ব্লগ প্রতিযোগিতার নামে জার্মান রেডিও ডয়চে ভেলে আবার সেই সাজানো খেলায় নেমেছে। সামহোয়্যারের স্টিকি পোস্টে
ব্লগারদের ক্ষীণ উপস্থিতিই জানান দিচ্ছে, ডয়চে ভেলের ওই সাজানো
প্রতিযোগিতা নিয়ে কতোটা অনাগ্রহ তাদের। তবে নতুন খবর হল, এবার আরো এক
ডিগ্রি ওপরে উঠে খেলাটি হতে যাচ্ছে পুরোপুরি পাতানো। বাংলা ভাষার সেরা
ব্লগার নাম দিয়ে যাকে নির্বাচন করা হবে, তার নাম আগেই চূড়ান্ত হয়ে আছে।
ডয়চে ভেলে এখন মনোনয়ন চাইছে। বলা হচ্ছে ভোটাভুটিও হবে। আসলে মনোনয়ন কিংবা
ভোটাভুটিটা নাম মাত্র, ডয়চে ভেলের হিট প্রজেক্ট বলাই ভালো। ডয়চে ভেলের
ভেতরকার সূত্র বলছে, এমনকি ভোটাভুটির পাতানো খেলায় কেউ যদি জিতেও যায়,
তাহলে বিচারকদের কোটায় আগে থেকেই নির্বাচিত প্রার্থীকে তুলে আনা হবে। তাকে
দিয়ে ইস্যুভিত্তিক ফরমায়েশি কিছু লেখাও ইতিমধ্যে লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে ব্লগে।
ব্যাপারটা যে টাকার খেলা কিংবা স্বজনপ্রীতি তাও নয়, তারা মূলত একটি
'সেনসেশন' তৈরি করতে চাইছে। সম্ভাব্য কিছু জটিলতা এড়াতে নামটি গোপন রাখছি
আপাতত, তবে সচেতন ব্লগারদের পক্ষে সেটা অনুমান করা খুব কঠিন হবে না বলে
বিশ্বাস আমার।
ঠুঁটো জগন্নাথ
বিচারক এবার ড. শহীদুল ইসলাম। আলোকচিত্রী হিসেবে তার আছে আন্তর্জাতিক খ্যাতি। ইংরেজি ভাষায় তার একটি ব্লগ আছে বটে, কিন্তু তিনি নিজে কখনো বাংলায় ব্লগ লেখা তো দূরের, এমনকি বাংলা ব্লগ সম্পর্কে তার ধারণা নেই বললেও চলে। সেটা আবার তিনি নিজে স্বীকারও করেছেন একাধিক সাক্ষাৎকারে। এখন ডয়চে ভেলে তার ঘাড়েই তুলে দিয়েছে বাংলা ব্লগ বিচারের ভার। সুতরাং কী হবে সেটা অনুমান করা কঠিন কিছু নয়। তবে সাদামাটা ভাষায় বললে, এ হল শহীদুল ইসলামকে ঠুঁটো জগন্নাথ সাজিয়ে এ হল দেবারতি গুহ আর আরাফাতুল ওরফে হাবিব মহাজনের একটি সাজানো প্রজেক্ট। বলাবাহূল্য, ব্লগ বিচারের পদ্ধতিটা তার চেয়েও সাজানো। বাংলা ব্লগ নিয়ে স্বল্পজ্ঞানসম্পন্ন বাংলা ভাষার বিচারক অন্য ভাষার বিচারকদের বাংলাভাষী ব্লগারদের সম্পর্কে ধারণা দেবেন। আর সেই ধারণা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সবাই মিলে সেরা ব্লগার নির্বাচন করা হবে। ব্যাপারটা এমনই। প্রথম শ্রেণীর গর্দভ ছাড়া এইরকম হাস্যকর বিচার একমাত্র ডয়চে ভেলের পক্ষেই সম্ভব। প্রতারক ডয়চে ভেলেকে 'আ বিগ নো' বলা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো বাক্য ব্যয় করাও অর্থহীন, সময়ের অপচয়।
গত বছরের কাণ্ড-অকাণ্ড
■ ব্লগ প্রতিযোগিতায় অবশেষে সেই ফলাফল, ভোটের অংক আর চোরের দশদিন
■ ব্লগ প্রতিযোগিতায় ভোট কেলেঙ্কারি : প্রতিবাদে সোচ্চার বিদেশী ব্লগাররাও
■ ডয়চে ভেলে ব্লগ প্রতিযোগিতায় ভোট কেলেঙ্কারি : ব্লগারদের নির্বাচিত ৫০ মন্তব্য
■ ব্লগ প্রতিযোগিতা : ভোট নিয়ে অবিশ্বাস্য জালিয়াতি, বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত চাই
সংযুক্তি
ঠুঁটো জগন্নাথ
বিচারক এবার ড. শহীদুল ইসলাম। আলোকচিত্রী হিসেবে তার আছে আন্তর্জাতিক খ্যাতি। ইংরেজি ভাষায় তার একটি ব্লগ আছে বটে, কিন্তু তিনি নিজে কখনো বাংলায় ব্লগ লেখা তো দূরের, এমনকি বাংলা ব্লগ সম্পর্কে তার ধারণা নেই বললেও চলে। সেটা আবার তিনি নিজে স্বীকারও করেছেন একাধিক সাক্ষাৎকারে। এখন ডয়চে ভেলে তার ঘাড়েই তুলে দিয়েছে বাংলা ব্লগ বিচারের ভার। সুতরাং কী হবে সেটা অনুমান করা কঠিন কিছু নয়। তবে সাদামাটা ভাষায় বললে, এ হল শহীদুল ইসলামকে ঠুঁটো জগন্নাথ সাজিয়ে এ হল দেবারতি গুহ আর আরাফাতুল ওরফে হাবিব মহাজনের একটি সাজানো প্রজেক্ট। বলাবাহূল্য, ব্লগ বিচারের পদ্ধতিটা তার চেয়েও সাজানো। বাংলা ব্লগ নিয়ে স্বল্পজ্ঞানসম্পন্ন বাংলা ভাষার বিচারক অন্য ভাষার বিচারকদের বাংলাভাষী ব্লগারদের সম্পর্কে ধারণা দেবেন। আর সেই ধারণা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সবাই মিলে সেরা ব্লগার নির্বাচন করা হবে। ব্যাপারটা এমনই। প্রথম শ্রেণীর গর্দভ ছাড়া এইরকম হাস্যকর বিচার একমাত্র ডয়চে ভেলের পক্ষেই সম্ভব। প্রতারক ডয়চে ভেলেকে 'আ বিগ নো' বলা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো বাক্য ব্যয় করাও অর্থহীন, সময়ের অপচয়।
গত বছরের কাণ্ড-অকাণ্ড
■ ব্লগ প্রতিযোগিতায় অবশেষে সেই ফলাফল, ভোটের অংক আর চোরের দশদিন
■ ব্লগ প্রতিযোগিতায় ভোট কেলেঙ্কারি : প্রতিবাদে সোচ্চার বিদেশী ব্লগাররাও
■ ডয়চে ভেলে ব্লগ প্রতিযোগিতায় ভোট কেলেঙ্কারি : ব্লগারদের নির্বাচিত ৫০ মন্তব্য
■ ব্লগ প্রতিযোগিতা : ভোট নিয়ে অবিশ্বাস্য জালিয়াতি, বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত চাই
ডয়চে ভেলের তদন্তের জন্য ভোটাভুটির শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম। না, তাদের কোনো সাড়া নেই। ডয়চে ভেলে হিট চেয়েছে, সেটা তারা পেয়েছে। সে কারণে লাজলজ্জার মাথা খেয়ে ভোট জালিয়াতদের পক্ষ নিয়েছে স্পষ্টতই। মাঝখান থেকে, জার্মান এই প্রপাগাণ্ডা মিডিয়া নিজেরাও হয়তো জানে না, এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের সুনামের অনেকটাই নিজ হাতে নষ্ট করলো। অথচ এরাই সংবাদে স্বচ্ছতা আবার জবাবদিহিতার কথা বলে গলা ফাটায়। আর অবসরে আধা-মূর্খ ব্লগারদের বিচারক সাজিয়ে ভোটচুরির সবগুলো দরজা খুলে দিয়ে ব্লগারদের ওজন মাপার চেষ্টা করে।দেখা যাক ভোটের সেই অংকটি
খুব সতর্ক চোখে দেখেছি, এবার ডয়চে ভেলে ব্লগ প্রতিযোগিতার শুরুর দিকে চারটি ভোট পড়লে ১% বাড়তো ভোটের কাঁটা। এভাবে চলল ২৭ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত। এর পরপরই সামহোয়্যারে ইমন জুবায়েরের পক্ষে পোস্ট স্টিকি হওয়ার পর তার অবস্থান ১৫% থেকে ২১%-এ গিয়ে দাঁড়ায়। এবং এর ঠিক পর ঘটে বিস্ময়কর সেই ঘটনা। মাত্র একটি রাত শেষে, যখন বাংলাদেশের মানুষের ঘুমোনোর সময়, আরিফ জেবতিকের অবস্থান একলাফে গিয়ে দাঁড়াল ৩০%-এ। পরদিন বিকেল নাগাদ সেটা হয়ে গেল ৩৮%। এরপর অবস্থা দাঁড়াল এমন- ২০টি ভোট পড়ার পরও অন্য ব্লগারদের ভোটের কাঁটা আর ১%ও বাড়ছিল না। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, ২০ থেকে ৪০টি ভোট পড়লে যেখানে ১% বাড়ে, সেই পরিস্থিতিতে আরিফ জেবতিকের পয়েন্ট ১% মেনে আসার ৫ মিনিটের মধ্যে আবার বেড়ে যেতো। বাকি অন্য ব্লগারদের বেলায় এই ১% বাড়ানো ছিল প্রায় সারাদিনের চেষ্টা। ডয়চে ভেলে কর্তৃপক্ষ এই এখনো ২৯ ও ৩০ মার্চ আরিফ জেবতিকের ব্লগে পড়া ভোটের প্যাটার্ন ও অন্যান্য লক্ষণ যাচাই করলে সহজেই ধরা যাবে জালিয়াতিটা। কিন্তু সেই সৎসাহস কি আছে তাদের? মনে হয় না।
চোরের দশদিন
আজ প্রকাশিত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত ফলাফলে বেস্ট জাল ভোট ক্যাটাগরিতে আরিফ জেবতিক এবং বেস্ট অ্যাডাল্ট অ্যাকটিভিজম ক্যাম্পেইন ক্যাটাগরিতে অমি রহমান পিয়ালই জিতেছেন। ঘনিষ্ঠ দুই বন্ধু, যারা আবার একটি ব্লগের যুগ্ম প্রতিষ্ঠাতা, সেই একই ব্লগের ইউআরএলে বিস্ময়কর সমান ভোট পেয়ে নির্বাচিত - এটা বিশ্বরেকর্ডই বটে! দুজনেই আবার ডয়চে ভেলের বিচারক রেজওয়ানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এই সার্টিফিকেট নিয়ে তারা ঠিক কী করবেন, আমার জানা নেই। এক ঘনিষ্ঠজনের কাছে শুনেছি, আরিফ জেবতিক সিলেটে ইউপি ইলেকশন করবেন আগামীবার, এই ভোট নাকি তারই ওয়ার্মআপ। ভোটারদের হয়তো বোঝাবেন, 'এটাও একটা নোবেল! তোমাগো পোলা সেটা জিতছে।' পত্রপত্রিকায়ও হয়তো তাদের ভারী ভারী বাণী দেখা যাবে। কিন্তু ব্লগাররা জানে, এই বিজয় এসেছে চুরি করে, নজিরবিহীন ভোট জালিয়াতি করে। এ এমন এক প্রতিযোগিতা, যেখানে দলমতনির্বিশেষে একটা সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা থাকলেও অভ্রের মেহদী হাসান খানরা কখনোই জিতবেন না।
এই জালিয়াতি নিয়ে মাতামাতি অনেকের আবার না-পছন্দ। পর্নো ক্লিপের খোঁজে ব্লগে আসা পাঠক এইসবে খুব বিরক্ত হয়। এমনিতে আকন্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত জাতি আমরা। সবকিছু গা সওয়া হয়ে গেছে আমাদের। অনুভূতি ভোঁতা। স্কুলগামী ছাত্রী বখাটের হয়রানির শিকার হয়, দেখেও না দেখার ভান করে দ্রুতপায়ে হাঁটি। সন্ধ্যায় ঘরে ফেরা গার্মেন্টসকর্মী ধর্ষিত হয়ে যায় চোখের সামনেই, চুপ থাকি আমরা, যেন কিছুই ঘটেনি। আদালতে বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে, আমরা থাকি নিঃসাড়। ভোট জালিয়াতির এই ঘটনায় আমাদের বিকার থাকবে না, সেটাই স্বাভাবিক। কেবল বিদেশীরা জানলো, বাঙালি ব্লগাররা চোর। বিশ্ব জানলো, বাংলা ব্লগমণ্ডল একটি চোরের আখড়া।
এটা কি ব্লগীয় রাজনীতি?
প্রথমে চেষ্টা করা হল, এই জাল ভোটাভুটি এবং এ নিয়ে কথা বলাকে 'ব্লগীয় রাজনীতি' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার। অথচ ব্লগার, পাঠকসংখ্যা, মিথস্ক্রিয়ায় সামহোয়্যারের ধারেকাছে দাঁড়ানোর কোনো ব্লগ আছে কি বাংলায়? তাহলে কার সঙ্গে রাজনীতি, কার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা? এই এখনো সামহোয়্যারের প্রথম পাতায় এক্সেস পেতে একজন ব্লগারকে গড়ে কমপক্ষে একমাস অপেক্ষা করতে হয়, লেখালেখির পরীক্ষা দিতে হয়। যদি দৈবাৎ এই পদ্ধতি তুলে দেওয়া হয়, আমার ধারণা, সামহোয়্যারের সার্ভার ক্র্যাশ করবে দশ মিনিটের মধ্যে। প্রথম আলোর কি দৈনিক দিনকাল কিংবা সংবাদের সঙ্গে মিডিয়া রাজনীতিতে জড়ানোর প্রয়োজন পড়ে? কিংবা বিএনপির সঙ্গে কি বাংলাদেশ সাম্যবাদী দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে?
অভিনন্দন!
দেরিতে হলেও নজিরবিহীন ভোট জোচ্চুরির প্রতিবাদে ইমন জুবায়ের তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলেন। তাকে অভিনন্দন। যদি ভোট জালিয়াতি না হতো, ফলাফলে ইমন জুবায়েরের অবস্থান হতো অন্যরকম। তারও অনেক আগে ভোট জোচ্চুরির প্রতিবাদে সেরা ইংরেজি ব্লগ বিভাগে মনোনয়ন পাওয়া সাইট অসোসিও নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিল প্রতিযোগিতা থেকে। তাদের সবাইকে অভিনন্দন, জালভোটের এই প্রতিযোগিতায় শামিল না হওয়ার জন্য।
প্রথম প্রকাশ
অপূর্ব-প্রভার ভিডিও কেলেঙ্কারি ঘটনার পর ডয়চে ভেলে ব্লগ প্রতিযোগিতায় ভোট জোচ্চুরির ঘটনা আবারও বাংলা ব্লগমণ্ডলসহ সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোতে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। দলমতনির্বিশেষে ব্লগাররা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন লজ্জাজনক এই ঘটনা নিয়ে। এ লজ্জা আমাদের সবার লজ্জা, পুরো ব্লগমণ্ডলের লজ্জা, বাংলা ভাষার লজ্জা। তবে ডয়চে ভেলে পুরো ঘটনা নিয়ে অস্বাভাবিক নীরবতা পালন করছে। এখন পর্যন্ত তাদের পক্ষ থেকে তদন্ত বা কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়াই নেই, ফলে ডয়চে ভেলের সততা ও স্বচ্ছতা নিয়েও অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করছেন। গত কয়েক দিনে বিভিন্ন পোস্ট থেকে ব্লগারদের উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া তুলে এনে এই পোস্টে জড়ো করলাম। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে ভোট জালিয়াতির আরো একটি প্রমাণ আমাদের হাতে পৌঁছেছে, যাতে স্পষ্ট দেখা যায় একগাদা ফেইক একাউন্ট থেকে আরিফ জেবতিকের ব্লগে ভোট দেওয়া হয়েছে।ভয় বলেছেন:
ভয় বলেছেন: ডয়েচেভেলের কথা বলছেন? ইংরেজী সেরা ব্লগের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছে কে জানেন? একজন পতিতা। যে গর্ব করে নিজেকে পতিতা দাবী করে, ব্লগে নিজের রেট জানায়, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করে। কিভাবে পতিতাবৃত্তিকে সম্মানজনক পেশা বানানো যায়, এবং সেখান থেকে পর্যাপ্ত টাকা আয় করা যায় সেগুলো লেখা হয়। এবং এই ব্লগকেই সেরা যে ডয়েচেভেলে সেরা ব্লগ বানাবে আমি প্রায় নিশ্চিত। আর কিছু জানার আছে?
□ ৭ নম্বর মন্তব্য
তর্পন বলেছেন: ...কিন্তু পরক্ষণেই খেয়াল হল আমরা লেট লতিফ। এরকম সোজা হ্যাকিং বহু আগেই অন্যরা ঠিকই জানে। আর এরই মধ্যে বহু জাল ভোট ঢুকে গেছে। নয়তো সামুর মতো ব্লগের সমর্থন পেয়েও মাত্র ২০ ভাগ ভোট পেতে নাভীশ্বাস। কম্পিউটারের দুনিয়ায় টুলের তো অভাব নাই। অন্য আরেক ব্লগারের পক্ষে কেউ হয়তো দিন রাত বট বসিয়ে রেখেছে। আরেকটা কাণ্ড এই গাঁজাখুড়ি ভোটিং এ। যদি কেউ এরকম আটোমেটিক ভোটিং এর জিনিস বসায়ে রাখে তাহলে সার্ভার এমন বিজি হবে যে সুস্থ্য পদ্ধতিতে ভোটও দেয়া যাবে না।
□ উৎস পোস্ট
যেড ফ্রম এ বলেছেন: ভোট কারচুপির কি আছে না আছে তা নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই। অপপ্রয়োগের সুযোগটা করে দিয়েছে ডয়েচে ভেলে। কিন্তু একটা প্রতিযোগিতায় অনেকগুলো বিভাগে কোন নির্দিষ্ট ব্লগের ব্লগাররা গনহারে সেরা হলে, ঐ ব্লগের ডোশিয়ারটা একটু উল্টে পাল্টে দেখতে ইচ্ছে করে। কোলকাতা ব্লগ বিশ্বমানে উন্নিত হয়েছে তা অবশ্য বলার অপেক্ষা রাখে না।
□ ১৮ নম্বর মন্তব্য
তর্পন বলেছেন: সামহোয়ারইনে ভদ্র ভাবে সৎ ভাবে ভোট দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু আমি দেখলাম এমনই সিস্টেম যে হাতে হাতে প্রতি মিনিটে ২০ টা ভোট দেয়া সম্ভব। সেখানে ঘন্টায়১০০০ ভোট দেয়া অসম্ভব না।
□ উৎস পোস্ট
রাইসুল জুহালা বলেছেন: ববসের ২৪ ঘন্টার হিসাবে কোন ঝামেলা আছে, এখন আমি নিশ্চিত। আমাকে এখন ভোট দিয়ে দিচ্ছে না, কিন্তু আমি সর্বশেষ ভোট দিয়েছি ২৬ ঘন্টা আগে।
□ ৪৯ নম্বর মন্তব্য
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এটা এক ব্যক্তির একাধিক ভোট দেয়ার খেলা, আর তালিকায় অনেক জনপ্রিয় কিন্তু অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী কেউ কেউ আছেন; ভোটের খেলায় ইমন জুবায়ের তালিকার তলদেশে চলে গেলে সেটা হবে লজ্জা ও অপমানের।
□ ১০০ নম্বর মন্তব্য
মগ্নতা বলেছেন: ব্লগ অথরিটি দিনদিন এত নির্ধারক ভূমিকা পালন করতেছে ক্যান? ব্লগারগো বাছাই করতে দেন না তারা কারে ভোট দেবার চায় বা না দেবে। আমারোত সেরা ব্লগার হইবার মন চাইতে পারে। আপনেরা ব্লগ অথরিটি হইয়া এইটা নির্ধারণ কইরা দিতে গেলে তো ব্লগ হইলো না। আপনেগো ভাই বেরাদরদের খুনসুটি হই গেল।
□ ১৭৭ নম্বর মন্তব্য
মন্জুরুল আলম বলেছেন: সকালে দেখলাম ইমন ভাই'র ভোট ২১%, কিন্তু এখন ভোট দিয়া দেখি ২০%....? কেমনে কি হইল? ভোট না বেড়ে কমে গেল!! আজিব! সূক্ষ! স্থূল নাকি ডিজিটাল কারচুপি!?
□ ২০৮ নম্বর মন্তব্য
নার্ডী বয় বলেছেন: কদিন ধরে ২১% দেখতে দেখতে মনে হতাশা বোধ করছি,মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে,ধুর ভোট দিয়ে কি হবে হেরেই তো গেছেন ইমন ভাই,কোথায় ২১ আর কোথায় ৩৮!
□ ২১৯ নম্বর মন্তব্য
রেজোওয়ানা বলেছেন: ভোটিং সিস্টেমটা আসলেই অবজেকশনাবেল, আর একটা ব্যাপর খেয়াল করলাম, একই সিরিজের অনেক গুলো একাটউন্ট থেকে টুইটারে ভোট দেয়া হচ্ছে, আমার ব্লগ ১, আমার ব্লগ ২ এমন অনেক গুলো! এগুলো কি? এভাবে যদি শুধু ভোটের উদ্দেশ্যেই একাউন্ট খোলা হয়, তাহলে কি সেটা আর প্রতিযোগিতার পর্যায়ে থাকে? পুরো ভোটিং সিস্টেমটাই একটা দূর্বল ভোটিং সিস্টেম! এই সিস্টেমের ব্যাপারে ডয়েশে ভ্যালে কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করা উচিত!
□ ২১৯ নম্বর মন্তব্যের উত্তর
জানা বলেছেন: আমিও গতকাল ভোট দিতে পারিনি। না ফেসবুক একাউন্ট থেকে না টুইটার একাউন্ট থেকে। অদ্ভুত ব্যাপার
□ ২৩৫ নম্বর মন্তব্য
যেড ফ্রম এ বলেছেন: ১১ তারিখ পর্যন্ত ভোটিং লাইন ওপেন, ভোট দেওয়া যাইতেছে ফেসবুক ও টুইটার হইতে ২৪ ঘন্টা পরপর। ইহা কি আজব নিয়ম বাপু! ডয়েচে ভেলের এই আজগুবী নিয়ম মোটেও মনঃপুত হইতেছেনা। সাইবার ক্যাফে মালিক সমিতির কেহ থাকিলেই হইলো, তাহার প্রিয় ব্লগার নিঃসন্দেহে সেরা বাংলা ব্লগার হইবে। ১০ টা কম্পিউটার আর শ খানেক ফেসবুক আইডি + শ খানেক টুইটার আইডি নির্বাচন করিবে সেরা ব্লগার। হাসিতে হাসিতে...
□ উৎস পোস্ট
বিডি আইডল বলেছেন: একই ব্লগারকে ২৪ ঘন্টা পর পর ভোট দেবার মত (এবং ফেসবুক/টুইট্যারের মত ধারে সিস্টেম ব্যবহার করার মত) বেকুব কনটেস্টে ভোট না দেওয়াই ভালো।
□ ২৪৪ নম্বর মন্তব্য
সুচিন্তিত মতবাদ বলেছেন: ব্যপারটা অনেকটাই বেখাপ্পা লাগছে।ইমন জুবায়ের এতই যদি যোগ্য প্রার্থী হবেন-তাহলে সপ্তাখানেক ঝুলিয়ে রাখার পরেও এই স্টিকি পোস্টে ব্লগারদের সমর্থন এতো কম দেখে(এখন পর্যন্ত ৩৪৮৮ বার পঠিত)।এখন পর্যন্ত এই স্টিকি পোস্টে আমার প্লাস সহ ৭৪ জন প্লাস দিয়ে তাঁদের মুলবান সমর্থন জানিয়েছেন(অথচ এই ব্লগেই “গরম পানি” রান্নার পোস্টের এর থেকে অনেক বেশী ব্লগার সোতসাহে অংশ নিয়েছেন-যা আমারমতো সকলেই দেখেছেন)-এর মধ্যেও ৮ জন ব্লগার ভোট দিতে পারছেননা এফ বি/ টুইটার একাউন্ট নাইবলে।কেউ কেউ একাধিকবার ভোট দেবার কথা জানিয়েছেন। সমর্থন জানানো বাকী ৬৫ জন ব্লগার যদি সর্ব মোট ২০ দিনের ভোট প্রচারনার প্রতিদিন একটি করেও ভোট দেন-তাহলে ইমন জুবায়েরের ভোট হবে প্রায় তের শতাধিক।আমাদের ভোটার সংখ্যা যেখানে ৭৪/৭৫ হাজার সেখানে এই পরিমান ভোট পেলেতো জামানত যেহেতু নেই-সেহেতু মনোনয়নই বাতিল হওয়া উচিত! রেজোওয়ানা আপুর কাছে জানতে চাই-এই “শ্রেষ্ঠ ব্লগার” মনোনয়নের ভিত্তি কি? কি কি বিবেচনায় এই মনোনয়ন দেয়া হয়েছে??
□ ২৪৮ নম্বর মন্তব্য
ছোটমির্জা বলেছেন: আরিফ জেবতিক অনেক এগিয়ে গেছেন। বাট সামুর কাছে আমার ব্লগ নস্যিই হবার কথা।
□ ২৪৯ নম্বর মন্তব্য
রেজোওয়ানা বলেছেন: সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখছি, কেউ কেউ নানা চাতুর্যে টুইটার আর ফেইসবুকে একাধিক নিত্যনতুন একাউন্ট বানিয়ে ভোট দিতে ঝাপিয়ে পরেছে- যা অসাধু আর অনৈতিকও বটে (চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী)।
আমাদের এই মাধ্যমটা লেখকদের মানসিকবোধ ও আত্মিক বিকাশের পারস্পরিক মাধ্যম।
সুতারাং সুশীল এ অঙ্গনে যারা কেবল শ্রেষ্ঠত্বের লোভে এধরণের চাতুর্যের আশ্রয় নিচ্ছেন তারা কি প্রতিনিয়তই নিজের কাছে হেরে যাচ্ছে না? যারা চাতুর্য করে প্রতিদিন একটু একটু করে বিজয়ের দিকে এগুচ্ছে, তারা নিজেরা এবং এখন সবার কাছে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট যে তারা প্রকৃত বিজয়ী নয়। রাজার বাড়ির ১০০ মণ দুধের মধ্যে ১ ফোটা চেনার (দু:খিত ভাষার জন্য) মতোই এদের বিজয়। বরং ডয়েশে ভ্যালে কতৃপক্ষের উচিত আসল বিষয় গুলো ভাল ভাবে খুটিয়ে দেখে, পুরো প্রক্রিয়াটকে সার্বোজনীনভাবে গ্রহণযোগ্য করে তোলা, যেহেতু উদ্যোক্তা তারাই।
□ ২৬২ নম্বর মন্তব্যের উত্তর
কৌশিক বলেছেন: খোদার কাছে লাখো শুকুর যে তিনি অবশেষ ফেরেশতা পাঠিয়ে গায়েবী ভোটদানের ব্যবস্থা করেছেন বুবসে। বাঙালির সম্মান কোনোভাবেই লুটতে দেয়া যাবে না। বুবস থেকে আমাদের যেসমস্ত ব্লগশ্রেষ্ঠ, ব্লগউত্তম ও ব্লগপ্রতীক আবিষ্কৃত হবেন তাদের আমরা মাথায় করে নাঁচবো।
□ উৎস পোস্ট
একরামুল হক শামীম বলেছেন: এই প্রতিযোগিতার এবারের আসরের কয়েকটা বিষয় নিয়ে আমার কিছু অবজার্ভেশন রয়েছে। ১. সেরা ব্লগ নির্বাচনে কোটা পদ্ধতি মোটেও ভালো লাগেনি। ২. প্রতিদিন ১ বার করে ভোট দেওয়ার বিষয়টাও পছন্দ হয়নি।
□ ১০ নম্বর মন্তব্য
বিষদেব বলেছেন: যে বাড়ীওয়ালা স্থানীয় মুরুব্বী ব্লগারটি সচলায়তন নামক লেখক ফোরামে (!) বসে দিব্যি 'পিতা মাতা ও তৎ সম্বন্ধনীয় লোকদের' সাথে কুকুর বেড়ালের অবৈধ সংগম প্রস্তাব ব্লগে লিখে বেড়ান এর নাম কিভাবে নির্বাচিত হয়? যে মডারেশন (হাসতে হাসতে মরি) ব্যবস্থার আরোপে রাসেল পারভেজ, মামুন ও অন্যান্য আরো ব্লগারদের কলম বন্ধ করে দেওয়া হয়, সেটার উপর লুঙ্গি তুলে মাহবুব আজাদরা লাঠালাঠি করে বঙ্গভাষার শ্রী বৃদ্ধি করছেন তিনি ডয়েচে বালে (কপিরাইটঃ আইজু) লেখক ফোরামটির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন..... কিছু নিম্ন মানের চুলকানি পোস্টসমৃদ্ধ ব্লগ বাংলা ব্লগ প্রতিযোগীতায় নামতে পারে ....ক্ষমা করো ভগবান
□ ১৬ নম্বর মন্তব্য
জিসান শা ইকরাম বলেছেন: আসমানী ভোটে বিজয়ীতব্য ব্লগশ্রেষ্ঠ, ব্লগউত্তম, ব্লগপ্রতীকদের অগ্রীম শুভেচ্ছা। আমরা কিন্তু এখনই শুভেচ্ছা দিয়ে পোষ্ট দিতে পারি
□ ৪ নম্বর মন্তব্য
যেড ফ্রম এ বলেছেন: পুরো ভন্ডামি আর ভাওতাবাজি হচ্ছে এই প্রতিযোগিতায়, শ খানেক ফেসবুক আইডি, শ খানেক টুইটার অ্যাকাউন্ট দশটা কম্পিউটার আর তার পিছনে ৫ জন ডেডিকেটেড প্রতারক থাকলে যে কাউকে (নমিনেটেড) বিজয়ী করা যায়।
□ ৬ নম্বর মন্তব্য
আলিম আল রাজি বলেছেন: যারা জীবনে ব্লগ পড়েনি তারাও তাদের প্রিয় ব্লগারকে ভোট দিচ্ছে
□ ১৮ নম্বর মন্তব্য
যেড ফ্রম এ বলেছেন: প্রতিযোগিতার এই ফর্মেট কোন আহাম্মকের মাথা থেকে বের হয়েছে তা জানতে খুব ইচ্ছা হচ্ছে।
□ উৎস পোস্ট
রেজোওয়ানা বলেছেন:
জঘন্য একটা দূর্বল ভোটিং সিস্টেম। যে কেউ ইচ্ছা করেলেই এই মূহুর্তে ১০০ টা টুইটার আইডি খুলে ভোটের চিত্র পাল্টে দিতে পারে আর হচ্ছেও তাই! এদের এই ভোটিং সিস্টেমের উপর রিপোর্ট করা উচিত!
□ ৭ নম্বর মন্তব্য
জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
এরকম ভোটে জিতে লাভ কি ? শুধু নাম কেনা ? নিজের কাছে তো জানা থাকবে যে , আমি জেনুইন ভোটে হইনি। এখন তো যেই জিতুক না কেন, সবাই ভাববে- ভুয়া ভোটে জিতেছে। যা খুবই অনৈতিক।
□ ৩ নম্বর মন্তব্য
আমি জমিদার বলেছেন: আমিও এমন ভোটের মানে জানতে চাই?? যদি ন্যুনতম লজ্জাবোধ থাকে তো এখনকার কনটেষ্টটি বাতিল করুন। তারপর সিস্টেম ঠিক করে তারপর আবারও প্রতিযোগিতায় আসুন।
□ ৯ নম্বর মন্তব্য
তর্পন বলেছেন: কিন্তু কাকে রিপোর্ট করবেন? যত ভাল প্রতিযোগী হোক আয়োজক টুইটারে তো আয়োজক http://twitter.com/dw_bengali ডয়েশ ভেল কেন নির্দিষ্ট প্রতিযোগীকে ভোট দিতে যাবে? টুইটার একাউন্টে দেখাচ্ছে তারা পছন্দের প্রতিযোগীকে ভোট দিচ্ছে। কাজী যদি বাদী বিবাদীর উকিল হয় তবে কি করে বিশ্বাস করব? টুইটে দেখবেন ডয়েশে ভেল নিজে অমি পিয়াল, সাবরিনা সহ ব্লগকে ভোট করে যাচ্ছে। তার নিরপেক্ষতা থাকল কই?
□ ১০ নম্বর মন্তব্যের উত্তর
প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: এমন দুর্বল ভোটিং আয়োজনের মাধ্যমে নির্বাচনের কোন মানে হয় না!আন্তর্জাতিক পরিসরে এরকম প্রতারনা বাংলা'র জন্যে খারাপ, ডয়েচে ভেলে'র ভাবমূর্তি'র জন্যও খারাপ আর সবচেয়ে বড় কথা এরকম ঘটনা সাধারন ব্লগারদের নিরুৎসাহিত করে!
□ ১ নম্বর মন্তব্য
সোহরাব সুমন বলেছেন: আসমানি ভোটকে শুভেচ্ছা ! কালকে ইমন ভাইকে ভোট দেয়ার পর দেখি ২০ থেকে ১৯ ! আর কি কেউ ভোট দেয় নাই নাকি আমার ভোটটা ডিসপ্লেস হইলো ! হায় আল্লা !
□ ৮ নম্বর মন্তব্য
কাঙাল মামা বলেছেন: সামুর উচিত এই জালিয়াতি ভোটাভুটি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে প্রতিবাদ জানানো। সাথে সাথে ডয়েচে ভেলের সাথে সব সম্পর্ক ছেদ করতে হবে। কি বলেন?
□ ২৮ নম্বর মন্তব্য
কালীদাস বলেছেন: গত বছর ব্লগ থেকে এতবড় একটা সামাজিক আন্দোলন হল ইভ টিজিং নিয়ে, অথচ সেটার কোন ইমপ্যাক্টই নেই?! আর ইমন জুবায়ের তো অনেক জনপ্রিয় একজন ব্লগার ওনার ভোট এত কম আসে কিভাবে?! আজব!
□ ২৯ নম্বর মন্তব্য
লবঙ্গলতিকা বলেছেন: ইমন জুবায়েরকে প্রতিদিন নিয়ম করে আমি ২ করে ভোট দিয়ে আসছি, কিন্তু রেটিং বাড়ছে না দেখে অবাক হচ্ছিলাম, আজ এর আসল মর্ম বুঝলাম। এভাবে জিতে লাভ কি হবে? আমার ব্লগ কি মনে করছে শুধু তারাই চালাক আর আমজনতা কিছু বুঝে না, বইসা বইসা বাতাস খায়। মানুষের নিম্নতম রুচিবোধ থাকলে এমন কাজ কেউ করে! নাকি সেরা তিনজন পুরস্কার পাইলেই লোকজন সাবই ঝাপাইয়া পড়বো সেই ব্লগে রেজি করার জন্য। অমি রহমনা পিয়াল, যে কিনা একজন পর্ণোসাইটের সাথে জড়িত হিসাবে প্রমানিত আর স্বীকৃত, তারে দিছে নমিনেশন, কই যামু!
□ ৩০ নম্বর মন্তব্য
জানা বলেছেন: ডয়চে ভেলে'র এবারের ব্লগ প্রতিযোগিতার পুরো বিষয়টি নিয়ে (ভোট সংক্রান্ত) কি ঘটছে, কিভাবে ঘটছে তা বোধ করি সবাই দেখছেন এবং কম-বেশী আলোচনা সমালোচনাও চলছে। এ ক্ষেত্রে আমার/আমাদের অবস্থান অন্য দশজন সাধারণ ব্লগারের চেয়ে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। বর্তমানে এখানকার স্টিকি পোস্টটিতেও আমার কয়েকটি মন্তব্য আপনাকে সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে সাহায্য করবে। তাছাড়া এ বিষয়ে আরো আগেই আমরা ডয়চে ভেলে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছি এবং প্রয়োজনীয় তথ্যও সরবরাহ করছি। আমরা দেখতে চাইছি ডয়চে ভেলে কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কি পদক্ষেপ নেন।
□ ৩১ নম্বর মন্তব্য
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: ধুউউর , এতদিন পর্যন্ত বাংলা ব্লগোস্ফিয়ার টাকে " অল্টারনেট", "বিকল্প শক্তি " ব্যাতিক্রমী" বলেই ভাবতাম, যতই দিন দেখছি আস্তে আস্তে এক্কেরে খাস গেরাইম্ম্যা পলিটিক্স চালু হচ্ছে
□ ৩২ নম্বর মন্তব্য
kisuna বলেছেন: ঘটনা ভয়াবহ! আমি আর নতুন ব্লগার লাবনী কি আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি মেহেদীর জন্য ভোট সংগ্রহ করতে। কিন্তু তার ভোট বাড়ছেই না! এই তাহলে রহস্য????
□ ৩৫ নম্বর মন্তব্য
সায়েম মুন বলেছেন: একদিন ভোট দেয়ার পর পরের দিন ভোট দিতে গিয়া দেখি রেজাল্টের তেমন নড়চড় নাই।
□ ৩৬ নম্বর মন্তব্য
রাসেল ( ........) বলেছেন: ভোট রিগিং এর একটা সুযোগ রাখা হইছে বলা যায়, বলা যায় প্রতিদিন এক ভোট দেওয়াটা একটু অগ্রহনযোগ্য
□ ৩৭ নম্বর মন্তব্য
বল্টু মিয়া বলেছেন: বাংলা ব্লগ নিয়া বিদেশি কর্পোরেট কোম্পানি যা করতেছে তাতে আমাদের সুযোগ ছিলো ব্লগিং প্লাটফর্ম নির্বিশেষে শুধু মাত্র বাংলা ভাষার ব্লগকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার।কিন্তু আমরা যা করতেছি তা হলো বাংলা ব্লগ বাদ দিয়ে ব্লগিং প্লাটফর্ম নিয়া বেশি নাচতেছি
□ ৪৫ নম্বর মন্তব্য
স্বপ্নরাজ বলেছেন: কার কি অবদান নিজেরাই সেটা ঠিক করে জনগনের নামে চালায় দেয়া আমাদের পুরান অভ্যাস। এই হিসাবে এইবার ব্লগ প্রতিযোগীতা ঠিক গতিতে আগাইতাছে। খ্যাতনামা ব্লগারদের শীর্ষে রাখাটাই ঠিক আছে। কিভাবে তারা শীর্ষে সেইটা বিবেচ্য না ।পাব্লিক ব্লগের বোঝেটা কি যে তাদের ভোট কে গুরুত্ব দিতে হবে? জয়তু ডয়েচ ভেলে !! আমাদের দেশে আইসা আমাদের চরিত্র ধারন করার জন্য অভিনন্দন!
□ ৫০ নম্বর মন্তব্য
কৌশিক বলেছেন: 'মাল্টিনিক ডিসঅর্ডার সিনড্রম' এবং 'স্টাটিসটিকাল ডাটা ম্যানিপুলেশন' ব্লগ পরিসরে পরিচিত ব্যাধী এবং এদুটোতে যারা পূর্ব থেকেই দক্ষতা অর্জন করেছে এবং প্রায় শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে - তাদের জন্য এই ভোটিং সিস্টেমটাতে বিজয় ছিনিয়ে আনা ডালভাত। এই দুই ঘাতক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিবর্গ বেশ স্বমেহিত একটা সুখ পেয়ে থাকে। তাদের সেসুখ বিঘ্ন করার জন্য আপনাকে তীব্রভাবে একটা মাইনাস প্রদান করলাম।
□ ৫১ নম্বর মন্তব্য
আরিল বলেছেন: since last friday, we have raised concerns about massive vote manipulation in "the bobs" with DW. if the online vote results become so one-sided and out of proportion like it seems now, it would be shameful for the whole bangla blogosphere, as well as for DW. we hope DW will investigate these claims and discard manipulated votes if and when found, as we remain with unanswered questions and are appalled by what we see.
□ ৫৩ নম্বর মন্তব্য
আইরিন সুলতানা বলেছেন: নির্বাচনী ভবিষ্যৎ বাণীতে, ব্লগার অক্টোপাস পল ব্লগার হাসিনাকে সতর্ক করে বলেন, ব্লগার এরশাদের উপর কোনভাবেই ভরসা করা যায় না। অবসর গ্রহণের পূর্বে এই নির্বাচনে জিততে তিনি যে কোন সময় যে কোন পন্থা অবলম্বন করতে পারেন।
□ উৎস পোস্ট
মোঃ আরিফ রায়হান মাহি বলেছেন: ডিজিটাল ভোটে টালমাতাল অবস্থা হবে তাতে আর ভাবার কি আছে? গায়েবি ভোট নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে মাথার উপ্রে ঠাডা পড়নের সম্ভাবনা আছে বইনডি, থাউক আমরা আইজকাই তাগোরে জয়ী ঘোষোণা কইরা জয়মাল্য দিয়া দেই নাইলে দেখা যাইব সামুতে আমাগো শেষ সম্বল হিট লইয়া টান দিছে।
□ ৯ নম্বর মন্তব্য
জিসান শা ইকরাম বলেছেন: নির্বাচন কমিশন যে আমাদের দেশেরটার চেয়েও ভুয়া , এইটা ভেবে খুব শান্তি পাইতাছি। ওরা নিজেরাই ভোট দিতাছে। খুব ভদ্র ভাষায় বলি " ওরা একটা খাটাশ " সব কিছু দেখে মনে হচ্ছে " প্রাইমারী স্কুল থেকে ব্লগার গন ডক্টরেট নিতে চাচ্ছে "
□ ১৫ নম্বর মন্তব্য
এবং সবশেষে-
ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগ এখনও গীত গেয়ে চলেছে:
ডয়চে ভেলের সেরা ব্লগ অনুসন্ধান প্রতিযোগিতার একাধিক বিভাগে সেরা অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলা ব্লগ৷...
□ উৎস লিংক
প্রথম প্রকাশ

শুধু বাংলাদেশের ব্লগাররাই নয়, ডয়চে ভেলে ব্লগ প্রতিযোগিতায় ভোট জোচ্চুরির ঘটনায় সোচ্চার এখন অন্যান্য দেশের ব্লগাররাও। ফেসবুকে তো বটেই, টুইটারেও চলছে প্রতিবাদ।
সেরা ইংরেজি ব্লগ বিভাগে মনোনয়ন পাওয়া সামাজিক বিজ্ঞাপন ও অলাভজনক ক্যাম্পেইন বিষয়ক বিখ্যাত ওয়েবসাইট 'অসোসিও' ভোট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে প্রতিযোগিতা থেকে তাদের নাম প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছে। তার এ হুমকির মুখে ডয়চে ভেলের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ এক টুইটার বার্তায় জানিয়েছে, তারা ভোট জোচ্চুরির অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন।
তবে ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগের একশ্রেণীর কর্মকর্তা ভোট জোচ্চুরির দায়ে অভিযুক্ত বাংলাভাষী কয়েকজন ব্লগারকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তারা যে কোনো মূল্যে এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে চাইছে।
যোগ দিন ফেসবুক গ্রুপে, সোচ্চার হোন ভোট জোচ্চুরির বিরুদ্ধে।
প্রথম প্রকাশ
The voting system for international blog awards – The BOBs – by Deutsche Welle has given scope to cast fraud votes in Bangla blogsphere. A group of bloggers well known for obscenities and derogatory comments at specific individuals in respect of gender, race, religion, nationality, sending hate e-mail, cyber bullying, cyber stalking have manipulated the result. Bangla blogsphere has its own dynamics and distinctive differences with other nations. The voting manipulation must not reflect the actual strength and beauty of bloggers in Bangladesh.
Vote tempering
One can vote in every 24 hours – earlier I considered it as a bug. Later I noticed, DW itself officially pounding the drum to encourage such a vote tempering. I am hearing a number of chitchat that a bundle of Facebook-Twitter account has been opened. Those are in use to vote twice per day. The most ridiculous part is, a blog, officially supporting their own nominees, managing votes in group. As the way we understand national election hoax by its symptoms, online voting is also been understandable by its nature. Take note, almost reader less Amar Blog is leading with its blogger in different category. It is truly an wonder! Lets consider the case of Arif Jebtik, who is not an active blogger for the last two years. He writes a little now a days in a blogger less blog. So, how does he managed such a huge % of vote? It is almost everyday, hidden votes are increasing! I noticed very sharply, from the very beginning Arif Jebtik, Omi Rahman Pial and Sabrina’s blog following a special voting pattern - not too many, not too less, an average rate of votes. To hide such voting fabrication, abnormal votes are coming up for Abu Sufian, Indigenous blog and few other blogs. I feel really bad for Sabrina, a physically disable blogger. She is surrounded by some dishonest people.
Smart Scripting
Let us compare the voting pattern (in %) of those leading blogs in different category - machine’s fine work with NOT enough ups and down discrimination!
Indigenous Blog – 42% vote
Arif Jebtik’s Blog - 41% vote
Abu Sufian’s Blog – 41% vote
Sabrina’s Blog – 39% vote
Omi Rahman Pial’s Blog – 38% vote
Nominees from a specific platform, which is very novice and unfamiliar in bangle blogospeare, having same voting nature is undoubtedly an unusual example. On the other hand, as Avro creator Mehdi Hasan Khan’s blog link belongs to Sachalayatan; poor of him! it is very disappointing to see that Amar Blog’s voting machine is not helping him much. So far his collection is only 34%. Whereas Mehdi has got a very familiar appreciation among all. He supposes to get more votes!
Omi Rahman Pial is one of the originator of a porn site, which even once engaged with child pornography. Because of the massive protest of bloggers against his JJ site, he has become soundless in blogging. Arif Jebtik, the contestant under Best Blog Bengali category, was directly involved with a radical islamist political student committee group. These two are very intimate with the Bangla division juri Rezwanul Islam and thus they get the nomination pass into DW blog contest.
All roads are open to cheat
I observed, one Facebook or Twitter account can add 84 votes in total as per DW rules. By opening 100 accounts in Twitter-Facebook (nothing is more easier than this in the world!), 8000 votes can be casted by any automated software or without any script. A smart candidate can create 100 Facebook-Twitter account so easily and give vote to own-self twice in a day. So, are you thinking that opening Facebook-Twitter id is really such an easy task? Yes, easy! By running script 1000s of votes is also not a tough task. Not only Facebook, but also 100s of Gmail account opening is not a big deal. Blogger Tarpan’s outstanding observation has revealed an unbelievable fact about vote tempering in the current contest.
Omi Rahman Pial, under Best Social Activitism Campaign category, is leading with 38% vote. An Spanish blog with 27% vote is holding 2nd position and a Rush blog is at 3rd. If only 0.1% from the huge Spanish internet users come to vote, then Bangla blog would go downwards. If a tiny portion of 42% internet users country Russia cast their vote, Bangladeshis around the world with full force would not be able to beat them. Just see the case of 7 natural wonders selection. Whole Bangladesh tried together but failed to include Cox’s Bazar to the main list. Sunderban is still surviving at the bottom of the list. So, where is the malfunction? Do not bloggers of other countries have any interest in this contest? Or number of internet user’s in Bangladesh raised by miracle?
See again, in Human Rights category, Indigenous Bengali blog leading with 42%. A portuguese blog is at 2nd position with 19%. Just check out the internet usage statistics in Portugal. On the other side, Sabrina is at top with 39% vote, an Arabic blog following her with 22%. You must see the Internet usage statistics of Arabs. Compare it with Bangladesh. After that you may not need to know the Bengali Bloggers statistics. So, here the same question has to be repeated, from where all those abnormal votes are coming? Is it from up above the sky- the heaven?
We demand Investigation
It is very disappointing that even though DW was notified of this vote fraud, no reaction came out from them. Top of that being an organizer of such event, DW Bangla section itself voting for some selective nominees. The twitter notification showing us the fact.
No one has any doubt that there is huge vote swindling in DW’s current contest. Some blogger requesting to boycott such a laughable contest. We expect, DW will take a step to investigate this vote fraud. Blogs with abnormal % have to be separated to identify their voting map and other proves to declare an official action against those. The sooner DW perform this action, the more their reputation will be boosted up.
Contest like this demand transparency. That is why we raised our voice against this vote fraud. Join our Facebook group : http://www.facebook.com/home.
মনোনয়ন নিয়ে কিছু পর্যবেক্ষণ
■ বাংলাব্লগে গত একবছরে উল্লেখযোগ্য সামাজিক আন্দোলন বলে কিছু যদি হয়ে থাকে, সেটা ইভটিজিং বিরোধী আন্দোলন। কিন্তু ভাবমূর্তি বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় 'ভাইপো' রেজওয়ানের চোখ পড়েছে অমি রহমান পিয়ালের ওপর, গত একবছরে যিনি ব্লগ থেকেই উধাওপ্রায়। যদি দু বছর আগে পিয়ালকে মনোনীত করা হতো, তাহলে বুঝতাম যোগ্য লোককেই তারা মনোনীত করেছেন। যদিও বাংলাব্লগে গালাগালি আর অশালীনতা আমদানির প্রধান হোতাদের অন্যতম তিনি। আর দু বছর আগের হিসাবই যদি গণনাযোগ্য হবে, তাহলে উইকিপিডিয়ার রাগিব কেন অচ্ছ্যুৎ? কেন বছর বছর তাহলে ব্লগ প্রতিযোগিতার আয়োজন?
■ আরিফ জেবতিকের ব্লগে গিয়ে দেখলাম, গত এক বছরে তার সর্বমোট পোস্ট ১০-১২টির মতো, যার অর্ধেকই বইমেলা নিয়ে হাবিজাবি। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট সম্ভবত এটি। পাঁচ বছর আগের এক ভ্যালেরি টেইলর নিয়ে ইমেইল চালাচালি বেচে একজন ব্লগারকে কতো আর ওপরে তোলা যায়!
■ ব্যক্তি আক্রমণ যার ব্লগিংয়ের প্রধান সম্বল, বাংলা ব্লগমণ্ডলে এ যাবতকালের সবচেয়ে বড়ো মিথ্যাচার ও কেলেঙ্কারির জন্ম দেওয়া সদা পোঁদকাতর সেই হিমুও সেরা ব্লগারের তালিকায় আসতে পারে?
■ বিডিনিউজ ব্লগে আইরিন সুলতানার যে ব্লগ সেটার বয়স একমাস মাত্র। ৩০ দিন ব্লগিং করেও বর্ষসেরার তালিকায় ঢোকা সম্ভব? এর চেয়ে বরং আইরিনের সামহোয়্যারের ব্লগটি অনেক সমৃদ্ধ। তবে এরপরও ভোট দিলে সম্ভবত তাকেই দেব, কারণ আইরিন প্রকৃতই একজন ব্লগার।
■ শহীদলিপি নামের একটি কি-বোর্ড লেআউটের নির্মাতা ব্লগার হিসেবে কেন অনন্য, তার পুরো ব্লগ ঘেঁটেও বুঝলাম না। এটাও বিচারক রেজওয়ানের কোটাবাজির নিকৃষ্ট উদাহরণ।
■ সেরা ব্লগ হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া ব্লগস্পট-ওয়ার্ডপ্রেসভিত্তিক ব্লগগুলো নিতান্তই গরিবি ব্লগ, এরকম একেকটা ব্লগ জন্ম থেকে মন্তব্য পেয়েছে হয়তো বড়জোর ১০টি। আর তাতে বোঝা যায় পাঠকই নেই ব্লগগুলোর। এবং পুরোটাই ফাজলামি!
■ শুনেছি, 'ভাবমূর্তি মোটাতাজাকরণ প্রকল্পের' আওতায় প্রার্থী আরো ছিলেন অনেকেই। এই সূত্রে মান-অভিমানের ঘটনাও নাকি ঘটেছে আড়ালে। একদিকে সুশান্তের উপর্যুপরি চাপ, অন্যদিকে সচলায়তনের জন্য মিনিমাম তিনটি আসন রাখা জরুরি, আবার ৮০ ভাগ ব্লগারের জায়গা সামহোয়্যারের একেবারে কাউকে না রাখলে খারাপ দেখাচ্ছে। সবমিলিয়ে এক রেজওয়ানের পক্ষে কতোজনের মন আর রক্ষা করা সম্ভব, কতো চাপ আর সামলানো সম্ভব! আরিফ জেবতিক-হিমু-পিয়ালকে একই ক্যাটাগরিতে রাখা দৃষ্টিকটু লাগে বলে বিচারক বেচারা পিয়ালকে সরিয়েছেন সোশ্যাল অ্যাকটিভিজম ক্যাম্পেইন ক্যাটাগরিতে।
■ মজার কাণ্ডটা ঘটেছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার ক্যাটাগরিতে। সেখানে মনোনয়ন পেয়েছে জনৈক আবু সুফিয়ানের ব্লগ। ইনি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ছাপা হওয়া তার ৬-৭টি রিপোর্টের ব্যাকআপ রেখেছিলেন ব্লগস্পটের মাগনা জায়গায়। পড়ে মনে হল, রিপোর্ট নয়, থানায় জমা পড়া কোনো খুনের মামলার এজাহার পড়ছি। রেজওয়ান আবার সেটাকে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে ধরে একেবারে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার ক্যাটাগরিতে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। এই যদি হয় অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার নমুনা, তাহলে আমাদের কোম্পানিগঞ্জের মজনু আর সাইফুল্যাহ কামরুলের কমপক্ষে ১০বার রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার পুরস্কার পাওয়া উচিত!
ভোট নিয়ে নজিরবিহীন কাণ্ড
২৪ ঘন্টা পর পর একই ব্যক্তি একাধিক ভোট দিতে পারবেন- আমি এটাকে বাগই মনে করেছি শুরুতে। কিন্তু পরে দেখলাম ডয়েচে ভেলে কর্তৃপক্ষ
ঢোল বাজিয়ে অফিসিয়ালিই এই জাল ভোটের জন্য সবাইকে অনুপ্রাণিত করছে। শুনছি ফেসবুক-টুইটারে বাণ্ডেল হিসেবে একাউন্ট খোলা হচ্ছে, দিনে দুবার সেগুলো থেকে জালভোট চলছে। তার চেয়েও উদ্বেগজনক তথ্য হচ্ছে, একটি ব্লগের কর্তৃপক্ষীয় উদ্যোগে বিশেষ বিশেষ প্রার্থীর পক্ষে সংঘবদ্ধভাবে ভোট দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ নির্বাচনে কারচুপি যেমন লক্ষণ দেখে বোঝা যায়, অনলাইন ভোটেও সেরকম লক্ষণ দেখে জালিয়াতির বিষয়গুলো বুঝে নেওয়া যায় সহজেই। লক্ষ্য করার বিষয় হচ্ছে প্রায় পাঠকবিহীন আমারব্লগের ব্লগাররাই বিভিন্ন বিভাগে শীর্ষে অবস্থান করছে। এটা রীতিমতো অলৌকিক ঘটনা। যেমন ধরা যাক, আরিফ জেবতিক গত অন্তত দু বছরে ব্লগে তেমন একটা সক্রিয় নন, সামান্য যা কিছু লিখেন, তাও তুলনামূলক পাঠকবিহীন একটি ব্লগে। তাহলে তার এতো ভোট আসছে কোত্থেকে? প্রতিদিনই দেখছি, গায়েবী ভোট পড়ছে তো পড়ছেই। খুব তীক্ষ্ম চোখে লক্ষ্য করেছি, ভোট গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই একটি বিশেষ প্যাটার্নে আরিফ জেবতিক, অমি রহমান পিয়াল এবং সাবরিনার ব্লগটিতে ভোট দেওয়া হচ্ছে - কম নয়, বেশিও নয়, প্রতিদিনই প্রায় একটি নির্দিষ্ট হারে। এই কারসাজি ঢাকতে একইসঙ্গে অস্বাভাবিক হারে ভোট দেওয়া হচ্ছে আবু সুফিয়ান এবং পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ব্লগসহ আরো দু একটিতে। প্রতিবন্ধী ব্লগার সাবরিনার জন্য খারাপ লাগে, বেচারী কিছু অসৎ লোকের পাল্লায় পড়ে গেছেন।
মেশিনের পাকা কাজ
প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগে শীর্ষস্থানে থাকা ব্লগ ও প্রাপ্ত ভোটের (শতকরা হারে) প্যাটার্নটা একবার মিলিয়ে দেখুন। মেশিনের পাকা কাজ, কোনোরূপ নড়চড় চলিবে না!
■ আরিফ জেবতিকের ব্লগ - ৪১% ভোট
■ আদিবাসী বাংলা ব্লগ - ৪১% ভোট
■ সাবরিনা’র ব্লগ - ৪০% ভোট
■ আবু সুফিয়ান’এর ব্লগ - ৪০% ভোট
■ অমিপিয়াল’এর ব্লগ - ৩৮% ভোট
ওদিকে অভ্রের নির্মাতা মেহদী হাসান খানের ব্লগের লিংক সচলায়তনের বলে বেচারা আমারব্লগের অটো ভোটিং মেশিনের সহায়তা পাচ্ছে না দুঃখজনকভাবে। তার প্রাপ্ত ভোট ৩৪% মাত্র। অথচ মেহদীর সর্বদলীয় একটি গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, ভালো ভোটই তার পাওয়ার কথা। এদিকে সামহোয়্যারের ব্লগারদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ইমন জুবায়েরের ব্লগে ভোটের হার ক্রমেই কমছে। আজকে একধাপ নেমে এখন ১৯%-এ এসে পৌঁছেছে।
অথচ ফেসবুক জরিপেই করুণ দশা
দু-তিনদিন আগে ফেসবুকে এক ব্লগারের পরিচালিত একটি জরিপ খুঁজে পেলাম। আমারব্লগের ভোটিং মেশিন চালু হওয়ার আগেই এক হিমু (৪৬ ভোট) ছাড়া বিখ্যাত ব্লগারদের করুণ হাল দেখে নিন একনজর- আরিফ জেবতিক : ১৫ ভোট, অমি রহমান পিয়াল : ৯ ভোট, ইমন জুবায়ের : ১১ ভোট, শওকত হোসেন মাসুম : ৪ ভোট, আলী মাহমেদ : ২ ভোট, রেজওয়ান : ১ ভোট।
জালিয়াতির সবগুলো পথ খোলা
হিসেব করে দেখেছি, একটি ফেসবুক কিংবা টুইটার একাউন্ট থেকে সবমিলিয়ে ৮৪টি ভোট দেওয়া যাবে ডয়েচে ভেলের নিয়ম অনুসারে। টুইটার-ফেসবুকে মাত্র ১০০টি একাউন্ট (এটা খোলার মতো সহজ কাজ দুনিয়ায় আর কিছু নেই) খুললে সাড়ে আট হাজার ভোট দেওয়া যাবে অটোমেটেড সফটওয়্যার কিংবা স্ক্রিপ্ট ছাড়াই। একজন ধূর্ত প্রার্থীর পক্ষে ১০০টি ফেসবুক ও টুইটার একাউন্ট বানিয়ে দিনে দুবার লগইন করে নিজেই নিজেকে ভোট দেওয়া জলবৎ তরলং ব্যাপার। ভাবছেন এতোগুলো ফেসবুক-টুইটার একাউন্ট খোলা কি সহজ কথা? হ্যাঁ, সহজই।
স্ক্রিপ্ট চালিয়ে হাজারে হাজারে ভোট দেওয়া এমন কোনো জটিল কাজ নয়। ফেসবুকে যেমন নয়, তেমনি কঠিন নয় গণহারে জিমেইল একাউন্ট কিংবা শত শত ফেসবুক একাউন্ট তৈরি করা। চলমান প্রতিযোগিতায় ভোট জালিয়াতির এক অবিশ্বাস্য কাহিনী উঠে এসেছে ব্লগার তর্পণের অসাধারণ অনুসন্ধানে। পড়ুন প্রথম পর্ব ও দ্বিতীয় পর্ব।
এবার তুলনা দেই একটু
বেস্ট সোশ্যাল অ্যাকটিভিজম ক্যাম্পেইন বিভাগে অমি রহমান পিয়াল ৩৭% ভোট নিয়ে শীর্ষে। ২৭% ভোট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে একটি স্প্যানিশ ব্লগ। রুশ ব্লগ তৃতীয়। স্প্যানিশভাষী ইন্টারনেট ইউজারের যে ভয়াবহ সংখ্যা, তার ০.১ ভাগও যদি ব্লগ প্রতিযোগিতায় ভোট দিতে আসে, তাহলে বাংলা ব্লগ তলানিতে গিয়ে পড়ার কথা। শুধুমাত্র স্পেনেই ব্লগারের সংখ্যা কমপক্ষে তিন মিলিয়ন। আর যে দেশে মোট জনসংখ্যার ৪২ ভাগই ইন্টারনেট ব্যবহার করে, সেই রাশিয়ার অতি ক্ষুদ্র অংশও যদি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে, দুনিয়ার সমস্ত বাংলাভাষী ইন্টারনেট ইউজার তাদের সর্বশক্তি ব্যয় করেও পেরে ওঠার কথা নয়। যেমনটি দেখা গেছে সপ্তাশ্চর্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে। পুরো বাংলাদেশ প্রাণান্ত চেষ্টা করেও কক্সবাজারকে মূল তালিকাতেই তুলতে পারেনি, সুন্দরবন এখনো ধুঁকছে তালিকার নিম্নভাগে। তাহলে ঘাপলাটা কোথায়? অন্য দেশের ব্লগারদের কি আগ্রহ নেই এই প্রতিযোগিতা নিয়ে, নাকি বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়ে গেছে অলৌকিক উপায়ে?
আবার দেখুন হিউম্যান রাইটস ক্যাটাগরিতে সন্তু লারমার পার্বত্য জনসংহতি সমিতির আনঅফিসিয়াল ব্লগ ৪৭% ভোট পেয়ে শীর্ষে। দ্বিতীয় স্থানে আছে একটি পর্তুগিজ ব্লগ, ১৯% ভোট নিয়ে। অথচ পর্তুগালে ইন্টারনেট ইউজারের
অবস্থা দেখুন।ওদিকে সেরা ব্লগ বিভাগে ৪০% ভোট নিয়ে সাবরিনার ব্লগ শীর্ষে আছে, ২২% ভোট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে একটি অ্যারাবিক ব্লগ। আরবীভাষীদের অবস্থাও দেখুন একনজর। বিপরীতে বাংলাদেশের ইন্টারনেট পরিস্থিতি দেখুন, ব্লগারের হিসাব আশা করি না নিলেও চলবে। সুতরাং সেই একই প্রশ্ন আবারও- এতো ভোট আসছে কোত্থেকে? আকাশের ওপর থেকে নয় তো?
ভোট জালিয়াতির বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত চাই দ্রুত
ডয়চে ভেলের চলমান প্রতিযোগিতায় ভোট জালিয়াতির ঘটনা যে ঘটছে, এ নিয়ে এখন কারোরই সন্দেহ নেই। হাস্যকর হয়ে ওঠা এই প্রতিযোগিতা বয়কটের আহ্বানও জানাচ্ছেন অনেক ব্লগার। আমরা চাই, ডয়চে ভেলে কর্তৃপক্ষ ভোট জালিয়াতির ঘটনা অবিলম্বে তদন্ত করে দেখবে। যেসব ব্লগে অবিশ্বাস্য ভোট পড়েছে, সেগুলোকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে প্রাপ্ত ভোটগুলোর প্যাটার্ন ও অন্যান্য আলামত শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দ্রুত এই তদন্ত শেষ করে মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রতারক ব্লগারদের চিহ্নিত করা হলে ডয়চে ভেলের ভাবমূর্তিই বাড়বে।
সংযুক্তি
■ ইমন জুবায়েরের জন্য ভোট চেয়ে স্টিকি পোস্ট, ববস্ বেস্ট ব্লগার...
■ আসমানী ভোটে বিজয়ীতব্য ব্লগশ্রেষ্ঠ, ব্লগউত্তম, ব্লগপ্রতীকদের অগ্রীম শুভেচ্ছা
■ আরিফ জেবতিকের ব্লগে গিয়ে দেখলাম, গত এক বছরে তার সর্বমোট পোস্ট ১০-১২টির মতো, যার অর্ধেকই বইমেলা নিয়ে হাবিজাবি। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট সম্ভবত এটি। পাঁচ বছর আগের এক ভ্যালেরি টেইলর নিয়ে ইমেইল চালাচালি বেচে একজন ব্লগারকে কতো আর ওপরে তোলা যায়!
■ ব্যক্তি আক্রমণ যার ব্লগিংয়ের প্রধান সম্বল, বাংলা ব্লগমণ্ডলে এ যাবতকালের সবচেয়ে বড়ো মিথ্যাচার ও কেলেঙ্কারির জন্ম দেওয়া সদা পোঁদকাতর সেই হিমুও সেরা ব্লগারের তালিকায় আসতে পারে?
■ বিডিনিউজ ব্লগে আইরিন সুলতানার যে ব্লগ সেটার বয়স একমাস মাত্র। ৩০ দিন ব্লগিং করেও বর্ষসেরার তালিকায় ঢোকা সম্ভব? এর চেয়ে বরং আইরিনের সামহোয়্যারের ব্লগটি অনেক সমৃদ্ধ। তবে এরপরও ভোট দিলে সম্ভবত তাকেই দেব, কারণ আইরিন প্রকৃতই একজন ব্লগার।
■ শহীদলিপি নামের একটি কি-বোর্ড লেআউটের নির্মাতা ব্লগার হিসেবে কেন অনন্য, তার পুরো ব্লগ ঘেঁটেও বুঝলাম না। এটাও বিচারক রেজওয়ানের কোটাবাজির নিকৃষ্ট উদাহরণ।
■ সেরা ব্লগ হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া ব্লগস্পট-ওয়ার্ডপ্রেসভিত্তিক ব্লগগুলো নিতান্তই গরিবি ব্লগ, এরকম একেকটা ব্লগ জন্ম থেকে মন্তব্য পেয়েছে হয়তো বড়জোর ১০টি। আর তাতে বোঝা যায় পাঠকই নেই ব্লগগুলোর। এবং পুরোটাই ফাজলামি!
■ শুনেছি, 'ভাবমূর্তি মোটাতাজাকরণ প্রকল্পের' আওতায় প্রার্থী আরো ছিলেন অনেকেই। এই সূত্রে মান-অভিমানের ঘটনাও নাকি ঘটেছে আড়ালে। একদিকে সুশান্তের উপর্যুপরি চাপ, অন্যদিকে সচলায়তনের জন্য মিনিমাম তিনটি আসন রাখা জরুরি, আবার ৮০ ভাগ ব্লগারের জায়গা সামহোয়্যারের একেবারে কাউকে না রাখলে খারাপ দেখাচ্ছে। সবমিলিয়ে এক রেজওয়ানের পক্ষে কতোজনের মন আর রক্ষা করা সম্ভব, কতো চাপ আর সামলানো সম্ভব! আরিফ জেবতিক-হিমু-পিয়ালকে একই ক্যাটাগরিতে রাখা দৃষ্টিকটু লাগে বলে বিচারক বেচারা পিয়ালকে সরিয়েছেন সোশ্যাল অ্যাকটিভিজম ক্যাম্পেইন ক্যাটাগরিতে।
■ মজার কাণ্ডটা ঘটেছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার ক্যাটাগরিতে। সেখানে মনোনয়ন পেয়েছে জনৈক আবু সুফিয়ানের ব্লগ। ইনি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ছাপা হওয়া তার ৬-৭টি রিপোর্টের ব্যাকআপ রেখেছিলেন ব্লগস্পটের মাগনা জায়গায়। পড়ে মনে হল, রিপোর্ট নয়, থানায় জমা পড়া কোনো খুনের মামলার এজাহার পড়ছি। রেজওয়ান আবার সেটাকে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে ধরে একেবারে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার ক্যাটাগরিতে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। এই যদি হয় অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার নমুনা, তাহলে আমাদের কোম্পানিগঞ্জের মজনু আর সাইফুল্যাহ কামরুলের কমপক্ষে ১০বার রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার পুরস্কার পাওয়া উচিত!
ভোট নিয়ে নজিরবিহীন কাণ্ড
২৪ ঘন্টা পর পর একই ব্যক্তি একাধিক ভোট দিতে পারবেন- আমি এটাকে বাগই মনে করেছি শুরুতে। কিন্তু পরে দেখলাম ডয়েচে ভেলে কর্তৃপক্ষ
ঢোল বাজিয়ে অফিসিয়ালিই এই জাল ভোটের জন্য সবাইকে অনুপ্রাণিত করছে। শুনছি ফেসবুক-টুইটারে বাণ্ডেল হিসেবে একাউন্ট খোলা হচ্ছে, দিনে দুবার সেগুলো থেকে জালভোট চলছে। তার চেয়েও উদ্বেগজনক তথ্য হচ্ছে, একটি ব্লগের কর্তৃপক্ষীয় উদ্যোগে বিশেষ বিশেষ প্রার্থীর পক্ষে সংঘবদ্ধভাবে ভোট দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ নির্বাচনে কারচুপি যেমন লক্ষণ দেখে বোঝা যায়, অনলাইন ভোটেও সেরকম লক্ষণ দেখে জালিয়াতির বিষয়গুলো বুঝে নেওয়া যায় সহজেই। লক্ষ্য করার বিষয় হচ্ছে প্রায় পাঠকবিহীন আমারব্লগের ব্লগাররাই বিভিন্ন বিভাগে শীর্ষে অবস্থান করছে। এটা রীতিমতো অলৌকিক ঘটনা। যেমন ধরা যাক, আরিফ জেবতিক গত অন্তত দু বছরে ব্লগে তেমন একটা সক্রিয় নন, সামান্য যা কিছু লিখেন, তাও তুলনামূলক পাঠকবিহীন একটি ব্লগে। তাহলে তার এতো ভোট আসছে কোত্থেকে? প্রতিদিনই দেখছি, গায়েবী ভোট পড়ছে তো পড়ছেই। খুব তীক্ষ্ম চোখে লক্ষ্য করেছি, ভোট গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই একটি বিশেষ প্যাটার্নে আরিফ জেবতিক, অমি রহমান পিয়াল এবং সাবরিনার ব্লগটিতে ভোট দেওয়া হচ্ছে - কম নয়, বেশিও নয়, প্রতিদিনই প্রায় একটি নির্দিষ্ট হারে। এই কারসাজি ঢাকতে একইসঙ্গে অস্বাভাবিক হারে ভোট দেওয়া হচ্ছে আবু সুফিয়ান এবং পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ব্লগসহ আরো দু একটিতে। প্রতিবন্ধী ব্লগার সাবরিনার জন্য খারাপ লাগে, বেচারী কিছু অসৎ লোকের পাল্লায় পড়ে গেছেন।
মেশিনের পাকা কাজ
প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগে শীর্ষস্থানে থাকা ব্লগ ও প্রাপ্ত ভোটের (শতকরা হারে) প্যাটার্নটা একবার মিলিয়ে দেখুন। মেশিনের পাকা কাজ, কোনোরূপ নড়চড় চলিবে না!
■ আরিফ জেবতিকের ব্লগ - ৪১% ভোট
■ আদিবাসী বাংলা ব্লগ - ৪১% ভোট
■ সাবরিনা’র ব্লগ - ৪০% ভোট
■ আবু সুফিয়ান’এর ব্লগ - ৪০% ভোট
■ অমিপিয়াল’এর ব্লগ - ৩৮% ভোট
ওদিকে অভ্রের নির্মাতা মেহদী হাসান খানের ব্লগের লিংক সচলায়তনের বলে বেচারা আমারব্লগের অটো ভোটিং মেশিনের সহায়তা পাচ্ছে না দুঃখজনকভাবে। তার প্রাপ্ত ভোট ৩৪% মাত্র। অথচ মেহদীর সর্বদলীয় একটি গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, ভালো ভোটই তার পাওয়ার কথা। এদিকে সামহোয়্যারের ব্লগারদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ইমন জুবায়েরের ব্লগে ভোটের হার ক্রমেই কমছে। আজকে একধাপ নেমে এখন ১৯%-এ এসে পৌঁছেছে।
অথচ ফেসবুক জরিপেই করুণ দশা
দু-তিনদিন আগে ফেসবুকে এক ব্লগারের পরিচালিত একটি জরিপ খুঁজে পেলাম। আমারব্লগের ভোটিং মেশিন চালু হওয়ার আগেই এক হিমু (৪৬ ভোট) ছাড়া বিখ্যাত ব্লগারদের করুণ হাল দেখে নিন একনজর- আরিফ জেবতিক : ১৫ ভোট, অমি রহমান পিয়াল : ৯ ভোট, ইমন জুবায়ের : ১১ ভোট, শওকত হোসেন মাসুম : ৪ ভোট, আলী মাহমেদ : ২ ভোট, রেজওয়ান : ১ ভোট।
জালিয়াতির সবগুলো পথ খোলা
হিসেব করে দেখেছি, একটি ফেসবুক কিংবা টুইটার একাউন্ট থেকে সবমিলিয়ে ৮৪টি ভোট দেওয়া যাবে ডয়েচে ভেলের নিয়ম অনুসারে। টুইটার-ফেসবুকে মাত্র ১০০টি একাউন্ট (এটা খোলার মতো সহজ কাজ দুনিয়ায় আর কিছু নেই) খুললে সাড়ে আট হাজার ভোট দেওয়া যাবে অটোমেটেড সফটওয়্যার কিংবা স্ক্রিপ্ট ছাড়াই। একজন ধূর্ত প্রার্থীর পক্ষে ১০০টি ফেসবুক ও টুইটার একাউন্ট বানিয়ে দিনে দুবার লগইন করে নিজেই নিজেকে ভোট দেওয়া জলবৎ তরলং ব্যাপার। ভাবছেন এতোগুলো ফেসবুক-টুইটার একাউন্ট খোলা কি সহজ কথা? হ্যাঁ, সহজই।
স্ক্রিপ্ট চালিয়ে হাজারে হাজারে ভোট দেওয়া এমন কোনো জটিল কাজ নয়। ফেসবুকে যেমন নয়, তেমনি কঠিন নয় গণহারে জিমেইল একাউন্ট কিংবা শত শত ফেসবুক একাউন্ট তৈরি করা। চলমান প্রতিযোগিতায় ভোট জালিয়াতির এক অবিশ্বাস্য কাহিনী উঠে এসেছে ব্লগার তর্পণের অসাধারণ অনুসন্ধানে। পড়ুন প্রথম পর্ব ও দ্বিতীয় পর্ব।
এবার তুলনা দেই একটু
বেস্ট সোশ্যাল অ্যাকটিভিজম ক্যাম্পেইন বিভাগে অমি রহমান পিয়াল ৩৭% ভোট নিয়ে শীর্ষে। ২৭% ভোট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে একটি স্প্যানিশ ব্লগ। রুশ ব্লগ তৃতীয়। স্প্যানিশভাষী ইন্টারনেট ইউজারের যে ভয়াবহ সংখ্যা, তার ০.১ ভাগও যদি ব্লগ প্রতিযোগিতায় ভোট দিতে আসে, তাহলে বাংলা ব্লগ তলানিতে গিয়ে পড়ার কথা। শুধুমাত্র স্পেনেই ব্লগারের সংখ্যা কমপক্ষে তিন মিলিয়ন। আর যে দেশে মোট জনসংখ্যার ৪২ ভাগই ইন্টারনেট ব্যবহার করে, সেই রাশিয়ার অতি ক্ষুদ্র অংশও যদি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে, দুনিয়ার সমস্ত বাংলাভাষী ইন্টারনেট ইউজার তাদের সর্বশক্তি ব্যয় করেও পেরে ওঠার কথা নয়। যেমনটি দেখা গেছে সপ্তাশ্চর্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে। পুরো বাংলাদেশ প্রাণান্ত চেষ্টা করেও কক্সবাজারকে মূল তালিকাতেই তুলতে পারেনি, সুন্দরবন এখনো ধুঁকছে তালিকার নিম্নভাগে। তাহলে ঘাপলাটা কোথায়? অন্য দেশের ব্লগারদের কি আগ্রহ নেই এই প্রতিযোগিতা নিয়ে, নাকি বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়ে গেছে অলৌকিক উপায়ে?
আবার দেখুন হিউম্যান রাইটস ক্যাটাগরিতে সন্তু লারমার পার্বত্য জনসংহতি সমিতির আনঅফিসিয়াল ব্লগ ৪৭% ভোট পেয়ে শীর্ষে। দ্বিতীয় স্থানে আছে একটি পর্তুগিজ ব্লগ, ১৯% ভোট নিয়ে। অথচ পর্তুগালে ইন্টারনেট ইউজারের
অবস্থা দেখুন।ওদিকে সেরা ব্লগ বিভাগে ৪০% ভোট নিয়ে সাবরিনার ব্লগ শীর্ষে আছে, ২২% ভোট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে একটি অ্যারাবিক ব্লগ। আরবীভাষীদের অবস্থাও দেখুন একনজর। বিপরীতে বাংলাদেশের ইন্টারনেট পরিস্থিতি দেখুন, ব্লগারের হিসাব আশা করি না নিলেও চলবে। সুতরাং সেই একই প্রশ্ন আবারও- এতো ভোট আসছে কোত্থেকে? আকাশের ওপর থেকে নয় তো?
ভোট জালিয়াতির বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত চাই দ্রুত
ডয়চে ভেলের চলমান প্রতিযোগিতায় ভোট জালিয়াতির ঘটনা যে ঘটছে, এ নিয়ে এখন কারোরই সন্দেহ নেই। হাস্যকর হয়ে ওঠা এই প্রতিযোগিতা বয়কটের আহ্বানও জানাচ্ছেন অনেক ব্লগার। আমরা চাই, ডয়চে ভেলে কর্তৃপক্ষ ভোট জালিয়াতির ঘটনা অবিলম্বে তদন্ত করে দেখবে। যেসব ব্লগে অবিশ্বাস্য ভোট পড়েছে, সেগুলোকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে প্রাপ্ত ভোটগুলোর প্যাটার্ন ও অন্যান্য আলামত শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দ্রুত এই তদন্ত শেষ করে মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রতারক ব্লগারদের চিহ্নিত করা হলে ডয়চে ভেলের ভাবমূর্তিই বাড়বে।
সংযুক্তি
■ ইমন জুবায়েরের জন্য ভোট চেয়ে স্টিকি পোস্ট, ববস্ বেস্ট ব্লগার...
■ আসমানী ভোটে বিজয়ীতব্য ব্লগশ্রেষ্ঠ, ব্লগউত্তম, ব্লগপ্রতীকদের অগ্রীম শুভেচ্ছা
প্রথম প্রকাশ
আরাফাতুল ইসলাম প্রতি বছর বায়বীয় সব রিপোর্ট উৎপাদন করে ঘাম ঝরালেও ডয়েচে ভেলে ব্লগ পুরস্কার নিয়ে কখনোই আমার তেমন আগ্রহ ছিল না। তার প্রধান কারণ পুরস্কার পেলেও আমি নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি নই। সুতরাং যাওয়াও হবে না। এই প্রতিযোগিতা নিয়ে অন্য কোনো দেশেও ব্লগারদের মাথাব্যথা আছে বলে মনে হয় না। তবু গতবার তৃতীয় সেরা ব্লগার হয়েছিলাম পাঠকের ভোটে। সপ্তাহখানেকের জন্য জার্মানি ভ্রমণ ছাড়া এর আর কোনো প্রাপ্তি আছে বলে আমার জানা নেই। তবে কিছু পরিবর্তন নিশ্চয়ই আসে। যেমন গতবারের বিজয়ী আলী মাহমেদ ভালোই লিখতেন আগে, ডয়েচে ভেলের পুরস্কার জিতে আসার পর তিনি হয়ে উঠেছেন ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) অনলাইন ভার্সন। স্কুল-টিস্কুল করছেন শুনলাম, এতোদিনে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের দিকেও হয়তো ঝুঁকে থাকবেন। ঘটনা হল, চলতি বছর ওই জিনিস আবার শুরু হয়েছে। সেটা নিয়ে ঘটছে মজার মজার কাণ্ড।
প্রতিযোগিতায় কোটা প্রথা
সেরা লেখক, সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী বা এরকম সেরা কোনো কিছুর পুরস্কার কি গ্রামের বাড়ি বা জেলা বা গোত্র দেখে দেওয়া হয়? না। সেরা ব্লগার এক ব্লগ থেকে ১০ জনও হতে পারেন, আবার একজনও হতে পারেন, এমনকি কেউই নাও হতে পারেন - মানটাই সর্বাগ্রে। কিন্তু ডয়েচে ভেলে বাংলা বিভাগ এবার রেজওয়ানকে সামনে রেখে কোটাভিত্তিতে ব্লগার মনোনয়ন দিয়ে নজিরবিহীন এক কাণ্ড ঘটাল। অনলাইন কোটাবাজিতে নিশ্চিতভাবেই এটা হয়ে থাকবে রেকর্ড। নামে 'সেরা ব্লগার নির্বাচন', কিন্তু আদতে পুরো মনোনয়নটা দেখে মনে হল ডয়েচে ভেলের উদ্যোগে বিভিন্ন পেশার ব্যক্তি নিয়ে একটি বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের কমিটি অথবা গ্রাম পঞ্চায়েৎ গঠিত হয়েছে। এই কোটা বা গোত্রভিত্তিক মনোনয়নটা দেখা যাক একনজর-
আমারব্লগ কোটা : অমি রহমান পিয়াল, আরিফ জেবতিক, সাবরিনা।
ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কোটা : সাইফ শহীদ।
আমরাবন্ধু কোটা : শওকত হোসেন মাসুম।
সামহোয়্যারইন ব্লগ কোটা : ইমন জুবায়ের।
সচলায়তন কোটা : হিমু, মেহদী হাসান খান।
ব্যক্তিগত ব্লগ কোটা : হরপ্পা, তানবীরা এবং অন্যান্য।
পার্বত্য চট্টগ্রাম কোটা : আদিবাসী ব্লগ।
এবং এই প্রথম কলিকাতা কোটা : বিবর্ণ কবিতা, দিগন্ত।
এই কোটাবাজি হালাল করতে নিরীহ নির্বিরোধ কয়েকজনকে তালিকায় ঢোকানো জরুরি ছিল। ফলে এক চিপা, যেখানে শীত-গ্রীষ্ম-ঝড়-ঝঞ্ঝায় সবসময়ই মাত্র তিনজন ব্লগার (একজন জামাল ভাস্কর) অনলাইনে থাকেন, সেখান থেকে ধরে আনা হল প্রিয় ব্লগার শওকত হোসেন মাসুমকে। তবে ভাবমূর্তি মোটাতাজাকরণ প্রকল্পের আওতায় মনোনয়ন পেয়েছেন তিন ব্যক্তি এবং একটি ব্লগসাইট-
১. অমি রহমান পিয়াল : একটি পর্নো সাইটের সঙ্গে জড়িয়ে ব্লগ থেকে প্রায় নির্বাসিত।
২. হিমু : মুসা ইব্রাহিমকে নিয়ে ব্লগমণ্ডলের সবচেয়ে জঘন্য মিথ্যাচার এবং পরে ক্ষমাপ্রার্থনার পর ভাবমূর্তি সংকট।
৩. আরিফ জেবতিক : ব্লগ থেকে স্বেচ্ছানির্বাসিত হয়ে ফেসবুকের ওয়ালে আশ্রয় গ্রহণ। ব্লগার হিসেবে তারও ভাবমূর্তি সংকট চরমে।
৪. আমারব্লগ : প্রায় ব্লগারশূন্য এই পাঠকবিহীন ব্লগটি ধুঁকছে জন্ম থেকেই। সম্ভবত তাদের ধারণা জন্মেছে ডয়েচে ভেলে ব্লগ পুরস্কারকে আশ্রয় করে ব্লগটি প্রাণ ফিরে পেতে পারে। মনোনয়নপ্রাপ্ত আরিফ জেবতিক ও অমি রহমান পিয়াল আবার এই ব্লগের পরিচালনামণ্ডলীর সক্রিয় সদস্য।
ব্লগ বিচারক এই প্রতিভাবানটি কে?
রেজওয়ান এবার ডয়েচে ভেলে ব্লগ পুরস্কারে বাংলা বিভাগের একমাত্র বিচারক। তিনি মূলত অনুবাদকই, ব্লগার হিসেবে ধরলে মাঝারি মানের। তার মহিমা গাইতে গিয়ে থার্ড ওয়ার্ল্ড ভিউ নামের যে ব্লগের কথা প্রায়ই উচ্চস্বরে প্রচার করা হয়, সেটাও ওই অনুবাদ ব্লগই। উদ্ধৃতি ব্লগও বলা যেতে পারে, দশটার মধ্যে নয়টা লেখাই পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে শুরু পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে শেষ। সবচেয়ে বড়ো কথা, বাংলাতে যার মানসম্পন্ন লেখালেখি নেই, সেই তিনি এবার বাংলা ভাষার যাবতীয় ব্লগের বিচারকের দায়িত্ব পেয়েছেন ডয়েচে ভেলে বাংলা সেকশানের অনুগ্রহে।
প্রশ্ন হচ্ছে, রেজওয়ান সেখানে আচমকা বিচারকের আসনে বসলেন কী করে? সাড়ে পাঁচ বছরে বাংলা ব্লগে যার পাঠকসংখ্যা নিতান্তই নগণ্য, সাদামাটা এক ইংরেজি ব্লগ নিয়ে যিনি প্রায় বনবাসে আছেন, সেই লোক কোন্ পথেই বা সাঁই ডয়েচে বাবার দর্শন পেলেন? উত্তরটা জানা যাক রেজওয়ানের নিজের মুখেই-

তার বাবা নজরুল ইসলাম ডয়েচে ভেলেতে কর্মরত ছিলেন এককালে। সেই সূত্রে বাংলা বিভাগ তার চাচা সম্পর্কীয়। সুতরাং হিসেব অনুযায়ী রেজওয়ান হলেন ডয়েচে ভেলে বাংলা বিভাগের ভাইপো। বাইরে নানান মহিমা প্রচার করা হলেও বিচারক নিযুক্তির প্রধান যোগ্যতা ওইটাই।
আমরা দেখছি, চাচা-ভাতিজার এই বিচারে প্রাধান্য পেয়েছে কোটাপদ্ধতি, মান নয়। ফলে এটা আদতে বিচার কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন আসে স্বাভাবিকভাবেই। একে শ্রেফ কোটাবাজি বললেও অত্যুক্তি বোধহয় হবে না। রেজওয়ানের সৌজন্যে বরং এর নাম দিতে পারি 'ডয়েচে ভেলে বাংলা কোটাবাজি'। সঙ্গে এই প্রথম যুক্ত হয়েছে দু আঙ্গুল সমপরিমাণ কাঠিবাজি এবং তিন চামচ সামহোয়্যারইন বিদ্বেষ। গত বছর এই রেজওয়ান প্রকাশ্যে সামহোয়্যার থেকে মনোনয়ন পাওয়া ব্লগারদের বিরুদ্ধে কুৎসামূলক প্রচারণা চালিয়েছিলেন অন্য একটি ব্লগে। প্রসঙ্গত, বাইরে অনেক ভানভনিতা দেখবেন, কিন্তু বাংলা ব্লগ সম্পর্কিত সবকিছুরই সর্বেসর্বা মূলত ডয়েচে ভেলে রেডিওর বাংলা শাখা। বিচারক তারাই ঠিক করে, এমনকি ব্লগার নির্বাচনেও তারা স্বল্পমাত্রার ভূমিকা রাখে।
আগামী পর্বে থাকছে -
ব্লগ প্রতিযোগিতায় মনোনয়ন নিয়ে কিছু পর্যবেক্ষণ
প্রতিযোগিতায় কোটা প্রথা
সেরা লেখক, সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী বা এরকম সেরা কোনো কিছুর পুরস্কার কি গ্রামের বাড়ি বা জেলা বা গোত্র দেখে দেওয়া হয়? না। সেরা ব্লগার এক ব্লগ থেকে ১০ জনও হতে পারেন, আবার একজনও হতে পারেন, এমনকি কেউই নাও হতে পারেন - মানটাই সর্বাগ্রে। কিন্তু ডয়েচে ভেলে বাংলা বিভাগ এবার রেজওয়ানকে সামনে রেখে কোটাভিত্তিতে ব্লগার মনোনয়ন দিয়ে নজিরবিহীন এক কাণ্ড ঘটাল। অনলাইন কোটাবাজিতে নিশ্চিতভাবেই এটা হয়ে থাকবে রেকর্ড। নামে 'সেরা ব্লগার নির্বাচন', কিন্তু আদতে পুরো মনোনয়নটা দেখে মনে হল ডয়েচে ভেলের উদ্যোগে বিভিন্ন পেশার ব্যক্তি নিয়ে একটি বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের কমিটি অথবা গ্রাম পঞ্চায়েৎ গঠিত হয়েছে। এই কোটা বা গোত্রভিত্তিক মনোনয়নটা দেখা যাক একনজর-
আমারব্লগ কোটা : অমি রহমান পিয়াল, আরিফ জেবতিক, সাবরিনা।
ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কোটা : সাইফ শহীদ।
আমরাবন্ধু কোটা : শওকত হোসেন মাসুম।
সামহোয়্যারইন ব্লগ কোটা : ইমন জুবায়ের।
সচলায়তন কোটা : হিমু, মেহদী হাসান খান।
ব্যক্তিগত ব্লগ কোটা : হরপ্পা, তানবীরা এবং অন্যান্য।
পার্বত্য চট্টগ্রাম কোটা : আদিবাসী ব্লগ।
এবং এই প্রথম কলিকাতা কোটা : বিবর্ণ কবিতা, দিগন্ত।
এই কোটাবাজি হালাল করতে নিরীহ নির্বিরোধ কয়েকজনকে তালিকায় ঢোকানো জরুরি ছিল। ফলে এক চিপা, যেখানে শীত-গ্রীষ্ম-ঝড়-ঝঞ্ঝায় সবসময়ই মাত্র তিনজন ব্লগার (একজন জামাল ভাস্কর) অনলাইনে থাকেন, সেখান থেকে ধরে আনা হল প্রিয় ব্লগার শওকত হোসেন মাসুমকে। তবে ভাবমূর্তি মোটাতাজাকরণ প্রকল্পের আওতায় মনোনয়ন পেয়েছেন তিন ব্যক্তি এবং একটি ব্লগসাইট-
১. অমি রহমান পিয়াল : একটি পর্নো সাইটের সঙ্গে জড়িয়ে ব্লগ থেকে প্রায় নির্বাসিত।
২. হিমু : মুসা ইব্রাহিমকে নিয়ে ব্লগমণ্ডলের সবচেয়ে জঘন্য মিথ্যাচার এবং পরে ক্ষমাপ্রার্থনার পর ভাবমূর্তি সংকট।
৩. আরিফ জেবতিক : ব্লগ থেকে স্বেচ্ছানির্বাসিত হয়ে ফেসবুকের ওয়ালে আশ্রয় গ্রহণ। ব্লগার হিসেবে তারও ভাবমূর্তি সংকট চরমে।
৪. আমারব্লগ : প্রায় ব্লগারশূন্য এই পাঠকবিহীন ব্লগটি ধুঁকছে জন্ম থেকেই। সম্ভবত তাদের ধারণা জন্মেছে ডয়েচে ভেলে ব্লগ পুরস্কারকে আশ্রয় করে ব্লগটি প্রাণ ফিরে পেতে পারে। মনোনয়নপ্রাপ্ত আরিফ জেবতিক ও অমি রহমান পিয়াল আবার এই ব্লগের পরিচালনামণ্ডলীর সক্রিয় সদস্য।
ব্লগ বিচারক এই প্রতিভাবানটি কে?
রেজওয়ান এবার ডয়েচে ভেলে ব্লগ পুরস্কারে বাংলা বিভাগের একমাত্র বিচারক। তিনি মূলত অনুবাদকই, ব্লগার হিসেবে ধরলে মাঝারি মানের। তার মহিমা গাইতে গিয়ে থার্ড ওয়ার্ল্ড ভিউ নামের যে ব্লগের কথা প্রায়ই উচ্চস্বরে প্রচার করা হয়, সেটাও ওই অনুবাদ ব্লগই। উদ্ধৃতি ব্লগও বলা যেতে পারে, দশটার মধ্যে নয়টা লেখাই পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে শুরু পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে শেষ। সবচেয়ে বড়ো কথা, বাংলাতে যার মানসম্পন্ন লেখালেখি নেই, সেই তিনি এবার বাংলা ভাষার যাবতীয় ব্লগের বিচারকের দায়িত্ব পেয়েছেন ডয়েচে ভেলে বাংলা সেকশানের অনুগ্রহে।
প্রশ্ন হচ্ছে, রেজওয়ান সেখানে আচমকা বিচারকের আসনে বসলেন কী করে? সাড়ে পাঁচ বছরে বাংলা ব্লগে যার পাঠকসংখ্যা নিতান্তই নগণ্য, সাদামাটা এক ইংরেজি ব্লগ নিয়ে যিনি প্রায় বনবাসে আছেন, সেই লোক কোন্ পথেই বা সাঁই ডয়েচে বাবার দর্শন পেলেন? উত্তরটা জানা যাক রেজওয়ানের নিজের মুখেই-

তার বাবা নজরুল ইসলাম ডয়েচে ভেলেতে কর্মরত ছিলেন এককালে। সেই সূত্রে বাংলা বিভাগ তার চাচা সম্পর্কীয়। সুতরাং হিসেব অনুযায়ী রেজওয়ান হলেন ডয়েচে ভেলে বাংলা বিভাগের ভাইপো। বাইরে নানান মহিমা প্রচার করা হলেও বিচারক নিযুক্তির প্রধান যোগ্যতা ওইটাই।
আমরা দেখছি, চাচা-ভাতিজার এই বিচারে প্রাধান্য পেয়েছে কোটাপদ্ধতি, মান নয়। ফলে এটা আদতে বিচার কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন আসে স্বাভাবিকভাবেই। একে শ্রেফ কোটাবাজি বললেও অত্যুক্তি বোধহয় হবে না। রেজওয়ানের সৌজন্যে বরং এর নাম দিতে পারি 'ডয়েচে ভেলে বাংলা কোটাবাজি'। সঙ্গে এই প্রথম যুক্ত হয়েছে দু আঙ্গুল সমপরিমাণ কাঠিবাজি এবং তিন চামচ সামহোয়্যারইন বিদ্বেষ। গত বছর এই রেজওয়ান প্রকাশ্যে সামহোয়্যার থেকে মনোনয়ন পাওয়া ব্লগারদের বিরুদ্ধে কুৎসামূলক প্রচারণা চালিয়েছিলেন অন্য একটি ব্লগে। প্রসঙ্গত, বাইরে অনেক ভানভনিতা দেখবেন, কিন্তু বাংলা ব্লগ সম্পর্কিত সবকিছুরই সর্বেসর্বা মূলত ডয়েচে ভেলে রেডিওর বাংলা শাখা। বিচারক তারাই ঠিক করে, এমনকি ব্লগার নির্বাচনেও তারা স্বল্পমাত্রার ভূমিকা রাখে।
আগামী পর্বে থাকছে -
ব্লগ প্রতিযোগিতায় মনোনয়ন নিয়ে কিছু পর্যবেক্ষণ
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ৩:২০
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৩৪
লেখক বলেছেন: বাংলা ব্লগের মনোনয়ন নিয়ে বিচারক-ভাইপো এবার যে ঘাপলার আশ্রয় নিলেন, অনলাইনে এরকম সচরাচর দেখা যায় না। চূড়ান্ত বিচার কেমন হবে, সেটা অনুমান করে নিতে কষ্ট হয় না।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৫৬
লেখক বলেছেন: সম্ভবত প্রাপ্তবয়স্কের কৌতুকই হবে। তবে ভয়ের কিছু নেই। বলে ফেলেন। কৌতুক শুনে বরং একটু হাসি।
৩. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:২৩
রেজওয়ান মাহবুব তানিম বলেছেন: পুরো জিনিসটাই অর্থহীন । এভাবে ভোটাভুটি করে কোনদিনই মান সম্পন্ন ব্লগারের খোজ পাওয়া সম্ভব না ।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:০৬
লেখক বলেছেন: ডয়েচে ভেলের একটা বাণিজ্যিক স্বার্থ আছে এই প্রতিযোগিতার পেছনে। ভোটাভুটির আগে যে মনোনয়ন পর্ব, সেখানেও এবার বিস্তর ঘাপলা দেখা গেল। ফলে পুরো প্রতিযোগিতাটিই হাস্যকর হয়ে উঠল। এর দায়ভার ডয়চে ভেলের ভাইপো বিচারক রেজওয়ানের। কিছুটা অবশ্য চাচাদের ওপরও বর্তায়।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৩৩
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৩৫
লেখক বলেছেন: সেটাই। অসৎ কিছু মানুষের জন্য দুনিয়ায় আমাদের দাঁড়ানোর জায়গাগুলো সংকুচিত হয়ে আসছে ক্রমশ।
৬. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৩৪
সুপান্থ সুরাহী বলেছেন:
প্রাথমিকভাবে এটি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ছিল আমার ...
দেখতে চাইছিলাম কে হবেন সেরা ব্লগার...
আপনার লেখার পর আগ্রহটা মিইয়ে গেল...
ধন্যবাদ সত্য কথনে...
প্রাথমিকভাবে এটি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ছিল আমার ...
দেখতে চাইছিলাম কে হবেন সেরা ব্লগার...
আপনার লেখার পর আগ্রহটা মিইয়ে গেল...
ধন্যবাদ সত্য কথনে...
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৪২
লেখক বলেছেন: ইতিমধ্যে ডয়চে ভেলের এই প্রতিযোগিতা চূড়ান্ত হাস্যকর হয়ে উঠেছে। ডয়চে ভেলের কর্তৃপক্ষের উচিত এখনই এ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া। তবে সেটা তারা করবেন কিনা সন্দেহ আছে।
দেখবেন এই সত্যকথনে অনেকেই অনেক কথা বলবেন। চোখ রাঙাবেন, হেসে উড়িয়ে দেবেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত সত্যটা বলতেই হবে।
দেখবেন এই সত্যকথনে অনেকেই অনেক কথা বলবেন। চোখ রাঙাবেন, হেসে উড়িয়ে দেবেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত সত্যটা বলতেই হবে।
৭. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৩৫
যেড ফ্রম এ বলেছেন: পুরোটাই গোজামিল মনে হচ্ছে। আমি দু' চার লাইন লিখেছিলাম-
ইমন জুবায়েরের জন্য ভোট চেয়ে স্টিকি পোস্ট, ববস্ বেস্ট ব্লগার, ২৪ ঘন্টার বাংলা নিউজ ব্লগ কলিকাতা ব্লগ আরো কতিপয় সমালোচনা
দৃষ্টি আকর্ষন বিভাগে মাথার ঠিক নিচে ব্রাক ব্যাংকের তলায় ইমন জুবায়ের-কে সেরা ব্লগার নির্বাচনের জন্য ভোট চেয়ে একটা পোস্ট ঝুলিতেছে। সবাই পোস্টে গিয়া আহা উহু করিতেছে, কেউ দিনে সাত-সতেরো ভোট দিয়াছে বলিয়া দাবী করিতেছে। সব মিলাইয়া উৎসব মুখর পরিবেশে বুবসে ভোটের বন্যা বহিয়া যাইতেছে বলিয়া মনে হয়।
কিন্তু একি ইমন জুবায়েরের ভোট ২১% হইতে বাড়িয়া ২২ কি ২৩ হইতেছেনা কেন?!! আর ঐদিকে কলিকাতা ব্লগে ভোটের বান ডাকিয়াছে, বুবস বুঝি উপচাইয়া পরিবে। সাবরিনার ব্লগ মনে প্রানে চাহিতেছি সেরা ব্লগ হোক, তাহার সম্পর্কে যতটুকু জানি তাহাতে তাহার সংগ্রামের মূল্য সে পাক কোন আপত্তি করিবোনা। কিন্তু আপত্তি রহিয়াছে কতিপয় বিষয়ে-
১. ১১ তারিখ পর্যন্ত ভোটিং লাইন ওপেন, ভোট দেওয়া যাইতেছে ফেসবুক ও টুইটার হইতে ২৪ ঘন্টা পরপর। ইহা কি আজব নিয়ম বাপু! ডয়েচে ভেলের এই আজগুবী নিয়ম মোটেও মনঃপুত হইতেছেনা। সাইবার ক্যাফে মালিক সমিতির কেহ থাকিলেই হইলো, তাহার প্রিয় ব্লগার নিঃসন্দেহে সেরা বাংলা ব্লগার হইবে। ১০ টা কম্পিউটার আর শ খানেক ফেসবুক আইডি + শ খানেক টুইটার আইডি নির্বাচন করিবে সেরা ব্লগার। হাসিতে হাসিতে...
২. যাহা হোক দেখিলাম আইরিন সুলতানা মনোনয়ন পাইয়াছেন এবং তিনি বর্তমানে ২য় অবস্থানে আছেন। কিন্তু তাহার যে ব্লগ খানা মনোনয়ন পাইয়াছে তাহা কতটুকু সেরা ব্লগ হইবার যোগ্য সেই প্রশ্ন আমার থাকিয়া যায়। আইরিন সুলতানা ১০০ তে ৮০ পাইবার মত ভালো ব্লগার। কিন্তু ২৪ ঘন্টার বাংলা নিউজ হইতে তাহার মনোনয়নে আমি অবাক হইয়াছি। আরে বাপু ব্লগটাইতো বেটা হইতে উঠিয়া দাঁড়াইলো সেইদিন মাত্র, এখনি উহা সেরা ব্লগার উপহার দিবে কি করিয়া, বা দিতেছে কি করিয়া!!!
সব মিলাইয়া ভিষন গোঁজামিলে পরিয়া হাবুডুবু খাইতেছি, কি আর করা!!
ডয়েচে ভেলে সেরা ব্লগ প্রতিযোগিতায় তিনটি ক্যাটাগরীতে বিজয়ী তিনজন ব্লগারকে অভিনন্দন জানাই
মোটামুটি আমি শতভাগ নিশ্চিৎ তিন ক্যাটাগরীতে সেরা ব্লগার কারা হচ্ছেন। এ বিষয়ে পূর্বানুমানের কিছু কারণ আগের পোস্টে উল্লেখ করেছি। http://www.somewhereinblog.net/blog/zedfroma ফেসবুক আইডি, টুইটার অ্যাকাউন্ট, সাইবার ক্যাফে, ল্যাপটপ ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ এবারের প্রতিযোতার ফলাফল নির্ধারনের মূল নিয়ামক তাতে কোন সন্দেহ নেই।
সেরা ব্লগার, সেরা বাংলা ব্লগ আর সামাজিক ক্যাম্পেইন এই তিন বিভাগে বিজয়ীদের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানানোর লোভটা সামলাতে পারছিনা। তবে প্রতিযোগিতার এই ফর্মেট কোন আহাম্মকের মাথা থেকে বের হয়েছে তা জানতে খুব ইচ্ছা হচ্ছে।
ইমন জুবায়েরের জন্য ভোট চেয়ে স্টিকি পোস্ট, ববস্ বেস্ট ব্লগার, ২৪ ঘন্টার বাংলা নিউজ ব্লগ কলিকাতা ব্লগ আরো কতিপয় সমালোচনা
দৃষ্টি আকর্ষন বিভাগে মাথার ঠিক নিচে ব্রাক ব্যাংকের তলায় ইমন জুবায়ের-কে সেরা ব্লগার নির্বাচনের জন্য ভোট চেয়ে একটা পোস্ট ঝুলিতেছে। সবাই পোস্টে গিয়া আহা উহু করিতেছে, কেউ দিনে সাত-সতেরো ভোট দিয়াছে বলিয়া দাবী করিতেছে। সব মিলাইয়া উৎসব মুখর পরিবেশে বুবসে ভোটের বন্যা বহিয়া যাইতেছে বলিয়া মনে হয়।
কিন্তু একি ইমন জুবায়েরের ভোট ২১% হইতে বাড়িয়া ২২ কি ২৩ হইতেছেনা কেন?!! আর ঐদিকে কলিকাতা ব্লগে ভোটের বান ডাকিয়াছে, বুবস বুঝি উপচাইয়া পরিবে। সাবরিনার ব্লগ মনে প্রানে চাহিতেছি সেরা ব্লগ হোক, তাহার সম্পর্কে যতটুকু জানি তাহাতে তাহার সংগ্রামের মূল্য সে পাক কোন আপত্তি করিবোনা। কিন্তু আপত্তি রহিয়াছে কতিপয় বিষয়ে-
১. ১১ তারিখ পর্যন্ত ভোটিং লাইন ওপেন, ভোট দেওয়া যাইতেছে ফেসবুক ও টুইটার হইতে ২৪ ঘন্টা পরপর। ইহা কি আজব নিয়ম বাপু! ডয়েচে ভেলের এই আজগুবী নিয়ম মোটেও মনঃপুত হইতেছেনা। সাইবার ক্যাফে মালিক সমিতির কেহ থাকিলেই হইলো, তাহার প্রিয় ব্লগার নিঃসন্দেহে সেরা বাংলা ব্লগার হইবে। ১০ টা কম্পিউটার আর শ খানেক ফেসবুক আইডি + শ খানেক টুইটার আইডি নির্বাচন করিবে সেরা ব্লগার। হাসিতে হাসিতে...
২. যাহা হোক দেখিলাম আইরিন সুলতানা মনোনয়ন পাইয়াছেন এবং তিনি বর্তমানে ২য় অবস্থানে আছেন। কিন্তু তাহার যে ব্লগ খানা মনোনয়ন পাইয়াছে তাহা কতটুকু সেরা ব্লগ হইবার যোগ্য সেই প্রশ্ন আমার থাকিয়া যায়। আইরিন সুলতানা ১০০ তে ৮০ পাইবার মত ভালো ব্লগার। কিন্তু ২৪ ঘন্টার বাংলা নিউজ হইতে তাহার মনোনয়নে আমি অবাক হইয়াছি। আরে বাপু ব্লগটাইতো বেটা হইতে উঠিয়া দাঁড়াইলো সেইদিন মাত্র, এখনি উহা সেরা ব্লগার উপহার দিবে কি করিয়া, বা দিতেছে কি করিয়া!!!
সব মিলাইয়া ভিষন গোঁজামিলে পরিয়া হাবুডুবু খাইতেছি, কি আর করা!!
ডয়েচে ভেলে সেরা ব্লগ প্রতিযোগিতায় তিনটি ক্যাটাগরীতে বিজয়ী তিনজন ব্লগারকে অভিনন্দন জানাই
মোটামুটি আমি শতভাগ নিশ্চিৎ তিন ক্যাটাগরীতে সেরা ব্লগার কারা হচ্ছেন। এ বিষয়ে পূর্বানুমানের কিছু কারণ আগের পোস্টে উল্লেখ করেছি। http://www.somewhereinblog.net/blog/zedfroma ফেসবুক আইডি, টুইটার অ্যাকাউন্ট, সাইবার ক্যাফে, ল্যাপটপ ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ এবারের প্রতিযোতার ফলাফল নির্ধারনের মূল নিয়ামক তাতে কোন সন্দেহ নেই।
সেরা ব্লগার, সেরা বাংলা ব্লগ আর সামাজিক ক্যাম্পেইন এই তিন বিভাগে বিজয়ীদের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানানোর লোভটা সামলাতে পারছিনা। তবে প্রতিযোগিতার এই ফর্মেট কোন আহাম্মকের মাথা থেকে বের হয়েছে তা জানতে খুব ইচ্ছা হচ্ছে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৪৫
লেখক বলেছেন: আপনার লেখাটা আমি আগেই পড়েছি। গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ আপনার। আগামী সংখ্যায় সংযুক্তি হিসেবে ওই লেখার লিংকটি রাখবো।
৮. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৩৫
কবির চৌধুরী বলেছেন: এই কদিনে ইমন জুবায়ের কে ভোট দিতে যেয়ে বিষয়টা নিজেই আঁচ করতে পেরেছি। হতাশ হলাম।
কবির চৌধুরী বলেছেন: এই কদিনে ইমন জুবায়ের কে ভোট দিতে যেয়ে বিষয়টা নিজেই আঁচ করতে পেরেছি। হতাশ হলাম। ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৪৭
লেখক বলেছেন: ইমন জুবায়েরের জন্য সামহোয়্যারে আপনারা যারা ভোট প্রার্থনা করছেন, তারা শেষপর্যন্ত হতাশই হবেন। পুরো সামহোয়্যারের ৪০ হাজার ব্লগার ঝাঁপিয়ে পড়লেও পূর্বনির্ধারিত কাঁটা নড়াতে পারবেন না বোধহয়, যদি না ডয়চে ভেলে কর্তৃপক্ষ এখনই ত্বরিৎ ব্যবস্থা নেয়।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৫২
লেখক বলেছেন: আর সঙ্গে থাকুক একটি ডায়েট পেপসি!
১০. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৪০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: এই প্রতিযোগিতার এবারের আসরের কয়েকটা বিষয় নিয়ে আমার কিছু অবজার্ভেশন রয়েছে।
১. সেরা ব্লগ নির্বাচনে কোটা পদ্ধতি মোটেও ভালো লাগেনি।
২. প্রতিদিন ১ বার করে ভোট দেওয়ার বিষয়টাও পছন্দ হয়নি।
একরামুল হক শামীম বলেছেন: এই প্রতিযোগিতার এবারের আসরের কয়েকটা বিষয় নিয়ে আমার কিছু অবজার্ভেশন রয়েছে। ১. সেরা ব্লগ নির্বাচনে কোটা পদ্ধতি মোটেও ভালো লাগেনি।
২. প্রতিদিন ১ বার করে ভোট দেওয়ার বিষয়টাও পছন্দ হয়নি।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৫৬
লেখক বলেছেন: আসলে রেজওয়ান বাংলা ব্লগমণ্ডলের সবাইকে খুশি করতে চেয়েছেন একটু একটু মনোনয়নের প্রসাদ বিতরণ করে। ফলে কোটাবাজি ছাড়া তার উপায়ও ছিল না।
প্রতিদিন একবার নয়, বৈধভাবে দুবার করে ভোট দেওয়া যাচ্ছে ডয়চে ভেলের নীতিমালা অনুযায়ী। সেটা আবার ডয়চে ভেলে অফিসিয়ালি প্রচারও করছে ঢাকঢোল পিটিয়ে।
প্রতিদিন একবার নয়, বৈধভাবে দুবার করে ভোট দেওয়া যাচ্ছে ডয়চে ভেলের নীতিমালা অনুযায়ী। সেটা আবার ডয়চে ভেলে অফিসিয়ালি প্রচারও করছে ঢাকঢোল পিটিয়ে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:২০
লেখক বলেছেন: ভোটিং সিস্টেম জঘন্য তো বটেই। কারচুপির পথটা ডয়চে ভেলে কর্তৃপক্ষ ইচ্ছে করেই খোলা রেখেছে। কিন্তু মূল ঘটনা সেটা নয়। ভোটাভুটি শুরু হওয়ার একঘন্টার মধ্যেই একজন বিশেষ ব্লগারের পক্ষে ভোট পড়েছে ৩০%। এবার চিন্তা করুন, এর বিপরীতে কী অসাধ্য সাধন করতে আপনারা খামোখা শ্রম দিচ্ছেন!
১২. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৪২
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:২২
লেখক বলেছেন: সস কি লাগবে? 
১৩. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:০৬
অ্যাডলফ বলেছেন: ফিফা ভাই, আপনাকে আমি অন্য একটা বিষয় নিয়ে একটু অনুরোধ করবো।আপনি প্লিজ লিবিয়ার সর্বশেষ পরিস্হিতি নিয়ে একটি তথ্যবহুল, যৌক্তিক পোষ্ট দেন।
আপনার পূর্বের পোষ্ট অসাধারণ লেগেছে।
অ্যাডলফ বলেছেন: ফিফা ভাই, আপনাকে আমি অন্য একটা বিষয় নিয়ে একটু অনুরোধ করবো।আপনি প্লিজ লিবিয়ার সর্বশেষ পরিস্হিতি নিয়ে একটি তথ্যবহুল, যৌক্তিক পোষ্ট দেন।আপনার পূর্বের পোষ্ট অসাধারণ লেগেছে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:২৫
লেখক বলেছেন: লিবিয়ার প্রতিদিনের পরিস্থিতির ওপর গভীর মনোযোগে নজর রাখছি। তবে এ নিয়ে ব্লগারদের আগ্রহ কম। আপনার আগ্রহ দেখে তাই অবাক হলাম। তবু দেখা যাক। ধন্যবাদ।
১৪. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:১৪
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: প্রধান সমস্যা হল একই নিক থেকে একাধিকবার ভোট দেওয়া্। ওরা কি জানে না আমরা কি চিজ?
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: প্রধান সমস্যা হল একই নিক থেকে একাধিকবার ভোট দেওয়া্। ওরা কি জানে না আমরা কি চিজ? ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৩২
লেখক বলেছেন: ডয়েচে ভেলে কর্তৃপক্ষ যেখানে
ঢোল বাজিয়ে অফিসিয়ালিই এই জাল ভোটের জন্য সবাইকে অনুপ্রাণিত করছে, সেখানে বরং বলতে হয় ওরাই বা কী চিজ!
ঢোল বাজিয়ে অফিসিয়ালিই এই জাল ভোটের জন্য সবাইকে অনুপ্রাণিত করছে, সেখানে বরং বলতে হয় ওরাই বা কী চিজ!
১৫. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:২৫
বিষদেব বলেছেন: এটা অন্য কেউ লেখলে বোধহয় এত হাসি পেত না যতটা ফিফা লেখায় পাচ্ছে। পিঠ চুলকাচুলকি সংস্কৃতিতে ফিফার একাকিত্ব কি এতই অসহনীয় যে হাতটা কানের পিছ দিয়ে ঘুরিয়ে নিজের পিঠ চুলকানোর কষ্টও সহ্য করছেন? কোটাবাজিতে আপনার ভাইপো শ্রেণীর কারো নাম উঠে আসে নি নিশ্চিত হলাম তাহলে।
বিষদেব বলেছেন: এটা অন্য কেউ লেখলে বোধহয় এত হাসি পেত না যতটা ফিফা লেখায় পাচ্ছে। পিঠ চুলকাচুলকি সংস্কৃতিতে ফিফার একাকিত্ব কি এতই অসহনীয় যে হাতটা কানের পিছ দিয়ে ঘুরিয়ে নিজের পিঠ চুলকানোর কষ্টও সহ্য করছেন? কোটাবাজিতে আপনার ভাইপো শ্রেণীর কারো নাম উঠে আসে নি নিশ্চিত হলাম তাহলে। ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৩৪
লেখক বলেছেন: মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। যে কোনো অবস্থায় আপনার মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে চাই।
১৬. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:৪২
বিষদেব বলেছেন: আমরাবন্ধু কোটা : শওকত হোসেন মাসুম।
এইটাতে আপনার পর্যবেক্ষনকে স্বাগত জানাচ্ছি, সারাদিনে মোটমাট ৩ জন অনলাইন ব্লগার যাদের হারিকেন দিয়ে খুঁজলে মিনিট দুয়েক লগইন দেখা যায় আর গোটা চারেক ভিজিটর- লেখকও আবার রিপ ভ্যান উইঙ্কেল- তিনি কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন ব্লগের নাম জাতে তুলতে সেটাই তো যথেষ্ট নয় কি?.........নিঃসন্দেহে।

সামহোয়্যারইন ব্লগ কোটা : ইমন জুবায়ের।
ভাইপো শ্রেণী হিসেবে একে আপনার নিকটাত্মীয় বলে সন্দেহ করছিলাম, কি করব- আপনার মৌনতাই দায়ী। দুয়েক লাইন বলবেন দয়া করে, হোক না কিছু পিঠ চুলকাচুলকি?
টাইগার বামটা না হয় স্টিকি পোস্ট থেকেই কিছু ধার করে আনুন।
সচলায়তন কোটা : হিমু।
আপনি যে বিষয়ে দ্বিমত করছেন সেটায় আপনি সামান্য পরিমান জড়িত থাকার কারনেই অন্য বিষয় গুলো টেনে এনে অন্যদের সমতায় আনার জন্য অসঙ্গত মনে করেছেন। যে বাড়ীওয়ালা স্থানীয় মুরুব্বী ব্লগারটি সচলায়তন নামক লেখক ফোরামে (!) বসে দিব্যি 'পিতা মাতা ও তৎ সম্বন্ধনীয় লোকদের' সাথে কুকুর বেড়ালের অবৈধ সংগম প্রস্তাব ব্লগে লিখে বেড়ান এর নাম কিভাবে নির্বাচিত হয়? যে মডারেশন (হাসতে হাসতে মরি) ব্যবস্থার আরোপে রাসেল পারভেজ, মামুন ও অন্যান্য আরো ব্লগারদের কলম বন্ধ করে দেওয়া হয়, সেটার উপর লুঙ্গি তুলে মাহবুব আজাদরা লাঠালাঠি করে বঙ্গভাষার শ্রী বৃদ্ধি করছেন তিনি ডয়েচে বালে (কপিরাইটঃ আইজু) লেখক ফোরামটির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন..... কিছু নিম্ন মানের চুলকানি পোস্টসমৃদ্ধ ব্লগ বাংলা ব্লগ প্রতিযোগীতায় নামতে পারে ....ক্ষমা করো ভগবান
রেজওয়ান সম্ভবত আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড নন, অন্তত সেখান থেকেই আরো দুয়েকটা (এরচেয়ে ভালো) পোস্ট সমৃদ্ধকরণ স্ক্রিণ শট দেওয়া যাবে। ঘুরে আসুন না
বিষদেব বলেছেন: আমরাবন্ধু কোটা : শওকত হোসেন মাসুম।এইটাতে আপনার পর্যবেক্ষনকে স্বাগত জানাচ্ছি, সারাদিনে মোটমাট ৩ জন অনলাইন ব্লগার যাদের হারিকেন দিয়ে খুঁজলে মিনিট দুয়েক লগইন দেখা যায় আর গোটা চারেক ভিজিটর- লেখকও আবার রিপ ভ্যান উইঙ্কেল- তিনি কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন ব্লগের নাম জাতে তুলতে সেটাই তো যথেষ্ট নয় কি?.........নিঃসন্দেহে।
সামহোয়্যারইন ব্লগ কোটা : ইমন জুবায়ের।
ভাইপো শ্রেণী হিসেবে একে আপনার নিকটাত্মীয় বলে সন্দেহ করছিলাম, কি করব- আপনার মৌনতাই দায়ী। দুয়েক লাইন বলবেন দয়া করে, হোক না কিছু পিঠ চুলকাচুলকি?
টাইগার বামটা না হয় স্টিকি পোস্ট থেকেই কিছু ধার করে আনুন।
সচলায়তন কোটা : হিমু।
আপনি যে বিষয়ে দ্বিমত করছেন সেটায় আপনি সামান্য পরিমান জড়িত থাকার কারনেই অন্য বিষয় গুলো টেনে এনে অন্যদের সমতায় আনার জন্য অসঙ্গত মনে করেছেন। যে বাড়ীওয়ালা স্থানীয় মুরুব্বী ব্লগারটি সচলায়তন নামক লেখক ফোরামে (!) বসে দিব্যি 'পিতা মাতা ও তৎ সম্বন্ধনীয় লোকদের' সাথে কুকুর বেড়ালের অবৈধ সংগম প্রস্তাব ব্লগে লিখে বেড়ান এর নাম কিভাবে নির্বাচিত হয়? যে মডারেশন (হাসতে হাসতে মরি) ব্যবস্থার আরোপে রাসেল পারভেজ, মামুন ও অন্যান্য আরো ব্লগারদের কলম বন্ধ করে দেওয়া হয়, সেটার উপর লুঙ্গি তুলে মাহবুব আজাদরা লাঠালাঠি করে বঙ্গভাষার শ্রী বৃদ্ধি করছেন তিনি ডয়েচে বালে (কপিরাইটঃ আইজু) লেখক ফোরামটির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন..... কিছু নিম্ন মানের চুলকানি পোস্টসমৃদ্ধ ব্লগ বাংলা ব্লগ প্রতিযোগীতায় নামতে পারে ....ক্ষমা করো ভগবান
রেজওয়ান সম্ভবত আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড নন, অন্তত সেখান থেকেই আরো দুয়েকটা (এরচেয়ে ভালো) পোস্ট সমৃদ্ধকরণ স্ক্রিণ শট দেওয়া যাবে। ঘুরে আসুন না
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৩৮
লেখক বলেছেন: আপনার ভাবনার কিছু কিছু আমার সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। যদি কিছু মনে না করেন, এ বিষয়ে আমি আগামী পর্বে বিস্তারিত বলতে চাই।
সত্য প্রকাশের স্বার্থে ফেসবুক থেকে কিছু স্ক্রিনশট কি দিতে পারেন, যদি সম্ভব হয়?
সত্য প্রকাশের স্বার্থে ফেসবুক থেকে কিছু স্ক্রিনশট কি দিতে পারেন, যদি সম্ভব হয়?
১৭. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:০১
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন:

পর্যবেক্ষণে রইলো।
আমি খুব মজা পাচ্ছি এইসব আন্তব্লগ রাজনিতীতে।
জাল ভোট দেয়ার একখান সিস্টেম জানছি, এখন কথা হৈলো অটোবট তৈরি করা লাইগবো। আছেন নি কেউ?
আমিও গ্যালারীতে বৈলাম, ঐ কনফ্লিক্ট ভাই, সরেন মিয়া। জায়গা দেন।
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: পর্যবেক্ষণে রইলো।
আমি খুব মজা পাচ্ছি এইসব আন্তব্লগ রাজনিতীতে।
জাল ভোট দেয়ার একখান সিস্টেম জানছি, এখন কথা হৈলো অটোবট তৈরি করা লাইগবো। আছেন নি কেউ?
আমিও গ্যালারীতে বৈলাম, ঐ কনফ্লিক্ট ভাই, সরেন মিয়া। জায়গা দেন।
১৮. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:১৬
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: পুরো সামহোয়্যারের ৪০ হাজার ব্লগার ঝাঁপিয়ে পড়লেও পূর্বনির্ধারিত কাঁটা নড়াতে পারবেন না বোধহয়, যদি না ডয়চে ভেলে কর্তৃপক্ষ এখনই ত্বরিৎ ব্যবস্থা নেয়।
পারা যাবে।
একটা অটোবট ৫-১০ টা কম্পিউটারে। আর শখানেক ফেসবুক, টুইটার আইডি।
অনেকটা ভোটকেন্দ্র দখলের মতো।
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: পুরো সামহোয়্যারের ৪০ হাজার ব্লগার ঝাঁপিয়ে পড়লেও পূর্বনির্ধারিত কাঁটা নড়াতে পারবেন না বোধহয়, যদি না ডয়চে ভেলে কর্তৃপক্ষ এখনই ত্বরিৎ ব্যবস্থা নেয়। পারা যাবে।
একটা অটোবট ৫-১০ টা কম্পিউটারে। আর শখানেক ফেসবুক, টুইটার আইডি।
অনেকটা ভোটকেন্দ্র দখলের মতো।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৪৯
লেখক বলেছেন: হাহাহা। পারা যাবে না তা বলি না। রেজোওয়ানারা খুব ভদ্রভাবে বিধি মেনে ভোট দিচ্ছেন, তাই বলছি ওভাবে কাজ হবে না সারা জীবনেও। আপনার এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে অনেকেই এখন তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। সুশান্তরা বোধহয় ডয়চে ভেলে ব্লগ প্রতিযোগিতায় সব বিভাগে আমারব্লগকে জেতানোর জন্য রীতিমতো ভোট কারখানা খুলে বসেছে। হায়রে, এরা যদি ওভাবে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য তালিকায় কক্সবাজারকে জেতাতে পারতো!
১৯. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:১৬
রাইসুল জুহালা বলেছেন: @কনফ্লিক্ট, এস.কে.ফয়সাল আলম, রুদ্রপ্রতাপ এবং অন্যান্য গ্যালারীর দর্শকবৃন্দ - শুধুই গ্যালারীতে বসে মজা পাওয়ার ইচ্ছা হলে এই পোস্ট দেখে আসতে পারেন।
রাইসুল জুহালা বলেছেন: @কনফ্লিক্ট, এস.কে.ফয়সাল আলম, রুদ্রপ্রতাপ এবং অন্যান্য গ্যালারীর দর্শকবৃন্দ - শুধুই গ্যালারীতে বসে মজা পাওয়ার ইচ্ছা হলে এই পোস্ট দেখে আসতে পারেন। ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৫৩
লেখক বলেছেন: 
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৫৫
লেখক বলেছেন: কী উপায়?
২১. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৩০
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: নাহ, আমার আর কথা কওন ঠিক হৈতেছে না।
আন্তঃ ব্লগীয় রাজনিতীতে পৈড়া আমার আবার দফারফা না হয়া যায়।
রাইসুল জুহালা@ ভাই আমরা আম-কাঁঠাল জাতীয় ব্লগার, আমাদের চুপচাপ থাকাই ভালো। রথী মহারথীরা মারামারি করুক, আমরা লড়তে গেলে অঘোরে প্রাণ হারাবো।
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: নাহ, আমার আর কথা কওন ঠিক হৈতেছে না। রাইসুল জুহালা@ ভাই আমরা আম-কাঁঠাল জাতীয় ব্লগার, আমাদের চুপচাপ থাকাই ভালো। রথী মহারথীরা মারামারি করুক, আমরা লড়তে গেলে অঘোরে প্রাণ হারাবো।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৫৭
লেখক বলেছেন: আমি ব্লগীয় রাজনীতি-টাজনীতি বুঝি না। ওসবে আগ্রহও নেই। শুধু এটুকু জানি যে, সত্য কথাটা সাহস করে বলতে হবে।
২২. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ২:৪৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ভোটের ফলাফল দেখতে গিয়ে খুব অবাক হইলাম। কেন হইলাম তা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ভোটের ফলাফল দেখতে গিয়ে খুব অবাক হইলাম। কেন হইলাম তা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ৩:০৩
লেখক বলেছেন: আমি বরং অবাক হচ্ছি আপনাদের বোকামি দেখে। যেখানে কারসাজির সম্ভাব্য সব পথই খোলা এবং কারসাজির সবগুলো লক্ষণও সুস্পষ্ট সেখানে ভোট দিতে যাওয়াটাই বোকামির নামান্তর এবং শ্রেফ পণ্ডশ্রম।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ৩:০৪
লেখক বলেছেন: আমারও সেটাই মনে হয়।
২৪. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ৩:০০
তর্পন বলেছেন:
ডয়েশে ভেলের ব্লগ যাচাই, এমন ভোটের মানে কি? - ২
Click This Link
ডয়েশে ভেলের ব্লগ যাচাই, এমন ভোটের মানে কি?
Click This Link
এমন প্রতিযোগিতায় থাকার একদম কোন মানে নাই।
তর্পন বলেছেন: ডয়েশে ভেলের ব্লগ যাচাই, এমন ভোটের মানে কি? - ২
Click This Link
ডয়েশে ভেলের ব্লগ যাচাই, এমন ভোটের মানে কি?
Click This Link
এমন প্রতিযোগিতায় থাকার একদম কোন মানে নাই।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ৩:০৮
লেখক বলেছেন: দুটো লেখাই অসামান্য। ডয়চে ভেলে কর্তৃপক্ষের উচিত এখনই ভোট প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে তাদের প্রতিযোগিতা থেকে বহিষ্কার করা। তবে আমার সন্দেহ আছে ডয়চে ভেলের আন্তরিকতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে।
২৬. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ৩:৩৩
যেড ফ্রম এ বলেছেন: রাইসুল জুহালাকে ধন্যবাদ অমন একটি পোস্ট দেখিয়ে দেয়ার জন্য। একটু কোট করি-
*****************************************************************
সামুর বিভিন্ন পোস্টে যেরকম গেল রে গেল বলে চিৎকার শুরু হইছে, তাতে মনে হইতেছে ইমন জুবায়েরের ধারেকাছে কাউর আসার কথা না।
আমি তাই এইখানে পয়েন্ট আউট করতেছি যে ইমন জুবায়ের যা ভোট পাইছেন, সেইটাতে আমি কোনো সমস্যা দেখতেছি না। উনি কেন আরো বেশি ভোট পাইতেছেন না এর কারণ বলতে গিয়া আমি বলছি যে,
ক. ব্লগারদের সঙ্গে উনার ইন্টিমেসি কম, অন্যদের বেশি। খ.উনার লেখা বিতর্কিত অথবা আলোড়িত না।
গ. জেবতিক আর আইরিনের সামু পরিচিতির কারণে সামুর ভোট তাঁরাও ভালোই টানতেছেন।
এইটা আমার অবজার্ভেশন। আমার মনে হইছে এই কারণে অন্যরা বেশি ভোট পাইতেছে।
******************************************************************
ভোট কারচুপির কি আছে না আছে তা নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই। অপপ্রয়োগের সুযোগটা করে দিয়েছে ডয়েচে ভেলে। কিন্তু একটা প্রতিযোগিতায় অনেকগুলো বিভাগে কোন নির্দিষ্ট ব্লগের ব্লগাররা গনহারে সেরা হলে, ঐ ব্লগের ডোশিয়ারটা একটু উল্টে পাল্টে দেখতে ইচ্ছে করে। কোলকাতা ব্লগ বিশ্বমানে উন্নিত হয়েছে তা অবশ্য বলার অপেক্ষা রাখেনা।
হায় ভগবান। আউটলদের আখরায় যুক্তি আর ক্রিটিক্যাল এনালাইসিসের কি নহর বইছে। জুহালাকে আবার ধন্যবাদ ঐ নহরে স্নান পূর্বক বিমল ও নির্মল আনন্দ আহোরণের সুযোগ করে দেয়ায়।
===>রেজোওয়ানারা খুব ভদ্রভাবে বিধি মেনে ভোট দিচ্ছেন, তাই বলছি ওভাবে কাজ হবে না সারা জীবনেও। আপনার এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে অনেকেই এখন তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। সুশান্তরা বোধহয় ডয়চে ভেলে ব্লগ প্রতিযোগিতায় সব বিভাগে আমারব্লগকে জেতানোর জন্য রীতিমতো ভোট কারখানা খুলে বসেছে। হায়রে, এরা যদি ওভাবে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য তালিকায় কক্সবাজারকে জেতাতে পারতো!
যেড ফ্রম এ বলেছেন: রাইসুল জুহালাকে ধন্যবাদ অমন একটি পোস্ট দেখিয়ে দেয়ার জন্য। একটু কোট করি-*****************************************************************
সামুর বিভিন্ন পোস্টে যেরকম গেল রে গেল বলে চিৎকার শুরু হইছে, তাতে মনে হইতেছে ইমন জুবায়েরের ধারেকাছে কাউর আসার কথা না।
আমি তাই এইখানে পয়েন্ট আউট করতেছি যে ইমন জুবায়ের যা ভোট পাইছেন, সেইটাতে আমি কোনো সমস্যা দেখতেছি না। উনি কেন আরো বেশি ভোট পাইতেছেন না এর কারণ বলতে গিয়া আমি বলছি যে,
ক. ব্লগারদের সঙ্গে উনার ইন্টিমেসি কম, অন্যদের বেশি। খ.উনার লেখা বিতর্কিত অথবা আলোড়িত না।
গ. জেবতিক আর আইরিনের সামু পরিচিতির কারণে সামুর ভোট তাঁরাও ভালোই টানতেছেন।
এইটা আমার অবজার্ভেশন। আমার মনে হইছে এই কারণে অন্যরা বেশি ভোট পাইতেছে।
******************************************************************
ভোট কারচুপির কি আছে না আছে তা নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই। অপপ্রয়োগের সুযোগটা করে দিয়েছে ডয়েচে ভেলে। কিন্তু একটা প্রতিযোগিতায় অনেকগুলো বিভাগে কোন নির্দিষ্ট ব্লগের ব্লগাররা গনহারে সেরা হলে, ঐ ব্লগের ডোশিয়ারটা একটু উল্টে পাল্টে দেখতে ইচ্ছে করে। কোলকাতা ব্লগ বিশ্বমানে উন্নিত হয়েছে তা অবশ্য বলার অপেক্ষা রাখেনা।
হায় ভগবান। আউটলদের আখরায় যুক্তি আর ক্রিটিক্যাল এনালাইসিসের কি নহর বইছে। জুহালাকে আবার ধন্যবাদ ঐ নহরে স্নান পূর্বক বিমল ও নির্মল আনন্দ আহোরণের সুযোগ করে দেয়ায়।
===>রেজোওয়ানারা খুব ভদ্রভাবে বিধি মেনে ভোট দিচ্ছেন, তাই বলছি ওভাবে কাজ হবে না সারা জীবনেও। আপনার এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে অনেকেই এখন তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। সুশান্তরা বোধহয় ডয়চে ভেলে ব্লগ প্রতিযোগিতায় সব বিভাগে আমারব্লগকে জেতানোর জন্য রীতিমতো ভোট কারখানা খুলে বসেছে। হায়রে, এরা যদি ওভাবে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য তালিকায় কক্সবাজারকে জেতাতে পারতো!
২৭. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ৩:৩৬
যেড ফ্রম এ বলেছেন: আগের মন্তব্যের কন্টিনিউশন-
হাহাহা... সেদিন জিশান শা ইকরামের লেখায় মন্তব্য করেছিলাম -
"কোন লাভ নেই"
আর কাকে যেন বলেছিলাম আমি অন্তত তিনজন বিজয়ীর নাম এখনই বলে দিতে পারি।
যেড ফ্রম এ বলেছেন: আগের মন্তব্যের কন্টিনিউশন-হাহাহা... সেদিন জিশান শা ইকরামের লেখায় মন্তব্য করেছিলাম -
"কোন লাভ নেই"
আর কাকে যেন বলেছিলাম আমি অন্তত তিনজন বিজয়ীর নাম এখনই বলে দিতে পারি।
২৮. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ৩:৫১
রাইসুল জুহালা বলেছেন: @যেড ফ্রম এ, কলকাতা ব্লগের লিঙ্ক দিতে পারবেন? গুগলে সার্চ দিয়ে তো কিছু পেলাম না।
রাইসুল জুহালা বলেছেন: @যেড ফ্রম এ, কলকাতা ব্লগের লিঙ্ক দিতে পারবেন? গুগলে সার্চ দিয়ে তো কিছু পেলাম না। ২৯. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ ভোর ৪:১০
পেঁচালি বলেছেন: নির্বাচনে জিতার পর পুরুস্কার নিতে জার্মানীতে দুই সাপ্তাহ জন্য - তাহলে এই নির্বাচনে জিতা আমার জন্য খুব জরুরী। এত দিন ধরে টেরাই করটাছি বিডেশ যাওনের কিন্তু পারটাছি না । ভাই এসব নির্বাচনে নমিনেশন পাইতে হলে কি যোগ্যতা লাগে ??? জলদি কন ভাই - নেক্সট ইয়ার টেরাই নিমু - আমার আবার জার্মানী যাওনের বড় শখ - তাছাড়া ২ সাপ্তাহ পর পালাইয়া যাওনেরও একটা গোপন পেলান আছে
আমারে কেউ রং চা আর বিড়ি খাওয়ালে তারে আমার ভোটটা দিয়া দিতাম
পেঁচালি বলেছেন: নির্বাচনে জিতার পর পুরুস্কার নিতে জার্মানীতে দুই সাপ্তাহ জন্য - তাহলে এই নির্বাচনে জিতা আমার জন্য খুব জরুরী। এত দিন ধরে টেরাই করটাছি বিডেশ যাওনের কিন্তু পারটাছি না । ভাই এসব নির্বাচনে নমিনেশন পাইতে হলে কি যোগ্যতা লাগে ??? জলদি কন ভাই - নেক্সট ইয়ার টেরাই নিমু - আমার আবার জার্মানী যাওনের বড় শখ - তাছাড়া ২ সাপ্তাহ পর পালাইয়া যাওনেরও একটা গোপন পেলান আছে আমারে কেউ রং চা আর বিড়ি খাওয়ালে তারে আমার ভোটটা দিয়া দিতাম












বাংলা শব্দটার সাথেই বোধহয় দুর্নীতি'র ডিফল্ট লিংক আছে