মুহাম্মদ জাফর ইকবাল তখন ল্যাবে। রোজকার ব্যস্ততা। কিন্তু ঘটনা দেখে তিনিও হতচকিত। ভদ্রলোক মানুষ, কাউকেই না করতে পারেন না। এমনিতেই তাকে অনুরোধ-আবেদনে ঢেকি গিলতে হয় প্রায়ই। রক্ষা করতে হয় নানা জনের নানান আবদার। যা হোক, ইতিমধ্যে কেকের ছোট্ট বাক্স হাতে আচার ব্যবসায়ী সমিতির প্রচার সম্পাদক মোঃ রুবেলকে ঢুকতে দেখে তিনি মোটামুটি প্রমাদ গুণলেন। কিন্তু সিলেটে আছেন তিনি, ব্যবসায়ীদের উপেক্ষা করেন কী করে? মুখের ওপর তো আর না বলা যায় না! অতএব, জনমনূ্ষ্যহীন কক্ষে টেবিলের ওপর ৩০০ টাকার কেক, তার ওপর সন্তর্পণে ছুরি চালানো, ক্যামেরায় দু একটা ক্লিক! এবং এই হল 'কলিকাতা ব্লগ দিবস!'উদ্যোগটা মূলত বিয়ানীবাজার বণিক সমিতির। তাদের উদ্যোগে ব্লগ দিবস পালিত হল জেনে প্রথমে একটু বিস্মিত হয়েছিলাম। পরে অবশ্য খুশিই হয়েছি। কারণ এ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মহলও ব্লগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে শুরু করেছে।
ব্যাপার না! আমার চিন্তাও সেটা না। ব্লগ মানে ব্লগ। কলিকাতা আর সামহোয়্যারইনের মধ্যে তফাৎ করি না। কিন্তু আজকের কথিত ব্লগ দিবস এইরকম ফ্লপ করলো কেন? মান-ইজ্জত তারা শেষ করে দিল একেবারে! সে যাক, আতঙ্ক তবু পিছু ছাড়ে না। এখন থেকে হয়তো দেখা যাবে, যার একটি ওয়েবসাইট আছে, সে-ই নিজে নিজে একটি দিবস ঘোষণা করে বসে আছে!
সামহোয়্যারের স্টিকি পোস্টটি এই মুহূর্তে একবার চেক করে দেখলাম। পরিসংখ্যান এরকম- ১৬৬৯ বার পঠিত, মন্তব্য ১৪৬টি। পাঠের হার অনুযায়ী মন্তব্যের সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই বেশি। কোনো পোস্ট যদি প্রকৃতই পঠিত হয়, তাহলে কমেন্টের সংখ্যাও স্বাভাবিকভাবে বেশি হয়। যেমনটা সামহোয়্যারে সচরাচর আমরা দেখি, অন্যত্রও একই। কিন্তু আপনি কি জানেন, এমন এক ব্লগ আছে, যেখানে সব পোস্টই একেবারে স্কেল ধরে ইঞ্চি মেপে সর্বনিম্ন এক হাজার ১০০ বার এবং সর্বোচ্চ ২৩০০ বার পঠিত হয়? সেখানে আপনি যদি এক লাইনও লেখেন, তাতে যদি এমনকি একটিও মন্তব্য না থাকে, সেটাও কিন্তু স্কেল ধরে ২৩০০ বার করে পঠিত হয়ে যাবে!! মূল গবেষণায় আসা যাক এবার।গবেষণার সময়কাল : ৩১ অক্টোবর (শনিবার), ২০০৯ ৫:১৩ অপরাহ্ন থেকে ০১ নভেম্বর (রবিবার), ২০০৯ ১২:০২ পুর্বাহ্ন
গবেষণার ফলাফল : একই দিনের সবগুলো পোস্টে হিট ১১০০+!!!, অথচ গড়ে প্রতি পোস্টে মন্তব্য : ৩টি।
গবেষণা থেকে জাগ্রত কৌতূহল : এতো পাঠক কোত্থেকে আসে? এবং যারা প্রতি পোস্টই একেবারে নিয়ম করে সর্বনিম্ন এক হাজার ১০০ বার এবং সর্বোচ্চ ২৩০০ বার করে পড়ে?
একেই বলে কপাল!! - ১১৮৪ বার পঠিত ১৮ টি মন্তব্য -
কবিতা: সাধ-হীনতা - ১১৬৬ বার পঠিত ৩ টি মন্তব্য -
মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন! - ১২৩১ বার পঠিত ৫ টি মন্তব্য -
ভূত এবং আমি ( ২ ) - ১১৮৪ বার পঠিত ৬ টি মন্তব্য -
কবিতা: প্রথম পোষ্ট এবং রম্য কবিতা - ১১৫৯ বার পঠিত ৪ টি মন্তব্য -
নারী ও প্রেম - ১৩৫৬ বার পঠিত ২ টি মন্তব্য -
সিরাজ সিকদার: অন্য আলোয় দেখা-তৃতীয় পর্ব - ১৩১৮ বার পঠিত ২ টি মন্তব্য -
মন কি জে চায় বোলো কোন কিছু লাগেনা ভাল - ১৫৫৭ বার পঠিত ৬ টি মন্তব্য
জ্য়নাল হাজারির ছবি - ১৮৪৭ বার পঠিত ৯ টি মন্তব্য -
নিউক্যাসল স্টকটন বীচে - ১৮৯৫ বার পঠিত ৩ টি মন্তব্য -
কবিতা: তুমি সুন্দর - ১৮১৩ বার পঠিত ৫ টি মন্তব্য -
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার : প্রস্তুতি নিচ্ছে হায়েনারা, আপনিও কি প্রস্তুত? - ২০০৭ বার পঠিত ৫৫ টি মন্তব্য -
ঝুঁকিপূর্ণ কাজে শ্রমিক নিয়োগের আগেই বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন - ১৩৩৮ বার পঠিত কোন মন্তব্য নেই -
ঝগড়া সংক্রান্ত গো+এষণা - ১৫৩২ বার পঠিত ৫ টি মন্তব্য -
বহুল পঠিত কিছু জোকস্! - ১৩৫২ বার পঠিত ১১ টি মন্তব্য -
কামেলার প্রতিশোধ - ১৫৩২ বার পঠিত ২ টি মন্তব্য -
প্রেমের জন্য চুরি - ১৫৫৪ বার পঠিত ১ টি মন্তব্য -
প্রথম আলোর উইকিপিডিয়া পেইজে ছাগু - ১৬৩৩ বার পঠিত ৭ টি মন্তব্য -
মরে গিয়েও রক্ষা নাই!!! - ১৫৮২ বার পঠিত কোন মন্তব্য নেই -
ভেবেছিলাম কোথাও হয়তো আমার নিজেরই ভুল হচ্ছে। তাই আবার চেক করলাম আজকে। দ্বিতীয় পৃষ্ঠা থেকে ধারবাহিকভাবে কয়েকটি পোস্ট চেক করলাম। এ কি কাণ্ড!!! আজ বেলা ১টা থেকে যেসব পোস্ট এসেছে, সবগুলোই দেখি সর্বনিম্ন ১৬১৬ বার এবং সর্বোচ্চ ২৭৭২ বার পঠিত!!!
ফলাফল :
সরকারোক হামার নাগেশ্বরীত যাবার কন - ১৬১৬ বার পঠিত ১৪ টি মন্তব্য
সুন্দরী মেয়েদের বিক্রি কম - ১৮১৮ বার পঠিত ৩৯ টি মন্তব্য -
ডিজিটাল উন্নয়নের পথে বাংলাদেশ - ১৭৯১ বার পঠিত ৯ টি মন্তব্য -
এই গুলো কি ওয়েবসাইট? গুগলের অ্যাডসেন্স মাথা নষ্ট - ১৮৯৮ বার পঠিত ৫ টি মন্তব্য -
কবিতা: চাতকের হাহাকার - ১৭৬০ বার পঠিত ১ টি মন্তব্য -
কবিতা: গণতন্ত্র - ২৮ বার পঠিত ৭ টি মন্তব্য -
কবিতা: কঠিনতর সহজ - ১৯৯১ বার পঠিত ৩ টি মন্তব্য -
কবিতা: করস্পর্শ করো - ২১৩৬ বার পঠিত ১ টি মন্তব্য -
সাহায্য করুন, .rar ফাইল কিভাবে পড়ব? - ২২০৮ বার পঠিত ৫ টি মন্তব্য -
সবকিছু হাসির বিষয় নয় ৯৬ - ২৭৭২ বার পঠিত ২৪ টি মন্তব্য -
নদীর কান্না - ২৬৯৮ বার পঠিত ৪ টি মন্তব্য
আপনি নিজেই একবার পেইজ-টু থেকে পরীক্ষা করে দেখুন একবার... এরপর হাতে সময় থাকলে এই লিংকে একটি প্লাস দেওয়ার অনুরোধ রইল।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আমারব্লগ, হিট কেলেংকারি, অ্যালেক্সা কেলেংকারি, এলেক্সা কেলেংকারি, amarblog.com, amarblog, scam, alexa scam, cheat alexa ranking, fake traffic ;
প্রথম প্রকাশ
(সামান্য কিছু পাঠকের কাছে এটা একটা ব্যক্তিগত কৈফিয়ত। যেখানে দেওয়াটা রীতির মধ্যে পড়ে, সেখানে যেহেতু আমি লিখছি না, তাই কৈফিয়তটা এখানেই দিলাম। দুঃখিত!)
কেন ছাড়লাম আমারব্লগ- এমন একটা প্রশ্ন করতে দেখলাম কাউকে কাউকে।
স্বেচ্ছায় আমি আমারব্লগ ত্যাগ করেছি। কেউ কেউ ভেবে নিয়েছেন, সমালোচনার ভয়ে বোধকরি এই সিদ্ধান্ত আমার। সমালোচনাকে আমি ভয় পাই না। পাওয়ার কোনো কারণও নেই। যা হোক, কেন চলে আসলাম- এই প্রশ্ন অনেকের। এর মধ্যেই আমারব্লগে দেখলাম, নতুন নতুন নিক নিয়ে অতিচেনা কয়েকজন লোক তুচ্ছতাচ্ছিল্য-গালিগালাজের উৎসব বসিয়েছে। ওসব কোনো ব্যাপার না।
আসল কথা হল, কেউ কি তার একটা লেখা প্রথম আলোতে না ছেপে সংবাদ বা সংগ্রামে ছাপতে চাইবে? যেখানে পাঠক বেশি, লেখকও সেখানেই যাবে, সেখানেই ছাপতে চাইবে তার লেখা। নানা কারণে আগে থেকেই আমারব্লগে আমি থাকতে চাইছিলাম না। সেজন্য আমার একটা উপলক্ষ দরকার ছিল, একটা ছুঁতো দরকার ছিল। সেটা আমি পাওয়া মাত্রই চলে এসেছি। দু-তিন জায়গায় ব্লগিং আসলেই কঠিন, একই লেখা দু জায়গায় দেওয়াটাও বিরক্তিকর। তবে হ্যাঁ, আমারব্লগ কর্তৃপক্ষের হাস্যকর আওয়ামী মানসিকতার বাইরে অন্য আরেকটি ব্যাপারও আছে। যে ইস্যুতে অমি রহমান পিয়ালও ক্ষেপেছেন দেখলাম। আসলে শুরুতে একরকম ধারণা দেওয়া হয়েছিল যে, রাজাকারদের আস্তে আস্তে বিদায় দেওয়া হবে। পরে দেখি যে, ঘটনা সেটা না। সামহোয়্যারইনের রাজাকারবিরোধী সৈনিকেরা আমারব্লগে গিয়ে রাজাকারের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছে। ব্লগ জমানোর জন্য রাজাকারের পায়ে ধরতে দ্বিধা করছে না। এও কি সম্ভব? ফাহমিদুল হকের একটি পোস্টে এই মানসিকতা সম্পর্কে সামান্য এসেছিল।
সামহোয়্যারে যে ফজলে এলাহির ওপর অনেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ে, আমারব্লগে তার জন্য রীতিমতো আলাদা একটি বিভাগ খোলা হয়েছে। স্বয়ং ওয়েবমাস্টার সুশান্ত পর্যন্ত বিগলিত হয়ে তাকে জড়িয়ে ধরছেন। আহা, কী শোভা কী মায়া গো....ওমা, তোমার প্রাণে...
প্রথম প্রকাশ
কেন ছাড়লাম আমারব্লগ- এমন একটা প্রশ্ন করতে দেখলাম কাউকে কাউকে।
স্বেচ্ছায় আমি আমারব্লগ ত্যাগ করেছি। কেউ কেউ ভেবে নিয়েছেন, সমালোচনার ভয়ে বোধকরি এই সিদ্ধান্ত আমার। সমালোচনাকে আমি ভয় পাই না। পাওয়ার কোনো কারণও নেই। যা হোক, কেন চলে আসলাম- এই প্রশ্ন অনেকের। এর মধ্যেই আমারব্লগে দেখলাম, নতুন নতুন নিক নিয়ে অতিচেনা কয়েকজন লোক তুচ্ছতাচ্ছিল্য-গালিগালাজের উৎসব বসিয়েছে। ওসব কোনো ব্যাপার না।
আসল কথা হল, কেউ কি তার একটা লেখা প্রথম আলোতে না ছেপে সংবাদ বা সংগ্রামে ছাপতে চাইবে? যেখানে পাঠক বেশি, লেখকও সেখানেই যাবে, সেখানেই ছাপতে চাইবে তার লেখা। নানা কারণে আগে থেকেই আমারব্লগে আমি থাকতে চাইছিলাম না। সেজন্য আমার একটা উপলক্ষ দরকার ছিল, একটা ছুঁতো দরকার ছিল। সেটা আমি পাওয়া মাত্রই চলে এসেছি। দু-তিন জায়গায় ব্লগিং আসলেই কঠিন, একই লেখা দু জায়গায় দেওয়াটাও বিরক্তিকর। তবে হ্যাঁ, আমারব্লগ কর্তৃপক্ষের হাস্যকর আওয়ামী মানসিকতার বাইরে অন্য আরেকটি ব্যাপারও আছে। যে ইস্যুতে অমি রহমান পিয়ালও ক্ষেপেছেন দেখলাম। আসলে শুরুতে একরকম ধারণা দেওয়া হয়েছিল যে, রাজাকারদের আস্তে আস্তে বিদায় দেওয়া হবে। পরে দেখি যে, ঘটনা সেটা না। সামহোয়্যারইনের রাজাকারবিরোধী সৈনিকেরা আমারব্লগে গিয়ে রাজাকারের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছে। ব্লগ জমানোর জন্য রাজাকারের পায়ে ধরতে দ্বিধা করছে না। এও কি সম্ভব? ফাহমিদুল হকের একটি পোস্টে এই মানসিকতা সম্পর্কে সামান্য এসেছিল।
সামহোয়্যারে যে ফজলে এলাহির ওপর অনেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ে, আমারব্লগে তার জন্য রীতিমতো আলাদা একটি বিভাগ খোলা হয়েছে। স্বয়ং ওয়েবমাস্টার সুশান্ত পর্যন্ত বিগলিত হয়ে তাকে জড়িয়ে ধরছেন। আহা, কী শোভা কী মায়া গো....ওমা, তোমার প্রাণে...
প্রথম প্রকাশ
আমারব্লগে এটাই আমার শেষ পোস্ট। পরিসংখ্যান দেখে আমার ভাবতে ভালো লাগছে, আমারব্লগের সর্বাধিক পঠিত তিনটি পোস্টের দুটিই আমার। এটা নতুন ঘটনা নয়, আগেও তাই ছিল। শমশেরের কোনো এক পোস্টে তার একটা বিবরণও ছিল মনে পড়ে। যা হোক, এটা নিশ্চয়ই সাফল্য। শেষে কিছু বিষয়ে আমার প্রতিক্রিয়াটা জানিয়ে রাখলাম-
আওয়ামী লীগার আর হাস্যকর আওয়ামী মানসিকতার পার্থক্য
আমর সেই পোস্টে আমি বলেছি টিমের কথা। কিন্তু কয়েকজন ব্লগারের কথায় মনে হল, তাদেরও আমি হাস্যকর আওয়ামী মনোভাবাপন্ন বলেছি। অনেকেই দেখি, বারবার একই ভুল করছেন। আওয়ামী লীগার আর হাস্যকর আওয়ামী মানসিকতার মধ্যে পার্থক্য আছে। এখানে প্রশ্নটা হাস্যকর আওয়ামী মানসিকতার। টিমটার মধ্যে হাস্যকর আওয়ামী মানসিকতা আছে- এটাই বলেছি আমি। কারণটাও বলেছি পোস্টে- "এরা আওয়ামী মানসিকতা নিয়ে ব্লগ নির্মাণ করতে চায়। এমনই হাস্যকর সেই মানসিকতা- মেধাবী ডেভেলপারকে তারা হায়ার করবে না। তাদের দরকার আওয়ামী ডেভেলপার।"
এখানে ব্লগারদের কথা বলিনি, ইঙ্গিতটা আমারব্লগ টিমের প্রতি। আওয়ামী লীগার হওয়াটা দোষের কিছু নয়, দোষটা হল হাস্যকর আওয়ামী মানসিকতার। আমার পোস্টের লক্ষ্য কোনো ব্লগার ছিলেন না, আমারব্লগ কর্তৃপক্ষই ছিল একমাত্র লক্ষ্য। এখন কেউ পোস্টের মর্মার্থ, শব্দবন্ধের অর্থ না বুঝে বাচ্চা ছেলের মতো হাউকাউ করলে আমার তো দায় নেই যে, তাদের বাল্যশিক্ষার পাঠ দেবো।
প্রথম আলো ব্লগ নিয়ে বিভ্রান্তি
অন্য কিছু নয়, শ্রেফ ব্লগ সমালোচক হিসেবে এটুকু নিশ্চিত করে বলতে পারি, পুরনো কোনো ব্লগ থেকে প্রথম আলো ব্লগে ইউজার নেওয়ার দরকার পড়বে না। সে চেষ্টাও তারা করছেন বলে মনে হয় না। প্রথম আলোর বিশাল পাঠকসংখ্যার এক শতাংশও যদি ওই ব্লগে আসে, মানুষের জায়গা দেওয়ার জায়গা থাকবে না। যতো কঠিনই শোনাক না কেন, সুশান্ত যতো ওপেন চ্যালেঞ্জই জানাক না কেন, আমারব্লগ সেখানে কোনো ফ্যাক্টরই না। তারপরও আমার পোস্টের পর অনেকে সন্দেহ করছেন, পোস্টটা দিয়ে আমারব্লগের প্রচার করে ফেললাম কিনা। এবার তারা নিশ্চয়ই বুঝবেন যে, আমারব্লগের উন্নতির জন্যই পোস্টটি দিয়েছিলাম। ভাষা কঠোর হয়েছে ঠিক, কিন্তু তা না করেও উপায় ছিল না।
প্রতিক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া
আমার পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় অনেকগুলো পোস্ট পড়েছে দেখেছি। নীড় সন্ধানী নামের ব্লগারের পোস্টটি তুলনামূলক ভালো হয়েছে। কারো কারো মন্তব্য যথার্থ হয়েছে। আমার পোস্টটি স্টিকিও হয়েছে দেখলাম। আইজুদ্দিন নামের একজন এদের পেছনে আছে বলেই বোধকরি এটা সম্ভব হয়েছে। পুরনো সহ-ব্লগারদের মধ্যে এই একজন লোক, সমালোচনা সহ্য করার মতো মানসিকতা যার আছে। উপলব্ধিটা এখনকার নয়, পুরনো।
সুশান্ত, আমারব্লগের ওয়েবমাস্টার, যিনি নিজের পরিচয় ইতিমধ্যে দিয়েছেন, ক্ষ্যাপা ষাঁড়ের মতো তার প্রতিক্রিয়া দেখে আমি আনন্দিত। কারণ এর মাধ্যমে আমার পোস্টের যৌক্তিকতা প্রমাণ হয়েছে।
সচলায়তনের পান থেকে চুন খসলেই আমারব্লগের যারা খেয়ে না খেয়ে উঠেপড়ে লাগেন, তাদের রূপটাও দেখা গেল আমার দেওয়া পোস্ট থেকে। সমালোচনা সহ্য করার শক্তি এদের নেই। তবে একপাল মোসাহেবের উত্থান ঘটেছে স্বনামে-বেনামে- এখন পর্যন্ত এটাই মনে হয় আমারব্লগের একমাত্র সাফল্য।
রাশেদের স্বীকারোক্তি থেকে ব্লগাররা জানবেন, আমারব্লগের লোগোটি আমার করা। এরপরও শুরু থেকে সুশান্ত যখনই যা চেয়েছেন, সময় থাকলেও দিয়েছি, ব্যস্ততা থাকলেও করে দিয়েছি। শত সমালোচনা আর ব্যানের ভয় মাথায় নিয়ে সেই শুরুতে সামহোয়্যারইনে প্রচারণাও চালিয়েছি আইজু আর আমি। ভেতরবাড়ির আরো নানা ব্যাপারে নাইবা বললাম আর। তবে এখন মনে হচ্ছে, এরা একটু অকৃতজ্ঞও বটে।
সামহোয়্যারইনের পেছনে তো লেগেই আছি। বরাবরই করছি সচলায়তনের। ভবিষ্যতে আমারব্লগের সমালোচনাও আমি অবশ্যই করবো। তবে এখন থেকে তা করবো অন্যখানে, কোনো দ্বিধা ছাড়াই।
প্রথম প্রকাশ | দ্বিতীয় প্রকাশ
আওয়ামী লীগার আর হাস্যকর আওয়ামী মানসিকতার পার্থক্য
আমর সেই পোস্টে আমি বলেছি টিমের কথা। কিন্তু কয়েকজন ব্লগারের কথায় মনে হল, তাদেরও আমি হাস্যকর আওয়ামী মনোভাবাপন্ন বলেছি। অনেকেই দেখি, বারবার একই ভুল করছেন। আওয়ামী লীগার আর হাস্যকর আওয়ামী মানসিকতার মধ্যে পার্থক্য আছে। এখানে প্রশ্নটা হাস্যকর আওয়ামী মানসিকতার। টিমটার মধ্যে হাস্যকর আওয়ামী মানসিকতা আছে- এটাই বলেছি আমি। কারণটাও বলেছি পোস্টে- "এরা আওয়ামী মানসিকতা নিয়ে ব্লগ নির্মাণ করতে চায়। এমনই হাস্যকর সেই মানসিকতা- মেধাবী ডেভেলপারকে তারা হায়ার করবে না। তাদের দরকার আওয়ামী ডেভেলপার।"
এখানে ব্লগারদের কথা বলিনি, ইঙ্গিতটা আমারব্লগ টিমের প্রতি। আওয়ামী লীগার হওয়াটা দোষের কিছু নয়, দোষটা হল হাস্যকর আওয়ামী মানসিকতার। আমার পোস্টের লক্ষ্য কোনো ব্লগার ছিলেন না, আমারব্লগ কর্তৃপক্ষই ছিল একমাত্র লক্ষ্য। এখন কেউ পোস্টের মর্মার্থ, শব্দবন্ধের অর্থ না বুঝে বাচ্চা ছেলের মতো হাউকাউ করলে আমার তো দায় নেই যে, তাদের বাল্যশিক্ষার পাঠ দেবো।
প্রথম আলো ব্লগ নিয়ে বিভ্রান্তি
অন্য কিছু নয়, শ্রেফ ব্লগ সমালোচক হিসেবে এটুকু নিশ্চিত করে বলতে পারি, পুরনো কোনো ব্লগ থেকে প্রথম আলো ব্লগে ইউজার নেওয়ার দরকার পড়বে না। সে চেষ্টাও তারা করছেন বলে মনে হয় না। প্রথম আলোর বিশাল পাঠকসংখ্যার এক শতাংশও যদি ওই ব্লগে আসে, মানুষের জায়গা দেওয়ার জায়গা থাকবে না। যতো কঠিনই শোনাক না কেন, সুশান্ত যতো ওপেন চ্যালেঞ্জই জানাক না কেন, আমারব্লগ সেখানে কোনো ফ্যাক্টরই না। তারপরও আমার পোস্টের পর অনেকে সন্দেহ করছেন, পোস্টটা দিয়ে আমারব্লগের প্রচার করে ফেললাম কিনা। এবার তারা নিশ্চয়ই বুঝবেন যে, আমারব্লগের উন্নতির জন্যই পোস্টটি দিয়েছিলাম। ভাষা কঠোর হয়েছে ঠিক, কিন্তু তা না করেও উপায় ছিল না।
প্রতিক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া
আমার পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় অনেকগুলো পোস্ট পড়েছে দেখেছি। নীড় সন্ধানী নামের ব্লগারের পোস্টটি তুলনামূলক ভালো হয়েছে। কারো কারো মন্তব্য যথার্থ হয়েছে। আমার পোস্টটি স্টিকিও হয়েছে দেখলাম। আইজুদ্দিন নামের একজন এদের পেছনে আছে বলেই বোধকরি এটা সম্ভব হয়েছে। পুরনো সহ-ব্লগারদের মধ্যে এই একজন লোক, সমালোচনা সহ্য করার মতো মানসিকতা যার আছে। উপলব্ধিটা এখনকার নয়, পুরনো।
সুশান্ত, আমারব্লগের ওয়েবমাস্টার, যিনি নিজের পরিচয় ইতিমধ্যে দিয়েছেন, ক্ষ্যাপা ষাঁড়ের মতো তার প্রতিক্রিয়া দেখে আমি আনন্দিত। কারণ এর মাধ্যমে আমার পোস্টের যৌক্তিকতা প্রমাণ হয়েছে।
সচলায়তনের পান থেকে চুন খসলেই আমারব্লগের যারা খেয়ে না খেয়ে উঠেপড়ে লাগেন, তাদের রূপটাও দেখা গেল আমার দেওয়া পোস্ট থেকে। সমালোচনা সহ্য করার শক্তি এদের নেই। তবে একপাল মোসাহেবের উত্থান ঘটেছে স্বনামে-বেনামে- এখন পর্যন্ত এটাই মনে হয় আমারব্লগের একমাত্র সাফল্য।
রাশেদের স্বীকারোক্তি থেকে ব্লগাররা জানবেন, আমারব্লগের লোগোটি আমার করা। এরপরও শুরু থেকে সুশান্ত যখনই যা চেয়েছেন, সময় থাকলেও দিয়েছি, ব্যস্ততা থাকলেও করে দিয়েছি। শত সমালোচনা আর ব্যানের ভয় মাথায় নিয়ে সেই শুরুতে সামহোয়্যারইনে প্রচারণাও চালিয়েছি আইজু আর আমি। ভেতরবাড়ির আরো নানা ব্যাপারে নাইবা বললাম আর। তবে এখন মনে হচ্ছে, এরা একটু অকৃতজ্ঞও বটে।
সামহোয়্যারইনের পেছনে তো লেগেই আছি। বরাবরই করছি সচলায়তনের। ভবিষ্যতে আমারব্লগের সমালোচনাও আমি অবশ্যই করবো। তবে এখন থেকে তা করবো অন্যখানে, কোনো দ্বিধা ছাড়াই।
প্রথম প্রকাশ | দ্বিতীয় প্রকাশ
আমারব্লগ এখনো বেটাপর্যায়ে আছে। নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এই ব্যাপারটা বেশ স্বস্তিদায়ক। কারণ প্রতিটি ব্লগারই এই পরীক্ষা-নিরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত- কেউ প্রত্যক্ষ, কেউবা পরোক্ষভাবে। ভাবতে ভালো, আমারব্লগের নির্মাণে প্রতিটি ব্লগারই কমবেশি অবদান রাখছেন। যিনি উৎসাহ দিচ্ছেন, তিনি তো বটেই- এমনকি যিনি ডিজাইন নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করছেন, তার মতামতও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে, স্বৈর ব্যাপার-স্যাপার নেই, এটা স্বস্তিদায়ক। গোঁ ধরে বসে থাকার, স্বাধীনতার মাসে ভাষাদিবসের থিম লাগিয়ে রাখার গোয়ার্তুমি আমারব্লগে নেই। তা যতোটা না ব্লগ কর্তৃপক্ষের সচেতনতা, ততোটাই ব্লগারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কারণে।
তবে দিনের পর দিন একটা ব্যাপার লক্ষ্য করছি, আমারব্লগ যতোটা না ব্লগ, ততোটাই যেন ই-ম্যাগাজিন হয়ে উঠেছে। ই-ম্যাগাজিন নিশ্চয়ই আমরা চাই না, আমরা চাই একটা ব্লগ- যেখানে থাকবে ইচ্ছেমতো বিচরণের স্বাধীনতা- যা হবে সচল সজীব বাংলার প্রতিকৃতি।
নতুন থিম যুক্ত করার পর বেশকিছু পরিবর্তন এসেছে নিঃসন্দেহে। মোট মন্তব্য, কয়বার পঠিত হল- এসব এখন পোস্টের সঙ্গেই থাকছে। পেইজ নেভিগেশন সিস্টেমটাও চালু করা সম্ভব হয়েছে। তবে পাঠকের মনস্তত্ত্ব বোঝার ব্যাপারে বোধকরি আমারব্লগ এখনো অমনোযোগীই রয়ে গেছে।
যেমন, স্ক্রল না করে ব্রাউজারের যে উপরিভাগটা দেখি, সেটা একটা সাইটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদপত্রের গেটআপ বিষয়ে যাদের অভিজ্ঞতা আছে, তারা জানেন পত্রিকার ভাঁজের ওপরের অংশটা খুব যত্ন করে সাজানো হয় প্রতিদিন। পত্রিকাওয়ালারা জানেন, হকার্স স্ট্যান্ডে ওই অংশটুকু দেখেই পাঠক সিদ্ধান্ত নেন কেনা বা না-কেনার। ওয়েবসাইটেও এ ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয় বলে জানি। নবাগত পাঠক আমারব্লগ খুলে যা দেখবেন, তা ভালো লাগলে স্ক্রল করে নিচের দিকে যাবেন। নইলে ক্লোজ বাটনে ক্লিক করাটাই স্বাভাবিক।
এই মুহূর্তে, আমারব্লগের ওপরিভাগে একটি স্টিকি পোস্ট এবং পাশে কিছু নির্বাচিত লেখার শিরোনাম দেখছি। ওয়েবমাস্টারের ভাষ্যমতে, এরকম স্টিকি পোস্ট প্রতিদিনই থাকবে। এটা মনে হয় বোরিং হবে। আমারব্লগকে এমন কিছু করতে হবে, পাঠক যেন ভাবতে বাধ্য হন যে, এই ব্লগে প্রতিনিয়তই কিছু না কিছু ঘটছে। প্রতি মুহূর্তেই যেন লেখার ধরন কিংবা বিষয়বস্তু বদলে যাচ্ছে। তাই নতুন পোস্ট এবং সাম্প্রতিক মন্তব্য ব্লগ খুলে কিংবা রিফ্রেশ করে একনজরেই দেখতে চাই, স্ক্রল করে নয়। এ দুটো অংশই আসলে ব্লগের প্রাণ। ব্লগ যে সচল, ব্লগ যে প্রাণবন্ত- একমাত্র এ দুটো অংশ থেকেই বোঝা যায়।
আর ব্লগে নির্বাচিত কবিতা-গল্প-ধারাবাহিক নিয়ে আলাদা কলাম রাখার কোনো যৌক্তিকতা দেখি না। শুধু শুধু প্রথম পাতাটা ভরানো ছাড়া এসব কলামের কোনো কার্যকারিতা আছে বলেও মনে হয় না। ব্যতিক্রম কিছু দেখানোর জন্য প্যান্ট ওপরে আর নিচে শার্ট পরাটা নিশ্চয়ই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।
সামহোয়্যারের একটা কৃতিত্ব এই যে, ব্লগ সাজানোর জন্য তারা নানা উৎস থেকে অকাতরে নিয়েছে। আমার জানা মতে, ওয়ার্ডপ্রেস থেকে জুমলা, দ্রুপাল থেকে অন্য সিএমএস- কিছুই তারা বাদ রাখেনি। যা কিছু ভালো মনে হয়েছে, নির্দ্বিধায় নিয়েছে। কিন্তু সামহোয়্যারইন দেখে কিছু বোঝার উপায় নেই। সবমিলিয়ে তারা নিজেরাই একটা ব্রান্ড তৈরি করে নিয়েছে। কিন্তু আমারব্লগ ঘাঁটলেই শুধু ওয়ার্ডপ্রেসের গন্ধ। তারিখ আর সংখ্যা বাংলা করতে অসুবিধা কোথায়? "Articles in the খেলা Category"- এটা কোন্ ধরনের ফাইজলামি?
মোট কথা, ভালো করতে হলে পাঠকের মনস্তত্ত্ব বুঝতে হবে, বোঝার জন্য আরো সময় ব্যয় করতে হবে। আর একটা ড্যাশিং ডিজাইন চাই-ই চাই।
শেষে জানিয়ে রাখি, এই বিশ্বাস আমার ভালোই আছে যে, মানে-প্রাণে আমারব্লগ অচিরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাব্লগে পরিণত হবে!
পুরনো একটি পোস্ট
আমারব্লগের জন্য কয়েকটি উচ্চাভিলাষী প্রস্তাব
প্রথম প্রকাশ
তবে দিনের পর দিন একটা ব্যাপার লক্ষ্য করছি, আমারব্লগ যতোটা না ব্লগ, ততোটাই যেন ই-ম্যাগাজিন হয়ে উঠেছে। ই-ম্যাগাজিন নিশ্চয়ই আমরা চাই না, আমরা চাই একটা ব্লগ- যেখানে থাকবে ইচ্ছেমতো বিচরণের স্বাধীনতা- যা হবে সচল সজীব বাংলার প্রতিকৃতি।
নতুন থিম যুক্ত করার পর বেশকিছু পরিবর্তন এসেছে নিঃসন্দেহে। মোট মন্তব্য, কয়বার পঠিত হল- এসব এখন পোস্টের সঙ্গেই থাকছে। পেইজ নেভিগেশন সিস্টেমটাও চালু করা সম্ভব হয়েছে। তবে পাঠকের মনস্তত্ত্ব বোঝার ব্যাপারে বোধকরি আমারব্লগ এখনো অমনোযোগীই রয়ে গেছে।
যেমন, স্ক্রল না করে ব্রাউজারের যে উপরিভাগটা দেখি, সেটা একটা সাইটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদপত্রের গেটআপ বিষয়ে যাদের অভিজ্ঞতা আছে, তারা জানেন পত্রিকার ভাঁজের ওপরের অংশটা খুব যত্ন করে সাজানো হয় প্রতিদিন। পত্রিকাওয়ালারা জানেন, হকার্স স্ট্যান্ডে ওই অংশটুকু দেখেই পাঠক সিদ্ধান্ত নেন কেনা বা না-কেনার। ওয়েবসাইটেও এ ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয় বলে জানি। নবাগত পাঠক আমারব্লগ খুলে যা দেখবেন, তা ভালো লাগলে স্ক্রল করে নিচের দিকে যাবেন। নইলে ক্লোজ বাটনে ক্লিক করাটাই স্বাভাবিক।
এই মুহূর্তে, আমারব্লগের ওপরিভাগে একটি স্টিকি পোস্ট এবং পাশে কিছু নির্বাচিত লেখার শিরোনাম দেখছি। ওয়েবমাস্টারের ভাষ্যমতে, এরকম স্টিকি পোস্ট প্রতিদিনই থাকবে। এটা মনে হয় বোরিং হবে। আমারব্লগকে এমন কিছু করতে হবে, পাঠক যেন ভাবতে বাধ্য হন যে, এই ব্লগে প্রতিনিয়তই কিছু না কিছু ঘটছে। প্রতি মুহূর্তেই যেন লেখার ধরন কিংবা বিষয়বস্তু বদলে যাচ্ছে। তাই নতুন পোস্ট এবং সাম্প্রতিক মন্তব্য ব্লগ খুলে কিংবা রিফ্রেশ করে একনজরেই দেখতে চাই, স্ক্রল করে নয়। এ দুটো অংশই আসলে ব্লগের প্রাণ। ব্লগ যে সচল, ব্লগ যে প্রাণবন্ত- একমাত্র এ দুটো অংশ থেকেই বোঝা যায়।
আর ব্লগে নির্বাচিত কবিতা-গল্প-ধারাবাহিক নিয়ে আলাদা কলাম রাখার কোনো যৌক্তিকতা দেখি না। শুধু শুধু প্রথম পাতাটা ভরানো ছাড়া এসব কলামের কোনো কার্যকারিতা আছে বলেও মনে হয় না। ব্যতিক্রম কিছু দেখানোর জন্য প্যান্ট ওপরে আর নিচে শার্ট পরাটা নিশ্চয়ই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।
সামহোয়্যারের একটা কৃতিত্ব এই যে, ব্লগ সাজানোর জন্য তারা নানা উৎস থেকে অকাতরে নিয়েছে। আমার জানা মতে, ওয়ার্ডপ্রেস থেকে জুমলা, দ্রুপাল থেকে অন্য সিএমএস- কিছুই তারা বাদ রাখেনি। যা কিছু ভালো মনে হয়েছে, নির্দ্বিধায় নিয়েছে। কিন্তু সামহোয়্যারইন দেখে কিছু বোঝার উপায় নেই। সবমিলিয়ে তারা নিজেরাই একটা ব্রান্ড তৈরি করে নিয়েছে। কিন্তু আমারব্লগ ঘাঁটলেই শুধু ওয়ার্ডপ্রেসের গন্ধ। তারিখ আর সংখ্যা বাংলা করতে অসুবিধা কোথায়? "Articles in the খেলা Category"- এটা কোন্ ধরনের ফাইজলামি?
মোট কথা, ভালো করতে হলে পাঠকের মনস্তত্ত্ব বুঝতে হবে, বোঝার জন্য আরো সময় ব্যয় করতে হবে। আর একটা ড্যাশিং ডিজাইন চাই-ই চাই।
শেষে জানিয়ে রাখি, এই বিশ্বাস আমার ভালোই আছে যে, মানে-প্রাণে আমারব্লগ অচিরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাব্লগে পরিণত হবে!
পুরনো একটি পোস্ট
আমারব্লগের জন্য কয়েকটি উচ্চাভিলাষী প্রস্তাব
প্রথম প্রকাশ
কন্ট্রিবিউটর, যারা পত্রিকায় লেখালেখি করে, তাদের একটা ছোটখাট দল আছে মোটামুটি আমার বেশ অনুগত। মাসখানেক আগে তাদের মধ্যে চার-পাঁচজনকে আমি আমারব্লগে লেখালেখির অনুরোধ করি। সপ্তাহ যায়, পক্ষকাল যায়, ২০-২২ দিনের মাথায় তাদের জিজ্ঞেস করি, কেন তারা লিখছে না। হু-হ্যাঁ করে তারা এড়িয়ে যায়। আমি তাদের চেপে ধরি, কী সমস্যা বলো। সামহোয়্যারে নিয়মিত লিখছো, আমারব্লগে কেন নয়? মিনমিনে কন্ঠে একজন বলে, ওভারঅল ভালো লাগেনি। শুনে আমি দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলি।
ঢাকার ফকিরাপুল থেকে অগণন আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা বের হয়। তাতে লিড আইটেম থাকে, সেকেন্ড লিড থাকে, কয়েকটা রঙিন ছবিও থাকে। কিন্তু সেই পত্রিকা চলে না। একই ম্যাটার নিয়ে যুগান্তর-সমকাল বাজারে চলে, পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নেয়। কেন? পার্থক্যটা কী? পার্থক্যটা হল পরিমিতবোধে আর জোরটা হল উপস্থাপনার।
সামহোয়্যারে যে পোস্ট ১০০ বার পঠিত আর ৩০টি মন্তব্য, আমারব্লগে তা ১০ বার পঠিত আর মন্তব্য হয়তো তিনটি। আর মন্তব্য দেখলে বোঝা যায়, ঠিক সপ্রাণ গতিটা এখানে গড়ে উঠেনি। সামহোয়্যারইনে যে প্রাণময় গতি, সচলায়তনে যে সিরিয়াস ভঙ্গি- কোনোটাই আমারব্লগে নেই। আমরা আমরাই মিলে অনেকটা জোর করে একটা আলোচনার ভঙ্গি তৈরি করি বটে, কিন্তু তা অনেকটা কাঠের ঘোড়া চালানোর মতোই।
কিন্তু সামহোয়্যার তিন বছরের ফসল, আমারব্লগ মাত্র তিন মাস- তুলনাটা কি ঠিক হচ্ছে? হ্যাঁ, গড়ে উঠতে সময় লাগে ঠিক। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতায় দেখি, পত্রিকা যেটা দাঁড়ায়, একমাসেই দাঁড়ায়। দাঁড়ায় মানে সম্ভাবনার ঝিলিক দেখিয়ে দেয়। যেটা দাঁড়ায় না, সেটা তিন মাসে তো নয়ই, তিন যুগেও দাঁড়ায় না। ফলে নো-মডারেশনের সম্ভাবনাময় স্টান্টটিও কাজে লাগেনি স্বাভাবিকভাবেই। সবমিলিয়ে, আমারব্লগ হয়েছে অনেকটা আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকার মতো- যা নিয়মিত বের হয় কিন্তু সার্কুলেশন নেই। অন্যভাবে বললে এটা হয়েছে একটা বন্ধু-সমিতি।
অগ্রদূত হয়ে সামহোয়্যারইন পাঠক টানার যে সুবিধাটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পায়, ক্লোজড কমিউনিটি হিসেবে সচলায়তনও লেখক না হোক- পাঠক আকর্ষণের যে একটা সুবিধা পায়, বলাবাহূল্য আমারব্লগ তার কিছুই পায় না। ঘিনঘিনে মৌলবাদীদের পদচারণা দেখে প্যাঁচালি মন টানে না ঠিক, কিন্তু ওই ব্লগের ইন্টারফেস পরিচ্ছন্ন, পরিমিতিবোধ আছে। আমারব্লগের ডানপাশে যে বড়ো অংকের আনরেজিস্টার্ড পাঠকের যে সংখ্যাটা আমরা সবসময়ই দেখি, সেটা গুগল এডসের ফসল। কিন্তু সেখান থেকে রেজিস্টার্ড ব্লগার আসছে না। এই আমরা আমরাই পাশের জায়গাটা দখল করে রাখছি। নতুন মুখ সেখানে নেই-ই বলতে গেলে, তারা আসছে না। আমি বারেবারে সতর্ক করেছি শুরু থেকেই পাঠক একবার এসে নিরাশ হলে, সে দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয়বার হয়তো আসবে, কিন্তু তখনও যদি সে নিরাশ হয়, চতুর্থবার সে আসবে না এবং আর কখনোই সে আসবে না।
ব্লগারের চাহিদাটা যে খুব বেশি তা নয়, তারা চায় এক ক্লিকে পোস্ট খুলে সেখানে মন্তব্য দিয়ে আবার একটু রিফ্রেশ। কিংবা এক ক্লিকে পোস্ট লিখে মন্তব্যের পিঠে মন্তব্য লিখতে। ঝুটঝামেলা তারা চান না। ওয়ার্ডপ্রেসের হাজারো ঝক্কি তারা সামলাতে চান না। জাদুঘরের বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়ানো প্রভাত কি-বোর্ড, রাইট কিংবা লেফট অ্যালাইনমেন্ট, স্ট্রাইকথ্রু, ইনডেন্ট-ফিন্ডেন্টের কেরানিবিদ্যা তারা চান না।
আমারব্লগে হয় কী, কদিন পর পর ওয়ার্ডপ্রেসের হাজারো থিম থেকে একটা একটা নিয়ে হাজির হয়। ওই যে ব্লগার লিস্ট, ওটা দেখে কেউ দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় যেতে চাইবেন না- এমনই বিরক্তিকর। এরা মনে করেছে, গুগল অ্যাডসেন্স যুক্ত কর্লে মনে হয় ঝাঁকে ঝাঁকে ব্লগার আসবে। কিন্তু তা মোটেও হবে না।
ব্লগ মানুষ নয় যে বাহারি পোশাকে তার স্মার্টনেস ধরা পড়বে, ব্লগের স্মার্টনেস পুরোটাই শব্দচয়ন, পরিমিতিবোধ আর উপস্থাপনার ভঙ্গিতে। ভাষার ব্যবহার তো সূচনা থেকেই প্রধান এক দুর্বলতা, শুরুতেই যা পাঠককে একটা বিরূপ ধারণা দিয়ে ফেলে। ওয়েবমাস্টারটাইপ গ্রাম্য ধারণার কথা বাদই দিলাম।
এই এতোদিনে আমার ধারণা হয়েছে, আমারব্রগের ডেভেলপার, ওয়েবমাস্টার থেকে মডারেটর- পুরো টিমের কারোরই যোগ্যতা নেই ব্লগ চালানোর। এরা আওয়ামী মানসিকতা নিয়ে ব্লগ নির্মাণ করতে চায়। এমনই হাস্যকর সেই মানসিকতা- মেধাবী ডেভেলপারকে তারা হায়ার করবে না। তাদের দরকার আওয়ামী ডেভেলপার।
শীঘ্রই আসছে প্রথম আলো ব্লগ। ওটা আসার পর আমারব্লগ আরো কিছু পাঠক হারাবে। সবকিছুর ওপর মূল কথা হল, ওয়ার্ডপ্রেসে আর যাই হোক, বাংলাব্লগ দাঁড়াবে না। একটা বড়ো অংকের বিনিয়োগ নিয়ে আমারব্লগের অ্যামেচারিজমের কোনো মানে খুঁজে পাই না! কিন্তু এরপরেও আমার এই যে উদ্বেগ, এটার পিছনেও কারণ আছে। পেছনের অনেকেই আমার বন্ধুস্থানীয় যে!
আমারব্লগ বিষয়ে আমার আগের কিছু পোস্ট-
আমারব্লগ : যা পাই, তা চাই না- যা চাই, তা পাই না!
আমারব্লগ থেমে আছে সেই এক জায়গায়!
মুক্তচিন্তার বিপক্ষে অবস্থান নেবেন না
ক্ষুদ্র ব্যাপার, কিন্তু আনন্দটা দেখা দিল বড়ো হয়ে
স্বস্তিটা ফিরে এল মনে
আমারব্লগ কি অস্থিরতায় ভুগতেছে?
আমারব্লগের জন্য কয়েকটি উচ্চাভিলাষী প্রস্তাব
বিন্দু বিন্দু জল…
নিচের পোস্টগুলো মূলত আমারব্লগের কাজে লাগানোর জন্যই পরোক্ষভাবে দিয়েছিলাম-
ওয়েবে স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে আমরা কিছু অনুবাদের কাজ করবো
কোন্ কিবোর্ড আপনার পছন্দ?
-----
প্রথম প্রকাশ | দ্বিতীয় প্রকাশ
ঢাকার ফকিরাপুল থেকে অগণন আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা বের হয়। তাতে লিড আইটেম থাকে, সেকেন্ড লিড থাকে, কয়েকটা রঙিন ছবিও থাকে। কিন্তু সেই পত্রিকা চলে না। একই ম্যাটার নিয়ে যুগান্তর-সমকাল বাজারে চলে, পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নেয়। কেন? পার্থক্যটা কী? পার্থক্যটা হল পরিমিতবোধে আর জোরটা হল উপস্থাপনার।
সামহোয়্যারে যে পোস্ট ১০০ বার পঠিত আর ৩০টি মন্তব্য, আমারব্লগে তা ১০ বার পঠিত আর মন্তব্য হয়তো তিনটি। আর মন্তব্য দেখলে বোঝা যায়, ঠিক সপ্রাণ গতিটা এখানে গড়ে উঠেনি। সামহোয়্যারইনে যে প্রাণময় গতি, সচলায়তনে যে সিরিয়াস ভঙ্গি- কোনোটাই আমারব্লগে নেই। আমরা আমরাই মিলে অনেকটা জোর করে একটা আলোচনার ভঙ্গি তৈরি করি বটে, কিন্তু তা অনেকটা কাঠের ঘোড়া চালানোর মতোই।
কিন্তু সামহোয়্যার তিন বছরের ফসল, আমারব্লগ মাত্র তিন মাস- তুলনাটা কি ঠিক হচ্ছে? হ্যাঁ, গড়ে উঠতে সময় লাগে ঠিক। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতায় দেখি, পত্রিকা যেটা দাঁড়ায়, একমাসেই দাঁড়ায়। দাঁড়ায় মানে সম্ভাবনার ঝিলিক দেখিয়ে দেয়। যেটা দাঁড়ায় না, সেটা তিন মাসে তো নয়ই, তিন যুগেও দাঁড়ায় না। ফলে নো-মডারেশনের সম্ভাবনাময় স্টান্টটিও কাজে লাগেনি স্বাভাবিকভাবেই। সবমিলিয়ে, আমারব্লগ হয়েছে অনেকটা আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকার মতো- যা নিয়মিত বের হয় কিন্তু সার্কুলেশন নেই। অন্যভাবে বললে এটা হয়েছে একটা বন্ধু-সমিতি।
অগ্রদূত হয়ে সামহোয়্যারইন পাঠক টানার যে সুবিধাটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পায়, ক্লোজড কমিউনিটি হিসেবে সচলায়তনও লেখক না হোক- পাঠক আকর্ষণের যে একটা সুবিধা পায়, বলাবাহূল্য আমারব্লগ তার কিছুই পায় না। ঘিনঘিনে মৌলবাদীদের পদচারণা দেখে প্যাঁচালি মন টানে না ঠিক, কিন্তু ওই ব্লগের ইন্টারফেস পরিচ্ছন্ন, পরিমিতিবোধ আছে। আমারব্লগের ডানপাশে যে বড়ো অংকের আনরেজিস্টার্ড পাঠকের যে সংখ্যাটা আমরা সবসময়ই দেখি, সেটা গুগল এডসের ফসল। কিন্তু সেখান থেকে রেজিস্টার্ড ব্লগার আসছে না। এই আমরা আমরাই পাশের জায়গাটা দখল করে রাখছি। নতুন মুখ সেখানে নেই-ই বলতে গেলে, তারা আসছে না। আমি বারেবারে সতর্ক করেছি শুরু থেকেই পাঠক একবার এসে নিরাশ হলে, সে দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয়বার হয়তো আসবে, কিন্তু তখনও যদি সে নিরাশ হয়, চতুর্থবার সে আসবে না এবং আর কখনোই সে আসবে না।
ব্লগারের চাহিদাটা যে খুব বেশি তা নয়, তারা চায় এক ক্লিকে পোস্ট খুলে সেখানে মন্তব্য দিয়ে আবার একটু রিফ্রেশ। কিংবা এক ক্লিকে পোস্ট লিখে মন্তব্যের পিঠে মন্তব্য লিখতে। ঝুটঝামেলা তারা চান না। ওয়ার্ডপ্রেসের হাজারো ঝক্কি তারা সামলাতে চান না। জাদুঘরের বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়ানো প্রভাত কি-বোর্ড, রাইট কিংবা লেফট অ্যালাইনমেন্ট, স্ট্রাইকথ্রু, ইনডেন্ট-ফিন্ডেন্টের কেরানিবিদ্যা তারা চান না।
আমারব্লগে হয় কী, কদিন পর পর ওয়ার্ডপ্রেসের হাজারো থিম থেকে একটা একটা নিয়ে হাজির হয়। ওই যে ব্লগার লিস্ট, ওটা দেখে কেউ দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় যেতে চাইবেন না- এমনই বিরক্তিকর। এরা মনে করেছে, গুগল অ্যাডসেন্স যুক্ত কর্লে মনে হয় ঝাঁকে ঝাঁকে ব্লগার আসবে। কিন্তু তা মোটেও হবে না।
ব্লগ মানুষ নয় যে বাহারি পোশাকে তার স্মার্টনেস ধরা পড়বে, ব্লগের স্মার্টনেস পুরোটাই শব্দচয়ন, পরিমিতিবোধ আর উপস্থাপনার ভঙ্গিতে। ভাষার ব্যবহার তো সূচনা থেকেই প্রধান এক দুর্বলতা, শুরুতেই যা পাঠককে একটা বিরূপ ধারণা দিয়ে ফেলে। ওয়েবমাস্টারটাইপ গ্রাম্য ধারণার কথা বাদই দিলাম।
এই এতোদিনে আমার ধারণা হয়েছে, আমারব্রগের ডেভেলপার, ওয়েবমাস্টার থেকে মডারেটর- পুরো টিমের কারোরই যোগ্যতা নেই ব্লগ চালানোর। এরা আওয়ামী মানসিকতা নিয়ে ব্লগ নির্মাণ করতে চায়। এমনই হাস্যকর সেই মানসিকতা- মেধাবী ডেভেলপারকে তারা হায়ার করবে না। তাদের দরকার আওয়ামী ডেভেলপার।
শীঘ্রই আসছে প্রথম আলো ব্লগ। ওটা আসার পর আমারব্লগ আরো কিছু পাঠক হারাবে। সবকিছুর ওপর মূল কথা হল, ওয়ার্ডপ্রেসে আর যাই হোক, বাংলাব্লগ দাঁড়াবে না। একটা বড়ো অংকের বিনিয়োগ নিয়ে আমারব্লগের অ্যামেচারিজমের কোনো মানে খুঁজে পাই না! কিন্তু এরপরেও আমার এই যে উদ্বেগ, এটার পিছনেও কারণ আছে। পেছনের অনেকেই আমার বন্ধুস্থানীয় যে!
আমারব্লগ বিষয়ে আমার আগের কিছু পোস্ট-
আমারব্লগ : যা পাই, তা চাই না- যা চাই, তা পাই না!
আমারব্লগ থেমে আছে সেই এক জায়গায়!
মুক্তচিন্তার বিপক্ষে অবস্থান নেবেন না
ক্ষুদ্র ব্যাপার, কিন্তু আনন্দটা দেখা দিল বড়ো হয়ে
স্বস্তিটা ফিরে এল মনে
আমারব্লগ কি অস্থিরতায় ভুগতেছে?
আমারব্লগের জন্য কয়েকটি উচ্চাভিলাষী প্রস্তাব
বিন্দু বিন্দু জল…
নিচের পোস্টগুলো মূলত আমারব্লগের কাজে লাগানোর জন্যই পরোক্ষভাবে দিয়েছিলাম-
ওয়েবে স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে আমরা কিছু অনুবাদের কাজ করবো
কোন্ কিবোর্ড আপনার পছন্দ?
-----
প্রথম প্রকাশ | দ্বিতীয় প্রকাশ

