না।
সম্ভব হলে কোনো বান্দা অনলাইনে একটি পিটিশন খোলার ব্যবস্থা করেন। সেই পিটিশন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ থাই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর একটা উপায় খুঁজে বের করি চলুন। তাতে হয়তো কাজ কিছুই হবে না, কিন্তু একটা চিহ্ন তো থাকলো।
গত বুধবারের সেই সংবাদের পুরোটা-
নিখোঁজ বাংলাদেশিদের সন্ধানে সাগরে উদ্ধার অভিযান চলছে
কলকাতা প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ তিন শতাধিক বাংলাদেশির সন্ধানে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। উপকুল রক্ষীবাহিনীর সঙ্গে উদ্ধারকাজে নেমেছে ভারতের নৌবাহিনীও। গতকাল মঙ্গলবার একটি হেলিকপ্টার ও চারটি জাহাজের সাহায্যে সমুদ্রে অভিযান চালানো হয়।
এখন পর্যন্ত ১০৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৭ জন দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা সাঁতরে তীরে এসে উঠেছিলেন। বাকি ৮৮ জনকে উদ্ধার করা হয় সমুদ্র থেকে। লিটল আন্দামানের কাছে কয়েকজনের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিন শতাধিক বাংলাদেশি এখনো নিখোঁজ। আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাঁরা সবাই সাগরে ডুবে মারা গেছেন।
উদ্ধারকৃতরা আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আন্দামানের পুলিশ প্রশাসন মানবিক কারণে তাঁদের অনুপ্রবেশকারী হিসেবে গ্রেপ্তার না করে বাংলাদেশ সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
বেঁচে যাওয়াদের একজন মহম্মদ সোয়েব পুলিশকে জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ায় কাজ পাওয়ার আশায় দালালদের টাকা দিয়েছিলেন তিনি ও তাঁর মতো চার শতাধিক বাংলাদেশি। প্রায় দুই মাস আগে মাঝ সমুদ্রে তাঁদের ছয়টি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় উঠিয়ে দিয়ে দালালেরা সটকে পড়ে। তাঁরা ভাসতে ভাসতে থাইল্যান্ডের সমুদ্রসীমানায় ঢুকে পড়েন। তখন থাই নৌবাহিনীর একটি জাহাজ তাঁদের আটক করে। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় একটি নির্জন দ্বীপের ক্যাম্পে। সেখানে ১৫ দিন আটক রাখার পর তাঁদের ছয়টি নৌকা ফেরত না দিয়ে ২৫ মিটার লম্বা একটি নৌকার মধ্যে সবাইকে গাদাগাদি করে উঠিয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের দেওয়া হয়েছিল একটি প্লাস্টিকের চাদর আর কিছু খাবার। সেই নৌকা থেকে ইঞ্জিন খুলে নেওয়া হয়। একটি থাই নৌজাহাজ প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে টেনে নিয়ে মাঝ সমুদ্রে তাঁদের নৌকাটি ছেড়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় দুই সপ্তাহ উদ্দেশ্যহীনভাবে সাগরে ভেসে বেড়ান চার শতাধিক বাংলাদেশি। স্রোতের টানে এক সময় তাঁরা ভাসতে ভাসতে চলে আসেন ভারতের সমুদ্রসীমানায়। আন্দামানের কাছে একটি বাতিঘর দেখতে পেয়ে তাঁরা ভেবেছিলেন উপকুলের কাছাকাছি এসে গেছেন। তাই প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাঁরা একে একে সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।
প্রথম আলো, ৩১ ডিসেম্বর ২০০৮

