প্রামাণ্যচিত্র বা ডকুমেন্টারি বলতেই আমাদের চোখে ভেসে উঠে ফুল-ফল-লতাপাতা আর জীবজন্তু! এর বাইরেও ব্যতিক্রমী বিষয় নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়। টুইন টাওয়ারে হামলা ঘটনা নিয়ে মাইকেল মুরের প্রামাণ্যচিত্র 'ফারেনহাইট ৯/১১' দেখে স্তব্ধ হয়ে রই। কী পরিশ্রম, কী মেধা তার! স্টেজভ্যু ঘেঁটে পাওয়া এমনই ছয়টি প্রামাণ্যচিত্র নিয়ে নাতিদীর্ঘ এই তালিকা। সঙ্গে থাকছে ডাউনলোড লিংকও। বলাবাহূল্য, সবগুলোই সাম্প্রতিককালে দেখা।১. দ্য রোড টু গুয়ান্তানামো
ডাউনলোড লিংক | আকার : ৪৮৭ মেগাবাইট
বিবরণ : নামই বলে দেয় এটা ঠিক কী ধরনের প্রামাণ্যচিত্র। কিউবার গুয়ান্তানামো বেতে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর কারাগারে কোনো অভিযোগ ছাড়াই দু বছর ধরে বন্দি তিন ব্রিটিশ নাগরিক এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনাবলী নিয়ে এই ডকু ফিকশন তৈরি হয়েছিল ২০০৬ সালে।
২. বেস্ট কেপ্ট সিক্রেটস অফ দ্য মিলিটারি
ডাউনলোড লিংক | আকার : ২৭১ মেগাবাইট
বিবরণ : ইউএস সশস্ত্র বাহিনীর গোপনীয় অস্ত্রসম্ভার এবং তথ্য নিয়ে এই প্রামাণ্যচিত্র। সঙ্গে আছে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সাক্ষাৎকার। ডিসকভারি চ্যানেলে ইতিপূর্বে প্রচারিত।
৩. দ্য হিস্ট্রি অফ হ্যাকিং
ডাউনলোড লিংক | আকার : ২৭১ মেগাবাইট
বিবরণ : অ্যাপল কম্পিউটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ ওজনিয়াক, বিশ্বের প্রথম কুখ্যাত টেলিফোন হ্যাকার জন ড্র্যাপার এবং বিশ্বের ভয়ংকরতম হ্যাকার কেভিন মিটনিক সশরীরে আছেন পুরো প্রামাণ্যচিত্র জুড়েই। ডিসকভারি চ্যানেলে ইতিপূর্বে প্রচারিত।
৪. ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ডেনজারাস গ্যাং
ডাউনলোড লিংক | আকার : ২৮০ মেগাবাইট
বিবরণ : বলা হয়ে থাকে, 'এমএস-থার্টিন' হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ গ্যাং। গুয়াতেমালা, হণ্ডুরাস, সালভেদর এবং মধ্য আমেরিকায় সক্রিয় এই গ্যাং বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত মাদক চোরাচালান, কালোবাজারে অস্ত্র বিক্রি, চুক্তিভিত্তিক খুন এবং মানবপাচারের জন্য। এমএস-থার্টিনকে নিয়ে এই প্রামাণ্যচিত্রটি ইতিপূর্বে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে।
৫. দ্য ডার্ক সাইড অফ এভারেস্ট
ডাউনলোড লিংক | আকার : ২৫৪ মেগাবাইট
বিবরণ : মাউন্ট এভারেস্টে আরোহণ শুধুই আনন্দের নয়, রোমাঞ্চকর নয়- কখনো কখনো তা ভয়াবহ, কঠিন এবং চরম বিপজ্জনক। এই অন্ধকার দিকগুলোই কঠিন সত্য হয়ে উঠে এসেছে প্রামাণ্যচিত্রে।
৬. হাউ ব্রুস লি চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড
ডাউনলোড লিংক | আকার : ৫১১ মেগাবাইট
বিবরণ : একজন কুংফু বিশারদ - ব্রুস লি - কিভাবে পুরো পৃথিবীকে আলোড়িত করেছিলেন, সেই কাহিনী নিয়ে এই প্রামাণ্যচিত্র। তার ৩৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এটি তৈরি করেছিল হিস্ট্রি চ্যানেল। এতে ব্রুস লি'র কাছের কিছু মানুষের দুর্লভ সাক্ষাৎকার আছে।
ছবিতে গ্যাং এমএস-থার্টিনের কয়েকজন সদস্য
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): documentary, history, প্রামাণ্যচিত্র, ডকুমেন্টারি, steve wozniak, bruce lee, kevin mitnick, john draper, MS13, MS 13, mara salvatrucha, guantanamo, hacking, hacking history, everest ;
প্রথম প্রকাশ
অ্যাকশনধর্মী ছবি আমার বরাবরই পছন্দের। তালিকায় রাখা ছবিগুলোর কিছু আগে দেখা, আর কিছু সম্প্রতি। তবে অ্যাকশনধর্মী হলেও যুদ্ধাশ্রয়ী, সাই-ফাই এবং কার্টুন-ফার্টুন টাইপ ছবি যথাসম্ভব বাদ রেখে তালিকাটি তৈরির চেষ্টা করেছি। তালিকায় বেশ অনেকদিন আগে দেখা দুটি ভারতীয় ছবিও রেখেছি। এর বাইরে আরো ভালো অ্যাকশন ছবি আছে নিশ্চিত, ব্লগাররা জানাবেন আশা করি।১. দ্য কনডেমনড
ছবি মুক্তি : এপ্রিল, ২০০৭
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : দুর্নীতিগ্রস্থ এক মার্কিন কারাগারে মৃত্যুদণ্ডের অপেক্ষায় প্রহর গুণছিলেন এক দুর্ধর্ষ কয়েদি - জ্যাক কনরাড। এ সময় জেলারের কাছ থেকে তাকে কিনে নেন এক ধনী টেলিভিশন প্রযোজক। কনরাডের সঙ্গে আরো নয় দুর্ধর্ষ খুনে কয়েদিকে ছেড়ে দেওয়া হয় বিশ্বের এক প্রান্তে- জনমানবহীন এক গহীন দ্বীপে। শুরু হয় দশ কয়েদির মরণপণ লড়াই। পুরো এলাকায় ছোট ছোট ক্যামেরা লাগিয়ে সেই প্রাণঘাতী দৃশ্য অর্থের বিনিময়ে সরাসরি প্রচার করা হয় ইন্টারনেটে।
২. ডাই-হার্ড
ছবি মুক্তি : ১৫ জুলাই ১৯৮৮
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ডাই-হার্ডকে বলা হয়, সর্বকালের সবচেয়ে সেরা অ্যাকশন ছবি। এটা আপনি নাও মানতে পারেন, তবে অ্যাকশন ছবির যে ধরনের তালিকাই করুন না কেন, ডাই-হার্ডকে ওপরদিকে রাখতেই হবে। আছেন এক ও অদ্বিতীয় ব্রুস উইলিস।
৩. ডেথ রেস
ছবি মুক্তি : আগস্ট, ২০০৮
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : পানিবন্দি এক অদ্ভূত কারাগারের কাহিনী, যেখানে বাছাই করা বন্দিদের অকল্পনীয় নিষ্ঠুর মোটর রেসিংয়ে বাধ্য করা হয়। সেটা শুধুই গাড়ি চালনা নয়, যে কোনো মূল্যে প্রতিদ্বন্দ্বীদের হত্যা করে সেখানে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হয়। আর পথে পথে অজানা সব বিপদ তো রয়েছেই।
৪. ফার্স্ট ব্লাড
ছবি মুক্তি : ২২ অক্টোবর ১৯৮২
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ভিয়েতনাম থেকে ফেরা এক মানসিক বিপর্যস্ত সৈনিক চরম নিগ্রহের শিকার হয় পুলিশের হাতে। এরপর শুরু হয় 'আ ওয়ান ম্যান ওয়ার!' আগাগোড়াই সিলভেস্টার স্ট্যালোনের ছবি।
৫. ক্রাউচিং টাইগার, হিডেন ড্রাগন
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ছবি মুক্তি : ২২ ডিসেম্বর ২০০০
ঘটনাক্রম : এই ছবিটিকে বলা হয়ে থাকে, সবচেয়ে দুর্দান্ত মার্শাল আর্ট মুভি। স্পেশাল এফেক্টগুলো দেখার মতো। মার্কিন মুল্লুকে প্রথম বিদেশী ছবি হিসেবে এটি আয় করে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি ডলার।
৬. রিং অফ ডেথ
ছবি মুক্তি : ২০০৮
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ভয়াল এক নিষ্ঠুর কারাগারের ধারাবাহিকভাবে কয়েদীদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে থাকে। সাবেক এক পুলিশ সদস্যদের ওপর দায়িত্ব পড়ে রহস্য উদঘাটনের। সাজানো মামলায় কয়েদী হয়ে একদিন তিনি ঢুকে পড়েন সেই কারাগারে...
৭. টার্মিনেটর টু : জাজমেন্ট ডে
ছবি মুক্তি : ৩ জুলাই ১৯৯১
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : আভাটার ও টাইটানিকখ্যাত জেমস কামেরনের ছবি। তার চেয়েও বেশি আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগারের ছবি। ক্যালিফোর্নিয়ার বর্তমান গভর্নরের এই একটি ছবিই বোধহয় শেষপর্যন্ত মনে রাখতে পেরেছি!
৮. রেম্বো
ছবি মুক্তি : ২৫ জানুয়ারি ২০০৮
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : বর্মী জান্তার হাতে একদল সাহায্যকর্মী অপহৃত হলে তাদের উদ্ধার করতে ছুটে যান জন রেম্বো।
৯. ইউনিভার্সাল সোলজার: রিজেনারেশন
ছবি মুক্তি : জানুয়ারি ২০১০
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : অতি গোপনীয় মার্কিন প্রযুক্তি চুরি করে পরীক্ষাগারে জিনেটিক পরিবর্তন ঘটিয়ে রুশ সন্ত্রাসবাদীরা তৈরি করে পরবর্তী প্রজন্মের সৈনিক, প্রকৃত অর্থে যারা নির্দেশনির্ভর 'কিলিং মেশিন'। সন্ত্রাসবাদীরা যখন অপ্রতিরোধ্য পুরোপুরি, তখন ত্রাতা হয়ে ওঠে মার্কিন পরীক্ষাগারে তৈরি পরবর্তী প্রজন্মের আরেক সৈনিক। জাঁ ক্লদ ভ্যান ড্যাম, ডল্ফ লান্ডগ্রেন, আন্দ্রেই আরলোভস্কি আছেন প্রধান তিন চরিত্রে।
১০. রেগিং বুল
ছবি মুক্তি : ডিসেম্বর, ১৯৮০
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : আবেগপ্রবণ এক আত্মবিধ্বংসী বক্সারের জীবনকথা। উত্থান থেকে পতনের কাহিনী। তুমুল তরুণ রবার্ট ডি নিরোকে পাওয়া যাবে এই ছবিতে।
১১. দ্য সিজ
ছবি মুক্তি : ৬ নভেম্বর ১৯৯৮
ডাউনলোড লিংক | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : মার্কিন মিলিটারি কর্তৃক ইসলামিক নেতাকে অপহরণের পর নিউ ইয়র্ক সিটি হয়ে পড়ে সন্ত্রাসী আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু। প্রতিক্রিয়াস্বরূপ সামরিক শাসন জারি হলে একপর্যায়ে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায় এফবিআই ও মিলিটারি। ডেনজেল ওয়াশিংটন এবং ব্রুস উইলিস আছেন এই ছবিতে।
১২. শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা
ছবি মুক্তি : ২৫ মে ২০০৭
ডাউনলোড লিংক : টরেন্টে পাবেন, সরাসরি লিংক পাইনি | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ভারতীয় পুলিশের একটি বিশেষ দলের কুখ্যাত এনকাউন্টার নিয়ে প্রচলিত একটি গুজবের ওপর ভিত্তি করে তৈরি ছবি। এতে আছেন অমিতাভ বচ্চন, সঞ্জয় দত্ত, সুনীল শেঠি, অভিষেক, বিবেক ওবেরয়।
১৩. ট্যাঙ্গো চার্লি
ছবি মুক্তি : ২৫ মার্চ ২০০৫
ডাউনলোড লিংক : টরেন্টে পাবেন, সরাসরি লিংক পাইনি | ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত
ঘটনাক্রম : ভারতের ভেতরে, বিশেষত উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও সংঘাত নিয়ে তৈরি এই ছবি মনে দাগ কাটার মতো। আছে নকশাল বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের কথাও। বাংলা সংলাপও আছে দেখেছি।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): action movie, crime movie, history movie, adventure movie, sci-fi movie, fantasy movie, war movie, western movie, drama movie, thriller movie ;
প্রথম প্রকাশ
ঢাকার বাজারে এখন একটি ডিভিডিতে সর্বোচ্চ ছয়টি ছবি একসঙ্গে পাওয়া যায়। পরিচিত এক প্রতিষ্ঠান থেকে পাইকারি দরে কিনি। এভাবে গত দেড় মাসে লোডশেডিংয়ের ফাঁকে ফাঁকেই অর্ধশত ছবি দেখে ফেললাম। বলাবাহূল্য, ছবিগুলোর প্রায় কোনোটিই 'উঁচুমানের' ছবি নয়। তারপরও শেয়ার করছি সহ-ব্লগারদের সঙ্গে। রেটিংও দিলাম কোনো কোনোটির পাশে।পুরনো তারকাদের পতন
আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগারের পুরনো কয়েকটি ছবি আবার দেখলাম। একসময়ের এই প্রিয় অভিনেতার সবকটি ছবিই এই দফায় খুব বিরক্তিকর লাগল। স্প্যানিশ অভিনেতা অ্যান্টনিও ব্যানডেরাসের তিনটি ছবি দেখলাম। সিলভেস্টার স্ট্যালোনের সঙ্গে করা তার "অ্যাসাসিনস" একসময় ভীষণ ভালো লেগেছিল। পুনর্বার দেখে বেশ বাজে অনুভূতি হল। সিলভেস্টার স্ট্যালোনের রেম্বোর সবকটি পর্বও আবার দেখলাম। আর্নল্ডের মতো অতোটা না, তবে বুঝলাম, আগের মতো ঠিক টানছে না ছবিগুলো। বেলজিয়ান অভিনেতা জাঁ ক্লদ ভ্যান ড্যামেরও চারটি ছবি দেখলাম এবার। সেই একই অবস্থা। কিছুকাল আগেও খুবই ভালো লাগতো বেলজিয়ান এই অভিনেতাকে। এখন আর টানে না তার ছবিগুলো। সবমিলিয়ে ভালোই বুঝতে পারছি, বয়স থেমে নেই!
বিষয় : নাইন ইলেভেন
ইউনাইটেড নাইনটি থ্রি ****
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার - নিকোলাস কেইজ অভিনীত *****
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
দ্য পিয়ানিস্ট - রোমান পোলানস্কি *****
সেভিং প্রাইভেট রায়ান *****
বাহাইন্ড এনিমি লাইনস ১ ও ২ *****
দ্য লাস্ট ড্রপ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ***
উইন্ডটকার্স - নিকোলাস কেইজ অভিনীত ****
প্লাটুন *****
ডিইআর ক্লাউন *
হার্ট'স ওয়ার - ব্রুস উইলিস ও কলিন ফ্যারেল অভিনীত ****
টিয়ার্স অফ দ্য সান - ব্রুস উইলিস অভিনীত ****
সেইন্ট এন্ড সোলজারস *****
গ্রেট রেইড ****
পার্ল হারবার ****
ব্ল্যাক হক ডাউন ***
এনিমি এট দ্য গেইটস
ফ্ল্যাগস অফ আওয়ার ফাদার্স - ক্লিন্ট ইস্টউড ***
থিন রেড লাইন ***
ভিয়েতনাম যুদ্ধ
১৯৬৮ : টানেল রেটস *****
রেসকিউ ডন ****
ডকুমেন্টারি
ফারেনহাইট নাইন ইলেভেন - মাইকেল মুরের ডকুমেন্টারি *****
নাইন ইলেভেন ইন প্লেইন সাইট : দ্য ডিরেক্টরস কাট- এই ডকুতে নাইন-ইলেভেনের বহু ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। *****
টার্গেটেড ওসামা বিন লাদেন - দ্য হিস্ট্রি চ্যানেলের ডকুমেন্টারি ***
এলিয়েন প্ল্যানেট - ডিসকভারি ***
সুনামি দ্য আফটারম্যাথ *****
হিন্দি
মুস্তাফা - নানা পাটেকর *
অপহরণ - নানা পাটেকর *
অন্যান্য
বিউফোর্ট - ইজরায়েলি ছবি ***
রেম্বো ১, ২, ৩ ও ৪ - সিলভেস্টার স্টালোন অভিনীত ***
জাঁ ক্লদ ভ্যান ড্যাম অভিনীত সেকেন্ড কমান্ড, অর্ডার, নক অফ, ডাবল ইমপ্যাক্ট *
দেখার অপেক্ষায়
দ্বিতীয়বারের মতো দ্য গডফাদার (তিন পর্ব)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে বিবিসির ১২টি ডকুমেন্টারি
টিভি ধারাবাহিক দৈনিক তোলপাড়ের কয়েকটি পর্ব
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ৯/১১, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভিয়েতনাম যুদ্ধ, ডকুমেন্টারি, হিন্দি, movie, 9/11, second world war, vietnam war, documentary, hindi ;
প্রথম প্রকাশ

